সববাংলায়

ক্রুসেড | ধর্মযুদ্ধ

বিভাগঃ , ,

ইতিহাসে ক্রুসেড (Crusades) বলতে ধর্মযুদ্ধ বোঝায়। একটি বিশেষ সময়পর্বে সংঘটিত ধর্মকেন্দ্রিক সংঘর্ষই ক্রুসেড নামে পরিচিত হয়েছিল। মূলত মুসলমান এবং খ্রিস্টান ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে আধিপত্যের লড়াই ছিল এটি। তবে ক্রুসেডের অর্থ সময়ান্তরে আরও বৃহৎ হয়ে ওঠে। একটা সময় পর অ-খ্রিস্টানদের বিরূদ্ধে ইউরোপের যে কোন সামরিক প্রচেষ্টাকেই ক্রুসেড বলা হত। ইতিহাসে বেশ কয়েকটি ক্রুসেডের কথা রয়েছে যেগুলি প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় এইভাবে চিহ্নিত। মূলত খ্রিস্টানরাই এই ক্রুসেড শব্দটি ব্যবহার করতেন এবং মুসলমানরা সাধারণত বলতেন জিহাদ। বেশ কিছু ঐতিহাসিকের মতানুযায়ী, ক্রুসেড ধর্মকে কেন্দ্র করে সংঘটিত যুদ্ধ হলেও এর নেপথ্যে যেমন ছিল ক্ষমতার লড়াই, তেমনই নানা অর্থনৈতিক কারণ। জেরুজালেম শহর থেকে ক্রুসেডের সূচনা হয়েছিল এবং একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতক, প্রায় ২০০ বছর ছিল ক্রুসেডের সময়কাল।

প্রথম ক্রুসেড:

প্রথম ক্রুসেডের সময়কাল ১০৯৬ থেকে ১০৯৯ সাল পর্যন্ত। মুসলমান এবং খ্রিস্টান ধর্মের মধ্যে জেরুজালেমের আধিপত্য নিয়ে গড়ে ওঠা সংঘর্ষই ক্রুসেডের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল।

একাদশ শতাব্দীতে জেরুজালেম এবং প্রাচীন ফিলিস্তিনের বেশ কয়েকটি জায়গাকে পবিত্র ভূমি বলে মনে করা হত। সেইসব স্থান ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলমান, এই তিন ধর্মের মানুষের কাছেই ছিল তীর্থস্থানসম। তবে এই সময়ে জেরুজালেম ছিল মুসলমানদের অধিকারে। খ্রিস্টানদের কাছে জেরুজালেমের গুরুত্ব ছিল অসীম, কারণ তাঁদের বিশ্বাসানুসারে, এই জেরুজালেমেই যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়েছিল। জেরুজালেমের চার্চ অব দি হোলি সেপালকরে অনেক বছর ধরে খ্রিস্টান তীর্থযাত্রীরা আসতেন। অন্যদিকে আবার জেরুজালেম মুসলমানদের কাছে তৃতীয় পবিত্র নগরী হিসেবে পরিচিত কারণ ইসলাম ধর্মানুযায়ী এখান থেকেই নবী মহম্মদ বেহেস্তে যাত্রা করেছিলেন। কেবল জেরুজালেম নয়, সেই সময়, স্পেন, উত্তর আফ্রিকা এবং এশিয়া মাইনরেও ছিল মুসলমানদের আধিপত্য। জেরুজালেমে খ্রিস্টানরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে এবং মুসলমানদের আধিপত্যকে ঠেকাতে বদ্ধপরিকর ছিল।

মুসলমানদের আধিপত্যে থাকলেও জেরুজালেমে খ্রিস্টান তীর্থযাত্রীরা বিনা বাধায় তীর্থ করতে আসতে পারতেন। তবে ১০৭৭ সালে সেলযুক শাসকেরা সেই অবাধ তীর্থযাত্রায় কিছু বিধিনিষেধ, কড়াকড়ি প্রয়োগ করে বিষয়টিকে জটিল করে তোলেন। এমনকি সেসময় বহু খ্রিস্টান যাত্রী হয়রানিরও শিকার হয়েছিলেন বলে জানা যায়। তখন বাইজানটাইন সম্রাট প্রথম আলেক্সিস কমনেনুসের ভিতরে একটা ভয় গড়ে ওঠে সেলযুক শাসকদের নিয়ে। তাঁর মনে হয়েছিল সেলযুকরা কনস্ট্যান্টিনোপলের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, সেই কারণে তিনি ফ্রান্সের এক পোপের কাছে অনুরোধ করলে, ১০৯৫ সালে ফ্রান্সেরই এক ছোট্ট শহর ক্লেরমন্টে পোপ দ্বিতীয় আরবান খ্রিস্টধর্মের সংকটাপন্ন অবস্থার কথা ঘোষণা করেন এবং সমগ্র ইউরোপকে জাগ্রত হওয়ার আহ্বান জানান। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইউরোপের যোদ্ধাসহ অনেক সাধারণ মানুষ জেরুজালেমকে মুসলমানদের হাত থেকে উদ্ধার করবার জন্য ক্রুসেডারদের দলে যোগদান করেছিল।

১০৯৬ সালে প্রথম ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। ইউরোপের বিভিন্ন স্তর থেকে মানুষ এসেছিল এই ক্রুসেডে অংশগ্রহণ করতে। কেউ খ্যাতির সুযোগ পেতে এসেছিল, কারও কারও যোগদানের পিছনে আবার ছিল অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সুবিধালাভ, অনেকে আবার নিছক ধর্মকে মাথায় রেখেই এসেছিল। কোন কোন ইতিহাসবিদ ক্রুসেডের পিছনে অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে বলেও মনে করেন। দশম শতাব্দী থেকেই ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের সঙ্গে মুসলমানদের একটা অর্থনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মুসলমানরা বাণিজ্যিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করায় ইউরোপে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছিল। এই দ্বন্দ্ব ক্রুসেডকে ত্বরান্বিত করেছিল বলে অনেকের মত।

ওয়াল্টার পিটার, গডফ্রে, বলডুইন, রেমন্ড ও স্টিফেন হেনরির মতো ইউরোপীয় খ্রিস্টানরা জেরুজালেমের উদ্ধারের কাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। প্রথমদিকে ক্রুসেডাররা তাদের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছিল। প্রথমে পিপলস ক্রুসেড নামে সাধারণ যোদ্ধাদের দল বসফরাস প্রণালী অতিক্রম করে মুসলমানদের আক্রমণ করলেও তুর্কি বাহিনীর কাছে তাদের পরাজিত হতে হয়। পিটার থারমিটের নেতৃত্বাধীন বাহিনী সেলযুক তু্র্কি সুলতান কিলিজ আরসালানকে পরাজিত করে তাঁর রাজধানী নাইসিয়া দখল করে নিয়েছিল। পরে আবার ১০৯৮ সালে রেমন্ডের নেতৃত্বে ক্রুসেডাররা অ্যান্টিওক দখল করে নেয়। ১০৯৯ সালে কাউন্ট রেমন্ডের নেতৃত্বে ৪০,০০০ সৈন্যের বিশাল বাহিনী জেরুজালেম দখল করে। সেসময় জেরুজালেমের গভর্নর ছিলেন ইফতিখার আদ-দুলা। দীর্ঘ অবরোধের পর খ্রিস্টানরা জেরুজালেম দখল করে নেয়। সহস্রাধিক মানুষকে হত্যা করে তারা। এমনকি সিনাগগে লুকিয়ে থাকা ইহুদী ধর্মাবলম্বীদেরও হত্যা করা হয়। ইরাকের ইতিহাসবিদ ইবন আল-আথিরের মতে সেসময় জেরুজালেমে নাকি প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছিল খ্রিস্টানরা। এইভাবে প্রথম ক্রুসেডে ক্রুসেডাররা মুসলমানদের হাত থেকে তাদের অনেকগুলি অঞ্চল অধিকার করে নেয়। এডেসা, অ্যান্টিওক, জেরুজালেম ও ত্রিপোলিতে খ্রিস্টান রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

দ্বিতীয় ক্রুসেড:

১১৪৭ থেকে ১১৫০ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় ক্রুসেডের সময়কাল। জেরুজালেম হাতছাড়া হওয়ার পর ১১৩০ সাল নাগাদ মুসলিমরা একত্রিত হওয়া শুরু করে ও জিহাদ বা ধর্মযুদ্ধ শুরু করে। ১১৪৪ সালে জেঙ্গি রাজবংশের ইমামউদ্দিন জেঙ্গির নেতৃত্বে মুসলমানরা খ্রিস্টানদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং প্রথমে খ্রিস্টানদের থেকে এডেসার দখল ছিনিয়ে নেয়। সিরিয়া থেকেও খ্রিস্টানদের বিতাড়িত করে তারা। ইমামউদ্দিনের বাহিনীর আক্রমণে পিছু হঠতে থাকে খ্রিষ্টানরা। ইমামউদ্দিনের নেতৃত্বের মুসলমানদের এডেসা দখল করে নেওয়ার খবর ইউরোপে ছড়িয়ে গেলে পোপ তৃতীয় ইউজিনিয়াস ধর্মযুদ্ধের ডাক দেন। ফ্রান্সের রাজা সপ্তম লুইস এবং জার্মানির রাজা তৃতীয় কনরাডের দুটি বাহিনী একজোট হয়ে ১১৪৭ সালে এশিয়া মাইনরে প্রবেশ করে এবং দ্বিতীয় ক্রুসেডের সূত্রপাত ঘটে। সপ্তম লুইস এবং তৃতীয় কনরাড তাঁদের বাহিনী নিয়ে জেরুজালেমে সমবেত হয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল তাঁরা দামেস্ক আক্রমণ করবেন। তখন সেই দামেস্কের শাসক ইমামউদ্দিনের উত্তরসূরি নূর আল-দীনের সহায়তা চেয়েছিলেন। মুসলমানদের এই যৌথ বাহিনীর কাছে লুইস ও কনরাডের বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় ঘটে। এর ফলে এডেসা মুসলিমদের দখলেই থেকে যায়।

তৃতীয় ক্রুসেড:

১১৮৯ থেকে ১১৯২ সাল হল তৃতীয় ক্রুসেডের সময়কাল। নূর আল-দীনের সেনাপতি শিরকুহ এবং তাঁর ভাইপো সালাউদ্দিন কায়রো থেকে খ্রিস্টানদের বিতাড়িত করেন। আবার শিরকুহের মৃত্যুর পর সেনাপ্রধান হন সালাউদ্দিন। ১১৮৭ সালে তাঁর নেতৃত্বে হিট্টিনের যুদ্ধে জেরুজালেমের অধিকার পুনরায় হস্তগত করে মুসলমানরা। জেরুজালেম হারানোর পর পোপ অষ্টম গ্রেগরি তৃতীয় ক্রুসেডের আহ্বান জানান। ইউরোপ পুনরায় সংগঠিত হতে থাকে। এই তৃতীয় ক্রুসেডের নেতৃত্বে ছিলেন জার্মানির ফ্রেডেরিক বারবারোসা, ফ্রান্সের দ্বিতীয় ফিলিপ এবং ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম রিচার্ড। সাইলেশিয়ার এক নদী অতিক্রম করতে গিয়ে বারবারোসার মৃত্যু হলে রিচার্ডের নেতৃত্বে ক্রুসেডাররা জেরুজালেমের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ১১৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রিচার্ডের বাহিনী আরসুফের যুদ্ধে সালাউদ্দিনের বাহিনীকে পরাস্ত করেছিলেন কিন্তু জেরুজালেম অবরোধ করতে চাননি তিনি। এই দুই রাজা অর্থাৎ ফিলিপ এবং রিচার্ডের মধ্যে ছিল ঐক্যের অভাব। তাঁরা নিজেদের মধ্যেই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। জেরুজালেম পুনরুদ্ধারের জন্য যে ঐক্যবদ্ধতার প্রয়োজন ছিল তার ঘাটতি ছিল তাঁদের মধ্যে। ১১৯২ সালে সালাউদ্দিন এবং রিচার্ডের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি স্থাপিত হয়েছিল। এই চুক্তির ফল অনুযায়ী জেরুজালেম মুসলমানদের হাতে ছিল, কিন্তু আশেপাশে কিংডম অব জেরুজালেম পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই চুক্তির মাধ্যমেই তৃতীয় ক্রুসেডের অবসান ঘটে।

এরপর ১২০২, ১২১২, ১২১৭, ১২২৮, ১২৪৮-এ পরপর কয়েকটি ক্রুসেড সংঘটিত হয়েছিল। ১২০২ সালে হয়েছিল চতুর্থ ক্রুসেড। ইতালীয় বণিকরা এই ক্রুসেডে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং পোপ তৃতীয় ইনোসেন্টের নির্দেশেই এই ক্রুসেড সংঘটিত হয়েছিল। তবে যেহেতু বণিকদের হাতেই ছিল নেতৃত্ব, তাই বাণিজ্যিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য তারা জেরুজালেম পুনরুদ্ধারের বদলে বাইজানটাইনের ওপর আধিপত্য বিস্তারে তৎপর হয়ে উঠেছিল। তবে তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি বরং এক ভয়াবহ হত্যাকান্ডের মধ্যে দিয়ে এই ক্রুসেডের সমাপ্তি ঘটে। ১২১২ সালে জেরুজালেমে শিশুক্রুসেড সংঘটিত হয়। এতে ছোট ছোট বালকদেরকে ব্যবহার করা হয় জেরুজালেমকে মুক্ত করবার জন্য। পরে ইতালীয় বণিকরা সেই বালকদেরকে আরব বণিকদের কাছে বিক্রি করে দেয়। ১২১৭ সালে পোপ তৃতীয় ইনোসেন্টের আবেদনেই পঞ্চম ক্রুসেড হয়েছিল। এই ক্রুসেডের নেতৃত্ব ছিল হাঙ্গেরির শাসক অ্যান্ড্রুর হাতে। ১২২৮ সালে ষষ্ঠ ক্রুসেডের প্রধান কান্ডারী ছিলেন জার্মানির রাজা দ্বিতীয় ফ্রেডেরিক। ১২৪৮ সালে রাজা নবম লুই সপ্তম ক্রুসেডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এমন একাধিক ক্রুসেডের পরেও খ্রিস্টানরা তাদের একচেটিয়া অধিকার বিস্তার করতে পারেনি বরং মুসলমানরা অধিকাংশ জায়গাই পুনরুদ্ধার করে নেয়। অবশেষে ১২৯১ সালে ক্রুসেডারদের সর্বশেষ নিয়ন্ত্রিত জায়গা আর্কও যখন মুসলিম মামলুকদের হাতে চলে যায় তখন ক্রুসেডের অবসান ঘটে।

ক্রুসেডের প্রত্যক্ষ প্রভাব ইউরোপীয় সমাজে স্পষ্টভাবে লক্ষ করা গিয়েছিল। ক্রুসেডের সুযোগেই ক্রীতদাসরা বন্দীদশা থেকে মুক্ত হতে পেরেছিল। অনেক ঐতিহাসিক বলেন, এসময় মহিলাদের সামাজিক অবস্থানেরও উন্নতি হয়েছিল। যুদ্ধের জন্য স্বামী বা গৃহকর্তার অনুপস্থিতিতে পরিবারের তত্ত্বাবধানের ভার পড়েছিল সম্পূর্ণ নারীদের ওপর। ক্রুসেডের ফলে রাজতন্ত্র শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যুদ্ধ থেকে ফিরে আসতে না পারা বহু অভিজাত মানুষের সম্পত্তি রাজার অধীনস্থ হয়ে রাজশক্তিকে বৃদ্ধি করেছিল। এই ক্রুসেডের সময় মঠগুলির সম্পত্তিও বেড়ে গিয়েছিল। এই ধর্মযুদ্ধ ব্যবসা-বাণিজ্যে উৎসাহ দানের মাধ্যমে শহর, নগরের উন্নতিসাধনে সহায়তা করেছিল। ক্রুসেডের ফলে ভূমধ্যসাগরে ইউরোপীয়দের বাণিজ্যিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে ইউরোপে শিল্পের প্রভূত উন্নতি হয়। এছাড়াও বিজ্ঞানে, স্থাপত্য শিল্পে, সাহিত্যেও ক্রুসেডের প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. ‘বিশ্ব সভ্যতার মধ্যযুগ : সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক বিন্যাস’, আসিফ জামাল লস্কর, প্রগ্রেসিভ পাবলিশার্স, কলকাতা, ২০১৯, পৃষ্ঠা : ২৮৭-২৯৫
  2. https://en.wikipedia.org/
  3. https://www.history.com/
  4. https://www.worldhistory.org/
  5. https://www.bbc.com/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading