সব

খ্রীষ্টান বিবাহ

এই পৃথিবীতে যেমন বিভিন্ন ধরনের মানবগোষ্ঠী বা সমাজ রয়েছে তেমনই গোষ্ঠী বা দেশ ভেদে বিবাহের রীতি নীতিও আলাদা। এমনকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে চলেছে বিবাহ সম্পর্কিত রীতি-রেওয়াজের। ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যেই বিভিন্ন রীতির বিবাহ প্রথা আছে তবে প্রধানত ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করলে উল্লেখযোগ্য বিবাহ রীতিগুলি হল হিন্দু বিবাহ, মুসলিম বিবাহ, খ্রীষ্টান বিবাহ ইত্যাদি। প্রতিটি রীতিরই আবার জাতি বা স্থান ভেদে অনেক আলাদা নিয়মরীতি আছে। এখানে আমরা পড়ব খ্রীষ্টান ধর্মের বিবাহ সম্পর্কিত নানান তথ্য।

ধর্মভেদে বিবাহের রীতিনীতির পার্থক্য দেখা গেলেও একটু পর্যালোচনা করলে বুঝতে পারব সামান্য অদল বদল হলেও আসলে সব নিয়ম কোথাও না কোথাও একই হয়ে যায়৷ ভারতে বসবাসকারী অন্যান্য ধর্মের তুলনায় খ্রীষ্টীয় বিবাহের নিয়ম রীতি খুব সরল। খ্রীষ্টান বিবাহ মূলত বিভিন্ন চার্চে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে, এবং অনেকক্ষেত্রে ভারতের স্থানীয় বিবাহরীতির বিভিন্ন লোকাচার খ্রীষ্টান বিবাহরীতির সাথেও মিলেমিশে গেছে।

বাগদান অনুষ্ঠান ( Engagement Ceremony) – বিবাহের পূর্বে এই অনুষ্ঠানটি চার্চে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে৷ কন্যাপক্ষ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে৷ যেখানে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে কনে এবং বর একে অপরের সঙ্গে আঙটি বিনিময় করে থাকে।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


রস সেরেমনি (Roce Ceremony) – হিন্দু বিবাহে যেমন গায়ে হলুদ হয়ে থাকে  খ্রীষ্টীয় বিবাহ অনুষ্ঠানে চন্দনের ব্যবহার হয়৷ এটা মূলত গোয়ানিস ক্যাথালিস্টদের সংস্কৃতি থেকে এসেছে। বিবাহের পূর্বে নববধূ ও বরকে ‘ Roce ‘ যা পবিত্রতার প্রতীক নারকেলের দুধ দিয়ে স্নান করানো হয়৷ আইবুড়ো অবস্থায় শেষ স্নান হিসেবে এই অনুষ্ঠানটি গন্য করা হয়৷ বর্তমানে কোথাও কোথাও চন্দনের ব্যবহার হয়ে থাকে।

বিবাহের দিন – বিবাহের দিন মূল অনুষ্ঠান চার্চে সম্পন্ন হয়। নববধূ গাড়ি করে বিবাহ বাসরে উপস্থিত হয়৷ এই গাড়ির ব্যবস্থা বরপক্ষই করে থাকে৷ বরের “বেস্ট ম্যান” এসে কনেকে চার্চের মধ্যে নিয়ে যায়৷ তারপর কনের পিতা বরের হাতে কনের দায়িত্ব সমর্পণ করে দেন এবং ভবিষ্যৎ এর জন্য আশীর্বাদ করেন৷

চার্চে ঈশ্বরের সামনে নববধূ ও বর চার্চের প্রধান ধর্মযাজক বা পাদ্রীর উপস্থিতিতে একে অপরের উদ্দেশ্যে বিবাহসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিবাক্য পাঠ করে। এরপর ধর্মযাজক বিবাহের কিছু শপথবাক্য পাঠ করান যা  বর বধু “I Do” বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। এরপরে ধর্মযাজক তাদের স্বামী স্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে জানা-অজানা তথ্য


নেতাজী

ছবিতে ক্লিক করে দেখুন এই তথ্য