সববাংলায়

ভারকালা ভ্রমণ

বিভাগঃ ,

কেরালার সমুদ্রসৈকতের কথা উঠলে প্রথমেই যে নামগুলো মাথায় আসে সেগুলো হল কোভালাম, ভারকালা, কোঝিকোড়, চেরাই এবং আরও অন্যান্য বেশ কিছু সৈকত। তবে এতগুলো সৈকতের তালিকার মাঝেও ভারকালার আকর্ষণ সম্পূর্ণ আলাদা। ভারতের খুব কম সমুদ্রসৈকতই আছে যেখানে সমুদ্রের ঠিক ধারে এত উঁচু ক্লিফ দেখা যায়, আর সেই কারণেই এই সৈকত অন্যান্য সৈকতের থেকে একেবারে স্বতন্ত্র। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভারকালার ক্যাফে সংস্কৃতিও এখানের অন্যতম আকর্ষণ। ক্লিফের ধার ঘেঁষে থাকা অসংখ্য ক্যাফেতে বসে কেরালার সুস্বাদু খাবারের সাথে সমুদ্র ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যেমন জনপ্রিয়, তেমনই সার্ফিং, প্যারাগ্লাইডিং ইত্যাদি বিভিন্ন সামুদ্রিক কর্মকাণ্ডও এখানে ভ্রমণের আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়।

তবে ভারকালার পরিচয় শুধু পর্যটনেই সীমাবদ্ধ নয়। এই সৈকত কেরালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচারস্থল হিসেবেও পরিচিত। পূর্বপুরুষদের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ও তর্পণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সারা বছরই বহু স্থানীয় মানুষ এখানে আসেন। ফলে পর্যটকদের কাছে যেমন ভারকালা একটি জনপ্রিয় সৈকত, তেমনই স্থানীয়দের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এখানেই রয়েছে দুই হাজার বছর পুরনো মন্দির।

ভারকালা কোথায়

ভারকালা শহর ভারতের কেরালা রাজ্যের তিরুবনন্তপুরম জেলায় অবস্থিত। তিরুবনন্তপুরম শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। কেরালার বিখ্যাত শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দির থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার এবং কেরালার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন শহর কোচি থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৭০ কিলোমিটার।

ভারকালার ইতিহাস

ভারকালা ভ্রমণ » সববাংলায়
নর্থ ক্লিফ থেকে তোলা সমুদ্রের দৃশ্য। ছবি সববাংলায়

ভারকালার ইতিহাস বহু প্রাচীন। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ঋষি নারদ একসময় এখানে এসে তপস্যা করেছিলেন। কিংবদন্তি অনুসারে, পৃথিবীর পাপ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে ঋষিরা ভগবান বিষ্ণুর কাছে প্রার্থনা করেন। তাঁর নির্দেশে নারদ একটি বস্ত্রখণ্ড বা ভাল্কল সমুদ্রে নিক্ষেপ করেন। সেই বস্ত্রখণ্ড যেখানে এসে পড়ে, সেখানেই বর্তমান ভারকালার সৃষ্টি হয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অনেকে মনে করেন, ভাল্কল শব্দ থেকেই ভারকালা নামের উৎপত্তি।

কয়েক শতাব্দী ধরে পাপনাশম সৈকত হিন্দু তীর্থযাত্রীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। বিশ্বাস করা হয়, এখানে স্নান করলে মানুষের পাপ মোচন হয়। সেই কারণেই সৈকতটির নাম হয়েছে “পাপনাশম”। ঔপনিবেশিক যুগেও ভারকালা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সমুদ্রপথে বাণিজ্য এবং উপকূলীয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের গুরুত্ব ছিল যথেষ্ট। বর্তমানে এটি ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি একটি আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।

ভারকালায় কীভাবে যাবেন

ট্রেনে যেতে হলে তিরুবনন্তপুরমগামী ট্রেনে চেপে ভারকালা স্টেশনে নামতে হবে। স্টেশন থেকে ক্লিফ এলাকা মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে। স্টেশন থেকে অটো বা ট্যাক্সিতে সহজেই পৌঁছানো যায় সেখানে। নিকটতম বিমানবন্দর তিরুবনন্তপুরম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সিতে বা প্রাইভেট গাড়িতে এক ঘণ্টার মধ্যে ভারকালা পৌঁছে যাওয়া যায়। এছাড়া তিরুবনন্তপুরম, কোল্লাম, কোচি এবং কেরালার অন্যান্য শহর থেকে নিয়মিত বাস পরিষেবা পাওয়া যায়।

ভারকালায় কোথায় থাকবেন

ভারকালায় থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের এলাকা রয়েছে এবং প্রতিটি জায়গার অভিজ্ঞতাও আলাদা। পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় এলাকা হল নর্থ ক্লিফ। ভারকালার বিখ্যাত ক্যাফে সংস্কৃতির আসল স্বাদ নিতে চাইলে নর্থ ক্লিফেই থাকা সবচেয়ে ভালো। পুরো ক্লিফ জুড়েই রয়েছে অসংখ্য ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও দোকান। এছাড়া হোটেল ও রিসোর্টগুলোও ক্লিফের ওপরেই রয়েছে। প্রথমবার ভারকালা ঘুরতে গেলে এখানে থাকাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। অন্যদিকে যারা নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে চান, তাঁরা সাউথ ক্লিফ বেছে নিতে পারেন। নর্থ ক্লিফের তুলনায় এই এলাকা অনেক শান্ত এবং এখানে ভিড়ও তুলনামূলক কম। যদিও হোটেল ও রিসোর্টের সংখ্যা কম, তবে অধিকাংশ হোটেল আরামদায়ক, বিলাসবহুল এবং বেশ ব্যয়বহুল।

তবে এই দুটো জায়গা ছাড়াও কম খরচে থাকার জন্য রয়েছে হেলিপ্যাড এলাকা। এখানে বিভিন্ন গেস্ট হাউস, হোমস্টে এবং বাজেট হোটেল রয়েছে। এই এলাকা থেকে সমুদ্রসৈকতের দূরত্ব সাধারণত ৩০০ মিটার থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে। ফলে তুলনামূলক কম খরচে থেকেও সহজেই ক্লিফ ও সমুদ্রসৈকতে যাওয়া যায়।

ভারকালায় কী দেখবেন

ভারকালার প্রধান আকর্ষণ নিঃসন্দেহে এর সমুদ্রসৈকত এবং ক্লিফ অঞ্চল। তবে শুধু সমুদ্রের দৃশ্য বা ক্লিফ অঞ্চল নয়, এখানে রয়েছে প্রাচীন মন্দির, নিরিবিলি সৈকত। এখানে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের কথা বিস্তারিত তুলে ধরা হল।

ভারকালা ক্লিফ

ভারকালার নাম উচ্চারণ করলেই যে দৃশ্যটি প্রথম চোখের সামনে ভেসে ওঠে, সেটি হল ভারকালা ক্লিফ। আরব সাগরের তীরে প্রায় ৮০ ফুট উঁচু এই লালচে ক্লিফ ভারতের অন্যতম বিরল ভূতাত্ত্বিক গঠন। সমুদ্রের ধারে এমন খাড়া ক্লিফ ভারতের অন্য কোনো সৈকতে প্রায় দেখা যায় না। সেই কারণেই ভারকালার পরিচয় মূলত এই ক্লিফকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। ক্লিফের ওপর সারি সারি ক্যাফে, রেস্তোরাঁ, ছোট দোকান, রিসোর্ট এবং ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। ক্লিফের ওপর দিয়ে হাঁটলে একদিকে দেখা যায় সমুদ্রের অসীম বিস্তার, অন্যদিকে নারকেল গাছে ঘেরা ক্যাফে ও রিসোর্ট। সন্ধ্যার পরে আলো জ্বলে উঠলে পুরো এলাকা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তবে বয়স্ক মানুষেরা ক্লিফের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার ক্ষেত্রে দেখে নামবেন, সিঁড়িগুলো খুব খাড়া।

পাপনাশম সৈকত

ভারকালার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সৈকত হল পাপনাশম সৈকত। পাপনাশম শুধু একটি সৈকত নয়, কেরালার হিন্দুদের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সৈকতে স্নান করলে মানুষের পাপ মোচন হয়। সেই কারণেই সৈকতের নাম “পাপনাশম”, যার অর্থই হল পাপের বিনাশ। নর্থ ক্লিফ ও সাউথ ক্লিফের মধ্যবর্তী স্থানে যেখানে সৈকতের প্রবেশদ্বার আছে, সেখানে একটি বালি মণ্ডপ রয়েছে, যেখানে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ, শ্রাদ্ধকর্ম ইত্যাদি করা হয়। ধর্মীয় গুরুত্বের কারণেই অনেকের কাছে ভারকালা “দক্ষিণের গয়া” নামেও পরিচিত।

ভারকালা ভ্রমণ » সববাংলায়
পাপনাশম সৈকত। ছবি সববাংলায়

এই সৈকত, ধর্মীয় কারণে যেমন স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয় তেমনি এর সৌন্দর্যের কারণে পর্যটকদের কাছেও এটি খুব জনপ্রিয়। সৈকতের সোনালি বালি, সমুদ্রের ঢেউ এবং পেছনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ক্লিফ একসঙ্গে এক অপূর্ব দৃশ্য তৈরি করে। অনেক পর্যটক এখানে সমুদ্রে স্নান করেন, আবার কেউ কেউ শুধু বালির ওপর বসে সমুদ্র উপভোগ করেন। বিশেষ করে পর্যটনের মরশুমে এত বেশি সংখ্যক বিদেশী এখানে সমুদ্রের পাড়ে বসে সমুদ্র উপভোগ করেন, যে মনেই হয় না যে এটা ভারতের সৈকতে আছেন। পাশাপাশি পাপনাশম সৈকত অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের কাছেও জনপ্রিয়। সমুদ্রের অবস্থা ও মরশুম অনুযায়ী এখানে সার্ফিং, প্যারাগ্লাইডিং এবং অন্যান্য অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টের আয়োজন করা হয়। ফলে একই জায়গায় ধর্মীয় ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার স্বাদ পাওয়া যায়।

ব্ল্যাক বিচ

নর্থ ক্লিফের উত্তরে দিকে অবস্থিত ব্ল্যাক বিচ তুলনামূলকভাবে অনেক শান্ত ও নিরিবিলি। মূল ক্লিফ এলাকায় যে ভিড় দেখা যায়, এখানে তার অনেকটাই অনুপস্থিত। ফলে যারা কিছুটা নির্জন পরিবেশে সমুদ্র উপভোগ করতে চান, তাঁদের কাছে ব্ল্যাক বিচ একটি আদর্শ জায়গা। বিচটির নাম ব্ল্যাক বিচ হলেও পুরো সৈকত কালো নয়। কিছু অংশে কালচে বালি এবং খনিজ পদার্থের উপস্থিতির কারণে এই নামের প্রচলন হয়েছে। এখানে সমুদ্রের ধারে বসে অনেকক্ষণ কাটানো যায় কোনো রকম কোলাহল ছাড়াই। নর্থ ক্লিফ বরাবর ১ কিলোমিটার হেঁটে এই সৈকতে যাওয়া যায়। অথবা স্কুটার ভাড়া করে মেইন রোড দিয়েও যাওয়া যায়।

জনার্দনস্বামী মন্দির

ভারকালা ভ্রমণ » সববাংলায়
জনার্দনস্বামী মন্দির। ছবি সববাংলায়

এই অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্দির হল জনার্দনস্বামী মন্দির। ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরের ইতিহাস প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো বলে স্থানীয়দের বিশ্বাস। মন্দিরটি অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত এবং মন্দিরের ভেতর প্রবেশের জন্য পরিধানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মন্দিরের স্থাপত্যে কেরালার ঐতিহ্যবাহী নির্মাণশৈলীর ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। কাঠের কাজ, ঢালু ছাদ এবং মন্দির প্রাঙ্গণের শান্ত পরিবেশ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। সারা বছরই এখানে ভক্তদের ভিড় দেখা যায়। বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের সময় মন্দির চত্বর বিশেষভাবে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ধর্মীয় গুরুত্ব ছাড়াও কেরালার ঐতিহ্যবাহী মন্দির স্থাপত্য কাছ থেকে দেখার জন্য এই স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ।

ভারকালাতে অবস্থিত এই জায়গাগুলো ছাড়াও আশেপাশের অনেক জায়গা ঘুরে দেখা যায়। বিশেষ করে এখানে হেলিপ্যাড অঞ্চল থেকে স্কুটি ভাড়া পাওয়া যায়। স্কুটি করে স্থানীয় আরও কিছু সৈকত যেমন কাপ্পিল বিচ, এডাভা বিচ ঘুরে দেখতে পারেন। শুধু তাই নয় হেলিপ্যাডেই রয়েছে অটো এবং ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। এখান থেকে ঘুরতে যাওয়ার জন্য অটো বা গাড়ি বুক করতে পারবেন।

ভারকালায় কখন যাবেন

অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় ভারকালা ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। এই সময়ে আবহাওয়া তুলনামূলক আরামদায়ক থাকে এবং সমুদ্রের ধারে ঘোরাফেরা করতেও সুবিধা হয়। এপ্রিল ও মে মাসে গরম এবং আর্দ্রতা বেশি থাকে। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকাল। সমগ্র বর্ষায় সমুদ্রে নামতে দেওয়া হয়না এবং সৈকতের বেশ কিছু অংশে যাবার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা থাকে। বর্ষাকালে গেলেও কখনই জলে নামতে যাবেন না। সতর্কবার্তা অমান্য করলে বিপদ হতে পারে।

ভারকালায় কী খাবেন

এখানে অবশ্যই বিভিন্ন ক্যাফেতে কেরালার সামুদ্রিক খাবার খেয়ে দেখুন। সঙ্গে লাইভ মিউজিক এবং সন্ধ্যায় ক্যাফের পরিবেশ চোখে পড়ার মত। বেশ কিছু ক্যাফের বাইরেই মাছ সাজিয়ে রাখা থাকে এবং আপনি বললে সেই মাছের পদ রান্না করে দেওয়া হয়। বিভিন্ন মাছ ছাড়াও চিংড়ি, কাঁকড়া, স্কুইড এবং অন্যান্য সামুদ্রিক বিভিন্ন পদ এখানে বেশ জনপ্রিয়।

সতর্কতা ও পরামর্শ

  • ক্লিফের একেবারে প্রান্তে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় সতর্ক থাকুন। বেশ কিছু জায়গায় ক্লিফের মাটি আলগা থাকতে পারে।
  • সমুদ্রে নামার আগে স্থানীয় সতর্কতা মেনে চলুন। বিশেষ করে বর্ষাকালে কখনই জলে নামতে যাবেন না। সমগ্র বর্ষাকালে সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সতর্কবার্তা অমান্য করলে বিপদ হতে পারে।
  • বর্ষাকালে পাথর ও সিঁড়ি পিচ্ছিল হতে পারে। তাই বর্ষায় ক্লিফের সিঁড়ি দিয়ে নামবার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।
  • রাতে ক্লিফের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামবেন না, বিপদ হতে পারে।
  • গ্রীষ্মের দুপুরে গরম খুব বেশি থাকে, তাই টুপি ও পানীয় জল সঙ্গে রাখুন।
  • পর্যটনের মরশুমে আগে থেকে হোটেল বুকিং করে রাখা ভালো।
  • সূর্যাস্ত দেখার জন্য বিকেলের দিকে ক্লিফ এলাকায় পৌঁছে যান।
  • কাপ্পিল বিচ ও এডাভা বিচ ঘুরতে চাইলে একটি স্কুটি ভাড়া নেওয়া সুবিধাজনক।
  • জনার্দনস্বামী মন্দিরে প্রবেশের সময় মন্দিরের নিয়ম মেনে চলুন।

ট্রিপ টিপস

  • ভারকালাতে ঘুরতে গেলে একদিনের ট্রিপে কোভালাম, ভেলি সৈকত, শ্রীপদ্মনাভস্বামী মন্দির ইত্যাদি তিরুবনন্তপুরমের ঘোরার জায়গাগুলো দেখতে পারেন।

সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. নিজস্ব প্রতিনিধি
  2. https://maps.google.com/
  3. https://en.wikipedia.org/
  4. https://timesofindia.indiatimes.com/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading