ধর্ম

বড়দিনের সাথে ‘জিঙ্গল বেল’ গানটি জড়িয়ে গেল কিভাবে

বড়দিনের সাথে 'জিঙ্গল বেল' গানটি জড়িয়ে গেল কিভাবে

বড়দিনের কেক, সাণ্টা ক্লজ, ক্রিসমাস ট্রি যদি বড়দিনের আসল আমেজ তৈরি করে, তবে সেই পরিবেশকে আনন্দঘন করে তোলে একটাই গান-জিঙ্গল বেল।কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই গানটির কোথাওই একবারের জন্যও ক্রিসমাস বা সাণ্টা ক্লজ কোনো উল্লেখ নেই।তাহলে ক্রিসমাসের গান হিসেবে এটিকে গাওয়া হয় কেন পৃথিবী জুড়ে?

জিঙ্গল বেল গানটির সঙ্গে ক্রিসমাসের কোন সংযোগ কস্মিনকালেও ছিলনা। ১৮৫০-এ আমেরিকার জেমস লর্ড পিয়েরপন্ট যখন গানটি লেখেন তখন শীতকালীন মজা ও হুল্লোড়ের কথা ভেবেই লেখেন। গানটি আসলে বরফের ওপর দিয়ে ঘোড়ায় টানা স্লেজ গাড়ির রেস নিয়েই লেখা।গানটির নামেও সেই উল্লেখই আছে।১৮৫৭-তে গানটি যখন প্রকাশিত হয় তখন ‘One horse open sleigh’ নামেই প্রকাশিত হয়।


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

কেউ কেউ বলেন পিয়েরপন্ট নাকি থ্যাংকসগিভিংয়ে তার বাবার রবিবারের ক্লাসের কথা ভেবেই লিখেছিলেন ।সবই তো বোঝা গেল। কিন্তু ক্রিসমাসে তাহলে এটা গাওয়া হয় কেন? ফোনোগ্রাফ রেকর্ড ও পরবর্তী সময়ে রেডিওর আগমনের ফলে বার বার এই গানটি শুনতে শুনতে একসময় এটি ক্রিসমাসের সঙ্গে জড়িয়ে যায়।জিঙ্গল বেল নিয়ে সেই সময় যত রেকর্ড বেরিয়েছিল তার মধ্যে বিং ক্রসবির সাথে আ্যন্ড্রু বোনেদের গাওয়া রেকর্ডটিই সবথেকে জনপ্রিয় হয়। ১৯৪৩ এ তাদের করা রেকর্ডের সুরেই আজ আমরা জিঙ্গল বেল গেয়ে থাকি।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

মনোরথ দ্বিতীয়া ব্রতকথা নিয়ে জানতে


মনোরথ দ্বিতীয়া

ছবিতে ক্লিক করুন

বিধান রায় ছিলেন আদ্যোপান্ত এক রসিক মানুষ। তাঁর রসিকতার অদ্ভুত কাহিনী



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন