সব

মাত্তুর গ্রাম

বাংলা মাধ্যম স্কুলে ক্লাস সেভেন এইটের সংস্কৃত বিভীষিকার আরেক নাম।শব্দ রূপ, ধাতুরূপ, বচন, প্রত্যয়, বুঝতে গিয়ে যে কতবার দিদিমনি মাস্টারমশাই দের কাছে কানমলা খেতে হয়েছে, সে অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই কম বেশি আছে।কিন্তু এই ভারতেই এমন একটা গ্রাম আছে যেখানে সবাই সংস্কৃতে কথা বলে।

কর্ণাটকের ছোট্ট একটা গ্রাম মাত্তুর।এখানে যেকোন বাড়িতেই অহরহ বলতে শোনা যায় সংস্কৃত শ্লোক।খেলার মাঠে,পাড়ার আড্ডায়, ঘরোয়া আড্ডায় সবাই এখানে মাতৃভাষার মত দক্ষতায় সংস্কৃত বলে।সেই ১৯৮১ সালে ‘সংস্কৃত ভারতী’ নামে এক সংগঠন এই মাত্তুর গ্রামে ১০দিনের একটা ওয়ার্কশপ করেছিল।সেই যে সংস্কৃত’র প্রতি গ্রামবাসীর টান তৈরী হল, আজও তা একইভাবে অটুট।তবে যদি এটা পড়ে আমরা ভেবে নিই যে এই গ্রামে সবাই বুঝি ঠাকুরমশাই, এবং লক্ষ্যও বোধহয় জীবনে সংস্কৃতের পণ্ডিতমশাই হওয়া, তাহলে ভুল হবে।এই গ্রামের অধিকাংশ ঘরে একজন মেডিক্যাল কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া পাওয়া যাবে।প্রাচীন এবং আধুনিকের এই মেলবন্ধন আজকের যুগে সত্যিই বিরল।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়



তাঁর সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন