ধর্ম

হস্তিনাপুরে পাণ্ডবদের প্রবেশ

পাণ্ডু ও মাদ্রীর মৃত্যুর পর সেখানকার ঋষি মুনিরা সবাই এক হয়ে ঠিক করল একা কুন্তী এবং তার সন্তানদের তাদের নিজের রাজ্য হস্তিনাপুরে যাওয়া উচিত। তারা সেই আলোচনা মত কুন্তী এবং তার সন্তানদের সাথে পাণ্ডু এবং মাদ্রীর মৃতদেহ নিয়ে হস্তিনাপুরে এল। যখন তারা হস্তিনাপুরে এসে পৌঁছল, তখন রাজ্যবাসী সকলে তাদের দেখতে ভিড় করল। সকলে হস্তিনাপুরের রাজবাড়ী এসে পৌঁছলে কুরুবাড়ির লোকেরা তাদের স্বাগত জানাল। সঙ্গে আসা ঋষিদের মধ্যে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ যে, পাণ্ডু এবং মাদ্রীর মৃত্যু সংবাদ সেইই দিল। সঙ্গে পাঁচ ভাইয়ের পরিচয় দিতেও ভুলল না সে। ধৃতরাষ্ট্র তার ভাইয়ের ছেলেদের দেখল। দেখল তার সিংহাসনের উত্তরাধিকারীকে। মনের মধ্যে অনেককিছুই অনুভূতি এল তার। কিন্তু আপাতত সে ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদে দুঃখিত হল। আদেশ দিল তার ভাই আর তার মৃত স্ত্রীয়ের সৎকার যেন ভাল ভাবে হয়।

সৎকার হয়ে গেলে, একদিন ব্যাসদেব তার মা সত্যবতীর কাছে এসে বলল, “মা এবার এখান ছেড়ে চল তপোবনে গিয়ে বাস করি।”
“কেন?” আশ্চর্য সত্যবতী জিজ্ঞেস করল।
“কারণ কুরুদের পাপের বোঝা বাড়বে এখন পৃথিবীতে। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনবে। আর তুমি এসব দেখতে পারবে না মা। তাই বলছি দয়া করে চলো।”
সত্যবতী তার দুই পুত্রবধূদের নিয়ে হস্তিনাপুর ছেড়ে তপোবনে যাত্রা করল।

তথ্যসূত্র


  1. "মহাভারত সারানুবাদ", দেবালয় লাইব্রেরী(প্রকাশক সৌরভ দে, তৃতীয় প্রকাশ) - রাজশেখর বসু, আদিপর্ব (২১। হস্তিনাপুরে পঞ্চপাণ্ডব- ভীমের নাগলোক দর্শন) পৃষ্ঠাঃ ৪৭-৪৮
  2. "মহাভারতের অষ্টাদশী", আনন্দ পাবলিশার্স, চতুর্থ মুদ্রণ - নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, অধ্যায়ঃ মাদ্রী, পৃষ্ঠাঃ ৩৬৯-৩৭০

 
Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

ইদুজ্জোহা বা বকরি ঈদ



এখানে ক্লিক করে দেখুন ইউটিউব ভিডিও

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়


বঙ্কিমচন্দ্র
বঙ্কিমচন্দ্র

বঙ্কিমচন্দ্র সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন