সববাংলায়

চৌমহল্লা প্রাসাদ ভ্রমণ

হায়দ্রাবাদের ইতিহাসের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা চৌমহল্লা প্রাসাদ যেন সময়ের সঙ্গে জমে থাকা এক জীবন্ত স্মৃতি। রাজকীয় জাঁকজমক, সুচারু স্থাপত্য আর নবাবি সংস্কৃতির ছোঁয়ায় এই প্রাসাদ শুধুমাত্র একটি দর্শনীয় স্থান নয়, বরং অতীতের সঙ্গে বর্তমানের এক নীরব সংলাপ। একসময় আসাফ জাহী নবাবদের রাজসভা ও আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র ছিল এই প্রাসাদ, যেখানে রাজকীয় জীবনযাত্রার প্রতিটি মুহূর্ত ধরা পড়ে তার দেয়াল, অঙ্গন ও স্থাপত্যের অলঙ্করণে।

চৌমহল্লা প্রাসাদে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে বিশাল খোলা আঙিনা, মার্বেল-মোড়া ভবন, সূক্ষ্ম খোদাই করা খিলান ও ঝাড়বাতির আলোয় ঝলমল করা সভাকক্ষ। এখানে হাঁটতে হাঁটতে মনে হয়, যেন ইতিহাস নিজেই গল্প বলতে শুরু করেছে। যারা হায়দরাবাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও রাজকীয় অতীতকে কাছ থেকে অনুভব করতে চান, তাদের জন্য চৌমহল্লা প্রাসাদ ভ্রমণ এক অনন্য ও আবশ্যিক অভিজ্ঞতা।

চৌমহল্লা প্রাসাদ কোথায়

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাজধানী হায়দ্রাবাদ শহরের পুরনো অংশে বা ওল্ড সিটিতে চৌমহল্লা প্রাসাদ অবস্থিত। এটি হায়দ্রাবাদের ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান চারমিনারের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। হায়দ্রাবাদের প্রধান রেলস্টেশন সেকেন্দ্রাবাদ জংশন থেকে এই প্রাসাদের দূরত্ব মাত্র ৭ কিলোমিটার এবং রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রাসাদের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।

চৌমহল্লা প্রাসাদের ইতিহাস

চৌমহল্লা প্রাসাদ হায়দ্রাবাদের ইতিহাসে আসাফ জাহীর শাসন আমলের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। চৌমহল্লা শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। ‘চৌ’ অর্থ চার এবং ‘মহল্লা’ অর্থ প্রাঙ্গণ বা এলাকা। চারটি প্রধান অংশ বা কোর্টইয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয়েছে বলে এর নাম চৌমহল্লা।

অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে, আনুমানিক ১৭৫০ সালের দিকে, নিজাম আলি খান বা দ্বিতীয় আসাফ জাহীর শাসনকালে চৌমহল্লা প্রাসাদের নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিনি ছিলেন হায়দ্রাবাদের তৃতীয় নিজাম। পরবর্তী একশো বছর সময়কালে বিভিন্ন নিজামের আমলে ধাপে ধাপে প্রাসাদটির সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়। এই প্রাসাদ ছিল নিজামদের রাজদরবার, প্রশাসনিক ও রাজকীয় অনুষ্ঠানের প্রধান কেন্দ্র। এখানেই তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ সভা বসত, বিদেশী অতিথিদের সংবর্ধনা করা হত এবং বিশেষ রাজকীয় উৎসব এখানেই অনুষ্ঠিত হত। নিজামদের সিংহাসনারোহণ অনুষ্ঠান- যাকে ‘দরবার’ বলা হত, তা এই চৌমহল্লা প্রাসাদেই অনুষ্ঠিত হত।

স্থাপত্যের দিক থেকে চৌমহল্লা প্রাসাদে মুঘল, পারসি, ইউরোপীয় ও দক্ষিণ ভারতীয় শৈলীর প্রভাব লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে প্রাসাদের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত খিলওয়াত মোবারক ভবনটি ছিল রাজকীয় দরবার কক্ষ। এখানে ঝাড়বাতি, মার্বেল মেঝে, খোদাই করা খিলান ও অলঙ্কৃত স্তম্ভ রাজকীয় ঐশ্বর্যের প্রতীক হিসেবে আজও দাঁড়িয়ে আছে।

১৯৪৮ সালে হায়দ্রাবাদ ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর নিজামি শাসনের অবসান ঘটে। তার পরবর্তী সময়ে প্রাসাদের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি অবহেলিত অবস্থায় ছিল। অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কিছু ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।

পরবর্তীকালে নিজাম পরিবারের উত্তরসূরি এবং হায়দ্রাবাদ সরকারের উদ্যোগে চৌমহল্লা প্রাসাদ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়। ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে প্রাসাদটিকে আবার তার পুরনো জৌলুসে ফিরিয়ে আনা হয় এবং ধীরে ধীরে এটি একটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ ও জাদুঘরে পরিণত হয়।

চৌমহল্লা প্রাসাদ কীভাবে যাবেন

হায়দ্রাবাদ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেকেই একদিনের জন্য চৌমহল্লা প্রাসাদ ঘুরতে যান। বাইরে থেকে ঘুরতে গেলে হায়দ্রাবাদ শহরের কোনও হোটেলে থেকে এখানে একদিনের জন্য ঘুরতে যাওয়া যায়। তবে এটি হায়দ্রাবাদ পুরনো অংশে অবস্থিত হওয়ায় হওয়ায় যানজটের কথা মাথায় রাখা ভালো। সরকারি বাস বা টিএসআরটিসির একাধিক সিটি বাস চারমিনার, আফজালগঞ্জ রুটে চলাচল করে। আফজালগঞ্জ বাস টার্মিনাস চৌমহল্লা প্রাসাদের কাছে অবস্থিত। বাসস্ট্যান্ড থেকে অটো বা রিকশায় ৫–১০ মিনিটের মধ্যেই প্রাসাদে পৌঁছনো যায়।

হায়দ্রাবাদ মেট্রো ব্যবহার করলে সবচেয়ে কাছের মেট্রো স্টেশন হল এমজিবিএস। মেট্রোর গ্রিন লাইনে নেমে সেখান থেকে অটো বা ক্যাব নিতে হয়। এছাড়া হায়দ্রাবাদ শহরের সব জায়গা থেকেই অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব খুব সহজে পাওয়া যায় এবং সরাসরি প্রাসাদের বাইরে নামায়। নিজের গাড়িতে গেলে চারমিনার–আফজালগঞ্জ রুট ধরে যাওয়া সবচেয়ে সুবিধাজনক। প্রাসাদ চত্বরে সীমিত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে, তাই ছুটির দিনে সকাল সকাল পৌঁছনো ভালো। বাইকের পার্কিং ২০ টাকা এবং চারচাকা গাড়ির পার্কিং ৫০ টাকা।

চৌমহল্লা প্রাসাদে কোথায় থাকবেন

চৌমহল্লা প্রাসাদের আশেপাশে খুব বেশি ভালো মানের হোটেল নেই। প্রাসাদ থেকে চার-পাঁচ কিলোমিটার দূরে কিছু বাজেট হোটেল ও লজ পাওয়া যায়। ভালো মানের হোটেলে থাকতে চাইলে আবিডস, নামপল্লি ও লাকড়িকাপুল এলাকায় থাকতে পারেন। বিলাসবহুল হোটেলে থাকতে হলে বাঞ্জারা হিলস বা জুবিলি হিলস এলাকায় থাকতে পারেন। যদিও এখান থেকে চৌমহল্লা প্রাসাদে পৌঁছতে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

চৌমহল্লা প্রাসাদে কী দেখবেন

মূল দরবার মহল (খিলওয়াত মোবারক)

চৌমহল্লা প্রাসাদের প্রধান ও সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো খিলওয়াত মোবারক, যা ছিল নিজামদের রাজদরবার। এখানেই রাজকীয় সভা, সিংহাসনारोहণ অনুষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো।
এই মহলের ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে বিশাল হলঘর, মার্বেল মেঝে, খোদাই করা স্তম্ভ ও ইউরোপ থেকে আনা বিশাল ঝাড়বাতি। ছাদের নকশা ও দেওয়ালের অলঙ্করণে পারসি ও ইউরোপীয় শিল্পরীতির প্রভাব স্পষ্ট।
এখানেই সংরক্ষিত রয়েছে নিজামদের ব্যবহৃত সিংহাসন, আসবাবপত্র ও দরবার-সংক্রান্ত ঐতিহাসিক নিদর্শন।

উত্তর ও দক্ষিণ মহল (নর্দার্ন ও সাউদার্ন কোর্টইয়ার্ড)

খিলওয়াত মোবারকের চারপাশে অবস্থিত উত্তর ও দক্ষিণ মহল মূলত রাজপরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার ও প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো।
এই অংশগুলিতে ছোট ছোট কক্ষ, বারান্দা ও খোলা আঙিনা রয়েছে। বর্তমানে এই মহলগুলিতে নিজামি আমলের পোশাক, অস্ত্র, দলিলপত্র ও পারিবারিক স্মারক প্রদর্শিত হয়।
এই এলাকাগুলো ঘুরলে নিজামদের ব্যক্তিগত জীবনযাপন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

কোরান মহল

করান মহল ছিল প্রাসাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অংশ। এই মহলে কোরান পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা ও বিশেষ আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতো।
এখানে রাখা রয়েছে হাতে লেখা কোরানের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি ও ধর্মীয় সামগ্রী। স্থাপত্যের দিক থেকে করান মহল তুলনামূলকভাবে সরল হলেও এর ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

ক্লক টাওয়ার

চৌমহল্লা প্রাসাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো ঐতিহাসিক ক্লক টাওয়ার। একসময় এই ঘড়ির শব্দ প্রাসাদের দৈনন্দিন সময়সূচি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
আজও ক্লক টাওয়ারটি প্রাসাদের ঐতিহ্যবাহী পরিচয়ের অংশ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

আঙিনা ও বাগান এলাকা

চৌমহল্লা প্রাসাদের চারটি বড় আঙিনাই এর নামের মূল উৎস। এই খোলা আঙিনাগুলো প্রাসাদের সৌন্দর্য অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
পরিকল্পিত বাগান, পথঘাট ও খোলা জায়গা প্রাসাদের রাজকীয় পরিসরকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। দর্শনার্থীরা এখানে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন এবং বিশ্রামের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় বসতে পারেন।

গাড়ির সংগ্রহশালা (ভিনটেজ কার গ্যালারি)

চৌমহল্লা প্রাসাদের একটি বিশেষ আকর্ষণ হলো নিজামদের ব্যবহৃত ভিনটেজ গাড়ির সংগ্রহ। এখানে রাজকীয় শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত গাড়ি, বিলাসবহুল মোটরকার ও আনুষ্ঠানিক যানবাহন প্রদর্শিত হয়। গাড়িগুলো নিজামদের ঐশ্বর্য ও আধুনিকতার প্রতি আগ্রহের প্রমাণ বহন করে।

চৌমহল্লা প্রাসাদে কখন যাবেন

চৌমহল্লা প্রাসাদ সারা বছরই দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকে। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়টি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে ধরা হয়। এই সময় হায়দ্রাবাদের আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে শীতল ও আরামদায়ক থাকে, ফলে প্রাসাদের খোলা আঙিনা ও বাগান এলাকা ঘোরার জন্য আদর্শ পরিবেশ পাওয়া যায়।

গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল–জুন) হায়দ্রাবাদে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। রোদ ও গরমের কারণে দীর্ঘ সময় প্রাসাদ চত্বরে ঘোরাঘুরি কিছুটা কষ্টকর হতে পারে, বিশেষ করে দুপুরবেলা। এই সময় গেলে সকাল দিকেই ভ্রমণ শেষ করে নেওয়াই ভালো।

বর্ষাকালে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) প্রাসাদের চারপাশে সবুজের ছোঁয়া বেশি দেখা যায় এবং পরিবেশ তুলনামূলকভাবে সতেজ থাকে। তবে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলে খোলা আঙিনায় হাঁটাচলায় অসুবিধা হতে পারে, তাই আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে যাওয়াই ভালো।

দিনের মধ্যে সকালবেলা বা বিকেলের শেষের দিকে চৌমহল্লা প্রাসাদে গেলে ভিড় তুলনামূলকভাবে কম থাকে এবং আলোও ছবি তোলার জন্য বেশ উপযোগী হয়। দুপুরের পর ও ছুটির দিনে দর্শনার্থীর সংখ্যা কিছুটা বেড়ে যায়।

চৌমহল্লা প্রাসাদে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানজনিত নিয়মিত বন্ধ থাকে না, তবে সপ্তাহান্ত ও সরকারি ছুটির দিনে ভিড় বেশি হতে পারে। শান্তভাবে ইতিহাস ও স্থাপত্য উপভোগ করতে চাইলে সপ্তাহের সাধারণ দিন এবং সকালের সময়টাই সবচেয়ে ভালো বলে মনে করা হয়।

সতর্কতা ও পরামর্শ

  • ১০ বছরের অধিক বয়সের ব্যক্তির জন্য টিকিট মূল্য জন্য মাথাপিছু ১৫০ টাকা এবং ১০ বছরের কমবয়সী বাচ্চাদের জন্য টিকিট মূল্য ৫০ টাকা।
  • মোবাইলে ছবি তুলতে হলে ৫০ টাকার টিকিট লাগে।
  • চৌমহল্লা প্রাসাদ প্রাঙ্গণের ভেতরে যে কোনও ধরণের ভিডিওগ্রাফি, তা ব্যক্তিগত ভ্লগের জন্যই হোক বা প্রফেশনাল শুটিংএর জন্যই হোক, কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
  • পর্যটকদের জন্য প্রাসাদটি সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫টা অবধি খোলা থাকে।
  • প্রাসাদ চত্বরে মদ্যপান, ধূমপান ও যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
  • ঘোরার সুবিধার জন্য খাবার বা পুনঃব্যবহারযোগ্য জলের বোতল সঙ্গে রাখুন। কিন্তু খাবারের প্যাকেট বা কোনো আবর্জনা প্রাসাদ চত্বরে ফেলে যাবেন না।
  • যদি নিজের সাথে খাবার নাও রাখেন, তাহলেও অসুবিধা নেই কারণ প্রবেশদ্বারের কাছে অবস্থিত ক্যান্টিনে হালকা খাবার ও জল পেয়ে যাবেন।
  • প্রাসাদের কোনও স্থানে নিজের নাম, ফোন নাম্বার ইত্যাদি লিখে জায়গাটি কলুষিত করবেন না।
  • সমগ্র প্রাসাদ চত্বর ঘুরতে হাতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় রাখুন। আরামদায়ক পোশাক এবং জুতো পড়ুন।
  • প্রবেশদ্বারের কাছে রয়েছে সুভেনিয়র শপ। এখানে নানা ধরনের শো-পিস, অলঙ্কার, গয়না ও বিভিন্ন ধরণের গিফট কিনতে পাওয়া যায়।

ট্রিপ টিপস

  • একদিনে প্রাসাদের সঙ্গে চারমিনার এবং পুরানি হাভেলি ঘুরে দেখে নিন।

সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. নিজস্ব প্রতিনিধি
  2. https://www.chowmahalla.in/
  3. https://en.wikipedia.org/
  4. https://hyderabad.telangana.gov.in/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading