সববাংলায়
মহাভারতে আপনার প্রি…
 
Notifications
Clear all

মহাভারতে আপনার প্রিয় চরিত্র

5 Posts
4 Users
3 Reactions
609 Views
সববাংলায় বৈঠক » সববাংলায়
Trusted Member Admin Registered
Joined: 9 বছর ago
Posts: 47
Topic starter  

মহাভারত এমন একটা মহাকাব্য যার প্রতি সকলেরই কম বেশি আগ্রহ রয়েছে। মহাভারত নিয়ে যাঁরা নিয়মিত চর্চা করেন প্রতিনিয়ত খুঁজে পান নানান অর্থ, ব্যাখা।  মহাভারতে রয়েছে অসংখ্য চরিত্র – সেই সব চরিত্র আমাদের মতোই দোষ গুণে ভরা – তাই তাঁদের কেউ কেউ আমাদের খুব প্রিয় হয়ে ওঠেন।

 

এই আলোচনায় জানতে চাইব, মহাভারতে আপনার প্রিয় চরিত্র কে এবং কেন? 

 


   
Quote
সববাংলায় বৈঠক » সববাংলায়
Eminent Member Admin
Joined: 3 বছর ago
Posts: 22
 

আমার পছন্দ একলব্য। মহাকবির কলমে এত এত বীর, এত মহান চরিত্রের মাঝেও তিনি সমাজের বিভাজনটা দেখিয়েছেন। একলব্য না থাকলেও কিছু আসত যেত না সম্ভবত, কিন্তু তাঁর চরিত্র এঁকে তৎকালীন সমাজেও যে এখনের মতই বিভাজনটা ছিল, তা মহাকবি দেখিয়েছেন। তাই তো এই মহাকাব্য আজও প্রাসঙ্গিক। একলব্য সেই নিপীড়িত মানুষের প্রতীক হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে যেন। তাই তাঁকে বড় কাছের মানুষ মনে হয়, যাকে এই সমাজের ভিড়ে রোজ দেখি। 



   
ReplyQuote
সববাংলায় বৈঠক » সববাংলায়
Active Member
Joined: 2 বছর ago
Posts: 4
 

মহাভারত আমার বড়ো প্রিয় বিষয়। আর আপনারা এই নিয়ে  অর্থাৎ এর মধ্যে  আপনাদের কার কোন চরিত্র প্রিয় এই নিয়ে যেআলোচনা করছেন তা‌ বড়ই উপভোগ্য এখন আমার কাছে। আমি এখনি এই নিয়ে কিছু লিখছিনা। পরে দেখি পারি কি না। শারীরিক কারণে এখন লেখা দিচ্ছিনা। পরে দেখি পড়া যায় কি না। ধন্যবাদ।



   
ReplyQuote
সববাংলায় বৈঠক » সববাংলায়
Active Member
Joined: 2 বছর ago
Posts: 3
 

আমি সববাংলায় এর নিয়মিত পাঠক। ফোরামে আমার প্রথম পোস্ট এটা। মহাভারতে আমার ভীষ্মকে ভাল লাগে। উনি খুব দৃঢ়চেতা এক ব্যক্তিত্ব, ত্যাগী মানুষ। যদিও ওনার চরিত্রেও দোষ গুণ মিলেমিশেই আছে। তবুও আমার মনে হয় উনিই মহাভারতের নায়ক। ওনাকে আমার প্রণাম।



   
ReplyQuote
সববাংলায় বৈঠক » সববাংলায়
Trusted Member Admin Registered
Joined: 9 বছর ago
Posts: 47
Topic starter  

মহাভারতের অসংখ্য চরিত্র – এর মধ্যে বেশ কিছু প্রধান চরিত্র আছে – যারা কাহিনীকে রূপ দিয়েছে। তার বাইরেও রয়েছে অনেক অনেক চরিত্র যাদের কেউ কেউ না থাকলেও চলত – তাদের ছাড়াও মহাভারতের কাহিনী বা রূপ কোন অংশে কম হত না। আমি সেই রকমই এক চরিত্রকে বেছে নিচ্ছি প্রিয় চরিত্র হিসেবে – আসলে জীবনের এই মহাভারতে আমার মতো মানুষ না থাকলেও চলত ঠিক সেইরকমই…

 

মহাভারতের মতো বিপুল কাব্যে আমার সেই প্রিয় চরিত্রের উল্লেখ বার দুয়েক আছে হয়ত বা তার থেকে দুয়েকবার বেশি হবে কিন্তু তার বেশি না… সেই চরিত্রের নাম বিকর্ণ… দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সময় একমাত্র ব্যক্তি যিনি এর বিরোধিতা করেছিলেন – অর্জুন, কর্ণের মতো বীর তিনি নন তাই প্রতিবাদে সভাকক্ষ ত্যাগ করেছিলেন – কিন্তু প্রতিবাদ করেছিলেন..  এই অধ্যয়টুকু না থাকলেও মহাভারত অশুদ্ধ হতো না, তবে হয়ত আমাদের মতো মানুষ যারা বীর নই, নই কোন কাব্যের নায়ক তাদের কাছে এই প্রতিবাদটুকু কম নয়…

 

আরেকবার উল্লেখ আছে ওনার – যুধিষ্ঠির ডাক দিয়েছিলেন যুদ্ধের আগের মুহূর্তে – ধর্মের পক্ষে যোগ দেওয়ার – কৃষ্ণ অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজয় জেনেও সেই সময় দলত্যাগ করেননি – অসময়ে ভাইকে ছেড়ে যাননি… এই অসময়ে যখন দল পাল্টানো, সুবিধা মত অবস্থানে যাওয়া খুবই সাধারণ বিষয় সেই সময় এরকম একজন বিকর্ণ প্রয়োজন.. 

 

প্রসঙ্গত, নারায়ণ সান্যাল বিকর্ণ ছদ্মনামে লিখতেন – তিনিও চেয়েছিলেন এরকমই একটা ভূমিকা নিতে… তাঁর মতোই যদি পারি নিজের লেখায় বিকর্ণের ভূমিকাটুকু নিতে… 



   
ReplyQuote

সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।