সববাংলায়

এম এস স্বামীনাথন

ভারত এমন একটা দেশ যার ভিত্তি কৃষি। আর এই কৃষিকেই নিজের পরিশ্রম, মেধা ও গবেষণা দিয়ে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের ‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ হিসেবে পরিচিত বিজ্ঞানী এম এস স্বামীনাথন। একাধারে তিনি যেমন ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ এবং উদ্ভিদ প্রজননকারী, অন্যদিকে ছিলেন দক্ষ প্রশাসক এবং মানবতাবাদী।

এম এস স্বামীনাথনের সম্পূর্ণ নাম মানকম্বু সাম্বাসিবন স্বামীনাথন (Mankombu Sambasivan Swaminathan)। ১৯২৫ সালের ৭ আগস্ট ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির (বর্তমানে তামিলনাড়ু) তাঞ্জাবুরের কুম্ভকোণম শহরে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন চিফ সার্জন ডাঃ এম কে সাম্বাসিভান। মায়ের নাম পার্বতী থাঙ্গাম্মাল সাম্বাসিভান। এম এস স্বামীনাথন ছিলেন তাঁদের দ্বিতীয় পুত্র। মাত্র ১১ বছর বয়সে পিতৃবিয়োগ হলে তাঁর দেখাশোনা করতেন কাকা। স্বামীনাথনের স্ত্রী মিনা স্বামীনাথন পেশায় একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন। প্রাক-স্কুল (pre-school) শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁদের তিন সন্তানের মধ্যে ড. সৌম্যা স্বামীনাথন শিশু চিকিৎসার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সঙ্গে যুক্ত। যক্ষ্মা ও এইচআইভির (HIV) উপর তাঁর গবেষণা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

এক নজরে এম এস স্বামীনাথনের জীবনী:

  • জন্ম: ৭ আগস্ট, ১৯২৫
  • মৃত্যু: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • কেন বিখ্যাত: এম এস স্বামীনাথন ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ এবং উদ্ভিদ প্রজননকারী, অন্যদিকে ছিলেন দক্ষ প্রশাসক এবং মানবতাবাদী। উন্নত প্রজাতির গম ও ধানের বীজ তৈরির মাধ্যমে তিনি ভারতের খাদ্য সমস্যার অনেকাংশে সমাধান করেছিলেন। গম ও ধান উৎপাদনে ভারত স্বয়ংসম্পূর্ণ হয় তাঁরই গবেষণার কারণে।
  • পুরস্কার ও স্বীকৃতি: এম এস স্বামীনাথনকে ভারতের ‘সবুজ বিপ্লবের জনক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ এবং ভারতরত্ন – এই প্রতিটি পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এছাড়াও দেশ বিদেশের নানা পুরস্কার ও সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন এম এস স্বামীনাথন।

এম এস স্বামীনাথনের ছাত্রজীবন শুরু হয় স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে। এর পর তিনি কুম্বাকোনামের ক্যাথলিক লিটল ফ্লাওয়ার হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখান থেকে ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন তিনি। তাঁর বাবা ও মায়ের ইচ্ছে ছিল ছেলে বড় হয়ে শল্য চিকিৎসক হোক। বাবা-মায়ের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি প্রাণীবিদ্যা নিয়ে উচ্চশিক্ষা শুরু করেন। কেরালার ত্রিবান্দ্রমের মহারাজা কলেজে (বর্তমানে কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিরুবনন্তপুরমে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ) প্রাণীবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। কিন্তু ছেলেবেলা থেকেই কৃষিকাজ এবং কৃষক যাঁকে টানত, তিনি প্রাণীবিদ্যায় সুখী হবেন কী করে? ছোটবেলা থেকে ফসলের দামের ওঠানামা, কৃষির উপর আবহাওয়া এবং পোকামাকড়ের প্রভাব তিনি প্রত্যক্ষ করেছিলেন। আত্মিক টানেই ১৯৪০ থেকে ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাদ্রাজ কৃষি কলেজ, বর্তমানে তামিলনাড়ু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) পড়াশোনা করেন এবং কৃষি বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৩ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাংলার দুর্ভিক্ষের প্রভাব এবং উপমহাদেশ জুড়ে চালের ঘাটতি তাঁকে আমূল নাড়িয়ে দেয়। নিজের ভবিষ্যৎ তিনি কৃষির গবেষণায় উৎসর্গ করবেন বলে স্থির করেন। তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু ছিল সোলানাম (Solanum)। সোলানাম হল বৈচিত্র্যময় এক প্রজাতি যার মধ্যে রয়েছে তিনটি খাদ্যশস্য- আলু, টমেটো এবং বেগুন। স্বামীনাথন মূলত আলুর উপর গবেষণা করেন।

গবেষণার পাশাপাশি এম এস স্বামীনাথন সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষাতেও বসেন। সেখানেও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে সুযোগ পান ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসে। একই সময়ে, নেদারল্যান্ডসে জেনেটিক্সে ইউনেস্কোর ফেলোশিপের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে তাঁর জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়। এই দুইয়ের মধ্যে থেকে তিনি জেনেটিক্সই বেছে নেন।

১৯৪৯ সালে এম এস স্বামীনাথনের গবেষণাকে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) থেকে তাঁকে ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। আলুকে হিম এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কাজ করেন তিনি। ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত চলে তাঁর শিক্ষাজীবন। তিনি ১৯৫২ সালে লন্ডন থেকে জেনেটিক্সে ডক্টরেট এবং উদ্ভিদ প্রজননে আমেরিকা ও নেদারল্যান্ড থেকে পোস্টডক্টরেট করেন। ১৯৫৪ সালে স্বামীনাথন প্রথমে ওড়িশার কটকের কেন্দ্রীয় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে কাজ শুরু করেন ও তার মাস ছয়েক পর নয়াদিল্লির ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (IARI) যোগ দেন। দিল্লিতে তাঁর গবেষণার বেশির ভাগটাই ছিল সারের উপর। সারের ব্যবহারের মাধ্যমে ধান এবং গমের উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে গবেষণা করেন তিনি। তাঁর গবেষণার ভিত্তি ছিল শস্যের অন্তঃপ্রজাতি সংকরায়ন (Interspecific Hybridization) অর্থাৎ একই গণের দুটি আলাদা প্রজাতির গাছের মধ্যে সংকারয়ণ ঘটিয়ে নতুন সংকর প্রজাতির গাছ তৈরি; প্ররোচিত বিকিরণ (Induced Radiation) অর্থাৎ কৃত্রিমভাবে বিকিরণ ব্যবহার করে ডিএনএ সিকোয়েন্স বদল করে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করা; রাসায়নিক মিউটেজেনেসিস (Chemical Mutagenesis) অর্থাৎ রাসায়নিক ব্যবহার করে ডিএনএ সিকোয়েন্স বদল করে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করা; এবং উদ্ভিদ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রকদের ব্যবহার অর্থাৎ উদ্ভিদের প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম হরমোন জাতীয় রাসায়নিক ব্যবহার করে তার বৃদ্ধি, বিকাশ ও ফলনের উপর নিয়ন্ত্রণ করা।

এর পরেই আসে তাঁর জীবনের সেই অধ্যায় যার জন্য আজও তিনি সমাদৃত। পাঁচের দশকেই মেক্সিকোতে ভুট্টা এবং গমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নরম্যান বোরলগের (Norman Borlaug) সাফল্যের কথা জানতে পারেন স্বামীনাথন। বোরলগের আধা-বামন গমের প্রজাতি প্রবর্তন এবং মেক্সিকো জুড়ে তাদের ব্যবহার আমদানি-নির্ভর দেশটিকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গম উৎপাদনকারীতে রূপান্তরিত করেছিল। সেটি সবুজ বিপ্লব নামে খ্যাত। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে স্বামীনাথন বোরলগের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেন। বোরলাগ ভারত সফর করেন এবং মেক্সিকো থেকে ‘লারমা রোজো’ এবং ‘সোনোরা-৬৪’ মেক্সিকান বামন প্রজাতির গম ভারতে পৌঁছে দেন। মেক্সিকান গমের জাত পাওয়ার পর স্বামীনাথন সেগুলি নিয়ে পরীক্ষা করেন। তাঁর পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় সেইসব গমগুলি উচ্চ ফলনশীল এবং রোগ প্রতিরোধী শস্য।

এরপর ভারতের পরিবেশের উপযোগী গমের বীজের প্রজাত উদ্ভাবন নিয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানায় মেক্সিকান গম চাষের জন্য একটি অভিযান শুরু করেন। ভারতে গম চাষের জন্য এই রাজ্যগুলির আবহাওয়া ছিল আদর্শ। কিন্তু প্রথম দিকে উচ্চ ফলনশীল নতুন জাতের এই গমের বীজ গ্রহণে কৃষকদের তেমন উৎসাহ ছিল না। বলা যায় নতুন এই গম বসাতে ভয়ই পাচ্ছিলেন তাঁরা। তাঁদের মন থেকে এই দ্বন্দ্ব কাটাতে স্বামীনাথন ছোট ছোট প্রদর্শনী প্লটে গম রোপণের জন্য তহবিলের অনুরোধ করেন। সেই তহবিল পেয়ে ১ হেক্টরে মোট ১৫০টি প্রদর্শনী প্লটে গম রোপণ করেন তিনি। ফলাফল হয়েছিল বেশ আশাপূর্ণ এবং সেটি দেখার পর কৃষকরাও সেই গমের চাষ শুরু করেন। স্বামীনাথনের এই প্রচেষ্টার ফলে ভারতের গমের উৎপাদন ১৯৬৪ সালে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টন থেকে বেড়ে ১৯৭০ সালে ২ কোটি টনের বেশি হয়।

সারের ব্যবহার, কীটনাশকের ব্যবহার, উন্নত সেচ পরিকল্পনার ফলে কৃষি বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে যায়। গমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এম এস স্বামীনাথনের সাফল্য ধান চাষের ক্ষেত্রেও ফলদায়ী হয়। তিনি বেশ কয়েকটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ধানও গমের উৎপাদনে এমন বৃদ্ধির ফলে ভারতে ‘সবুজ বিপ্লব’-এর জন্ম হয়। তারপর থেকেই এম এস স্বামীনাথনকে ‘ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক’ বলা হয়।

১৯৭২ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রী ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারত খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। তিনি জানান যে, এই বছরের মধ্যে আর কোন খাদ্যশস্য আমদানি করার প্রয়োজন হবে না। এই ঘোষণাটি ভারতের ইতিহাসে সবুজ বিপ্লবের একটি বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হয়।

তবে মানকম্বু সাম্বাসিবন স্বামীনাথন এখানেই থেমে থাকেননি। সবুজ বিপ্লব থেকে এগিয়ে তিনি ‘চিরসবুজ বিপ্লব’-এর পরিকল্পনা করেন। সার, কীটনাশক, অত্যাধুনিক সেচ পদ্ধতি সত্ত্বেও বিশ্ব উষ্ণায়ন, দূষণ, বনভূমি ধ্বংস, ভূগর্ভস্থ জলের স্তর নেমে যাওয়া কৃষিক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। সেই করণেই স্বামীনাথন ‘চিরসবুজ বিপ্লব’-র কথা বলেন। একটি স্থিতিশীল পদ্ধতি যা কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং পরিবেশগত সম্প্রীতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করবে। তাঁর এই পরিকল্পনায় জৈব চাষ, মাটি সংরক্ষণ, জল ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ বান্ধব জৈবপ্রযুক্তির প্রসঙ্গ উঠে আসে।

তিনি ২০০৭ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সংসদ ছিলেন। তখন তিনি আফগানিস্তান ও মায়ানমারে কৃষিক্ষেত্রে গৃহীত প্রকল্পগুলি তদারকি করার জন্য বিদেশ মন্ত্রকের সহায়তায় গঠিত টাস্ক ফোর্সের সভাপতিত্ব করেন। তিনি স্পেনের গ্রানাডায় অনুষ্ঠিত ২০তম আন্তর্জাতিক পুষ্টি কংগ্রেসে ‘আন্তর্জাতিক পুষ্টি ইউনিয়নের জীবন্ত কিংবদন্তি’ নির্বাচিত হন।

নিজের কাজের জন্য এম এস স্বামীনাথন দেশ ও বিদেশ থেকে অনেক পুরস্কার এবং সম্মাননা পেয়েছেন। জীববিজ্ঞানে অবদানের জন্য ১৯৬১ সালে তিনি পান শান্তিস্বরূপ ভাটনগর পুরস্কার। ১৯৭১ সালে কমিউনিটি লিডারশিপের জন্য ফিলিপাইনের র‍্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন তাঁকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত করে। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক পরিষদের (World Cultural Council, Mexico) তরফে তিনি পান আলবার্ট আইনস্টাইন বিশ্ব বিজ্ঞান পুরস্কার। ১৯৮৭ সালে প্রথম বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার পান তিনি। এই পুরস্কার দেয় আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশন। এছাড়া তিনি শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নয়নের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার এবং মহাত্মা গান্ধী পুরস্কার পান। ২০০৭ সালে তাঁকে লাল বাহাদুর শাস্ত্রী জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। স্বামীনাথন ১৯৬৭ সালে পদ্মশ্রী, ১৯৭২ সালে পদ্মভূষণ এবং ১৯৮৯ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানীত হন। তিনি লন্ডনের রয়েল সোসাইটি এবং মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমিসহ ভারত এবং বিশ্বের অনেক শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক একাডেমির ফেলো। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৮১টি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর ২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানীত করে।

২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ৯৮ বছর বয়সে বয়স জনিত কারণে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে নিজের বাড়িতে মানকম্বু সাম্বাসিবন স্বামীনাথনের মৃত্যু হয়। কৃষিক্ষেত্রে তাঁর অবদানের কথা ভারত তো বটেই সমগ্র বিশ্ব চিরকাল মনে রাখবে।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading