সববাংলায়

গুগল সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য

গুগল। বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক আরাধ্য দেবতার নাম।কিন্তু এই গুগল সম্পর্কে আমরা বলতে গেলে বেশ কমই জানি।আজ গুগল সম্পর্কে বেশ কিছু মজাদার তথ্য দেওয়া হল নিচে। দেখুন তো জানেন কিনা…

১। বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে গুগল তাদের লোগো পাল্টে ফেলে। আর এইপাল্টে ফেলা বিশেষ লোগোর নাম ‘ডুডল’। এখন পর্যন্ত গুগল ১৯০০-এর বেশি ডুডল প্রকাশ করেছে। ১৯৯৮ সালের ‘বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যাল’-এর জন্য প্রথম ডুডলটির ডিজাইন করেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রাইন। তবে বর্তমানে লোগোর ডিজাইন করার জন্য গুগলের একটি বিশেষ টিম রয়েছে, এই টিমের সদস্যদের ডাকা হয় ডুডলার নামে।

২। গুগল (Google) এই নামের ইতিহাসটাও কিন্তু বেশ মজার। ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রাইন অনেক ভেবে নাম ঠিক করলেন Googol, যে শব্দটি আসলে প্রমাণ সাইজ একটি সংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে (১ Googol= ১০১০)। প্রতিষ্ঠাতাদের ইচ্ছা ছিল, এই সংখ্যার মতো প্রকাণ্ড ব্যাপ্তি হবে তাদের সার্চ ইঞ্জিনের। কিন্তু বিধি বাম, ভুল বানানে Googol হয়ে গেল Google! প্রতিষ্ঠাতারাও ভাবলেন নামটা মন্দ লাগছে না, পাকা করে ফেললেন Google নামটিকেই। তবে বানান এদিক-সেদিক হলেও বিশালতার দিকে থেকে Google কিন্তু কম যায় না!

৩। ক্যালিফোর্নিয়া গ্যাজলিং নামের এক প্রতিষ্ঠান থেকে গুগল প্রতিবছর ছাগল ভাড়া করে থাকে! ছাগল শুনে হয়তো ভ্রু কুঁচকে ফেলছেন, আসলে এর পেছনে রয়েছে এক চমকপ্রদ কারণ। এই ছাগলগুলোর কাজ গুগল হেডকোয়ার্টারের পাশে জমে যাওয়া আগাছা আর ঘাস সাবাড় করা।

৪। ১৯৯৮ সালে গুগল যখন যাত্রা শুরু করে, তখন তার সার্ভার ছিল মাত্র ৪০ গিগাবাইটের। ল্যারি পেজ তাঁর লেগো দিয়ে এই সার্ভার ডিজাইন করেন। গুগলের সার্ভারের আকার এখন ১০০ মিলিয়ন গিগাবাইট।

৫। বর্তমানে ৪০০ বিলিয়নেরও বেশি মূল্যের গুগল কিন্তু ১৯৯৯ সালেই বেচে দিতে চেয়েছিলেন দুই প্রতিষ্ঠাতা। তখন দাম উঠেছিল মোটে এক মিলিয়ন ডলার! ভাগ্যিস শেষ পর্যন্ত আর মনে সায় দেয়নি ল্যারি ও ব্রাইনের!

৬। গুগল ইনকরপোরেটের বিশালতা বোঝানো যায় একটি পরিসংখ্যান দিয়ে। ২০১০ সালের পর গুগল গড়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান কিনে নিচ্ছে!

৭। গুগলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষীই বলতে হয়। ২০২০ সালের মধ্যে সারা পৃথিবীর প্রায় ১২৭ মিলিয়ন বই স্ক্যান করে নিজস্ব ডেটাবেইসে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে গুগল। তা ছাড়া তারা এমন একটি কম্পিউটার বানানোর চেষ্টা করেছে, যেটি নিজেই প্রোগ্রাম লিখতে পারবে। বুদ্ধিমান কম্পিউটার বুঝি একেই বলে!

৮। গুগল হোমপেজ দেখা যায় প্রায় নব্বইটি ভাষায়। এর ভেতরে কিছু অদ্ভুত ভাষাও আছে। যেমন জনপ্রিয় মুভি সিরিজ স্ট্রারট্রেক-এ ব্যবহৃত ‘ক্লিংওন’ ভাষা কিংবা দ্য মাপেট সিনেমায় ব্যবহৃত ‘বর্ক বর্ক বর্ক’ ভাষা।

৯। প্রতি সেকেন্ডে গুগলে প্রায় ৪০ হাজার সার্চ করা হচ্ছে। গুগলের প্রতিটি সার্চের জন্য যে পরিমাণ কম্পিউটিং দরকার হয়, তা অ্যাপোলো ১১-কে চাঁদে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত কম্পিউটিংয়ের চেয়েও বেশি!


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading