সববাংলায়

বি.এন. দে এবং দে’জ মেডিকেল

বিভাগঃ ,

বাঙালি ব্যবসা পারে না, একথা প্রায় প্রবাদের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ এককালে প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের মতো কৃতী বাঙালিই ভারতবর্ষকে স্বাধীন ব্যবসার পথ দেখিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার উপায় বাতলে দিয়েছিলেন। এমন অজস্র পণ্য আজও ভারত এবং বহির্ভারতের বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয় যেগুলির উৎপত্তি হয়েছিল কোন না কোন বাঙালি উদ্যোগপতির হাত ধরেই। দে’জ মেডিকেল (Dey’s Medical) এমনই এক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি যাদের তৈরি ওষুধ দীর্ঘকাল ধরে মানুষের সেবায় কাজে লেগে আসছে। এই দে’জ মেডিকেলের নেপথ্যেও ছিলেন একজন বাঙালি যিনি বি.এন. দে নামেই অধিক পরিচিত। তাঁর নিজের হাতে তৈরি এই দে’জ মেডিকেলের ইতিহাসের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়টিও জড়িয়ে রয়েছে ওতপ্রোতভাবে। কলকাতা থেকে শুরু হলেও এই শহরের গন্ডি ছাড়িয়ে দে’জ মেডিকেলের আরও প্রসার হয়েছে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে দে’জ মেডিকেলের অস্তিত্ব এখনও স্বমহিমায় বিরাজমান।

দে’জ মেডিকেল গড়ে ওঠার নেপথ্য কান্ডারি যে বাঙালি, তাঁর সম্পূর্ণ নাম ভূপেন্দ্রনাথ দে, যিনি সর্বসাধারণের কাছে বি.এন. দে (B.N. Dey) নামেই অধিক পরিচিত হন। ১৯০৭ সালের ৪ নভেম্বর উত্তর কলকাতার জোড়াবাগান অঞ্চলে এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতার নাম ফণীন্দ্রনাথ দে এবং মা ননীবালা দেবী। তিনি ছিলেন বাবা-মায়ের দ্বিতীয় সন্তান। তাঁরা মোট পাঁচ ভাই ছিলেন। ফলত পারিবারিক যে আর্থিক অনটন তার দায়ভার তাঁকেও যে বহন করতে হবে তা তিনি ভালরকমভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন। ১৯২০ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি বাড়ি ছাড়েন স্বাধীনভাবে রোজগারের আশায়। ১৯২৫ সালে যখন তাঁর দাদা শৈলেন্দ্রনাথ কিলবার্ন কোম্পানিতে যোগ দেন ভূপেন্দ্রনাথ তখন নিউ মার্কেটে ‘ইস্টার্ন ড্রাগ হাউস’ নামে একটা ওষুধের দোকানে কাজ নিয়ে ঢুকে পড়েন। নিজের দক্ষতা ও কর্মক্ষমতার জোরে তিনি শীঘ্রই দোকানের মালিকের সুনজরে পড়ে যান। ব্যবসা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর প্রতিভা তাঁকে যেমন আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী করে তুলতে শুরু করে তেমনই এই ওষুধের দোকানে কাজের অভিজ্ঞতা তাঁর ভবিষ্যৎ-এর পথে প্রভূত সহায়তা করেছিল।

সেই সময় তিনি ধীরে ধীরে কলকাতার নামজাদা, অভিজাত মানুষদের পরিবারের সঙ্গে পরিচিত হতে থাকেন, যেমন, হাটখোলার দত্ত বাড়ি, পাথুরিয়াঘাটার ঘোষ পরিবার, লাহা পরিবার প্রভৃতি। মেধা এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ভূপেন্দ্রনাথ এবং তাঁর ভাই ধীরেন্দ্রনাথকে সমাজে বেশ জনপ্রিয় মুখ করে তুলেছিল।

এরই মধ্যে ১৯৩৯ সালে এসে পড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাত। ব্রিটিশ উপনিবেশ ভারতবর্ষে স্বাভাবিকভাবেই একেবারে প্রত্যক্ষভাবে তাঁর আঁচ এসে পড়ে। সেসময় খাদ্য, বস্ত্রের অনটনের সঙ্গে সঙ্গে যে-জিনিসটিরও অভাব দেখা দেয় তা হল পর্যাপ্ত জীবনদায়ী ঔষধ। কেবল সাধারণ মানুষের জন্যই নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে ঔষধের প্রয়োজন অবশ্যম্ভাবী। ভূপেন্দ্রনাথের ব্যবসায়ী মন বুঝতে পেরেছিল যে এটাই ওষুধের ব্যবসার জন্য সবচেয়ে ভাল সময়। তাছাড়া আমেরিকা ও ইউরোপের নিত্যনতুন আবিষ্কার এবং অনেক নতুন ঔষধের কলকাতায় এসে পড়া এই ব্যবসার একটা নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল।
সেই সময় নিউ মার্কেটের উক্ত ওষুধের দোকানের মালিক ভূপেন্দ্রনাথকে দোকানটি কিনে নিতে বলেন কারণ তিনি যথাযথভাবে আর সেই দোকান চালাতে পারছিলেন না। তবে ভূপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি হননি। তাঁর আত্মসম্মান তাঁকে বাধা দিয়েছিল, কারও খারাপ অবস্থার সুযোগ তিনি নিতে চাননি এইভাবে। সেই সময়তেই তিনি নিজের একটি ব্যবসা শুরু করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

অবশেষে ১৯৪১ সালে নিউ মার্কেটেই একটা ছোট জায়গা ভাড়া করে ভূপেন্দ্রনাথ “দে’জ মেডিকেল স্টোরস” গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর ভাই ধীরেন্দ্রনাথও এই ব্যবসায় যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়াও দোকানে ছিলেন দু’জন ম্যানেজার, যাঁরা রামবাবু এবং শ্যামবাবু নামে পরিচিত ছিলেন। দোকানটিতে সবসময় খরিদ্দারদের ভিড় লেগেই থাকত। সব মিলিয়ে বেশ ভালরকমই লাভ হত তাঁদের। দে’জ মেডিকেলের উপর বাঙালির ভরসা দিন দিন বাড়তে থাকে। পরবর্তীকালে ১৯৪৩ সালে ভূপেন্দ্রনাথের আরও দুই ভাই রবীন্দ্রনাথ এবং অমরেন্দ্রনাথও দে’জ মেডিকেলে যোগদান করেছিলেন। এখানে উল্লেখ্য ধীরেন্দ্রনাথ কিন্তু পরবর্তীতে মোহনবাগান ক্লাবের ম্যানেজার হয়েছিলেন এবং একজন জনসংযোগ অফিসার হিসেবেও বিপুল খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। এছাড়াও প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব ডা. বিধানচন্দ্র রায়, অতুল্য ঘোষদের মতো মানুষের সঙ্গেও তাঁর একটা রাজনৈতিক সংযোগ ছিল। ভূপেন্দ্রনাথদের দাদা শৈলেন্দ্রনাথ কিন্তু কখনই তাঁর কিলবার্ন কোম্পানি ছাড়েননি, কারণ ঔষধ ব্যবসা মার খেলেও যাতে পারিবারিক আয়ের জায়গাটি সবসময় সুরক্ষিত থাকে সেদিকে নজর ছিল তাঁর।

১৯৪৬ সালে কলকাতার বুকে যখন হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গার মতো বীভৎস ও মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায়, গোটা শহর তোলপাড় হয়ে ওঠে, তখনও কিন্তু একদিনের জন্যও দে’জ মেডিকেল বন্ধ হয়নি। সেই সময় বিধানচন্দ্র রায়ের নির্দেশে তিনি কলকাতা ময়দানের নিকটে অবস্থিত রেড ক্রস রিলিফ সেন্টার দেখাশোনা করতে থাকেন। তখন রবীন্দ্রনাথ দে’জ মেডিকেলের দোকানের ইনচার্জের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে বি.এন. দে আরও নতুন নতুন আইডিয়া তখন অনুসন্ধান করছিলেন।

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর পরিবারের আরও কিছু সদস্যকে ভূপেন্দ্রনাথ তাঁর তৈরি সংস্থার সঙ্গে জুড়ে নিতে শুরু করেন। তিনি তখন এও বুঝতে পারেন যে তাঁর কোম্পানির জন্য দাদা শৈলেন্দ্রনাথের মতো মানুষ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া শৈলেন্দ্রনাথ সমাজে তখন বেশ বিশিষ্ট একজন মানুষ। হীরালাল দত্তের সঙ্গে অরোরা ক্লাব প্রতিষ্ঠার পিছনে শৈলেন্দ্রনাথের ভূমিকা ছিল।

১৯৪৯ সালে আমেরিকার বিখ্যাত ঔষধ তৈরির কোম্পানি ফাইজার (Pfizer) তাদের ওষুধ স্বাধীন ভারতের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উৎসাহী হয়ে ওঠে। বিধানচন্দ্র রায় তখন ধীরেন্দ্রনাথকে সঙ্গে নিয়ে সেই কোম্পানি দেখতে যান এবং এই কাজের জন্য দে’জ মেডিকেলের নাম সুপারিশ করেন। অবশেষে সেই আমেরিকান ঔষধ কোম্পানির ওষুধ সারা ভারতে ডিস্ট্রিবিউশনের লাইসেন্স পায় একমাত্র দে’জ মেডিকেল। প্রচার এবং ডিস্ট্রিবিউশনের কাজের জন্য নতুন পঞ্চাশ জন লোককে নিয়োগ করে দে’জ মেডিকেল। সেই সময় বোম্বে, দিল্লি, মাদ্রাজে দে’জ মেডিকেলের নতুন অফিস খোলা হয় এবং পাটনা, কটক, গুয়াহাটিতে দে’জ-এর নতুন দোকানও খোলা হয়েছিল। ভারতে ফাইজার কোম্পানি প্রচুর লাভ করতে সক্ষম হয় এবং তারা খুশি হয়ে ভূপেন্দ্রনাথকে একটি নতুন গাড়ি উপহার দেয়। অন্যদিকে শৈলেন্দ্রনাথ তাঁর আরও নানা কাজের সঙ্গে দক্ষতার সঙ্গেই দে’জ মেডিকেলের দায়িত্ব পালন করে চলছিলেন।

১৯৫৬ সালে আমেরিকার সেই ঔষধ কোম্পানি সিদ্ধান্ত নেয় যে ভারতেই তারা তাদের ওষুধ তৈরি করবে। ফলে সেই পঞ্চাশ জন লোকের চাকরির প্রয়োজন ফুরোলেও ভূপেন্দ্রনাথ কিন্তু তাদের বরখাস্ত করে দেননি। সেই সময় বিধানচন্দ্র রায়ের আশীর্বাদ নিয়ে বি.এন দে নিজে ওষুধ তৈরির একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেন। দে’জ মেডিকেলের দোকানের পিছন দিকেই একটা ছোট্ট ঘরে ওষুধ তৈরির কারখানা তৈরি করা হয় এবং দে’জ মেডিকেল তখন সালফা ড্রাগ (Sulfa Drug) তৈরি করতে শুরু করে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাধন মজুমদার টেকনিক্যাল দিকগুলির তদারকি করতেন। ভূপেন্দ্রনাথ দিল্লি যান স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছ থেকে ড্রাগ তৈরির লাইসেন্স জোগাড় করবার জন্য। ভূপেন্দ্রনাথ তিনদিনের মধ্যে আট বিঘা জমি কিনেছিলেন বন্ডেল রোডের ধারে। সেখানে ফ্যাক্টরি নির্মাণ করে সাত মাসের মধ্যে প্রথম ব্যাচের ওষুধ তৈরি করে তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছ থেকে লাইসেন্স পেয়েছিল। ১৯৫৮ সালের ১৫ জানুয়ারি স্বয়ং বিধানচন্দ্র রায় সেই ফ্যাক্টরিটি উদ্বোধন করেছিলেন।

বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতী ছাত্রদের আহ্বান জানিয়েছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ, যাতে ওষুধের মান কখনওই খারাপ না হয়। ১৯৬০ সাল নাগাদ বি.এন দে ‘জানাসি’ নামের একটি ইতালিয়ান মেশিন কেনবার পরিকল্পনা করেন এবং যাদবপুর থেকে আসা এক ছাত্রকে সঙ্গে নিয়ে ইতালি যান সেই মেশিন ক্রয় করতে। মেশিনটি আজও বন্ডেল ফ্যাক্টরিতে সক্রিয় রয়েছে। ১৯৬২ সালে ‘স্ট্রাঙ্ক’ নামক একটি জার্মান মেশিন এনেছিলেন ভূপেন্দ্রনাথ, যেটি পেনিসিলিন ইনজেকশন তৈরিতে কাজে লাগে। এটাই পূর্ব ভারতের প্রথম অটোমেটিক পেনিসিলিন প্লান্ট।

বিদেশের নানা জায়গায় বহুবার গিয়েছেন ভূপেন্দ্রনাথ। ইংল্যান্ড থেকে তিনি ১৭টি ‘মানেস্ট্রি’ মেশিন এনেছিলেন। এনেছিলেন খুব দ্রুত উৎপাদনশক্তি সম্পন্ন ‘রোটাপ্রেস’ মেশিন। ধীরেন্দ্রনাথও বহুবার ব্যবসার জন্য বিদেশে গিয়েছেন কিন্তু সবসময় সমস্ত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতেন ভূপেন্দ্রনাথ।

১৯৬৭ সাল নাগাদ দে’জ মেডিকেলের কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল কিন্তু ভূপেন্দ্রনাথ এবং ধীরেন্দ্রনাথ খুবই দক্ষ হাতে গোটা ব্যাপারটিকে সামলেছিলেন। ১৯৬৯ সালে নকশাল আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়লে, শহর অশান্ত হয়ে উঠলেও ধীরেন্দ্রনাথের রাজনৈতিক যোগাযোগের কারণে দে’জ মেডিকেলের উৎপাদনে কোন সমস্যা হয়নি।

১৯৭১ সাল নাগাদ ভূপেন্দ্রনাথ কলকাতার বাইরে আরেকটি ফ্যাক্টরি তৈরি করবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। ১৯৭১ সালে এলাহাবাদের নৈনিতে একটি ফ্যাক্টরি নির্মাণ করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে ভূপেন্দ্রনাথের ছেলে গৌতম দে পারচেস ডিপার্টমেন্টে যোগ দেন। এমনকি রবীন্দ্রনাথ এবং অমরেন্দ্রনাথের সন্তানেরাও দে’জ মেডিকেলে যোগদান করেন।

ভূপেন্দ্রনাথ কোম্পানির ভিত আরও দৃঢ় করবার জন্য নানারকম পরিকল্পনা করছিলেন। কম্বিনা এবং সোলাসিডের মতো ওষুধ জনপ্রিয়তা পেলেও যখন খুব বেশি লাভ তা থেকে হচ্ছিল না, তখন তিনি কসমেটিকসও উৎপাদন শুরু করেন আরও বেশি লাভের জন্য। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে কেও কার্পিন তেল, যা কিনা আজও সমান জনপ্রিয়, সেই তেলটির উৎপাদকও কিন্তু এই দে’জ মেডিকেল। ভূপেন্দ্রনাথদেরই পারিবারিক এক বন্ধু বারিদ মজুমদার ব্যবসায় যোগ দেন এবং আরও বেশি করে কেও কার্পিন তেলের বিজ্ঞাপন করবার পরামর্শ দেন। আধুনিক নানা পদ্ধতিতে কেও কার্পিন তেলের বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু হয় এবং দেখতে দেখতে তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে।

কসমেটিকস থেকে লাভ হলেও ঔষধ তেমন লাভ দিতে পারছিল না কোম্পানিকে। ভূপেন্দ্রনাথ আয়ুর্বেদিক ওষুধের ওপর কখনই ভরসা হারাননি। আইটোন নামক এক নতুন আয়ুর্বেদিক ওষুধ তাঁর কোম্পানি বাজারে আনে যা সকলেই সাদরে গ্রহণ করেছিল। আবার দে’জ মেডিকেলের বাজার চড়তে থাকে। একটি বিশেষ আয়ুর্বেদ গবেষণার দল তৈরি হয় বিখ্যাত শিবকালি ভট্টাচার্যের অধীনে।

১৯৮৯ সালে ভূপেন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর তাঁর পরবর্তী প্রজন্ম ব্যবসার হাল ধরে। গৌতম, রঞ্জিত এবং শুভার্থী এই তিনমূর্তি দক্ষ হাতে চালিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন কোম্পানিকে। ১৯৯২ সালে কসবার আনন্দপুরে নতুন এক জমি কিনে সেখানে উৎপাদন তৈরি হয়। অনেক সমস্যার মোকাবিলা করেও দে’জ মেডিকেল আজও স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে এগিয়ে চলেছে। পুরনো খোলনলচে বদলে কোম্পানি এখন আরও বেশি আধুনিক এবং লাভজনক একটি সংস্থা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading