‘ফুল’ – সিনেমার এই মহিলা চরিত্রের নাম ফুল। আরে বাবা এই ফুল ইংরাজি ফুল নয় এ হল পুষ্প মানে ফুল সেই ফুল৷ ও হো! পুষ্প? সে তো এই সিনেমার আরও আরেকটা মহিলা চরিত্র! কী গুলিয়ে যাচ্ছে সব?
লা প্যতা লেডিস সিনেমাটা দেখতে দেখতে সব কিছু সহজ হয়ে যাবে৷ দুটো নারী চরিত্র যারা ঘোমটার আড়ালে বদলি হয়ে যায় দুই ভিন্ন স্থানে৷ দুটি চরিত্র একে অপরের থেকে একেবারে উল্টো অথচ কি সহজ করে এরা সহজ কথাগুলো আমরাদের বলে চলে৷ দুজনই হারিয়ে গেছে এবার চলে তাদের খোঁজার পালা। দুই নারী তাদের দুজনের সুখের কথা আলাদা তবুও কোথাও না কোথাও তারা একটা তারে বাঁধা৷ সিনেমা শুরু থেকে শেষ অব্ধি জলের স্রোতের মতন বয়ে চলে ঘটনা প্রবাহ৷ ছোটো ছোটো সিকোয়েন্স মন ছুঁয়ে যায়। যেমন একটা জায়গায় সুস্বাদু খাবার খেয়ে প্রশংসা করে পুষ্পা বলে চরিত্রটি চিত্রনাট্যে শাশুড়ী এবং দিদিশাশুড়ি হেসে বলে ওঠেম রান্নাটা কি প্রশংসা করার জিনিস!
সত্যিতো যারা গন্ডী পার করে আমরা তাদের জন্য হাততালি দি অথচ ঘরে থেকে যারা ঘরকে ঘর করে তোলে তাদের জন্য কজন ভাবেন! পেট ভরা খাবার খেয়ে ঢেকুর তুলতে ভালো লাগে অথচ সেই পরিশ্রমকে মূল্য দিতে কুন্ঠা বোধ হয় অনেকেরই।
আমার মনে হয়েছে গল্পটা আসলে Fool থেকে ফুল হয়ে ওঠার গল্প। গল্পের প্রতিটা ইমোশন মন ছুঁয়ে যায়। গল্পের মূল পুরুষ চরিত্র যাকে আমরা পেস্টারে দেখছি তিনিও সুন্দর ভাবে নিজেকে পরিবেশন করেছেন৷ আসলে প্রতিটা চরিত্রই নিজগুণে অনন্য আমার তো নির্দিধায় ১০/১০ দিতে ইচ্ছে করে৷
বেশী কিছু বলব না তবে শেষ দৃশ্যে চোখ ভেজানোর ক্ষমতা রাখে সিনেমাটা৷
খুব সুন্দর রিভিউ… এই রিভিউ দেখে সিনেমাটা দেখার ইচ্ছে হয়েছিল এবং আমার বেশ ভাল লেগেছিল।
এরকম আরও রিভিউ-র অপেক্ষায় রইলাম।
খুব ভালো রিভিউ। মুভিটা চমৎকার লেগেছে আমারও।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।
