খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক হিসেবেই আপামর বিশ্ববাসীর কাছে বিখ্যাত যিশু খ্রিস্ট (Jesus Christ)। খ্রিস্টানরা বিশ্বাস করেন যে, হিব্রু বাইবেলে যে মহাপুরুষের ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী আছে, যিশু খ্রিস্টই হলেন সেই মহাপুরুষ। তিনি ‘ঈশ্বরের পুত্র’ নামেও পরিচিত ছিলেন। মনে করা হয়, জগতে তাঁর আবির্ভাব ঘটেছিল প্রেম ও ক্ষমার বাণী প্রচার করতে। মূলত নিউ টেস্টামেন্ট বাইবেলের চার ধরনের ‘ক্যানোনিকাল গসপেল’ থেকেই যিশুর জীবনের অনেক তথ্য পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে পাশ্চাত্যের এক প্রভাবশালী ধর্মীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছিল যিশুর প্রবর্তিত এই খ্রিস্টধর্ম।
ঐতিহাসিকদের মতে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক থেকে চতুর্থ শতকের মধ্যে রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্গত বেথেলহেম শহরে যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম জোসেফ এবং মায়ের নাম ছিল মেরি। জোসেফ ছিলেন একজন ছুতোর মিস্ত্রি। যখন মেরি গর্ভবতী হন, তখন তিনি জোসেফের বাগদত্তা হলেও অবিবাহিতা ছিলেন। এর ফলে জোসেফ চিন্তায় পড়ে যান। একদিন রাতে এক দেবদূত স্বপ্নে এসে জোসেফকে বলেন যে, চিন্তার কোনও কারণ নেই। এই শিশু ঈশ্বরের অংশ হিসেবে জন্ম নেবে। ঐতিহাসিকদের বর্ণনা অনুসারে, মেরিও ঠিক একই স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই সময় সেখানকার রাজা ছিলেন হেরোদ। অত্যাচারী হেরোদ পণ্ডিতদের মুখে ঈশ্বরের পুত্রের জন্মের কথা শুনে সেই এলাকার সমস্ত সদ্যোজাত শিশুদের হত্যা করার আদেশ দেন। এই খবর শুনে জোসেফ তাঁর গর্ভবতী বাগদত্তা মেরিকে নিয়ে মিশর চলে যান। কিছুদিন পর সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং ইজরায়েলের সবথেকে বড় শহর নাজারেথে বসবাস করতে থাকেন। যখন মেরির সন্তানের ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় এল, তখন জোসেফ মেরিকে নিয়ে নাজারেথ ছেড়ে চলে গেলেন তাঁর পৈতৃক বাড়ি বেথেলহেম শহরে। কিন্তু সেখানকার কোনও বাড়িতে জায়গা না পাওয়ায় একটি আস্তাবলে গভীর রাতে যিশুর জন্ম হল। সেই রাত্রেই একজন দেবদূত একদল মেষপালকদের খবর দেন যে, ঈশ্বরের পুত্র এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন। এই খবর পেয়ে মেষপালকরা যিশুকে দেখতে আসেন। এরপর তারাই এই খবর চারদিকে ছড়িয়ে দেন। যিশুর জন্মের খবর শুনে পূর্ব দিকের দেশ থেকে কয়েকজন জ্ঞানী ব্যক্তি নানা উপহার নিয়ে যিশুকে দেখতে আসেন। তাঁরাই তাঁকে ‘ঈশ্বরের পুত্র’ এবং ‘ইহুদিদের রাজা’ নামে অভিহিত করেন। যিশুর আরও চারটি ভাই ছিল – জেমস, জোসেস (অথবা জোসেফ), জুডাস এবং সিমন। এছাড়া যিশুর বোনও ছিল, কিন্তু তার নাম জানা যায় না। বিভিন্ন ঐতিহাসিক এবং লৌকিক কাহিনীতে যিশুর ভাই-বোনেদের কথার উল্লেখ আছে।
যিশুর জীবনকাহিনীর বেশিরভাগই বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টের চারটি গসপেল (Gospels)-এর মাধ্যমে বলা হয়েছে, যা ক্যানোনিকাল গসপেল (Canonical gospels) নামে পরিচিত। এই চারটি গসপেলের নাম হল ম্যাথিউ, মার্ক, লুক এবং জন। এগুলি আক্ষরিক অর্থে যিশুর জীবনী নয়, বরং অনেকটাই ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে লেখা। এগুলিতে যিশুকে ‘ঈশা মসীহ’ এবং ‘ঈশ্বরের পুত্র’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে যিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন মানুষকে শিক্ষা দিতে ও কষ্ট সহ্য করার জন্য এবং মারা গিয়েছিলেন মানুষের পাপের কারণে। যিশুর প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে খুব কম তথ্য পাওয়া যায়। লুকের গসপেলে বর্ণিত আছে যে, যিশুর যখন বারো বছর বয়স তখন তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে জেরুজালেমে তীর্থ করতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে ভিড়ের চাপে তিনি বাবা-মায়ের থেকে আলাদা হয়ে যান। বেশ কিছুদিন পরে তাঁকে জেরুজালেমের একটি মন্দিরের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। তিনি বয়স্ক জ্ঞানী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। অতটুকু বয়সেই নানান কঠিন বিষয়ে তাঁর জ্ঞানের পরিচয় পেয়ে সবাই অবাক হয়ে যায়। নিউ টেস্টামেন্টে উল্লেখিত আছে যে, যিশু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাঁর বাবার মতই একজন ছুতোর মিস্ত্রির কাজ বেছে নিয়েছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, তিরিশ বছর বয়সে যিশু যাজকবৃত্তি অবলম্বন করেন। তিনি জন দ্য ব্যাপটিস্ট (John the Baptist)-এর কাছ থেকে ব্যাপ্টিজম(Baptism) গ্রহণ করেন। মার্কের গসপেল অনুযায়ী, যিশুকে দীক্ষা দেওয়ার পর যিশু যখন জর্ডন নদীর জল থেকে উঠে আসছিলেন, তখন জন দেখতে পান স্বয়ং ঈশ্বর একটি ঘুঘু পাখির ছদ্মবেশে স্বর্গ থেকে যিশুর কাছে নেমে আসছেন। এর সঙ্গে জন একটি দৈববাণী শুনতে পান যেটি যিশুকে ‘ঈশ্বরের পুত্র’ বলে ঘোষণা করে।
ব্যাপ্টিজম গ্রহণ করার পর যিশু জর্ডনের মরুভূমিতে যান এবং সেখানে গিয়ে একটানা চল্লিশ দিন উপবাস করে ঈশ্বরের ধ্যানে মগ্ন থাকেন। যিশুর জীবনের এই অংশের কাহিনী বর্ণিত আছে ম্যাথিউ, মার্ক এবং লুক গসপেলে, যেগুলি সিনপটিক গসপেল (Synoptic Gospels) নামে পরিচিত। যিশুর সাধনার সময় তাঁর কাছে শয়তান নিজে আবির্ভূত হয় এবং পরপর তিনবার যিশুকে প্রলোভন দেখানর চেষ্টা করে। একবার পাথরকে রুটিতে পরিণত করবার জন্য, একবার নিজেকে উঁচু পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার জন্য যেখান থেকে দেবদূতেরা যিশুকে রক্ষা করবে এবং শেষ বার বিশ্বের সমস্ত সম্পদ যিশুকে উপহার দেওয়ার জন্য শয়তান তাঁকে লোভ দেখায়। কিন্তু পরপর তিনবারই যিশু শয়তানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং শয়তানকে বিদায় করেছিলেন। এরপর যিশু গ্যালিলে ফিরে আসেন এবং আশেপাশের কয়েকটি গ্রামে ভ্রমণ করেন। এইসময় বেশ কয়েকজন যিশুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। এই শিষ্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মেরি ম্যাগডালিন নামে এক মহিলা যাঁর নামের উল্লেখ পাওয়া যায় লুকের গসপেলে। মনে করা হয়, তিনি যিশুর জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর পরিচর্যা করেছিলেন। মার্ক এবং জনের গসপেল অনুসারে, পুনর্জীবিত হওয়ার পর যিশু সবার আগে ম্যাগডালিনের সামনেই আবির্ভূত হয়েছিলেন।
জনের গসপেল অনুসারে, যাজকবৃত্তি শুরু করার পর যিশু তাঁর শিষ্যদের ও মা মেরিকে সঙ্গে নিয়ে গ্যালিলের কানা শহরের একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন। বিয়েবাড়িতে সুরা ফুরিয়ে যাওয়ায় কর্মকর্তারা যিশুর কাছে সাহায্য চান। যিশু প্রথমে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হননি, কিন্তু মায়ের অনুরোধ অগ্রাহ্য করতে না পেরে তিনি একটি জলভর্তি বড় কলসিকে অলৌকিক পদ্ধতিতে ভাল জাতের মদে রূপান্তরিত করেন। এই ঘটনাকে যিশুর মহিমা ও অলৌকিক ক্ষমতা প্রকাশের প্রথম চিহ্ন হিসেবে বর্ণনা করা হয়। সিনপটিক গসপেলে বর্ণিত আছে, যখন যিশু খ্রিস্ট জুডিয়া এবং গ্যালিলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করছিলেন তখন তিনি অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। তাঁর ঈশ্বরের বাণী প্রচার, অনেক অসুস্থ লোককে সুস্থ করে দেওয়া ইত্যাদি কাজের কথা লোকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং আরো অনেক মানুষ তাঁকে অনুসরণ করে। একটি পর্যায়ে যিশু একটি সমতল এলাকায় আসেন এবং তাঁর পিছনে বহু মানুষ সেখানে এসে জড়ো হয়। যিশু একটি টিলার উপর উঠে দাঁড়ান এবং জনতার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলেন যা ‘বিটিটিউড’ (Beatitudes) নামে পরিচিত। এগুলি প্রেম, নম্রতা, সহানুভূতি এবং অনেক আধ্যাত্মিক শিক্ষার কথা বর্ণনা করেছিল।
যিশু খ্রিস্ট যখন ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতে থাকেন, তখন তাঁর অনুগামীর সংখ্যা আরও বাড়তে থাকে এবং সবাই তাঁকে ঈশ্বরের পুত্র এবং ‘মসীহ’ বলে প্রচার করতে থাকে। তাঁর এই জনপ্রিয়তা ইহুদি ধর্মের পুরোহিতরা মেনে নিতে পারেন না এবং তাঁরা যিশুর সব অলৌকিক ক্ষমতাকে ‘শয়তানের দেওয়া ক্ষমতা’ বলতে থাকেন। যিশু তাদের যুক্তিকে অগ্রাহ্য করেন এবং বলেন এই ধরনের আচরণ ঈশ্বরের ক্ষমতাকেই অপমান করে। একদিন সিজারিয়া ফিলিপি শহরের কাছে যিশু নিজের শিষ্যদের একত্র করেন এবং তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। ম্যাথিউ, মার্ক এবং লুকের গসপেল অনুসারে, তিনি শিষ্যদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তোমাদের মতে আমি কে?”। এই প্রশ্ন শুনে সবাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল এবং কোনও উত্তর না দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল। শুধু পিটার নামে এক ব্যক্তি উত্তর দেন, “আপনি খ্রিস্ট, ঈশ্বরের জীবন্ত পুত্র।” এই উত্তর শুনে সন্তুষ্ট হয়ে যিশু পিটারকে আশীর্বাদ করেন এবং ‘ঈশ্বরের পুত্র’ এবং ‘খ্রিস্ট’ এই উপাধি দুটি স্বীকার করেন। তিনি পিটারকে গির্জার প্রধান হিসেবেও ঘোষণা করেছিলেন। তারপর তিনি শিষ্যদের কাছে পুরোহিতদের তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, তাঁর কষ্টভোগ এবং শেষে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর কথা বলে তাদের সতর্ক থাকতে বলেন। তিনি এও বলেছিলেন যে, মৃত্যুর তৃতীয় দিনে তিনি আবার প্রাণ ফিরে পাবেন।
এক সপ্তাহেরও কম সময় পরে, যিশু তাঁর তিনজন শিষ্যকে নিয়ে একটি উঁচু পাহাড়ে একাকী তপস্যা করার জন্য যান। সিনপটিক গসপেল অনুসারে, সেখানে গিয়ে যিশুর মুখ সূর্যের মতো জ্বলতে শুরু করেছিল এবং তাঁর সারা শরীর এক পবিত্র আলোতে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল। তারপর এলিয় ও মূসা নামে দুজন দেবদূত সেখানে আসেন এবং যিশুর সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের চারপাশে একটি উজ্জ্বল মেঘ দেখা গেল এবং একটি কণ্ঠস্বর শোনা গেল, “ইনি আমার প্ৰিয় পুত্র, যাঁর প্রতি আমি সন্তুষ্ট; এঁর কথা শোনো।” এই ঘটনাটি খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত যা ‘রূপান্তর’ (Transfiguration) নামে পরিচিত। এটি খ্রিস্ট ও ঈশ্বরের পুত্র হিসেবে যিশুর পরিচয়কে সমর্থন করে। নিস্তারপর্ব (ইহুদিদের একটি বাৎসরিক অনুষ্ঠান)-এর এক সপ্তাহ আগে যিশু খ্রিস্ট গাধার পিঠে চড়ে জেরুজালেমে এসেছিলেন। অগণিত মানুষ হাতে খেজুরের ডাল নিয়ে যিশুকে স্বাগত জানিয়েছিল। তারা বারবার যিশুর নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছিল এবং ঈশ্বরের পুত্র বলে তাঁর গুণগান করছিল। এইসব দেখে ইহুদি পুরোহিত ও অভিজাতদের এক অংশ ভয় পায় এবং যিশুকে আটকানোর বিষয়ে চিন্তা করতে থাকে। চারটি গসপেলই জেরুজালেমে যিশুর শেষ সপ্তাহের কথা বর্ণনা করে। এই সময় যিশু অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে, যিশুর বিরোধীরা মহাযাজক কায়াফার সঙ্গে দেখা করে যিশুকে গ্রেপ্তার করার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেন। যিশুর প্রধান শিষ্যদের মধ্যে একজন যার নাম ছিল জুডাস, মাত্র তিরিশ টুকরো রুপোর বিনিময়ে যিশুকে তাঁদের হাতে তুলে দিতে রাজি হয়ে যায়। যিশু এবং তাঁর বারোজন শিষ্য নিস্তারপর্বের ভোজ খাওয়ার জন্য মিলিত হয়েছিলেন যেখানে যিশু তাঁর শিষ্যদের নিজের হাতে খাবার পরিবেশন করেন। তিনি সেখানে শিষ্যদের শেষবারের মতো উপদেশ দিয়েছিলেন। ভোজসভা শেষ হওয়ার পর যিশু একটি বাগানে শিষ্যদের নিয়ে প্রার্থনা করতে যান। সেখানেই যাজকরা সৈন্য নিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে জুডাসও ছিল। যিশুকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য সে যিশুর গালে চুম্বন করেছিল।
যিশুকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁর অনেক শিষ্য প্রাণভয়ে লুকিয়ে পড়েন। যিশুকে মহাযাজকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি কোনও উত্তর না দেওয়ায় তাঁর উপর প্রবল অত্যাচারও করা হয়। যাজকরা যিশুকে ইহুদিদের রাজা বলে দাবি করার জন্য অভিযুক্ত করেন এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন। পরের দিন সকালে কাঁটার মুকুট পরিয়ে এবং একটি বিশাল ক্রুশ বহন করিয়ে তাঁকে ক্যালভারি পর্বতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং দুজন চোরের সঙ্গে তাঁকে ক্রুশে বিদ্ধ করা হয়। ক্রুশবিদ্ধ করার সময় যিশু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছিলেন, “হে ঈশ্বর! এরা জানে না যে এরা কী করছে। তুমি এদের ক্ষমা কোরো!” মনে করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৩০-৩৩ অব্দের মধ্যেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল।
তাঁর মৃত্যুর তিন দিন পরে, যিশুর সমাধি খালি পাওয়া যায়। যিশু পুনর্জীবিত হয়েছিলেন এবং প্রথমে মেরি ম্যাগডালিনের কাছে এবং পরে মা মেরির কাছে দেখা দিয়েছিলেন। তারপর তিনি শিষ্যদের সঙ্গে দেখা করে তাদের অভয় দেন। চল্লিশ দিন শিষ্যদের সঙ্গে কাটানোর পর তিনি সবাইকে নিয়ে অলিভেট পর্বতে যান এবং তাঁর মহিমার কথা পৃথিবীতে প্রচার করার নির্দেশ দিয়ে স্বর্গে চলে যান।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান