সববাংলায়

জাপানের ম্যানহোল

বিভাগঃ ,

ম্যানহোলের সঙ্গে সমস্ত উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের সমস্ত শহরই কম বেশি পরিচিত। এই পৃথিবীতেই এমন একটি দেশ রয়েছে যেখানে এই অতি তুচ্ছ ম্যানহোলের ঢাকনা সেই দেশের শিল্পীর ছোঁয়ায় হয়ে উঠেছে চিত্রকলার অপরূপ ক্যানভাস। জাপানের ম্যানহোল সেরকমই শিল্পীর ক্যানভাস।

আসুন পরিচয় করিয়ে দিই জাপানের এই ম্যানহোল আর্টের (mahole art) সঙ্গে।১৯৮০ সালে প্রথম জাপান শহরের পয়ঃ প্রণালী ব্যবস্থার আধুনিকীকরনের উদ্দেশ্যে শহর ও গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত ম্যানহোল গুলিকে সাজিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই শুরু।

আজ অবধি প্রায় শহর ও গ্রাম মিলিয়ে প্রায় ৬০০০ ম্যানহোলকে শিল্পীরা তাদের তুলির টানে অপরূপ করে তুলেছে।

জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায় জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায় জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায় জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায় জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায়

জাপানের ম্যানহোল » সববাংলায়

তবে এটা ভাবা একান্তই ভুল হবে যে এই ম্যানহোলগুলি শিল্পীর ‘আপন মনের মাধুরী মিশায়ে’ তৈরী। প্রতি মিউনিসিপ্যালিটির একটি করে নিজস্ব থিম আছে যার সাথে মিশেছে প্রচলিত এবং প্রবহমান স্থানীয় বিশ্বাস, সংস্কৃতি।

পারমাণবিক বোমা আসলে শরীর পুড়িয়ে দিতে পারে, শহর গুঁড়িয়ে দিতে পারে কিন্তু একটা দেশের মানুষগুলোর মনের কল্পনার রংটাকে কেবল ফিকে করতে পারেনা কোনভাবেই।মুখ ফিরিয়ে চলে যাত্তয়া ম্যানহোল সামান্য ভাবনায়, ইচ্ছায় শিল্পের ছোঁয়ায়; বিশ্বের দরবারে হয়ে উঠল শোভনীয়। গোটা বিশ্বের কাছে স্বচ্ছতার এই দৃষ্টান্ত সত্যিই অনুকরণ করার মতন।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading