সববাংলায়

ব্লেজ পাস্কাল

ব্লেজ পাস্কাল (Blaise Pascal) একজন বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ ও দার্শনিক। গণিত এবং পদার্থবিদ্যায় তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি পাস্কালাইন (Pascaline) নামক এক ক্যালকুলেটর উদ্ভাবন করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি ছিলেন সম্ভাবনা তত্ত্ব বা ‘প্রোবাবিলিটি থিওরি’র অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা। পদার্থবিদ্যায় তিনি জলবিদ্যা (Hydrostatics), বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং শূন্যস্থানের অস্তিত্ব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছিলেন। তরল পদার্থের গবেষণায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চাপের এসআই (SI) ইউনিটের নামকরণ করা হয়েছে ‘পাস্কাল’। এমনকি তাঁকে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থার অন্যতম উদ্ভাবক হিসেবেও কৃতিত্ব দেওয়া হয়। বিজ্ঞানের পাশাপাশি দর্শন ও ধর্মতত্ত্ব বিষয়েও তিনি ছিলেন অনন্য। পাস্কাল ‘জ্যানসেনিজম’ নামক ক্যাথলিক ধর্মতাত্ত্বিক আন্দোলনের একজন কট্টর সমর্থক ছিলেন এবং তাঁর আধ্যাত্মিক লেখনী আজও বিশ্বসাহিত্যে অবিস্মরণীয়।

১৬২৩ সালের ১৯ জুন ফ্রান্সের ক্লেরমঁ ফেরাঁ-য় (Clermont-Ferrand) ব্লেজ পাস্কালের জন্ম হয়। তাঁর বাবা এতিয়েন পাস্কাল (Étienne Pascal) ছিলেন রুয়েনের একজন কর আদায়কারী এবং ফরাসি অভিজাত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। ব্লেজ পাস্কালের মা আঁতোয়ানেত বেগোঁ (Antoinette Begon) পাস্কালের শৈশবেই মারা যান। তাঁর বড় বোন গিলবার্ট পেরিয়ের ‘লা ভি ডি মনসিউর পাস্কাল’ নামে তাঁর একটি জীবনী লিখেছিলেন। ছোট বোন জ্যাকলিন ছিলেন একজন প্রতিভাবান সাহিত্যিক ও কবি, যিনি পরবর্তীতে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন।

ছোটবেলা থেকে মেধাবী পড়ুয়া ব্লেজ পাস্কাল তাঁর বাবার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। তাঁর বাবা একজন অপেশাদার গণিতবিদ হলেও তাঁর বাবা শুরুতে চেয়েছিলেন ছেলে আগে গ্রিক ও ল্যাটিন শিখুক, তাই ১৫ বছর বয়সের আগে তাঁকে গণিত চর্চায় বাধা দিয়েছিলেন। তিনি মনে করতেন, গণিতের প্রতি প্রবল আকর্ষণ তৈরি হলে পাস্কাল অন্য ভাষায় মনোযোগ দেবেন না। কিন্ত ব্লেজ একান্ত নিজের চেষ্টাতে প্রথম অঙ্ক শেখা শুরু করেছিল। প্রথমে তিনি মেঝেতে কাঠকয়লা ব্যবহার করে অঙ্ক করতেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি কোন বইয়ের সাহায্য ছাড়াই ইউক্লিডের ৩২ নম্বর উপপাদ্যটি প্রমাণ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। ছেলের মেধা দেখে বাবা তাঁকে ইউক্লিডের ‘এলিমেন্টস’ বইটি উপহার দেন।

এক নজরে ব্লেজ পাস্কালের জীবনী:

  • জন্ম: ১৯ জুন, ১৬২৩
  • মৃত্যু: ১৯ আগস্ট, ১৬৬২
  • কেন বিখ্যাত: ব্লেজ পাস্কাল ফরাসি গণিতবিদ ও পদার্থবিদ। তিনি তরল পদার্থের চাপের উপর ‘পাস্কালের সূত্র’ এবং গণিতে সম্ভাব্যতা তত্ত্ব ও ক্যালকুলেটর আবিষ্কারের জন্য স্মরণীয়।
  • পুরস্কার: তাঁর সম্মানে চাপের আন্তর্জাতিক একককে ‘পাস্কাল’ (Pa) নামকরণ করা হয়েছে এবং তাঁর নামানুসারে ‘পাস্কাল’ নামক একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করা হয়েছে।

ব্লেজ পাস্কালের প্রথম গাণিতিক কাজ ছিল জ্যামিতির উপর। তিনি জ্যামিতির বিভিন্ন পদ্ধতির গভীরে অনুসন্ধান করেছিলেন। তিনি জেরার্ড ডেসার্গসের (Gérard Desargues) শঙ্কুর উপর লেখা প্রবন্ধ দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। তারপর তিনি ১৬৪০ সালে প্রকাশিত ‘ইসাই পোর লেস কনিক্স’ (Essai pour les coniques)। এখানে তিনি তাঁর বিখ্যাত ‘পাস্কালের উপপাদ্য’ উপস্থাপন করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সের কিশোরের এই কাজ দেখে তৎকালীন অনেক গণিতবিদ বিশ্বাসই করতে পারেননি যে এটি তাঁর নিজের করা। এই উপপাদ্যে তিনি দেখান যে, কোন বৃত্তের অভ্যন্তরে খোদাই করা ষড়ভুজের বিপরীত বাহুগুলোর ছেদবিন্দু একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এছাড়া জ্যামিতি বিষয়ে তাঁর ‘দে ই’ইসপ্রিট জিওমেটরিকুই’ গ্রন্থটিও বেশ বিখ্যাত।

১৬৪২ সালে ব্লেজ পাস্কাল তাঁর কর সংগ্রাহক বাবাকে সাহায্য করার জন্য বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর ‘পাস্কালাইন’ তৈরি করেন। এই যন্ত্রের সাহায্যে মূলত যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তবে পরবর্তীকালে গুণ ও ভাগের কাজও করা হত এই যন্ত্রের মাধ্যমে। গিয়ার, পিন এবং ডায়াল সিস্টেম ব্যবহার করে এই যন্ত্র পরিচালনা করা হত। এটিই ছিল প্রথম যান্ত্রিক গণনাযন্ত্র, যা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। তিনি এই যন্ত্রটি তৈরি ও বিক্রির জন্য রাজা চতুর্দশ লুইয়ের থেকে একচেটিয়া অধিকার আদায় করেছিলেন। পাস্কাল প্রায় ৫০টির মতো প্রোটোটাইপ তৈরি করেছিলেন। ব্লেজ পাস্কাল পরবর্তী কয়েক দশক ধরে এই যন্ত্রের নকশা উন্নতি করেছিলেন। তবে এটা ব্যবহার করা খুব কঠিন ছিল, সাধারণত অভিজাত পরিবারই এই যন্ত্র ব্যবহার করতে পারত। বর্তমানে এই যন্ত্রের কয়েকটি কপি প্যারিস ও জার্মানির জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

পদার্থবিদ্যার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে চাপ ও তরল বলবিদ্যার ক্ষেত্রে ব্লেজ পাস্কালের অবদান অবিস্মরণীয়। ১৬৪৬ সালে তিনি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ এবং ভ্যাকুয়াম নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছিলেন। এই সময় তিনি আবিষ্কার করেছিলেন যে, বায়ুমন্ডলীয় চাপ বাস্তব ওজন ব্যবহার করে পরিমাপ করা যেতে পারে। বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল ভূপৃষ্ঠের ওপরের সম্পূর্ণ বায়ুস্তম্ভের ওজনের প্রতি একক ক্ষেত্রফলের উপর প্রযুক্ত বল।

১৬৪৭ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ‘পুই দ্য দোম’ (Puy de Dome) পরীক্ষার মাধ্যমে দেখান যে, বায়ুমণ্ডলীয় চাপ উচ্চতা পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। এই সময় তিনি ভ্যাকুয়াম নিয়ে নতুন পরীক্ষা করে ‘এক্সপেরিয়ঁস নুভেল তুশাঁ ল্য ভিড’ (Experiences nouvelles touchant le vide) প্রকাশ করেন। এই সময় অ্যারিস্টটলীয় ধারণার বিপরীতে গিয়ে তিনি বলেন যে, প্রকৃতিতে শূন্যতা থাকা সম্ভব। তিনি পরীক্ষা করে দেখিয়েছেন যে, একটি আবদ্ধ পাত্রের ভিতরের বাতাস বা তরল বের করে দিলে সেখানে শূন্যস্থান তৈরি করা সম্ভব।

এরপর ব্লেজ পাস্কাল স্থির তরলের আচরণ নিয়ে বিস্তারিত কাজ করেছিলেন। ১৬৫৩ সালে একটি সূত্র দেন যা পাস্কালের সূত্র নামে পরিচিত। সেই সূত্রানুসারে, আবদ্ধ স্থির তরলের কোন অংশে চাপ প্রয়োগ করলে তা সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয়। এটিই আধুনিক জলবাহী বা হাইড্রোলিক সিস্টেমের মূল ভিত্তি।

১৬৫৪ সালে ব্লেজ পাস্কাল তাঁর বন্ধু শেভালিয়ে দ্য মেরের (Chevalier de Mere) জুয়া সম্পর্কিত প্রশ্নের ভিত্তিতে জুয়ার সমস্যা বিষয়ে পিয়ের দ্য ফের্মা-র (Pierre de Fermat) সাথে আলোচনা শুরু করেছিলেন। সেই আলোচনার ফলে প্রোবাবিলিটি থিওরি (Probability Theory) তত্ত্বের জন্ম হয়। তারা দেখিয়েছিলেন যে, কোন খেলা যদি মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হয়, তবে খেলোয়াড়দের অর্জিত পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে বাজি বা পুরস্কারের টাকা কীভাবে সুষ্ঠুভাবে ভাগ করা যায়। এই সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে তিনি প্রত্যাশিত মূল্যের ধারণা তৈরি করেন, যা আজকের আধুনিক অর্থনীতি, বীমা এবং সমাজবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া তিনি ‘ত্রেতে দু ত্রিয়াংল আরিতমেতিক’ (Traité du triangle arithmétique) বইটিতে দ্বিপদী সহগের (Binomial Coefficients) গণনার জন্য সুবিধাজনক সারণী উপস্থাপন করেছিলেন। এই সারণীটি বর্তমানে ‘পাস্কালের ত্রিভুজ’-এর সাথে সম্পর্কিত। এই বইটিতে তিনি ত্রিভুজের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য এবং দ্বিপদী সহগ ও বিন্যাস-সমাবেশ নির্ণয়ের নিয়ম বর্ণনা করেন।

১৬৫৪ সালের এক রাতে এক গভীর রহস্যময় আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতার পর পাস্কাল বিজ্ঞানের জগৎ থেকে সরে এসে ধর্মতত্ত্বে মনোনিবেশ করেন। তিনি জ্যানসেনিজম নামক এক ক্যাথলিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই আন্দোলনকারীরা ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ ও জাগতিক পাপের থেকে দূরে থাকার কথা বলতেন। এই সময় ব্লেজ পাস্কাল ফরাসি ধ্রুপদী যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হয়ে ওঠেন। নিজের ধর্ম ভাবনা নিয়ে তিনি লুই ডি মন্টাল্ট ছদ্মনামে তাঁর প্রথম প্রধান সাহিত্যকর্ম ‘প্রভিন্সিয়াল লেটারস’ লেখা শুরু করেছিলেন। ১৬৫৬ সাল থেকে ১৬৫৭ সালের মধ্যে লেখা এতে মোট ১৮টি চিঠি ছিল। ক্যাথলিক চার্চের ভিতরে জ্যানসেনবাদী এবং জেসুইটদের মধ্যেকার তীব্র ধর্মতাত্ত্বিক বিরোধই ছিল এই চিঠির বিষয়। জেসুইটদের নৈতিকতার সমালোচনা করে তিনি এই চিঠিগুলো লিখেছিলেন। তিনি এই লেখায় হাস্যরস, উপহাস এবং বিদ্রূপাত্মক ব্যঙ্গের ব্যবহার করায় এগুলি জনসাধারণের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে এই বইয়ের উপর লুই চতুর্দশ এতটাই ক্ষুব্ধ হয়েছিল যে, তিনি ১৬৬০ সালে এই বইটি টুকরো টুকরো করে পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

এছাড়া পাস্কালের শেষদিকের রচনাগুলির মধ্যে একটি হল ‘এক্রি স্যুর লা সিগনাত্যুর দু ফর্ম্যুলেয়ার’ (Écrit sur la signature du formulaire) । এখানে তিনি জ্যানসেনবাদীদের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন। আর তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত ‘পঁসে দ্য মসিয়ে পাস্কাল স্যুর লা রেলিজিওঁ, এ স্যুর কেল্ক ওত্র সুজে’ (Pensées de M. Pascal sur la religion, et sur quelques autres sujets) নামে একটি বই মুদ্রিত হয়েছিল। এই বইতে তাঁর খণ্ড খণ্ড চিন্তাভাবনা, দর্শন ও ধর্মতাত্ত্বিক নোটের একটি বিখ্যাত সংকলন রয়েছে। এই গ্রন্থে তিনি খ্রিস্টধর্মের পক্ষে যুক্তি, মানুষের অস্তিত্বের সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রণার অর্থ এবং ঈশ্বর ও মানবতার সম্পর্ক নিয়ে গভীর দার্শনিক মতবাদ তুলে ধরেছিলেন। এখানে মানুষের ক্ষুদ্রতা ও মহত্ত্বের বৈপরীত্য ফুটে উঠেছিল। এই গ্রন্থে তিনি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করা বা না করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই যুক্তি অনুযায়ী, ঈশ্বরে বিশ্বাস করা লাভজনক কারণ ঈশ্বর থাকলে অসীম পুরস্কার বা স্বর্গ এবং না থাকলে বিশেষ কোন ক্ষতি নেই। অন্যদিকে ঈশ্বরে বিশ্বাস না করলে অসীম শাস্তি বা নরক লাভ হতে পারে। একে পাস্কালের বাজি (Pascal’s Wager) বলে। তাঁর বৈজ্ঞানিক লেখার পাশাপাশি এই সাহিত্যকর্মগুলি প্রতিটি প্রজন্মের দার্শনিকের প্রশংসা লাভ করেছিল।

১৬৬২ সালে প্যারিসে ব্লেজ পাস্কাল ঘোড়ায় টানা কোচ বা বাসের একটি নিয়মিত ও নির্দিষ্ট রুটের ব্যবস্থা চালু করেন। এটি বিশ্বের প্রথম গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত ছিল। পাস্কালের চালু করা এই ঘোড়ায় টানা কোচগুলোর নাম ছিল “কারোস আ স্যাঁক সল” (Carrosses à cinq sols)।

ব্লেজ পাস্কালের অবিস্মরণীয় বৈজ্ঞানিক অবদানের জন্য চাপের SI এককের নাম দেওয়া হয়েছে পাস্কাল। ফ্রান্সের ক্লেরমঁ ফেরাঁর (Clermont-Ferrand) একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হয় ‘ইউনিভার্সিটি ব্লেজ পাস্কাল’। আবার কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের লুবুম্বাশিতে অবস্থিত একটি স্কুলের নাম দেওয়া হয়েছে পাস্কালের নামে। এছাড়া ১৯৬৯ সালের এরিক রোমারের (Éric Rohmer) চলচ্চিত্র ‘মাই নাইট অ্যাট মডস’ পাস্কালের কাজের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। তাছাড়া পাস্কালের নামে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নামকরণ করা হয়। ২০১৪ সালের ক্যালিফোর্নিয়ার সান জোসে অনুষ্ঠিত জিপিইউ টেকনোলজি কনফারেন্স (GPU Technology Conference)-এ এনভিডিয়া (NVIDIA) তাদের নতুন পাস্কাল মাইক্রো আর্কিটেকচারের কথা ঘোষণা করেছিল। পাস্কালের প্রথম গ্রাফিক্স কার্ডগুলো ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে। তাছাড়া তাঁর সম্মানে একটা ক্ষুদ্র গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাঁর জন্মের চতুর্থ শতবার্ষিকীর স্মরণে ব্লেজ পাস্কালকে উৎসর্গ করে একটি চিঠি ‘সুবলিমিতাস এৎ মিজেরিয়া হোমিনিস’ (Sublimitas et miseria hominis) প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়া ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী পিয়েরে বোর্দিউ তাঁর নামানুসারে ‘পাস্কেলিয়ান মেডিটেশন’ বই লিখেছিলেন।

১৬৬২ সালের ১৯ আগস্ট প্যারিসে ব্লেজ পাস্কালের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading