অ্যাক্শন ম্যান প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, দিশা পাটানি, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, বিজয় দেবরকন্দা, কে নেই ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ নামের সাম্প্রতিক বহু আলোচিত এই ফিলিমে| মুক্তি পেয়েছে বটে তবে এর মধ্যে যদি আপনি মানে টানে খুঁজতে যান, গল্পের আস্বাদ পেয়ে চান তবে ব্যর্থ হবেন। দক্ষিণী পরিচালক নাগ অশ্বিন কল্কির অল্প স্বল্প গল্পকে টেনে নিয়ে গেছেন এমন এক সময়ে, যখন পৃথিবী পুরোপুরি উল্টে গেছে, পাল্টে দেখলেই ভাল হয়।
মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বক্স অফিসে ঝড়। ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ তে শুধুই ভিএফএক্সের কারিকুরি। পুরাণ আছে ভাল মতই, আছে পৌরাণিক চরিত্র, আছে অবতার, স্টার ওয়ার্স , এভেঞ্জরস , ইন্ডিপেনডেন্স ডে থেকে টুকলি ।বিস্তর বড় পানোরামা, বিস্তর চরিত্র। পরিচালক যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন দর্শকদের এমন একটি জগতে নিয়ে যেতে যে জগতের সঙ্গে ভারতীয় দর্শক পরিচিত নন তবে যারা হলিউড অনুপ্রাণিত তাঁরা সম্যক ওয়াকিবহাল।ট্রান্সফরমারস, অ্যাভেঞ্জারস, অবতার এবং আরও অনেকগুলি ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র থেকে পুরোপুরি ধার করা অনেক কিছু বর্তমান এই ছবির জগতে, তবে মনে রাখা দুর্দায়। ছবিটির দ্বিতীয়ার্ধ মোটামুটি একটু বসে দেখার মত হলেও কল্কি 2 এর জন্য পরিবেশ তৈরি করাটাই পরিচালকের মুখ্য উদ্দেশ্য হওয়ায় যেমন তেমন করে এর ঘাড়ে ওর মুড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে ছবির গল্প| সৃষ্টি করা হয়েছে প্লট ও সাব প্লট| মাইথলজি, সাই-ফাই, মেলোড্রামা, ইমোশন, এভিয়েশন, ভাঁড়ামি, ভন্ডামি, নীতিবাগীশতা, জিনিওলজি, সব কিছুকে মিলেমিশে এক্কেবারে দুর্দান্ত ভেলপুরী ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’| ফিল্ম শেষ হওয়ার পর যখন হল থেকে বেরিয়ে আসি তখন একটা কথাই মাথায় ঘোরে যে এটা ছবিটা একান্ত ভাবেই অমিতাভ বচ্চনের ছবি।আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়েছেন মিস্টার ভিএফএক্স|
মলয়বাবু, আপনার চাঁচাছোলা রিভিউ ভাল লাগলো। হলে যাওয়ার মতো সময় নেই, তাহলে কি ott platform এ এলেও দেখবো না?
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।
