সববাংলায়

মাইথন ভ্রমণ

বিভাগঃ ,

পশ্চিমবঙ্গের একেবারে সীমান্তে, ঝাড়খণ্ডের গা ঘেঁষে অবস্থিত মাইথন (Maithon) এমন একটি জায়গা, যেখানে একই সঙ্গে বিশাল জলাধার, পাহাড় ও জঙ্গলের পরিবেশ উপভোগ করা যায়। মাইথনের মূল আকর্ষণ হল দামোদর নদীর উপর নির্মিত বিশাল মাইথন ড্যাম। এই ড্যামকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিশাল জলাধার, যা বর্ষায় যখন ভর্তি থাকে, তখন চারপাশের দৃশ্য মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ড্যামের খুব কাছে অবস্থিত কল্যাণেশ্বরী মন্দির খুব বিখ্যাত একটি মন্দির, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড দুই রাজ্য থেকেই অসংখ্য ভক্ত পুজো দিতে আসেন।

মাইথন কোথায়

দামোদর নদীর উপর নির্মিত মাইথন ড্যাম, পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলা এবং ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ জেলা- এই দুই জেলাজুড়ে বিস্তৃত। এর নিকটতম দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর হল আসানসোল এবং ধানবাদ। আসানসোল থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং কলকাতা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার। আসানসোল থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার, ধানবাদ থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার, কলকাতা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার এবং নিউ জলপাইগুড়ি থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার।

মাইথনের ইতিহাস

প্রচলিত জনশ্রুতি অনুসারে মাইথন নামটির উৎপত্তি হয়েছে ‘মাই কা স্থান’ (মায়ের স্থান) থেকে। মা বলতে এই অঞ্চলে অবস্থিত কল্যাণেশ্বরী দেবীর কথা বলা হয়। যদিও এই ব্যাখ্যার পক্ষে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায় না, তবুও স্থানীয়দের মধ্যে এই বিশ্বাস আজও প্রচলিত।

এই অঞ্চলের ইতিহাস মূলত দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (DVC) ইতিহাসের সাথে জড়িত। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন দামোদর উপত্যকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। সেই বন্যার ফলে তৎকালীন কলকাতা প্রায় আড়াই মাস ধরে দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির পর দ্রুত বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার ‘দামোদর বন্যা তদন্ত কমিটি’ গঠন করে। এই কমিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি ভ্যালি অথরিটির (TVA) আদলে একটি সংস্থা গঠনের সুপারিশ করে। তখন দামোদর উপত্যকার বন্যা সম্পর্কিত সমস্যা খতিয়ে দেখার জন্য টেনেসি ভ্যালি অথরিটির প্রবীণ প্রকৌশলী ডব্লিউ. এল. ভুরডুইন-কে নিয়োগ করা হয়। তিনি সমস্যা খুঁটিয়ে দেখে সমগ্র অঞ্চলের জন্য বহুমুখী উন্নয়নের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

অবশেষে ১৯৪৮ সালে স্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিহার (পরবর্তীতে ঝাড়খণ্ড) ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মিলিত অংশগ্রহণে ‘দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ভুরডুইনের দেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি এখানে আটটি বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে এখনও অবধি এই প্রকল্পের অধীনে চারটি বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। তিলিয়ায় বরাকর নদীর ওপর প্রথম বাঁধটি নির্মিত হয় এবং ১৯৫৩ সালে তার উদ্বোধন করা হয়। তিলাইয়া ড্যামই হল স্বাধীন ভারতের বহুমুখী নদী উপত্যকা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত প্রথম বাঁধ। ১৯৫৫ সালে কোনার নদীর ওপর দ্বিতীয় বাঁধ কোনার বাঁধের উদ্বোধন করা হয়। ১৯৫৭ সালে বরাকর নদীর ওপর মাইথনে তৃতীয় বাঁধটি উদ্বোধন করা হয়।

আজকের মাইথন মূলত গড়ে উঠেছে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের হাত ধরে। মাইথন ড্যামের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এখানেই ভারতের প্রথম ভূগর্ভস্থ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (Underground Hydel Power Station) নির্মিত হয়েছিল। পাহাড়ের নিচে অবস্থিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। বর্তমানে ড্যামটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচ এবং পানীয় জলের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবেও কাজ করছে।

মাইথন কীভাবে যাবেন

কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোল, বর্ধমান কিংবা ধানবাদ – সাধারণত এইসব জায়গা থেকেই একদিন বা দু’দিনের ভ্রমণের জন্য অনেকে মাইথনে ঘুরতে যান। ট্রেনে যেতে চাইলে বরাকর অথবা কুমারডুবি স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশনের বাইরে থেকেই ট্যাক্সি, অটো, টোটো বা রিজার্ভ গাড়ি পাওয়া যায়। বাসে যেতে চাইলে কলকাতা, আসানসোল ও ধানবাদ থেকে নিয়মিত বাস চলাচল করে। নিজের গাড়িতে যেতে চাইলে লং ড্রাইভের আনন্দ উপভোগ করা যায়।

নিজস্ব গাড়িতে মাইথন ভ্রমণের আলাদা আনন্দ রয়েছে। কলকাতা থেকে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে পানাগড়, দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ এবং আসানসোল হয়ে সহজেই মাইথনে পৌঁছানো যায়। রাস্তার অবস্থা বেশ ভালো হওয়ায় সাধারণত সাড়ে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। আসানসোল পার হওয়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে পাহাড়, বনাঞ্চল এবং জলাধারের মনোরম দৃশ্য চোখে পড়তে শুরু করে। তাই অনেকেই নিজের গাড়িতে বা ভাড়া গাড়িতে এই পথ ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন।

মাইথনে কোথায় থাকবেন

দুর্গাপুর, আসানসোল, বর্ধমান কিংবা ধানবাদ – সাধারণত এইসব জায়গা থেকেই একদিনের ভ্রমণের জন্য অনেকে মাইথনে ঘুরতে যান। যারা এখানে থাকতে চান, তাঁদের থাকার জন্য সরকারি ও বেসরকারি – দুই ধরনের আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে যারা প্রথমবার মাইথনে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য ড্যামের কাছাকাছি থাকা সবচেয়ে সুবিধাজনক। বাজেট অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রুম পাওয়া যায়। এখানে জলাধারের ওপর ছোট একটি দ্বীপে ডিভিসি পরিচালিত একটি গেস্ট হাউস রয়েছে। ডিভিসির প্রথম প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে স্যার এস.এন. মজুমদারের অবদানের প্রতি সম্মান জানিয়ে ডিভিসি গেস্ট হাউসটির নাম পরিবর্তন করে ‘মজুমদার নিবাস’ রাখা হয়। সেখানেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

তাছাড়া অনেকেই আসানসোলে বা ধানবাদে থেকে একদিনের জন্য মাইথনে ঘুরতে আসেন। কলকাতা বা আশেপাশের অঞ্চল থেকে এলে আসানসোলে থাকতে পারেন। ঝাড়খণ্ডের দিক থেকে ভ্রমণে এলে ধানবাদে থাকা যেতে পারে। শহরে থাকলে বিভিন্ন মানের হোটেল এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সহজেই পাওয়া যায়।

মাইথনে কী দেখবেন

সাধারণত একদিনের সফরেই অনেকে মাইথনের প্রধান আকর্ষণগুলি ঘুরে দেখেন। আবার অনেকে দেখা সম্ভব। তবে যদি হাতে সময় থাকে, তাহলে অন্তত এক রাত থেকে গেলে ভোরের নির্মল পরিবেশ এবং সন্ধ্যার মনোমুগ্ধকর আবহ উপভোগ করা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, মাইথনে গেলে কোন কোন জায়গা অবশ্যই ঘুরে দেখবেন।

মাইথন ড্যাম

এই অঞ্চলের পরিচয়ই গড়ে উঠেছে বিশাল মাইথন ড্যামকে কেন্দ্র করে। দামোদর নদীর ওপর নির্মিত এই বাঁধটি ১৯৫৭ সালে চালু হয় এবং এটি দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের (DVC) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচব্যবস্থা এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে আজও এই বাঁধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ড্যামের ওপর থেকে একদিকে বিস্তীর্ণ জলাধার, অন্যদিকে বারাকার নদী ও দূরের পাহাড়ের দৃশ্য চোখে পড়ে। বর্ষাকালে জলাধার পরিপূর্ণ থাকলে ড্যামের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। শীতকালে পরিষ্কার আকাশ ও মনোরম আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

তবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হওয়ায় ড্যামের কিছু অংশে ছবি তোলা ও ভিডিও করা নিষিদ্ধ। তাই ভ্রমণের সময় নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দেশ অবশ্যই মেনে চলুন।

মাইথন লেক ও নৌবিহার

এই ড্যামের ফলে যে বিশাল জলাধারের সৃষ্টি হয়েছে, সেটিই মাইথন লেক নামে পরিচিত। এই লেকই এখানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। ড্যামের কাছে নৌবিহারের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে দাঁড় টানা নৌকা ও স্পিডবোটে চড়ে বিশাল জলাধারের বুক জুড়ে ঘুরে বেড়ানো যায়। বোটে বসে চারপাশের সবুজ পাহাড়, বিস্তীর্ণ জলরাশি এবং ছোট ছোট দ্বীপের দৃশ্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর। বিকেলের দিকে নৌবিহার করলে সূর্যাস্তের আলো জলের ওপর অপূর্ব প্রতিফলন তৈরি করে, যা মাইথন ভ্রমণের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা।

নৌকার ওঠার আগে কোথায় কোথায় যাবে, কতক্ষণের জন্য আপনাদের ঘোরাবে এবং কত টাকা নেবে ভালভাবে জেনে নিন। যেমন দাঁড় টানা নৌকায় গেলে আপনাকে ছোট দ্বীপ বা সবুজ দ্বীপে নামানোর জন্য আলাদা আলাদা চার্জ রয়েছে। শুধু লক গেট দেখিয়ে দশ মিনিটের জন্য ৩০০ টাকা, ছোট দ্বীপে নামিয়ে আধ ঘণ্টার জন্য ভাড়া ৪০০ টাকা, বড় দ্বীপের কাছে নৌকা নিয়ে দ্বীপ দেখিয়ে আধ ঘণ্টা ঘোরানোর ভাড়া ৫০০ টাকা, লক গেট ও বড় দ্বীপ দেখানো এবং ছোট দ্বীপে নামিয়ে এক ঘণ্টার জন্য ভাড়া ১২০০ টাকা, সবুজ দ্বীপে নামিয়ে দেড় ঘণ্টার জন্য ভাড়া ১৬০০ টাকা, সবুজ দ্বীপ সমেত মোট চারটে স্পট ঘুরিয়ে দুই ঘণ্টার জন্য ভাড়া ২৫০০ টাকা।

কল্যাণেশ্বরী মন্দির

পশ্চিম বর্ধমান জেলার কল্যাণেশ্বরী অঞ্চলে অবস্থিত কল্যাণেশ্বরী মন্দির এই অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন ও জনপ্রিয় তীর্থস্থান। ভক্তদের বিশ্বাস, আন্তরিকভাবে মানত করলে দেবী সকলের মনস্কামনা পূরণ করেন। তাই সারা বছরই পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড ও প্রতিবেশী রাজ্যগুলি থেকে অসংখ্য ভক্ত এখানে পুজো দিতে আসেন। বিশেষ করে মঙ্গলবার, শনিবার, নবরাত্রি ও কালীপুজোর সময় মন্দিরে ভক্তদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

ভাণ্ডার পাহাড়

মাইথনের কাছেই অবস্থিত ভাণ্ডার পাহাড় প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে একটি প্রিয় গন্তব্য, বিশেষ করে যারা ট্রেকিং পছন্দ করেন। পাহাড়ের মাথায় ওঠার জন্য রয়েছে ৩০৬টি সিঁড়ি। সবুজ গাছপালায় ঘেরা এই ছোট পাহাড়টি শহরের কোলাহল থেকে দূরে কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য আদর্শ।

পাহাড়ের উপরে ওঠার জন্য সহজ পথ রয়েছে। উপরে উঠে চারপাশের সবুজ বনভূমি ও দূরের জলাধারের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। বর্ষার পরে পাহাড় সবুজে ঢেকে যায়, আর শীতকালে মনোরম আবহাওয়ায় এখানে হাঁটাহাঁটির আলাদা আনন্দ রয়েছে।

প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা, কিছুক্ষণ নিরিবিলি সময় কাটানো কিংবা ছবি তোলার জন্য ভাণ্ডার পাহাড় অবশ্যই ঘুরে দেখার মতো একটি জায়গা।

মাইথন কখন যাবেন

সারা বছরই এখানে যাওয়া যায়। তবে অক্টোবর থেকে মার্চ সময়টিকে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এই সময় আবহাওয়া মনোরম থাকে, আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং ঘোরাঘুরির জন্য তাপমাত্রাও আরামদায়ক। বর্ষাকালেও (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) মাইথনের রূপ সম্পূর্ণ ভিন্ন। পাহাড় সবুজে ঢেকে যায় এবং জলাধার প্রায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে ভারী বৃষ্টির সময় নৌবিহার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকতে পারে এবং ভেজা রাস্তা চলাচলে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।

গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল থেকে জুন) দিনের বেলায় তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে সকাল ও বিকেলের দিকে পরিবেশ বেশ মনোরম থাকে। এই সময় পর্যটকের সংখ্যাও তুলনামূলক কম থাকে।

সতর্কতা ও পরামর্শ

  • ড্যামের নির্দিষ্ট অংশে ছবি তোলা ও ভিডিও করা নিষিদ্ধ। নিরাপত্তারক্ষীদের নির্দেশ মেনে চলুন।
  • নৌকার ওঠার আগে কোথায় কোথায় যাবে, কতক্ষণের জন্য আপনাদের ঘোরাবে এবং কত টাকা নেবে ভালভাবে জেনে নিন।
  • নৌবিহারের আগে লাইফ জ্যাকেট অবশ্যই পরুন এবং আবহাওয়া খারাপ থাকলে নৌকায় না ওঠাই ভালো।
  • কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ তিথিতে প্রচুর ভিড় হয়। তাই সকালে গেলে তুলনামূলক কম ভিড় পাওয়া যায়।
  • বর্ষাকালে রাস্তা পিচ্ছিল থাকতে পারে। তাই আরামদায়ক জুতো ব্যবহার করুন।

সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৬


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading