এলিজাবেথ কার্ন

এলিজাবেথ কার্ন

পাশ্চাত্যদেশীয় প্রাকৃতিক দর্শন এবং ভূতত্ত্বকে যেসমস্ত ব্যক্তি সমৃদ্ধ করেছিলেন তাঁদের উন্নত চিন্তা এবং লেখনীর মাধ্যমে, ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক এবং লেখিকা এলিজাবেথ কার্ন (Elizabeth Carne) ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম। মূলত ভূতাত্ত্বিক হলেও একজন শঙ্খতত্ত্ববিদ এবং একজন খনিজ সংগ্রাহক হিসেবেও তিনি পরিচিত গোটা বিশ্বের কাছে। তাঁর গবেষণাপত্র থেকে প্রাচীন সমূদ্রপৃষ্ঠের বর্ণনা পাওয়া যায়, এমনকি ভূমি ও সমুদ্রের পূর্ববর্তী অবস্থা, বোল্ডারের বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে উঠে আসে। এলিজাবেথ কার্নই ‘রয়্যাল জিওলজিকাল সোসাইটি অফ কর্নওয়েল’-এর প্রথম মহিলা সদস্য ছিলেন। বিজ্ঞান ও ভূতত্ত্বের পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু কবিতাও রচনা করেছিলেন। একাধারে ব্যাঙ্কারের হিসেবে ও সমাজসেবার কাজেও নিজের অবদান রেখেছেন এলিজাবেথ। খনিজ অঞ্চলের দরিদ্র ও বঞ্চিতদের মধ্যে পড়াশোনার বিস্তারের জন্য স্কুল তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি যেমন জমি দান করেছিলেন, তেমনি বিদ্যালয়ও তৈরি করেছিলেন নিজের উদ্যোগে।

১৮১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ পশ্চিম ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক কাউন্টি কর্নওয়েলে হেইলির নিকটবর্তী ফিল্যাক গ্রামের রিভিয়ের হাউসে এলিজাবেথ কার্নের জন্ম হয়। তাঁর বাবা জোসেফ কার্ন (Joseph Carne) ছিলেন এফআরএস (FRS) অর্থাৎ রয়্যাল সোসাইটির একজন সদস্য। জোসেফ কার্ন একজন ভূতত্ত্ববিদ এবং শিল্পপতি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ‘কর্নিশ কপার কোম্পানি’র গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে ছিলেন জোসেফ। সেই কোম্পানি মূলত তামা গলানোর এবং জাহাজ নিমার্ণের কাজ করত। ১৮০৮ সালে জোসেফ কার্ন হ্যাভারফোর্ডওয়েস্টের চিকিৎসক উইলিয়াম থমাসের কন্যা মেরি থমাসকে (Mary Thomas) বিবাহ করেছিলেন। কর্নিশ কপার কোম্পানিতে কাজ পাওয়ার পর তিনি রিভিয়ের হাউসে চলে গিয়েছিলেন। মেরি এবং জোসেফের তিন পুত্র এবং পাঁচ কন্যা অর্থাৎ আট সন্তানের মধ্যে সপ্তম সন্তান ছিলেন এলিজাবেথ কার্ন। ১৮২০ সালের ১৫ মে ফিল্যাক গির্জায় ক্রিশ্চান ধর্মে দীক্ষিত হন এলিজাবেথ।

যে রিভিয়ের হাউসে তাঁরা থাকতেন, সেটি মূলত কর্নিশ কপার কোম্পানি ক্রয় করেছিল। সেই বাড়িতে গলানো তামা ও টিন পরীক্ষার জন্য এবং বিভিন্ন রকম খনিজ ও শিলার উপাদান অধ্যয়নের জন্য একটি ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছিল কোম্পানি। ফলত খুব ছোট থেকেই খনিজ পদার্থ, বিভিন্ন রকম ধাতুর সঙ্গে এলিজাবেথের প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ ঘটবার সুযোগ হয়। তাছাড়া তাঁর বাবা নিজেও ছিলেন একজন খনিজ সংগ্রাহক ছিলেন, ফলে ভূতত্ত্বে এলিজাবেথের আগ্রহ বৃদ্ধির বীজ হয়তো অনেক অল্পবয়স থেকেই তাঁর মধ্যে প্রোথিত হয়ে গিয়েছিল। এখানে উল্লেখ্য যে, এলিজাবেথের জন্মের আগে কোম্পানির সেই ল্যাবরেটরিতে প্রখ্যাত ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার ডেভিস গিলবার্ট এবং বিখ্যাত রসায়নবিদ ও খনিতে ব্যবহৃত সেফটি ল্যাম্পের উদ্ভাবক হামফ্রে ডেভি এসেছিলেন, সেখানকার কাজ কতটা বৈজ্ঞানিক পরিবেশের মধ্যে চলে তা দেখতে। খনির এজেন্ট এবং একটি প্রভাবশালী ও মেথডিস্ট সম্প্রদায়ের বণিক পরিবারে এলিজাবেথের জন্ম হয়েছিল। এলিজাবেথের পিতামহকে কর্নিশ মেথডিজমের জনক বলা যেতে পারে, এবং তাঁর পুত্র অর্থাৎ এলিজাবেথের বাবা জোসেপ কার্ন নিজেও চার্চ অফ ইংল্যান্ডে একজন সক্রিয় ওয়েসলিয়ান মেথডিস্ট শ্রেণির নেতা ছিলেন। এছাড়াও মেথডিস্ট সমস্ত গ্রন্থের জন্য নির্দিষ্ট স্থানীয় কক্ষটিও এলিজাবেথদের বাড়িতে স্থাপিত হয়েছিল।

প্রাথমিকভাবে বাড়িতেই পড়াশোনা করেছিলেন এলিজাবেথ কার্ন। পেনজান্সের চ্যাপেল স্ট্রীটের বাড়িতে (বর্তমানে চ্যাপেল হাউস হোটেল) নিজের বোনেদের সঙ্গে বাবা-মায়ের সাহায্যে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি। ব্যাপকভাবে গণিত অধ্যয়ন করেছিলেন এলিজাবেথ এবং অসংখ্য ধ্রুপদী রচনার সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। তাঁর বাবা-মায়ের তৈরি গ্রন্থাগারে সময় কাটাতেন তিনি এবং গণিতের পাশাপাশি ইতিহাস এবং ধর্মতত্ত্বও অধ্যয়ন করেছিলেন। এছাড়াও তিনি ক্রমে প্রাকৃতিক বিশ্বের একজন প্রতিভাবান অলঙ্করণ শিল্পী হয়ে ওঠেন। ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স বিভিন্ন জায়গার শিলা, তাঁদের গঠন ইত্যাদির স্কেচ করেছিলেন এলিজাবেথ কার্ন। ১৮৩০-এর দশকের শেষ এবং ১৮৪০-এর দশকের শুরু এই সময়কালে তিনি ব্যাপকভাবে ইউরোপের ভেনিস, ফ্রান্স, হল্যান্ড ইত্যাদি স্থানে ভ্রমণ করেন। এই ভ্রমণের ছাপ তাঁর স্কেচবুকের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। তাঁর এক বিশেষ বন্ধু ক্যারোলিন ফক্সের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন এলিজাবেথ এবং নিজের চিন্তাভাবনা তাঁর সঙ্গে ভাগ করে নিতেন। ‘এনজয়মেন্ট’ নামের একটি দীর্ঘ কবিতা ১৮৬০ সালে প্রকাশিত তাঁর লেখা ‘থ্রি মান্থস, রেস্ট অ্যাট পাউ ইন দ্য উইন্টার অ্যান্ড স্প্রিং অফ ১৮৫৯’ নামক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থ একটি ডায়েরির আকারে অনেকটা ভ্রমণসাহিত্যের মতো লিখিত। ‘লন্ডন কোয়াটার্লি রিভিউ’তে বেনামে লিখতেন তিনি একসময়।

খুব অল্পবয়স থেকেই তিনি খনিজ অঞ্চলের জীবনযাত্রা খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করার সুযোগ পেয়েছিলেন, কারণ তাঁর বাবার খনিজ সংগ্রহের নেশায় একমাত্র সঙ্গ দিয়েছিলেন এলিজাবেথ কার্ন। ছোটবেলা থেকেই খনিজ, শিলা ইত্যাদি বিষয়ের প্রতি আগ্রহ জন্মেছিল তাঁর। খনিজ অঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য, অসহায়তা এবং সর্বোপরি শ্রেণি বৈষম্যের শিকার হওয়ার ফলে প্রবল বঞ্চনাময় জীবনযাপন আমূল নাড়া দিয়েছিল এলিজাবেথকে। তিনি খুব অল্প বয়স থেকেই তাঁদের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং সহৃদয় আচরণ করতেন। তিনি লক্ষ্য করতেন খনিজ অঞ্চলের শিশুরা এই শ্রেণি বৈষম্য এবং অবশ্যই আর্থিক কারণে সঠিক শিক্ষালাভেরও সুযোগ পায় না। এই সমস্ত বিষয় ভাবিয়েছিল এলিজাবেথকে। এখানে উল্লেখ্য, ১৮৩২ সালে যখন এলিজাবেথ কার্নের ১৫ বছর বয়স তখন জয় স্টুয়ার্ট মিল একবার কর্নওয়েল ভ্রমণে এসেছিলেন এবং তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বালিকা এলিজাবেথ। আধুনিক সমাজের বুকেও এই যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি, সেখান থেকেই তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কান্ট্রি টাউনস, অ্যান্ড দ্য প্লেস দে ফিল ইন মডার্ন সিভিলাইজেশন’ (১৮৬৮) -এর জন্ম হয়েছিল। উপরিউক্ত সমস্যাগুলি বর্তমান সমাজেও লক্ষ্য করা যায়। এই বিষয়গুলির উপর চর্চা করার কারণে তাঁকে আধুনিক সামাজিক তত্ত্বের একজন অগ্রগণ্য চিন্তাবিদ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। সামাজিক, শিক্ষাগত এবং পরিবর্তিত নৈতিক দর্শনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান স্বীকার করতে হয় এবং সেই সময়ে এই বিষয়গুলিতে নারীদের কোনো স্থান বা অবদান ছিল না। অতএব এলিজাবেথ কার্ন সেদিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। একটি বিষয় এই ‘কান্ট্রি টাউনস’ বইটি সম্পর্কে উল্লেখ্য যে, কেবলমাত্র কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থান, গোষ্ঠী বা কোনো বিশেষ পরিস্থিতি এই গ্রন্থের লক্ষ্য নয়। জনাকীর্ণ বস্তি, অনুন্নত দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা, আবর্জনাময় এলাকা, বায়ুদূষণ, এমনকি ছেলে এবং মেয়েদের একসঙ্গে শিক্ষালাভের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি সম্পর্কে জাতীয় স্তরে সচেতনতা তৈরি করার একটি প্রচেষ্টা আসলে এই গ্রন্থের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন প্রাইভেট স্কুলগুলির মূলত ছেলেদের শিক্ষাদান এবং বাড়িতে মেয়েদের শিক্ষাদান, এই ব্যবস্থার মধ্যে শ্রেণি বিভাজন লুকিয়ে আছে। এলিজাবেথ কার্ন তাই ছেলে এবং মেয়েদের একত্রে শিক্ষাদানের প্রস্তাব করেন। শ্রেণি বৈষম্যকে ঘৃণা করতেন এলিজাবেথ এবং চাইতেন উপযুক্ত শিক্ষা ও প্রকৃত ন্যায়বিচারের মাধ্যমে এই বৈষম্যের অবসান ঘটানো উচিত। ট্রাভেলগ ধরনের গ্রন্থ রচনার আট বছর পর এই গ্রন্থটিতেই প্রথম এত গুরুগম্ভীর এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছিলেন তিনি। তবে কেবলমাত্র গ্রন্থ রচনাতেই থেমে থাকেননি এলিজাবেথ কার্ন। বই লেখবার অনেক আগে থেকেই তিনি কাজে হাত দিয়েছিলেন। ১৮৫৮ সালে পিতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে অনেক সম্পত্তির মালিকানা পেয়েছিলেন তিনি। শিক্ষা এবং অন্যন্য জনহিতকর কার্যের উদ্দেশ্যে তিনি সেন্ট পলস স্কুলের জন্য জমি বিতরণ করেন, যেটি তাঁর মৃত্যুর পর খুলেছিল। এছাড়াও পেনজান্সের পার্শ্ববর্তী তিনটি অল্প জনবসতিপূর্ণ অঞ্চল ওয়েসলি রক, কারফুরি এবং বোসুলোতে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর বাড়ির কাছে লোয়ার কুইন্স স্ট্রীটে একটি জাদুঘর তৈরি করেছিলেন এলিজাবেথ কার্ন যেখানে মূল্যবান খনিজের সংগ্রহ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি।

১৭৯৫ সালে পিতামহ উইলিয়াম কার্ন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত পেনজান্স ব্যাঙ্কের প্রধান হিসেবে বাবার অংশীদারিত্ব গ্রহণ করেছিলেন এলিজাবেথ কার্ন। ভূতত্ত্বের প্রতি তাঁর আগ্রহ এবং ভালবাসা যে ছোটবেলা থেকেই গড়ে উঠেছে তা আলোচিত হয়েছে ইতিমধ্যে। উল্লেখ্য যে তিনি ‘রয়্যাল জিওলজিকাল সোসাইটি অফ কর্নওয়েল’-এর প্রথম মহিলা সদস্য ছিলেন। তারও আগে তিনি ক্যরোলিন ফক্স এবং অ্যানা মারিয়া ফক্সের সঙ্গে ‘রয়্যাল কর্নওয়েল পলিটেকনিক’ সোসাইটির সদস্য ছিলেন। ভূতত্ত্বের ওপর যে চারটি গবেষণাপত্র রচনা করেছিলেন এলিজাবেথ উক্ত সোসাইটির জন্য, সেগুলি হল ‘ক্লিফ বোল্ডার্স অ্যান্ড দ্য ফর্মার কন্ডিশন অফ দ্য ল্যান্ড অ্যান্ড সি ইন দ্য ল্যান্ড’স এন্ড ডিস্ট্রিক্ট’, ‘দ্য এজ অফ দ্য মেরিটাইম আল্পস সারাউন্ডিং মেনটোন’, ‘অন দ্য ট্রানজিশন অ্যান্ড মেটামরফোসিস অফ রকস’ এবং ‘অন দ্য নেচার অফ দ্য ফোর্সেস দ্যাট হ্যাভ অ্যাক্টেড অন দ্য ফর্মেশন অফ দ্য ল্যান্ডস এন্ড গ্রানাইট’। ‘লন্ডন কোয়াটার্লি রিভিউ’তেও তাঁর অনেকগুলি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল।

এলিজাবেথের আগ্রহের মূল কেন্দ্র ছিল বিজ্ঞান এবং আধ্যাত্মিক বিষয়ে। এছাড়াও তাঁর লেখায় রাজনৈতিক বিষয়েরও আভাস পাওয়া যায়। তাঁর তৃতীয় গ্রন্থ ‘ইংল্যান্ড’স থ্রি ওয়ান্টস’ (১৮৭১) একটি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় পুস্তিকা। উল্লেখ্য যে, বইটি বেনামে রচিত। এই গ্রন্থটি মূলত লন্ডনে তাঁর দেওয়া একটি ধর্মোপদেশ বা বক্তৃতা। এই গ্রন্থে আপ্তবাক্য বা দৈববাণী সম্পর্কিত অনেক পাঠের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন তিনি। গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র্য এবং তাঁদের সম্প্রদায়কে একটি ইতিবাচক প্রক্রিয়ায় গড়ে তোলার জন্য নৈতিক দায়িত্ব সম্পর্কে যে সচেতনতা তা সম্পর্কে মানুষকে বোঝাতে ইংল্যান্ডের চার্চগুলি যে ব্যর্থ, সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে এই গ্রন্থে। এলিজাবেথের সর্বশেষ গ্রন্থটি হল ‘দ্য রিয়েলম অফ ট্রুথ’ (১৮৭৩)। এই গ্রন্থে জীবন-দর্শনের একটি সারসংক্ষেপকে তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি এবং তাঁর বক্তব্যের যথাযথ কারণ অনুসন্ধান করতে চেয়েছেন তর্কের মাধ্যমে। বিবেচনার সঙ্গে এবং অপব্যয় না করে জীবন-যাপনের যে প্রাকৃতিক নিয়ম তা সকলের কাছে আচরনীয় এবং গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন তিনি এই গ্রন্থের সাহায্যে।

এলিজাবেথ তাঁর প্রায় প্রতিটি গ্রন্থেই আবাসন, স্বাস্থ্য, পরিবহন, স্বনির্ভরতা, শিক্ষা, পেশা, ইত্যাদি প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন। কেবল গ্রন্থেই তাঁর চিন্তা সীমাবদ্ধ ছিল না, তিনি স্কুল নির্মাণ, বয়স্কদের পরিচর্যা, দরিদ্রদের স্বনির্ভর হওয়ার প্রকল্প ইত্যাদি বিষয়ে নিরন্তর কাজ করে গিয়েছেন।

১৮৭৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বরে ৫৫ বছর বয়সে পেনজান্সে এলিজাবেথ কার্নের মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত জানান