সববাংলায়

পিথাগোরাস 

মানব সভ্যতায় কখনও কখনও এমন কিছু প্রতিভাবান মানুষের আবির্ভাব ঘটে যাঁরা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে জ্ঞানের বহুমুখী পথ খুলে দেন নিজের মেধার সাহায্যে। গ্রীক দার্শনিক পিথাগোরাস (Pythagoras) তেমনই একজন ব্যক্তিত্ব। তবে কেবল দার্শনিক বললেই তাঁর পরিচয় সম্পূর্ণ হয় না, গাণিতিক এবং বৈজ্ঞানিক নানা আবিষ্কারের কৃতিত্বও দেওয়া হয় তাঁকে। আধুনিক বিজ্ঞানমহলে জনপ্রিয় পিথাগোরিয়ানবাদের জনক ছিলেন তিনিই। পিথাগোরাসই প্রথম বিশ্বকে পাঁচটি জলবায়ু অঞ্চলে বিভক্ত করেছিলেন। তিনি মিউজিক ইউনিভার্সালিসের মতবাদও তৈরি করেছিলেন, যে মতবাদ মূল হল – গ্রহগুলি গাণিতিক সমীকরণ অনুসারে চলে এবং এইভাবে সঙ্গীতের একটি অশ্রাব্য সিম্ফনি তৈরি করে। পিথাগোরিয়ান উপপাদ্য, অনুপাতের তত্ত্ব ইত্যাদি তাঁর নিজস্ব অবদান। পিথাগোরাসের দর্শন পরবর্তীকালে প্লেটো, অ্যারিস্টটলের মতো দার্শনিককে যেমন প্রভাবিত করেছিল, তেমনই নিউটন, কোপারনিকাসের মতে বিজ্ঞানীকেও প্রভাবিত করেছিলেন তিনি।

পিথাগোরাসের জীবন সম্পর্কে যথাযথ তথ্যের উৎস প্রায় নেই বললেই চলে, তবে বেশ কিছু ঐতিহাসিকের লেখা থেকে তাঁর যে জীবনবৃত্তান্ত উদ্ধার করা যায়, তা অধিকাংশই মনে হয় অনুমাননির্ভর এবং কিংবদন্তিতে পূর্ণ। পিথাগোরাসের প্রথম সংক্ষিপ্ত বিবরণ পাওয়া যায় হেরোডোটাসের রচনায়৷ এছাড়াও আইসোক্রেটিস এবং নিওপ্লেটোনিস্ট দার্শনিক পোরফিরি ও ইমব্লিচুস পিথাগোরাসকে নিয়ে গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।

হেরোডোটাস, আইসোক্রেটিসদের মতে, এজিয়ানের গ্রীক দ্বীপ সামোসে পিথাগোরাসের জন্ম হয়। ঐতিহাসিকরা গবেষণার মাধ্যমে আনুমানিক ৫৭০ খ্রীস্টপূর্বাব্দকে পিথাগোরাসের জন্ম সময় বলে ধরেন। উরুর উপর একটি জন্মচিহ্নের বর্ণনা ছাড়া তাঁর শারীরিক অন্যান্য বিবরণগুলি কাল্পনিক হতে পারে। কেউ বলেন পিথাগোরাসের দুজন আবার কারও মতে আরও তিনজন ভাই ছিল। হেরোডোটাসরা বলেন, পিথাগোরাসের পিতার নাম ম্নেসারকাস (Mnesarchus) এবং তিনি মূলত ছিলেন একজন রত্ন-খোদাইকারী বা ধনী বণিক। কেউ বলেন তিনি সামোস দ্বীপের বাসিন্দা ছিলেন না, আবার ইমব্লিচুস পিথাগোরাসের পিতাকে সামোস দ্বীপের বাসিন্দা বলেই মনে করেন। পিথাগোরাসের মা সামোসেরই বাসিন্দা এবং একটি জিওমোরোই পরিবারের মেয়ে ছিলেন বলে মনে করা হয়। টায়ানার অ্যাপোলোনিয়াস তাঁর নাম দেন পাইথাইস।

