মৃণাল সেন (Mrinal Sen) ভারতের সমান্তরাল ও নবধারার চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক, বিশ্ববরেণ্য পরিচালক, বিশিষ্ট চিত্রনাট্যকার ও লেখক। সত্যজিৎ রায় ও ঋত্বিক ঘটকের পাশাপাশি বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় সিনেমায় যে যুগলবন্দি ও ত্রিমুখী সৃজনশীল আলোড়ন বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত হয়েছিল, মৃণাল সেন ছিলেন সেই ত্রয়ীর অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। কেবল নান্দনিক ফ্রেম বা বিনোদনের গণ্ডিতে তিনি সিনেমাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং সমাজের তীব্র অর্থনৈতিক বৈষম্য, শ্রেণিদ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মধ্যবিত্তের ভণ্ডামিকে সেলুলয়েডের পর্দায় এক আপসহীন প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ১৯৬৯ সালে তাঁর পরিচালিত ‘ভুবন সোম’ ছবির মধ্য দিয়ে ভারতে তথাকথিত ‘নিউ ইন্ডিয়ান সিনেমা’ বা ভারতীয় বিকল্প ধারার এক ঐতিহাসিক নবযুগের সূচনা ঘটেছিল। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে কান, বার্লিন কিংবা ভেনিস থেকে একাধিক শ্রেষ্ঠ পুরস্কার জয় করে তিনি বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসে ভারতীয় কণ্ঠস্বরকে অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
১৯২৩ সালের ১৪ মে অবিভক্ত বাংলার পূর্ববঙ্গের ফরিদপুরে মৃণাল সেনের জন্ম হয়। তাঁর পিতা দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন ফরিদপুরের এক প্রখ্যাত ও নির্ভীক আইনজীবী এবং জাতীয় কংগ্রেসের সক্রিয় সমর্থক। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পক্ষে তিনি আদালতে আইনি লড়াই লড়তেন এবং বিপ্লবীদের ডাকে হরতাল হলে আদালতের কার্যক্রম বর্জন করে জেল-জরিমানা পর্যন্ত মেনে নিয়েছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপিনচন্দ্র পালের সঙ্গে তাঁর পিতার গভীর সখ্য ছিল। মৃণাল সেনের মাতা সরযূবালা দেবীও স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি গভীর সহানুভূতিশীল ছিলেন এবং বিভিন্ন স্বদেশি রাজনৈতিক সভায় উদ্বোধনী দেশাত্মবোধক গান গাইতেন। শৈশবে নিজ বাড়িতে বিপ্লবীদের খোঁজে ব্রিটিশ পুলিশের ঘন ঘন তল্লাশি এবং স্বদেশি আন্দোলনের এই প্রত্যক্ষ পরিবেশ কিশোর মৃণালের মনে সমাজচেতনা ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার স্থায়ী বীজ রোপণ করেছিল। পারিবারিক জীবনে ১৯৫৩ সালে তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও তাঁর শিল্পযাত্রার অন্যতম প্রধান সহযোগী গীতা সেনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। গীতা সেন তাঁর বহু চলচ্চিত্রে অবিস্মরণীয় অভিনয় উপহার দিয়েছিলেন। তাঁদের একমাত্র পুত্র কুণাল সেন পরবর্তীতে কম্পিউটার বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।
মৃণাল বিদ্যালয় স্তরের পড়াশোনা পূর্ববঙ্গের ফরিদপুরেই সম্পূর্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় চলে আসেন। কলকাতার স্কটিশচার্চ কলেজ থেকে তিনি পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে তিনি স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা শুরু করলেও রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা টানাপোড়েনে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষা অসমাপ্ত থেকে যায়।
এক নজরে মৃণাল সেনের জীবনী:
- জন্ম: ১৪ মে, ১৯২৩
- মৃত্যু: ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮
- কেন বিখ্যাত: বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার, ভারতীয় সমান্তরাল ও নতুন ধারার চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান রূপকার।
- পুরস্কার: দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার (২০০৩), পদ্মভূষণ (১৯৮১), কান চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি প্রাইজ (১৯৮৩), বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে সিলভার বিয়ার (১৯৮১) এবং শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
কলকাতায় পড়াশোনার সময় তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত হন। তবে তিনি কখনও পার্টির সরাসরি সদস্য হননি। পরে বামপন্থী সাংস্কৃতিক সংস্থা ভারতীয় গণনাট্য সংঘ বা IPTA (ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশন) এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং বিভিন্ন চিন্তাধারার মানুষের সাথে মৃণালের পরিচয় হওয়া শুরু হয়। উপার্জনের জন্য মৃণাল কিছুদিন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ হয়েও কাজ করেছিলেন। এই কাজের সূত্রে অনেক সময় তাঁকে কলকাতার বাইরে কাটাতে হত। তবে এই কাজটি তিনি বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারেননি। এরপর কলকাতায় ফিরে তিনি একটি চলচ্চিত্র স্টুডিওতে অডিও টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করেন। এই সময় থেকেই চলচ্চিত্রের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ পেশাগত যোগাযোগ তৈরি হয়।
মৃণাল সেনের পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘রাতভোর’ মুক্তি পায় ১৯৫৫ সালে। এই ছবিতে উত্তম কুমার ও সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে এই ছবিটি সেভাবে সফল হয়নি। তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘নীল আকাশের নিচে’ মুক্তি পায় ১৯৫৯ সালে। ১৯৩০-এর দশকের কলকাতার পটভূমিতে তৈরি এই ছবিতে এক চিনা ফেরিওয়ালা এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এক বাঙালি পরিবারের কাহিনি উঠে আসে। পরবর্তীকালে ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ভারত সরকার এই ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এটি স্বাধীন ভারতের প্রথম নিষিদ্ধ চলচ্চিত্র। পরে ছবিটির প্রযোজক ও প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এই বিষয়টি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর নজরে আনেন। পুরো বিষয়টি অনুধাবন করার পর মাত্র দুই মাসের মাথায় ছবিটির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং স্বয়ং নেহেরু নিজে হেমন্ত বাবুর সাথে বসে ছবিটি উপভোগ করেন। এই ছবিটিই মৃণাল সেনকে চলচ্চিত্র জগতে পরিচিতি গড়ে দেয়। তাঁর তৃতীয় ছবি ‘বাইশে শ্রাবণ’ তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। পরবর্তীকালে তাঁর পরিচালনায় একে একে মুক্তি পায় ‘পুনশ্চ’ (১৯৬১), ‘অবশেষে’ (১৯৬৩), ‘প্রতিনিধি’ (১৯৬৪), ‘আকাশকুসুম’ (১৯৬৫) ইত্যাদি। ১৯৬৯ সালে তাঁর পরিচালনায় মুক্তি পায় ‘ভুবন সোম’ যেটি তাঁকে আবার সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দেয়। এই ছবিটি মৃণালের হিন্দি ভাষায় ও বাণিজ্যিকভাবে সফল একটি ছবি। উৎপল দত্তের অভিনয়ে ও মৃণালের পরিচালনায় ‘ভুবন সোম’ ভারতীয় চলচ্চিত্রে নতুন ধারার সিনেমার বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই ছবিটির জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান। এই ছবিতে তিনি যেসব টেকনিক ও ধারা ব্যবহার করেছিলেন সেগুলি বিদেশি ছবিতে ব্যবহার করা হতো।
পরের ছবিগুলি মৃণাল সেন তৈরি করেন কলকাতার রাজনৈতিক আবহাওয়া ও নকশাল আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে। কীভাবে সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে স্বপ্নভঙ্গ হয় সেগুলিই ছিল তাঁর ছবির বিষয়-বস্তু। এই ছবিগুলিতে তিনি কলকাতার উত্তাল পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের জীবন কাহিনী তুলে ধরেন। কলকাতার রাজনীতির উপর তৈরি মৃণাল সেনের তিনটি বিখ্যাত ছবি ‘ইন্টারভিউ’ (১৯৭১), ‘কলকাতা ৭১’ ( ১৯৭২) ও ‘পদাতিক'( ১৯৭৩)। এই তিনটি ছবির মাধ্যমে তিনি সত্তর দশকের রুক্ষ কলকাতাকে পর্দায় উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য, বাস্তব পরিস্থিতি পর্দায় তুলে ধরতে কলকাতার ঘটনাস্থল থেকে ফুটেজ সংগ্রহ করে কোনও আধুনিক টেকনিক ছাড়াই তিনি সেই ফুটেজগুলিকে পর্দায় ব্যবহার করতেন। তাঁর পরের ছবিগুলো ছিল মধ্যবিত্ত মানুষদের জীবন কাহিনী অবলম্বনে। ‘পরশুরাম’ (১৯৭৮) এই ছবিটির জন্য মৃণাল সেন জাতীয় পুরস্কারে ‘বিশেষ উল্লেখ’ পান। এ ছাড়াও সিনেমাটির প্রধান অভিনেতা অরুণ মুখার্জী সেরা অভিনেতা ও এডিটর গঙ্গাধর নস্কর ‘সেরা সম্পাদনা’র জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর ‘এক দিন প্রতিদিন’ (১৯৭৯), ছবিটিও বহু প্রশংসিত একটি ছবি । বাংলা ও হিন্দি ভাষা ছাড়াও ওড়িয়া ও তেলেগু ভাষাতেও তিনি ছবি তৈরি করেন। ওড়িয়া ভাষায় তৈরি ছবি ‘মাটির মনিষ’ (১৯৬৬)। এই ছবিটি তিনি ওড়িয়া লেখক কালিন্দীচরণ পানিগ্রাহীর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি করেন। তেলেগু ভাষায় তৈরি ‘ওকা উরি কথা’ ছবিটি মুন্সি প্রেমচন্দের হিন্দি গল্প ‘কফন’ অনুসারে তৈরি করেন। এই ছবিগুলি মূলত তিনি দরিদ্র মানুষদের জীবনের গল্প অবলম্বনে তৈরি করেন।
মৃণালের হিন্দি ছবির মধ্যে – ‘এক অধুরি কাহানি (১৯৭১), ‘মৃগয়া'(১৯৭৬), ‘এক দিন অচানক'(১৯৮৯) বেশ জনপ্রিয়। আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘জেনেসিস’ (১৯৮৬) তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলির একটি। মৃণাল সেন নির্মিত শেষ তিনটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের ছবি হল – ‘মহাপৃথিবী’ (১৯৯১), ‘অন্তরীণ’ (১৯৯৩) এবং ‘আমার ভুবন’ (২০০২)। ‘মহাপৃথিবী’ ছবিটিতে কলকাতার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা তিনি অনবদ্যভাবে তুলে ধরেছেন। কম খরচে অনবদ্য ছবি তৈরি ছিল মৃণাল সেনের বৈশিষ্ট্য। গল্পের বিষয় বস্তুর উপর ভিত্তি করে তিনি মূলত স্থানীয় অঞ্চলগুলিকে শুটিং স্পট হিসাবে বেছে নিতেন। চিত্রনাট্যকার হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন; ‘আকালের সন্ধানে’, ‘অন্তরীণ’, ‘আমার ভুবন’-সহ বহু ছবির চিত্রনাট্যে তিনি যুক্ত ছিলেন।
মৃণাল সেন দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবনে দেশ-বিদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার ও সম্মান পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর ছবির স্বীকৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ‘খারিজ’ ১৯৮৩ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে জুরি পুরস্কার (Jury Prize) লাভ করে। ‘আকালের সন্ধানে’ ১৯৮১ সালের বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রৌপ্য ভল্লুক — বিশেষ জুরি পুরস্কার (Silver Bear – Special Jury Prize) পায়। এছাড়াও তাঁর বিভিন্ন ছবি কান, বার্লিন, ভেনিস, মস্কো, কার্লোভি ভ্যারি, মন্ট্রিয়ল, শিকাগো এবং কায়রো-সহ বিশ্বের একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত ও সম্মানিত হয়েছ। তিনি ‘International federation of film societies’ এর সভাপতি ছিলেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে মৃণাল সেনের ঝুলিতে রয়েছে একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ‘ভুবন সোম’, ‘কোরাস’, ‘মৃগয়া’ এবং ‘আকালের সন্ধানে’ — এই চারটি ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের স্বর্ণকমল লাভ করেন। ‘ভুবন সোম’, ‘এক দিন প্রতিদিন’, ‘আকালের সন্ধানে’ এবং ‘খণ্ডহর’-এর জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ‘পদাতিক’, ‘আকালের সন্ধানে’ এবং ‘খারিজ’-এর চিত্রনাট্যের জন্যও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। ‘পরশুরাম’-এর জন্য তিনি বিশেষ উল্লেখ (Special Mention) পান। ব্যক্তিগত সম্মাননার ক্ষেত্রেও মৃণাল সেনের প্রাপ্তির তালিকা দীর্ঘ। ১৯৭৯ সালে তিনি নেহরু সোভিয়েত ল্যান্ড পুরস্কার (Nehru Soviet Land Award) পান এবং ১৯৮১ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করে। ১৯৮৩ সালে ফ্রান্সের সরকার তাঁকে কমান্ডার দ্য ল’অর্দ্র দে আর্টস এ লেত্র (Commandeur de l’Ordre des Arts et des Lettres) সম্মান প্রদান করে। ২০০০ সালে রাশিয়ান ফেডারেশন তাঁকে অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ (Order of Friendship) সম্মানে ভূষিত করে। মিলান ও পুনে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকেও তিনি আজীবন সম্মাননা (Lifetime Achievement Award) পেয়েছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৩ সালে ভারতের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার তাঁর জন্য ঘোষণা করা হয় এবং ২০০৫ সালে তাঁকে সেই পুরস্কার প্রদান করা হয়।১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মনোনীত সদস্য হিসেবে রাজ্যসভায় ছিলেন। ১৯৯৯ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০০৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি. লিট (D.Litt) ডিগ্রি প্রদান করে।
২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর ভবানীপুরে নিজের বাড়িতে ৯৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃণাল সেনের মৃত্যু হয়।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান