সববাংলায়

সববাংলায় এর প্রতিষ্ঠাতাদের পাশাপাশি লেখক, সম্পাদক, সোশ্যাল মিডিয়া কর্মীরা যেমন আছেন তেমনই আছেন সববাংলায় শুভানুধ্যায়ী। তাঁরা বিভিন্ন ভাবে সববাংলায়কে সাহায্য করেছেন এবং করে চলেছেন। সেই সমস্ত শুভানুধ্যায়ীদের পরিচিতি নিচে দেওয়া হল।


সুমন নাথ : সুমন নাথের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায়। কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বি টেক পাশ করেছেন। পেশাগতভাবে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসাবে কাজ করছেন। তিনি সববাংলায় সাইটের সহ প্রতিষ্ঠাতা এবং সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০১৭ সাল অবধি টেকনিক্যাল লিড হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সববাংলায় সাইট প্রতিষ্ঠার সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। কোডিং করতে খুব ভালবাসেন। এছাড়াও গান শুনে এবং সিনেমা দেখে তিনি অবসর সময় কাটাতে ভালবাসেন।


অয়ন মৈত্র : অয়ন মৈত্রের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায়। পেশায় একটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষার শিক্ষক। তিনি সববাংলায় সাইটের সহ প্রতিষ্ঠাতা। সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস অবধি প্রধান সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তী দুই মাস বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবে সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। নেশা বলতে বিভিন্ন বিষয়ে অবাধ জ্ঞানচর্চা, সাথে ফটোগ্রাফি এবং সাহিত্য চর্চা। বাংলা সাহিত্য জগতের বেশ কিছু প্রথমসারির পত্রিকায় তাঁর কবিতা ও প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে।


অরিত্র চট্টোপাধ্যায় : অরিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায়। কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বি টেক পাশ করেছেন। পেশাগতভাবে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসাবে কাজ করছেন। সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০১৮ সাল থেকে অনিয়মিত লেখক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। ২০২০ সালের লেখালিখি সাইট প্রতিষ্ঠার সময় তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য এবং লেখালিখি সাইটের প্রথম সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন তিনমাস। পরবর্তীকালে সববাংলায় এবং লেখালিখি এই দুই সাইটেরই অনিয়মিত লেখক হিসাবে কাজ করেছেন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যখন লেখালিখি সাইটের সম্পাদকমণ্ডলী গঠিত হয়, তখন থেকেই তিনি সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য।। পেশাগত কাজের বাইরে তাঁর সময় কাটে বই পড়ে, গান শুনে, এবং আবৃত্তি-চর্চায়।


রাজীব চক্রবর্ত্তী : রাজীব চক্রবর্ত্তীর জন্ম কলকাতার সিঁথিতে। পেশায় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী। ২০২০ সালে লেখালিখি সাইট শুরুর সময় থেকেই তিনি এই সাইটে লিখে আসছেন। লেখালিখি সাইটে তাঁর লেখা ‘হাবুকথা’ গল্পের সিরিজটি পাঠকমহলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। লেখালিখি ওয়েবজিন প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য এবং ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০২৪ সালের জুন মাস অবধি তিনি লেখালিখি ওয়েবজিনের পাশাপাশি লেখালিখি সাইটের সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরবর্তীকালে, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যখন লেখালিখি সাইটের সম্পাদকমণ্ডলী গঠিত হয়, তখন থেকেই তিনি সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। পেশাগত কাজের বাইরে তাঁর সময় কাটে মূলত লেখার মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি লিট্ল ম্যাগাজিনে লিখেছেন গল্প, কবিতা। ২০১৭ সালে প্রকশিত “সংশ্লেষ” নামক গদ্য সংকলনে স্থান পেয়েছে তাঁর মুক্তগদ্য। ঐ একই বছরে সোনারপুর কাব্যমঞ্চ আয়োজিত স্বরচিত কবিতা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান লাভ করেন তিনি। ২০১৯ সালে প্রকাশিত “অন্য গদ্য” গ্রন্থে স্থান পেয়েছে তাঁর গদ্য। জীবনের বিবিধ অনুভূতি, বাস্তবতাকে ছন্দে বাঁধার প্রয়াসে তাঁর কবিতাচর্চা।


ডঃ অভীক সিংহ : ডঃ অভীক সিংহের জন্ম মামাবাড়ি, পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুরে। পেশায় অর্থনীতির অধ্যাপক এবং গবেষক, কাজ করেছেন লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয় (চীন), ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট গুরগাঁও, এবং গোয়া ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টের সাথে। বাবার কর্মসূত্রেই ছয় বছর বয়সে কলকাতা থেকে মেদিনীপুরে চলে আসা, এবং সেখানেই কাটিতে দেওয়া প্রায় দুই দশকের বেশি। মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশুনো শেষ করে তিনি ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি দুর্গাপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং ইণ্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেণ্ট ইন্দোর থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট। লেখালিখি সাইট প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তিনি সাইটের অনিয়মিত লেখক ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি সাইটে নিয়মিত লিখতে শুরু করেন এবং লেখালিখি সাইটে তাঁর লেখা ‘চা-টা’ গল্পের সিরিজটি পাঠকমহলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পরবর্তীকালে, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে যখন লেখালিখি সাইটের সম্পাদকমণ্ডলী গঠিত হয়, তখন থেকেই তিনি সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য। পার্ট্রিজ পাবলিকেশনের হাত ধরে প্রথম বই “R.E.CALL: এক Recollian-এর গল্প” প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে। দাদুর কাছে লেখালিখি, বাবার কাছে ছবি আঁকা, এবং মায়ের কাছে যন্ত্রসঙ্গীতের শিক্ষা। এখন সময় পেলেই নিত্যনতুন রান্নাবান্না নিয়ে থাকতেই ভালবাসেন।


কৃষ্ণাশীষ রায় : কৃষ্ণাশীষ রায়ের জন্ম পশ্চিমবাংলায়। কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বি টেক পাশ করেছেন। পেশাগতভাবে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসাবে কাজ করছেন। সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল অবধি অনিয়মিত লেখক এবং সোশ্যাল মিডিয়া কর্মী হিসাবে যুক্ত ছিলেন। সববাংলায় এবং লেখালিখি দুই সাইটেই অনিয়মিতভাবে ভ্রমণের লেখা লিখেছেন। তিনি একজন ভ্রমণ পিপাষু মানুষ। তিনি দেশে-বিদেশে ঘুরতে এবং সেই ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখালিখি করতে ভালোবাসেন।


মিজানুর রহমান সেখ : মিজানুর রহমান সেখের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার রামকৃষ্ণপুর গ্রামে। পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছেন। এছাড়া ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ এস অ্যাসোসিয়েশন থেকে বিজ্ঞান সাংবাদিকতার উপর সার্টিফিকেট কোর্স করেছেন। পেশায় একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০২০ সালে অনিয়মিত লেখক হিসাবে কাজ করেছেন। সববাংলায় সাইট এবং লেখালিখি দুই সাইটেই বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখেছেন। এছাড়াও সমাজসেবা ও শিক্ষামূলক বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সাথে যুক্ত আছেন। তাঁর শখ লেখালিখি, পড়াশুনো এবং ঘুরতে যাওয়া।


অঙ্কিতা কোলে : অঙ্কিতা কোলের জন্ম হাওড়া জেলায়। পেশাগতভাবে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী। সববাংলায় প্রতিষ্ঠানে ২০২১ সালের মার্চ মাসে লেখিকা হিসেবে কাজ করেছেন। পরবর্তীকালে লেখক হিসাবে কাজ না করলেও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সববাংলায় ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন।


শিখা চক্রবর্তী : শিখা চক্রবর্তীর জন্ম হুগলি জেলার কোন্নগরে। শ্রীরামপুর কলেজ থেকে ইতিহাসে অনার্স পাশ করেছেন। স্বামীর কর্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসের সুযোগ ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়। স্কুলে পড়ার সময় থেকে ছড়া লেখার অভ্যাস ছিল। তারপর থেকে অনিয়মিত হয়ে এই চর্চা বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে ৯০ এর দশকে দেশ কাল নামের একটি লিটল ম্যাগাজিনে কোন্নগরে র ইতিহাস নিয়ে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালে করোনার সময়কালে আবার লেখার চর্চা শুরু এবং সেই সময় থেকেই লেখালিখি সাইটে লিখে আসছেন।। ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল অবধি তিনি সববাংলায় প্রতিষ্ঠানকে নানাভাবে সাহায্য করেছেন। গান শোনা, সিনেমা দেখা আর ফোনে নানা রকম নিউজ ও ভিডিও দেখে সময় কাটে। বই পড়ার বিশাল শখ থাকলেও চোখের কারণে পড়া হয়না।



সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।