পিথাগোরাস যখন বেড়ে উঠছিলেন সামোসে, তখন এই দ্বীপ সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল যা উন্নত স্থাপত্য প্রকৌশলের কৃতিত্বের জন্য পরিচিত ছিল। ইউপালিনোসের টানেল নির্মাণ এবং রায়টস ফেস্টিভ্যাল সংস্কৃতির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিল এই দ্বীপ। একটু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাবার সঙ্গে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সফরেও গিয়েছিলেন পিথাগোরাস। বেশ কয়েকজন ঐতিহাসিকের মতে, ম্নেসারকাস তাঁর পুত্র পিথাগোরাসকে টায়ারে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে সম্ভবত তাঁকে ক্যালডেন এবং সিরিয়ার পণ্ডিত ব্যক্তিরা শিক্ষা দিয়েছিলেন। মনে করা হয়, পিথাগোরাস তাঁর বাবার সাথে ইতালিতে গিয়েছিলেন। 

ছোটবেলা থেকেই পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি প্রাচীন গ্রীসের এক বাদ্যযন্ত্র লিয়ার বাজাতে শিখেছিলেন এমনকি হোমারের রচনাও আবৃত্তি করতে পারতেন। তিনজন দার্শনিকের কথা জানা যায় যাঁরা পিথাগোরাসকে প্রভূত প্রভাবিত করেছিলেন৷ এঁদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন ফেরেকাইডস, যাঁকে অনেকে পিথাগোরাসের শিক্ষক হিসেবে বর্ণনা করেন। অন্য দুই দার্শনিক যাঁরা পিথাগোরাসকে প্রভাবিত করেছিলেন এবং তাঁকে গাণিতিক ধারণার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁরা হলেন থ্যালেস এবং তাঁর ছাত্র অ্যানাক্সিমান্ডার যাঁরা দুজনেই মিলেটাসে থাকতেন। কথিত আছে যে মিলেটাসে থ্যালেসের সাথে যখন দেখা করেছিলেন তখন পিথাগোরাসের বয়স ছিল ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। অ্যানাক্সিমান্ডার জ্যামিতি এবং সৃষ্টিতত্ত্বে আগ্রহী ছিলেন এবং তাঁর অনেক ধারণা পরবর্তীকালে পিথাগোরাসের নিজস্ব মতামতকে প্রভাবিত করেছিল।

সাধারণত মনে করা হয় যে, পিথাগোরাসের বেশিরভাগ শিক্ষাই প্রাচ্যদেশ থেকে প্রাপ্ত। কথিত আছে, পলিক্রেটস সামোস শহরে আধিপত্য কায়েম করবার পর তাঁর অত্যাচারের কারণেই খ্রীস্টপূর্ব ৫৩৫ সাল নাগাদ পিথাগোরাস মিশরে চলে গিয়েছিলেন। কেউ কেউ আবার বলে থাকেন, পিথাগোরাস এবং পলিক্রেটসের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কই ছিল এবং পলিক্রেটসের লেখা একটি পরিচয়পত্র নিয়েই নাকি মিশরে গিয়েছিলেন পিথাগোরাস। অনেকে আবার বলেন থ্যালেসের পরামর্শেই মিশরে যান তিনি। মিশরে অনেক মন্দির পরিদর্শন করেছিলেন এবং ডিওসপোলিসের মন্দিরে প্রয়োজনীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে ভর্তি নেওয়া হয় তাঁকে। এই সুযোগ পাওয়া একমাত্র বিদেশি ছিলেন তিনি। লেখক অ্যান্টিফনের মতে, ফ্যারাও দ্বিতীয় অ্যামাসিসের কাছে মিশরীয় ভাষায় কথা বলতে শিখেছিলেন। কিছু প্রাচীন লেখক দাবি করেছেন যে পিথাগোরাস মিশরীয়দের কাছ থেকে জ্যামিতি এবং মেটেম্পসাইকোসিসের মতবাদ শিখেছিলেন। যদিও অনেকের মতে, পিথাগোরাস এগুলি পারস্যের ম্যাজাইদের কাছে শিখেছিলেন।

ডায়োজেনিস ল্যারটিয়াস দাবি করেন যে পিথাগোরাস পরে ক্রিট পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি এপিমেনাইডসের সাথে ইডা গুহায় যান। ফিনিশিয়ানরা পিথাগোরাসকে পাটিগণিত এবং ক্যালডীয়রা তাঁকে জ্যোতির্বিদ্যা শিখিয়েছিল বলে মনে করা হয়। এমনকি ইহুদী এবং ভারতীয় ঋষিদের কাছেও তিনি অধ্যয়ন করেছিলেন বলে অনেকের মত। অনেকে আবার পৌরাণিক অরফিয়াসকেও পিথাগোরাস শিক্ষক মনে করেন। অনেকে গ্রীক ঋষি ফেরেসিডিসকে বলেছেন পিথাগোরাসের শিক্ষক।

প্রায় দশ বছর পিথাগোরাস মিশরে বসবাস করেছিলেন বলে মনে করা হয়। আনুমানিক ৫২৫ খ্রীস্টপূর্বাব্দ নাগাদ মিশর এবং পারস্যের এক যুদ্ধ হয় বলে জানা যায়। সেই যুদ্ধে পারস্যের সম্রাট ক্যাম্বিসেস মিশর জয় করেন এবং পিথাগোরাসকে বন্দী করে নিয়ে  যাওয়া হয় ব্যাবিলনে। সেখানেই ম্যাজাই নামে পরিচিত পারস্য যাজকদের সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। তাঁদের অধীনে গণিত এবং গাণিতিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি সঙ্গীত অধ্যয়ন করতে শুরু করেন। ৫২২ খ্রীস্টপূর্বাব্দে পারস্যের দ্বিতীয় ক্যাম্বিসিস রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মারা যান এবং সোমাসের অত্যাচারী শাসক পলিক্রেটিসও নিহত হন। ফলে ৫২০ খ্রীস্টপূর্বাব্দ নাগাদ পিথাগোরাস ফিরে যান সামোসে।

সামোসে ফেরার পর পিথাগোরাস ‘দ্য সেমিসারকেল’ নামে একটি স্কুল তৈরি করেছিলেন বলে মনে করা হয়। তাঁর শিক্ষাপদ্ধতি ছিল ভিন্ন ধরনের এবং তা খুব কম মানুষের কাছেই আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল। নেতারা তাঁকে নগর প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিলেন কিন্তু তিনি রাজি হননি তাতে। দু’বছর পর সামোস ত্যাগ করেন পিথাগোরাস, কারণ সেখানে অনেকেই তাঁর দর্শন এবং ধারণার প্রতি বিরূপ ও বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করেছিলেন।  সেখান থেকে ৫১৮ খ্রীস্টপূর্বাব্দে তৎকালীন গ্রীসের অংশ এবং বর্তমানে দক্ষিণ ইতালিতে অবস্থিত ক্রোটন শহরে চলে যান তিনি। সেখানেই তাঁর আসল কর্মযজ্ঞের সূত্রপাত বলা যায়। সেখানে তাঁর মতবাদের অনুসারীদের পেলেন, যাঁরা পিথাগোরিয়ান নামে পরিচিত হয়েছিলেন। ক্রোটনে পিথাগোরাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধর্মীয় এবং একই সঙ্গে এক দার্শনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। সেখানে পিথাগোরিয়ানরা দুটি দলে বিভক্ত ছিল। যাঁরা বিদ্যালয়ে থাকতেন এবং কাজ করতেন তাঁরা ম্যাথেম্যাটিকোই বা শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচিত ছিল। যাঁরা বিদ্যালয়ের বাইরে থাকতেন, তাঁরা আকুসমেটিক বা শ্রোতা হিসাবে পরিচিত ছিল। এই উভয় দলেরই গুরু ছিলেন পিথাগোরাস।

এখানে উল্লেখ্য যে, এই ক্রোটনেই পিথাগোরাস তাঁর বিদ্যালয়ের এক শিষ্যা এবং প্রথম শিক্ষার্থী থিয়েনোকে বিবাহ করেন বলে অনেকের মত। যদিও কেউ কেউ থিয়েনোকে কেবল শিষ্যাই বলে থাকেন। বিভিন্ন সূত্রানুযায়ী তাঁদের টেলাউজ নামে এক পুত্র এবং ডামো, অ্যারিগনোট ও মাইয়া নামে তিন কন্যা সন্তান ছিল। অনেকে বলেন তাঁদের সন্তান ছিল সাতটি।

পিথাগোরাসের স্কুলে ম্যাথেম্যাটিকোইদের জীবন কঠোর নিয়মে আবদ্ধ ছিল। তাঁদের নিরামিষ ভোজন করতে হত। অন্যদিকে আকুসমেটিকদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিক হতে এবং আমিষ খাদ্য ভক্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
পিথাগোরাস সংখ্যাকে বরাবরই ভীষণ গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন এবং পিথাগোরিয়ানরা সেই দর্শনেই দীক্ষিত। গণিতে পিথাগোরাসের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বিশ্বাস করতেন প্রতিটি সংখ্যার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, শক্তি এবং দুর্বলতা রয়েছে। তাঁর কাছে ১০ ছিল সম্পূর্ণ সংখ্যা কারণ এটি প্রথম চারটি সংখ্যা (১, ২, ৩ ও ৪) সহযোগে তৈরি হয় এবং যখন ডট নোটেশনে লেখা হয়, তখন তারা একটি নিখুঁত সমবাহু ত্রিভুজ গঠন করে, যেটিকে টেট্রাক্টিসও বলা হয়ে থাকে। তিনি জ্যামিতিকে গাণিতিক অধ্যয়নের সর্বোচ্চ রূপ বলেও বিশ্বাস করতেন যার মাধ্যমে কেউ ভৌত জগতকে ব্যাখ্যা করতে পারে। পিথাগোরিয়ানদের মতে পুরো মহাবিশ্বের গঠন রহস্যের নেপথ্যে আসলে রয়েছে এক যথাযথ গণিত। অতএব তাঁদের মতে, মহাবিশ্ব সম্পূর্ণ গাণিতিক সমীকরণের দ্বারা বুঝতে পারা যায়।

আত্মার অমরত্বের ধারণাও প্রচার করেছিলেন পিথাগোরাস। এক ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার আত্মা নতুন রূপ ধারণ করে অন্য ব্যক্তির কাছে চলে যায় এমনকি পশুদের কাছেও চলে যেতে পারে যতক্ষণ না তার শুদ্ধি ঘটে, এমনটাই মনে করতেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস ছিল এই ধরনের শুদ্ধিকরণ গণিত এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে ঘটতে পারে। নিজে তিনি একজন ভাল সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। তিনি সম্ভবত বাদ্যযন্ত্রের পিচ এবং স্ট্রিং দৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক অধ্যয়ন করেছিলেন। স্পন্দিত স্ট্রিংগুলি কেবল তখনই সুরেলা সুর তৈরি করে যখন স্ট্রিংগুলির দৈর্ঘ্যের মধ্যে অনুপাত পূর্ণ সংখ্যা হয়—এবিষয়টি আবিষ্কারে পিথাগোরাসের অবদান কতটা ছিল তা অনিশ্চিত তবে, পরবর্তীকালের দুজন পিথাগোরিয়ান এই বিষয়টির ওপর কাজ করেছিলেন।
পিথাগোরাসের মতানুযায়ী, পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্রে রয়েছে এবং এটি গোলাকার। পরে অবশ্য এই মত সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়েছিল।

পিথাগোরাসের গাণিতিক উপপাদ্য সবচেয়ে বিখ্যাত। এতে বলা হয় একটি সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে অন্য দুটি ছোট বাহুর বর্গক্ষেত্রের সমষ্টি কর্ণের বর্গক্ষেত্রের সমান। পিথাগোরাস মিশরীয় এবং ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে এই নিয়ম শিখেছিলেন। পিথাগোরাস সম্ভবত সেই ব্যক্তি যিনি প্রমাণ করেছিলেন যে এটি সমস্ত সমকোণী ত্রিভুজের জন্য সত্য।

পিথাগোরাসের মৃত্যু নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা। পিথাগোরিয়ানরা গণতান্ত্রিক সংবিধানের প্রস্তাব প্রত্যাখান করলে ক্রোটনে গণতন্ত্রের সমর্থকদের নেতা সাইলন এবং নিননের লোক পিথাগোরিয়ানদের উপর আক্রমণ করে বলে একাংশের মত। তখন পিথাগোরাস এবং তাঁর কিছু অনুসারী পালাতে সক্ষম হন বলে মনে করা হয়। তাঁরা মেটাপন্টাম শহরে পৌঁছান এবং এক মন্দিরে আশ্রয় নিয়ে চল্লিশ দিন না খেতে পেয়ে অনাহারে মারা যান, কারও কারও মতে এভাবেই মৃত্যু হয় পিথাগোরাসের। কেউ বলেন, ক্রোটনের আক্রমণে ছাত্রদের মৃত্যুতে এতটাই হতাশ হয়ে পড়েন পিথাগোরাস যে তিনি আত্মহত্যা করেন। কেউ বলেন, এগ্রিজেন্টাম ও সিরাকুসানদের মধ্যে সংঘর্ষে ধরা পড়েন তিনি এবং তাঁকে হত্যা করা হয়। কারও মতে, ফাভা শিম ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে না চেয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন৷ তবে যাই কারণ হোক, অধিকাংশের মতে ৪৯৫ খ্রীস্টপূর্বাব্দ নাগাদ ৭৫ বছর বয়সে পিথাগোরাসের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading