বাংলা সাহিত্যভাণ্ডারে রয়েছে অসংখ্য ভাল ভাল বই যা প্রত্যেক বাঙালির পড়া উচিত। বইপ্রেমী বাঙালি অনেক সময় হাতড়ে বেড়ান কোন বই পড়বেন, তাই এখানে আমরা সেই সব অবশ্য পাঠ্য বইয়ের তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি।
সকলকে অনুরোধ আপনিও এখানে আপনার মতামত জানান। একটা অনুরোধ – যদি কোন বই এর নাম কেউ আপনার আগেই উল্লেখ করে থাকেন তাহলে সেটি আর উল্লেখ করবেন না। এটি আপনার প্রিয় বইয়ের তালিকা নয় বরং সেই সকল পাঠককে সাহায্য করার প্রয়াস যাঁরা কিছু ভাল বই পড়তে চান।
তবে একথা অনস্বীকার্য সকলেই তাঁর রুচি অনুযায়ী বই পড়বেন এবং ব্যক্তিগত ভাল লাগা মন্দ লাগা থাকবেই।
প্রত্যেক বাঙালির পড়া উচিত এমন ১০ টি গদ্যধর্মী বইয়ের নাম দিলাম। আরও অনেক দেওয়া যায়, কিন্তু আমার বিশ্বাস বাকি বন্ধুরা সেইসব বইয়ের নাম দেবেন।
১। আনন্দমঠ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (আসলে বঙ্কিম উপন্যাসসমগ্র পড়া উচিত)
২। গল্পগুচ্ছ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৩। আরণ্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪। হাঁসুলীবাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৫। তিতাস একটি নদীর নাম – অদ্বৈত মল্লবর্মণ
৬। পুতুল নাচের ইতিকথা – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৭। শেষ নমস্কার – শ্রীচরণেষু মাকে – সন্তোষকুমার ঘোষ
৮। মৈত্রেয় জাতক – বাণী বসু
৯। রূপমঞ্জরী – নারায়ণ সান্যাল
১০। প্রথম আলো – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
অবশ্য-পাঠ্য কিনা বলতে পারি না (কিছু পাঠ না করলেও দিব্যি চলে, অনেক মানুষের), তবে কিছু লেখা (সব কটা আলাদা বই হয়েছে কিনা জানা নেই) যা আমাকে ভাবিয়েছে, সমৃদ্ধ করেছে, তেমন কিছু উপন্যাসের কথা লিখলাম (কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদি ধরে ধরে লেখা কঠিন, তবে নন-ফিকশনের একটা লিস্ট করাই যায়):
ডমরু চরিত (ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়)
ঘরে-বাইরে, যোগাযোগ, গোরা, শেষের কবিতা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
অন্তর্জলি যাত্রা, গোলাপ সুন্দরী (কমলকুমার মজুমদার)
কপালকুণ্ডলা, রজনী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
ঢোঁড়াই চরিত মানস (সতীনাথ ভাদুড়ী)
চিলেকোঠার সেপাই (আখতারুজ্জামান ইলিয়াস)
মাল্যবান (জীবনানন্দ দাশ)
নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে (অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়)
অহিংসা, শহরতলী, দিবা রাত্রির কাব্য ( মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)
অনুবর্তন (বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়)
কবি (তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়)
শেষ প্রশ্ন (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)
শাম্ব (কালকূট)
শাহজাদা দারাশুকো (শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়)
ঈশ্বর পৃথিবী ভালবাসা (শিবরাম চক্রবর্তী)
জঙ্গলের দিনরাত্রি, আমি ও বনবিহারী (সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়)
তিস্তা পারের বৃত্তান্ত (দেবেশ রায়)
দোজখনামা (রবিশঙ্কর বল)
….লিস্ট শেষ হবার নয় 🙂
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।
