সববাংলায়

বর্শা নিক্ষেপ খেলা ।। জ্যাভেলিন থ্রো

বিভাগঃ ,

ক্রীড়া জগতের একটি জনপ্রিয় খেলা হল জ্যাভেলিন থ্রো (Javelin throw)। মূলত একটি বর্শাকে শক্তি প্রয়োগ করে সর্বোচ্চ কতদূর পর্যন্ত ছোঁড়া যায়, তারই প্রতিযোগিতা এই খেলা। বুঝতেই পারা যাচ্ছে এই বর্শা নিক্ষেপ খেলাটি অবশ্যই একটি আউটডোর গেম। একটি নির্দিষ্ট পরিসরের মধ্যে খেলাটি সীমাবদ্ধ থাকে। এই খেলাটি অলিম্পিক গেমসের অংশ হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জ্যাভেলিন থ্রো খেলোয়াড়রা অংশ নিয়ে থাকেন৷ চেক প্রজাতন্ত্র, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ফিনল্যান্ড, জাপান, বেলজিয়াম, ভারতবর্ষ-সহ পৃথিবীর আরও বিভিন্ন দেশ জ্যাভলিন থ্রো খেলায় নিজেদের নাম সেরার তালিকায় তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে।

জ্যাভেলিন নিক্ষেপ খেলার ইতিহাস ঘাঁটলে এর সঙ্গে জড়িত কিছু প্রাচীন সূত্র পাওয়া যাবে। শিকার করবার জন্য বর্শা নিক্ষেপের বিষয়টি এমনিতেও খুব প্রাচীন কিন্তু এই বর্শা ছোঁড়ার খেলা প্রাচীন গ্রীসদেশে ব্যাপকভাবে চর্চা করা হত। ৭০৮ খ্রীস্টপূর্বাব্দে প্রাচীন অলিম্পিক গেমসে প্রথম এই জ্যাভেলিন নিক্ষেপ খেলার নথিভুক্তিকরণের রেকর্ড পাওয়া যায়। পেন্টাথলন নামক ইভেন্ট যেখানে অনেকরকম ক্রীড়া সামিল ছিল, তারই একটি অংশ হিসেবে সেই অলিম্পিকে এটি খেলা হত। লন্ডনে পুরুষদের জন্য এই জ্যাভেলিন থ্রো খেলা চালু হওয়ার পর ১৯০৮ সালে এটিকে আধুনিক অলিম্পিকের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। ১৯৩২ সালে অলিম্পিকে মহিলাদের জন্য জ্যাভেলিন থ্রো-এর সূচনা করা হয়েছিল।

পূর্বে জ্যাভেলিনটিকে একটি চামড়ার স্ট্র্যাপের সাহায্যে ছোঁড়া হত। সেই চামড়ার স্ট্র্যাপটি জ্যাভেলিন দন্ডের মাঝখানে লাগানো থাকত এবং যখন খেলোয়াড়রা জ্যাভেলিন ছেড়ে দিত সেই চামড়ার স্ট্র্যাপ বা থংটি বন্ধ হয়ে যেত এবং চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে উড়ে যেত জ্যাভেলিন। ১৮৭০-এর দশকের গোড়ার দিকে জার্মানি এবং সুইডেনে একটি লক্ষ্যবস্তুতে জ্যাভেলিনের মতো খুঁটি নিক্ষেপ করার খেলা প্রচলিত ছিল। সুইডেনে এই খুঁটিগুলিই আধুনিক জ্যাভেলিনে রূপান্তরিত হয়েছে। একসময় জ্যাভেলিনগুলিকে কোনো দৌড় ছাড়াই নিক্ষেপ করা হত কিন্তু ১৮৯০-এর দশকের শেষদিকে নিক্ষেপের আগে সীমিত রান-আপ চালু হয়েছিল।

দীর্ঘকাল ধরে জ্যাভেলিন ছিল কাঠের এবং তার ছুঁচালো অগ্রভাগ বা টিপ ছিল স্টিলের তৈরি। ১৯৫০-এর দশকে বাড হেল্ড নামক এক খেলোয়াড় এবং তার ভাই মিলে একটি ফাঁপা এয়ারোডায়নামিক হেল্ড জ্যাভেলিন তৈরি করেন। প্রথমদিকে হেল্ড জ্যাভেলিনগুলি কাঠের এবং স্টিলের তৈরি হলেও পরে সম্পূর্ণ জ্যাভেলিনটি মেটালের তৈরি হতে থাকে।

১৯১০-এর দশকের গোড়ার দিকে ডিক্যাথলন (দশটি ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড খেলার সম্মিলিত একটি ইভেন্ট) চালু হলে জ্যাভেলিন নিক্ষেপ তার অংশ হয়ে ওঠে। ডিক্যাথলন সাধারণত পুরুষদেরই প্রতিযোগিতা। মেয়েদের জ্যাভেলিন থ্রো আবার হেপ্টাথলনের (সাতটি ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড খেলার সম্মিলিত একটি ইভেন্ট) অন্তর্ভুক্ত।

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন (IAAF) দ্বারা জ্যাভেলিন থ্রো খেলার যাবতীয় নিয়ম প্রস্তুত করা হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরুষদের জ্যাভেলিনের দৈর্ঘ্য হয় সাধারণত ২.৬ মিটার থেকে ২.৭ মিটার এবং ওজন হয় ন্যূনতম ৮০০ গ্রাম। মহিলাদের ক্ষেত্রে জ্যাভেলিনের দৈর্ঘ্য হয় ২.২ মিটার থেকে ২.৩ মিটার মধ্যে এবং ওজন হয় ন্যূনতম ৬০০ গ্রাম। জ্যাভেলিনের ভারকেন্দ্র অর্থাৎ গ্রিপ করবার এলাকাটি অগ্রভাগ বা টিপ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকে। পুরুষদের ক্ষেত্রে ভারকেন্দ্রটির দূরত্ব টিপ থেকে ০.৯ মিটার থেকে ১.০৬ মিটারের মধ্যে থাকতে হয় এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ০.৮ মিটার থেকে ০.৯২ মিটারের মধ্যে। এই ভারকেন্দ্রে একটি কর্ড গ্রিপ লাগানো থাকে ধরার সুবিধার জন্য, যেটি ০.৮ মিলিমিটারের বেশি পুরু হওয়ার নিয়ম নেই।

জ্যাভেলিন একটি নির্দিষ্টরকম মাঠে নিক্ষেপ করা হয়। সেই খেলার মাঠের দুটি ভাগ থাকে, রানওয়ে এবং ল্যান্ডিং সেক্টর। রানওয়ে বা টেক-অফ এলাকায় একজন নিক্ষেপকারী জ্যাভেলিন হাতে দৌঁড়ে এসে রানওয়ে ট্র্যাকের শেষ সীমা বা থ্রোয়িং আর্কের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে দেন৷ রানওয়েটি ১৩ ফুট প্রশস্ত এবং কমপক্ষে ৩০ মিটার দীর্ঘ হয়। অন্যদিকে থ্রোয়িং আর্কটির ব্যাসার্ধ হয় ৮ মিটার। ল্যান্ডিং সেক্টরটি ঘাস বা কৃত্রিম টার্ফে ঢাকা ফানেল-আকৃতির ২৮.৯৬ ডিগ্রির কোণ তৈরি করা একটি প্রশস্থ স্থান। সেই ল্যান্ডিং সেক্টরের মধ্যেই নিক্ষেপিত জ্যাভেলিন গিয়ে পড়তে হবে, তার বাইরে পড়লে চলবে না।

জ্যাভেলিন ছোঁড়ারও নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। প্রথমত জ্যাভেলিনটিকে এক হাতে ধরে রানওয়ে দিয়ে ছুটে আসতে হবে। যে-হাতে সেটি ধরা হবে সেখানে গ্লাভস জাতীয় কিছু পরা নিষিদ্ধ। তবে খেলোয়াড়রা তাদের হাত টেপ দিয়ে মুড়ে রাখতে পারে কিন্তু নিক্ষেপের ক্ষেত্রে যাতে সেই মোড়ক অতিরিক্ত কোনো সুবিধা না দিতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখা হয়। বিচারকরা নিক্ষেপের আগে হাতের এই টেপ পরীক্ষা করেন। দুই বা ততোধিক আঙুল একসঙ্গে টেপ করা নিষিদ্ধ।

জ্যাভেলিন নিক্ষেপ করবার সময় তা সর্বদা ওভারহ্যান্ড অবস্থানে অর্থাৎ কাঁধের কাছ থেকে বা যে হাতে ছোঁড়া হচ্ছে সেই হাতের উপরের অংশ থেকে ছুঁড়তে হবে।

জ্যাভেলিন ছোঁড়ার সময় খেলোয়াড়দের সম্পূর্ণরূপে ঘোরা নিষিদ্ধ অর্থাৎ নিক্ষেপের সময় তাদের পিঠ ল্যান্ডিং সেক্টরের দিকে থাকা চলবে না।

জ্যাভেলিনকে ল্যান্ডিং সেক্টরের মধ্যেই গিয়ে পড়তে হবে নতুবা তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। শুধু তাই নয়, ল্যান্ডিং সেক্টরে সর্বপ্রথম জ্যাভেলিনের অগ্রভাগ অর্থাৎ টিপটি স্পর্শ করতে হবে। যদি টিপ স্পর্শ করার আগে জ্যাভেলিনের অন্য কোনো অংশ মাটি স্পর্শ করে তখনও তা বাতিল হয়ে যাবে। টিপটিকে মাটিতে গেঁথে যেতে হবে বা ঘাসের টার্ফটি ভাঙতে হবে।

ক্রীড়াবিদদের এক মিনিটের মধ্যে তাদের নিক্ষেপ সম্পূর্ণ করতে হবে। নিক্ষেপ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাথলেটরাও ল্যান্ডিং সেক্টরে যেতে পারে না।

ল্যান্ডিং সেক্টরে যেখানে নিক্ষেপিত জ্যাভেলিন গিয়ে গেঁথে যায় সেখান থেকে থ্রোয়িং আর্কের দূরত্ব পরিমাপ করা হয়ে থাকে। যে সর্বোচ্চ দূরত্বে জ্যাভেলিন নিক্ষেপ করতে পারে সে হয় বিজেতা।

পূর্বে দূরত্ব পরিমাপের জন্য ইস্পাত বা ফাইবারগ্লাস মিটার টেপ ব্যবহার করা হত কিন্তু ইলেকট্রনিক দূরত্ব পরিমাপ ব্যবস্থা (EDM) প্রবর্তনের পর এটি এখন লেজারের সাহায্যে ডিজিটাল মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

অলিম্পিক-সহ বেশিরভাগ বড় জ্যাভলিন নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় ছয়টি করে রাউন্ড থাকে। প্রত্যেক রাউন্ডে প্রতিযোগীরা একবার করে নিক্ষেপের সুযোগ পায়। আট জনের কম প্রতিযোগী থাকলে সাধারণত সমস্ত খেলোয়াড়রা ছয় রাউন্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। যদি একটি ইভেন্টে আট জনের বেশি খেলোয়াড় থাকে, তবে প্রথম তিন রাউন্ডের পরে শুধুমাত্র সেরা আট বাকি তিনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কখনও কখনও বড় ইভেন্টের ফাইনালের জন্য তিনটি করে রাউন্ড থাকে। সেখানে প্রতিযোগীরা তিনটি করে নিক্ষেপের সুযোগ পান।

জ্যাভেলিন নিক্ষেপ খেলায় মাঝেমধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে। সহজেই অধিক দূরত্বে জ্যাভেলিন নিক্ষেপ করা কিংবা কখনও কখনও খেলার সীমিত পরিসরের বাইরেও জ্যাভেলিনের উড়ে চলে যাওয়াটিকে বন্ধ করতে ১৯৮৬ সালে পুরুষদের জ্যাভেলিন থ্রো-এর ক্ষেত্রে একটি সামান্য পরিবর্তন করা হয়েছিল। জ্যাভেলিন দন্ডের ভারকেন্দ্রটি অর্থাৎ গ্রিপটি সামনের দিকে চার সেন্টিমিটার সরানো হয়েছিল এবং ভারকেন্দ্রের সামনের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল হ্রাস পেয়েছিল। এই ব্যবস্থাটি নিক্ষেপের দূরত্ব ১০ শতাংশ কমাতে সাহায্য করেছিল। ১৯৯৯ সালে মহিলাদের জ্যাভেলিনকেও পুনরায় ডিজাইন করা হয়েছিল। তারও আগে ১৯০৮ অলিম্পিকে জ্যাভেলিনের ফ্রিস্টাইল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে নির্দিষ্ট মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্রে জ্যাভেলিন ধরা বাধ্যতামূলক ছিল না। পরে অবশ্য এই নিয়মটিকে বাতিল করা হয়েছিল।

জ্যাভেলিন সারা বিশ্বেই এখন বিখ্যাত এক খেলা হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এই খেলাটি ভীষণই জনপ্রিয়। অলিম্পিকে তো এই খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছেই এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ইভেন্টে এই খেলাটি অন্তর্ভুক্ত। ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে জ্যাভেলিনের একটি স্বতন্ত্র স্থান রয়েছে। এছাড়াও এশিয়ান গেমস, ওয়ার্ল্ড ইনডোর চ্যাম্পিয়নশিপ, কমনওয়েলথ গেমস, আইএএএফ কন্টিনেন্টাল কাপ, মেডিটেরেনিয়ান কাপ ইত্যাদি।

জ্যাভেলিন নিক্ষেপের খেলায় যাঁরা নিজেদের অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন, জান জেলেজনি (সর্বকালের শ্রেষ্ঠ জ্যাভেলিন নিক্ষেপকারী হিসেবে বিবেচিত, তিনটি গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকসে স্বর্ণপদক জয়ী, তিনবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন), স্টিভ ব্যাকলি (ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে চারটি স্বর্ণপদক, তিনটি কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপদক এবং অলিম্পিক গেমসে দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জ), কেশর্ন ওয়ালকট (পুরুষদের জ্যাভলিনে সর্বকনিষ্ঠ অলিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী), ফাতিমা হুইটব্রেড (বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে ১৯৮৭ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হন, দুটি অলিম্পিকে পদক জয়ী), বারবোরা স্পোটাকোভা (বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স ফাইনাল জয়) প্রমুখ।

ভারতীয় উপমহাদেশও বর্তমানে জ্যাভেলিন নিক্ষেপ খেলায় আন্তর্জাতিক স্তরে সম্মানের সঙ্গে নিজের স্থান করে নিয়েছে। ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া। এই সংস্থাই নানা আন্তর্জাতিক স্তরের খেলায় ভারতীয় দল নির্বাচন করে। এছাড়াও এই সংস্থা নিয়মিতভাবে ভারতীয় অ্যাথলেটদের, যাদের মধ্যে জ্যাভেলিন নিক্ষেপকারীরাও পড়ে, নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে এমনকি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপেরও আয়োজন করে থাকে। এখান থেকে বহু অ্যাথলেট অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস ছাড়াও আরও নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ভারতের হয়ে পদক জিতে আনে। ভারতীয় জ্যাভেলিন থ্রো খেলোয়াড়রাও এই ফেডারেশনের অধীনে থেকে ক্রমে আরও বেশি দক্ষ হয়ে উঠছে। ভারতীয় জ্যাভেলিন থ্রোয়ার বললেই এখন সর্বপ্রথমে যাঁর নাম আসে তিনি হলেন নীরজ চোপড়া। ২০২০ সালের অলিম্পিকে সর্বোচ্চ দূরত্বে জ্যাভেলিন নিক্ষেপ করে ভারতকে তিনি স্বর্ণপদক এনে দিয়েছেন।  এছাড়াও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নীরজ রৌপ্য পদক জিতেছিলেন। নীরজ ছাড়াও আরও যেসমস্ত ভারতীয় জ্যাভেলিন থ্রোয়ার নিজেদের কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: শিবপাল সিং (এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্যপদক বিজেতা), আন্নু রানী (২০১৪ এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী, প্রথম মহিলা যিনি দুইবছরে চারটি জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন), দবিন্দর সিং কং (বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে প্রবেশকারী প্রথম ভারতীয়), এলিজাবেথ ডেভেনপোর্ট (এশিয়ান গেমসে দুবার পদক জয়ী একমাত্র ভারতীয়) প্রমুখ।

বর্তমানে নীরজ চোপড়াদের মতো খেলোয়াড়রা জ্যাভেলিন থ্রো খেলাতে ভারতের আরও বেশি অগ্রগতির সম্ভাবনাকে সূচিত করেছেন।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading