ইতিহাস

হেনরি ফোর্ড

হেনরি ফোর্ড (Henry Ford) একজন আমেরিকান শিল্পপতি তথা ধনকুবের যিনি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন ফোর্ড মোটর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে। তিনিই সর্বপ্রথম মধ্যবিত্ত আমেরিকানদের জন্য মোটরগাড়ি তৈরি করেন। গাড়ি যে কেবল উচ্চবিত্তের বিলাসিতা নয়, মধ্যবিত্ত আমেরিকানরাও যে একদিন গাড়ি কেনার স্বপ্ন দেখতে পারে হেনরি ফোর্ড তাঁর ফোর্ড গাড়ির মাধ্যমে সেই স্বপ্ন সফল করেছিলেন। তিনিই প্রথম বহুল উৎপাদনের জন্য আ্য‌সেম্বলি লাইন কারিগরি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।

১৮৬৩ সালের ৩০ জুলাই আমেরিকার মিশিগানের অন্তর্গত স্প্রিংওয়েলস শহরে এক কৃষিজীবী পরিবারে হেনরি ফোর্ডের জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম উইলিয়াম ফোর্ড ও মায়ের নাম মেরি ফোর্ড। হেনরির মার্গারেট ও জেনি নামে দুই বোন এবং উইলিয়াম ও রবার্ট নামে দুই ভাই ছিল। পরবর্তী জীবনে হেনরি ক্লারা জেন ব্রায়ান্ট নামে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। তিনি কৃষিকাজ করে ও একটি করাতকল চালিয়ে স্বামীকে সাহায্য করতেন। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান হলেন এডসেল ফোর্ড।

ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির প্রতি হেনরি ফোর্ডের দারুণ আগ্রহ ছিল। হেনরির বাবা তাঁকে একটি পকেট ঘড়ি উপহার দিয়েছিলেন যার যন্ত্রাংশগুলি সম্পূর্ণভাবে খুলে আবার তাকে জোড়া লাগিয়েছিলেন ছোট্ট হেনরি। অল্প বয়স থেকেই তিনি আত্মীয়-প্রতিবেশীদের ঘড়ি মেরামত করে দিতেন। যান্ত্রিক বিষয়ের ওপর তাঁর বিশেষ দক্ষতা যত দিন যেতে লাগল ততই বাড়তে লাগল।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


১৮৭৬ সালে মায়ের অপ্রত্যাশিত মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে হেনরি গৃহত্যাগী হন। ১৮৭৯ সালে তিনি ডেট্রয়েটের ‘জেমস এফ ফ্লাওয়ার এন্ড ব্রাদার্স’ কোম্পানিতে শিক্ষানবিশ কারিগর হিসেবে যোগদান করেন। এই প্রতিষ্ঠান থেকেই যন্ত্রপাতির জগতে প্রবেশ ঘটে হেনরির। এর পরে ডেট্রয়েটের ‘ড্রাই ডক’ কোম্পানিতেও কাজ করেছিলেন তিনি।

যন্ত্রকৌশল আয়ত্ত করে ১৮৮২ সালে হেনরি বাড়ি ফিরে আসেন। ডেট্রয়েটের দুটি যন্ত্রের কারখানাতে কাজ করার পর হেনরি যন্ত্র সংক্রান্ত বিষয়ে আরো অভিজ্ঞতা অর্জন করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই কারণে তিনি ওয়েস্টিংহাউসের বহনযোগ্য বাষ্পীয়-ইঞ্জিন পরিচালনার কৌশল শেখার কাজে যোগ দেন। পরবর্তীকালে কারিগর হিসেবে তাঁর দক্ষতা সকলের স্বীকৃতি অর্জন করে। ফলে ওয়েস্টিংহাউস কর্তৃপক্ষ তাঁকে স্থায়ীভাবে চাকরিতে নিয়োগ করেন।

দক্ষ কারিগরি ক্ষমতা ও উদ্ভাবনী কৌশলের জন্য অল্প বয়সেই তিনি সুনাম অর্জন করেন। ১৮৯১ সালে তিনি ‘এডিসন ইলেকট্রিক ইলিউমিনেটিং কোম্পানি’তে নাইট ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগদান করেন। তিনি সেখানে যন্ত্রকৌশল ও তড়িৎকৌশলের অনেক নতুন নতুন দিক শিখতে শুরু করেন। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এবং নিজস্ব দক্ষতার বলে হেনরি আস্তে আস্তে উন্নতি করতে থাকেন। ৪ বছরের মধ্যে তিনি সংস্থার প্রধান ইঞ্জিনিয়ারের পদে উন্নীত হন। কিন্তু এই পদে পৌঁছেও তিনি সন্তুষ্ট হতে পারেননি। ব্যক্তিগত ভাবে উদ্যোগ নিয়ে তিনি যানবাহন (automobile) নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন।

কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে হেনরি ‘কোয়ার্ডিসাইকেল’ নামে একটি চার-চাকাবিশিষ্ট যান তৈরি করেন। এই যানটির চাকাগুলি ছিল সাইকেলের চাকার মতো এবং সামনের দুটি চাকায় ছিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে গতি নিয়ন্ত্রণের উপায়। এই যানটি নিয়ে হেনরি তাঁর সংস্থার প্রধান কর্তা বিজ্ঞানী টমাস এডিসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অতি সরল প্রকৃতির এই গাড়িটি দেখে এডিসন অত্যন্ত প্রভাবিত হন ও হেনরিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেন।

এই অনুপ্রেরণা হেনরিকে যানবাহনের ব্যাপারে আরো বেশী মনোযোগী করে তোলে। তিনি আরো উন্নত মডেল বানানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৮৯৮ সালে হেনরি একটি নতুন মডেলের গাড়ি তৈরি করেন, যেটি ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি উন্নত ও নিরাপদ।

এই সময় থেকেই হেনরির মনে একটি নিজস্ব মোটরগাড়ি তৈরির কোম্পানি খোলার ইচ্ছা জন্ম নিতে থাকে। পরের বছর অর্থাৎ ১৮৯৯ সালে তিনি এডিসনের কোম্পানিতে ইস্তফা দেন এবং ‘ডেট্রয়েট অটোমোবাইল কোম্পানি’ নামে নিজস্ব একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। কিন্তু এই সংস্থার তৈরি করা গাড়িগুলি তেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যায়।

কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলেও থেমে থাকেননি হেনরি। নতুনভাবে আকর্ষণীয় মোটরগাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। দীর্ঘ ১ বছরের প্রচেষ্টার পর হেনরি ২৬ অশ্বক্ষমতা (horse power) বিশিষ্ট ইঞ্জিন সম্বলিত একটি মোটরগাড়ির মডেল প্রস্তুত করেন। ১৯০১ সালের অক্টোবরে তিনি এই মডেল প্রস্তুতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন।

এরপর তিনি পুরোনো প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের সাথে যৌথভাবে শুরু করেন ‘হেনরি ফোর্ড কোম্পানি’ নামে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু অচিরেই নানারকম সমস্যার উদ্ভব হয়, ফলে বাধ্য হয়ে হেনরি চুক্তি বাতিল করেন ও প্রতিষ্ঠান থেকে সরে আসেন। তিনি বিদায় নেওয়ার পর সংস্থাটির পরিবর্তিত নাম হয় ‘ক্যাডিলাক অটোমোবাইল কোম্পানি’। পরপর দু’বারের ব্যর্থতায় হেনরি মানসিকভাবে অত্যন্ত ভেঙে পড়েন। এই সময় তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছিল বিজ্ঞানী এডিসনের বলা কথাগুলি। তাঁর অনুপ্রেরণাতেই হেনরি মানসিক দুর্বলতা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান এবং নতুনভাবে কাজে মন দেন। তিনি কতগুলি রেসিং কার (racing car) তৈরি করেন, যার মধ্যে ‘৯৯৯ মডেল’টি তৎকালীন সময়ে খুব আলোচিত হয়েছিল।

১৯০৩ সালে হেনরি ‘ফোর্ড মোটর কোম্পানি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। আলেক্সান্ডার ম্যালকমসন, ডুডজ ব্রাদার্স, জন এস গ্রে প্রমুখ বিখ্যাত শিল্পপতিরা এই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেন। এই সময়েই হেনরির রেসিং কার-এর ৯৯৯ মডেলটি নিয়ে বিখ্যাত গাড়ি রেসিং ড্রাইভার ব্যার্নি ওল্ডফিল্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে থাকেন। তখন থেকেই গোটা যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতি অর্জন করেন ফোর্ড মোটর কোম্পানি তথা হেনরি ফোর্ড নিজে।

১৯০৮ সালে হেনরি ‘টি মডেল’-এর মোটরগাড়ি বাজারে আনেন। আত্মপ্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকদের মন জয় করে নেয় এই মডেলটি। এটির গ্রহণযোগ্যতার সবচেয়ে বড় কারণ ছিল এর সহজ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, সস্তা দাম এবং সরল মেরামত কার্যপ্রণালী। এই মডেলের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল যে, ডানদিকের বদলে এই গাড়িগুলির বাঁ দিকের চাকার সঙ্গে স্টিয়ারিং যুক্ত থাকত। ধীরে ধীরে এর চাহিদা বাড়তে থাকে এবং প্রচুর ফরমাশ আসতে থাকে। ক্রমবর্ধমান উৎপাদন চাহিদা হেনরি ও তাঁর সহকর্মীদের চিন্তায় ফেলে দেয়। হেনরি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও বিনিয়োগকারী সকলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজতে থাকেন, এবং একটি সরল নিয়ম তৈরি করেন।

গৃহীত নতুন নিয়মে ফোর্ড মোটর কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর ফলে মডেল ‘টি’ পরবর্তী কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জাঁকিয়ে রাজত্ব করে। ১৯১৮ সালে কৃত একটি সমীক্ষায় জানা যায় যে, তৎকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট গাড়ির পঞ্চাশ শতাংশই ছিল ফোর্ড মোটর কোম্পানি নির্মিত মডেল ‘টি’ গাড়ি। এই বছর থেকেই হেনরি তাঁর পুত্র এডসেলের হাতে আস্তে আস্তে কোম্পানির দায়িত্ব দিতে থাকেন।

১৯২০-এর দশকে ক্রমশ মডেল ‘টি’-এর চাহিদা হ্রাস পেতে থাকে। ফলে ফোর্ড মোটর কোম্পানি বাজারে আনে মডেল ‘এ’ নামে একটি নতুন গাড়ি। ’৩০-এর দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত এই গাড়ির জন্য গ্রাহকদের চাহিদা বেশ ভালো ছিল। কিন্তু সেই চাহিদা আস্তে আস্তে নিম্নগামী হতে থাকে। ১৯৩৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ফোর্ড মোটর কোম্পানির স্থান নেমে আসে তিন নম্বরে। অবশ্য এই অবনতির জন্য সেই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মহামন্দাই দায়ী বলে মনে করতেন হেনরি ফোর্ড।

হেনরি ফোর্ড ততদিনে পরিচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন গণ্যমাণ্য ব্যক্তি রূপে, যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধ বা হিংসার সমর্থক ছিলেন না। ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ হেনরি মেনে নিতে পারেননি। এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করলেও তদানীন্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর অসম্মতিতে কর্ণপাত করেননি। অবশ্য পরবর্তীকালে যুদ্ধের জন্য মার্কিন বাহিনীর প্রয়োজনীয় এরোপ্লেন, জিপ, ইঞ্জিন ও ট্যাঙ্ক সরবরাহ করার জন্য ফোর্ড মোটর কোম্পানিকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়।

১৯৪৩ সালে হেনরির একমাত্র পুত্র এডসেল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ফলে বাধ্য হয়ে বৃদ্ধ বয়সেও হেনরিকে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়। বয়সের কারণে তাঁর কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে, ফলে প্রতিষ্ঠানে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়। অবশেষে এডসেলের পুত্র দ্বিতীয় হেনরি ফোর্ড মোটর কোম্পানির দায়িত্ব গ্রহণ করলে হেনরি অবসর গ্রহণ করেন।

হেনরি ফোর্ডের সফলতার মূল কারণ ছিল তাঁর ধৈর্য্য ও উদ্ভাবনী কৌশল। বার বার ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েও তিনি ভেঙে পড়েননি। আজ পৃথিবীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারক দেশ যে যাত্রার সূচনা করেছিলেন হেনরি ফোর্ড। শুধু মোটরগাড়ি নয়, আরো অনেক বিষয়ে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল। সারা জীবনে তিনি ১৬১টি আবিষ্কারের পেটেন্ট নিয়েছিলেন। বিভিন্ন কৃষিজাত পণ্য, বিশেষত সয়াবিন থেকে উদ্ভূত প্লাস্টিকের উপরেও হেনরির আগ্রহ ছিল। তিনি একটি গাড়ি বানিয়েছিলেন যেটি প্রায় সম্পূর্ণই ছিল এই ধরনের প্লাস্টিক দ্বারা নির্মিত। এটি একটি ইস্পাতনির্মিত গাড়ির তুলনায় ৩০% কম ওজনের এবং দশগুণ বেশি আঘাতকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম ছিল। গ্যাসোলিনের পরিবর্তে এই গাড়ি চলত ইথানলে।

লেখালেখিতেও হেনরি ছিলেন সমান দক্ষ। ধূমপানের কুপ্রভাব বিষয়ে তিনি একটি বই লিখেছিলেন, যার নাম ‘দ্য কেস এগেন্সট দ্য লিটল হোয়াইট স্লেভার’। তাঁর আত্মজীবনীর নাম ‘মাই লাইফ মাই ওয়ার্ক’।

সারাজীবনে হেনরি অনেক খেতাব ও পদক জয় করেছিলেন। ফ্রাঙ্কলিন ইনস্টিটিউট হেনরিকে ‘ইলিয়ট ক্রেসন’ (Elliot Cresson) পদক প্রদান করে। তিনি ‘গ্র্যান্ড অফ দ্য জার্মান ঈগল’ সম্মান প্রাপ্ত হন। এছাড়াও তিনি ‘অটোমেটিভ হল অফ ফেম’, ‘ইউ.এস বিজনেস হল অফ ফেম’, ‘মোটরস্পোর্টস হল অফ ফেম অফ আমেরিকা’ প্রভৃতি খেতাবও জয় করেন। ইউনাইটেড স্টেটস পোস্টাল সার্ভিস তাঁর সম্মানে একটি ডাকটিকিটের প্রচলন করে। ১৯৯৯ সালে আমেরিকার জনগণ কর্তৃক গৃহীত সমীক্ষা ‘গ্যালপস লিস্ট অফ ওয়াইডলি অ্যাডমায়ারড পিপল অফ টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি’তে হেনরি ফোর্ড আঠারোতম স্থানে ছিলেন।

১৯৪৭ সালের ৭ এপ্রিল তিরাশি বছর বয়সে আমেরিকার মিশিগান শহরে হেনরি ফোর্ডের মৃত্যু হয়।

  • সববাংলায় সাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আজই যোগাযোগ করুন
    contact@sobbanglay.com

  • এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

    আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

আধুনিক ভ্রূণ বিদ্যার জনক পঞ্চানন মাহেশ্বরীকে নিয়ে জানুন



ছবিতে ক্লিক করে দেখুন ভিডিও