সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু মামলার নিষ্পত্তি করা হয়েছে যেগুলি পরিণামে একেকটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্ম দিয়েছে। এস আর বোম্মাই বনাম ভারত মামলাটি (S. R. Bommai v. Union of India) তেমনই একটি আইনি লড়াই ছিল, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট এমন একটি যুগান্তকারী রায় ঘোষণা করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ রায়গুলির মধ্যে অন্যতম একটি। মূলত ভারতীয় সংবিধানের ৩৫৬ নং ধারা যা রাষ্ট্রপতিকে, রাজ্য সরকারগুলিতে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা জারি করবার ক্ষমতা প্রদান করে, সেই ধারাটিকে কেন্দ্র করেই এই মামলাটি গড়ে ওঠে। কর্ণাটক রাজ্যের এস আর বোম্মাইয়ের সরকারের ওপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারির নির্দেশ দেওয়া হলে বোম্মাই ৩৫৬ ধারার অপব্যবহারের দিকে ইঙ্গিত করে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন। হাইকোর্ট রিট পিটিশন খারিজ করে দিলে বোম্মাই সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে পৌঁছেছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া বিস্তৃত বিবরণ এবং প্রদত্ত রায় কেন্দ্র ও রাজ্যের রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
কর্নাটক রাজ্য বিধানসভায় জনতা পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় এসআর বোম্মাইয়ের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছিল। ১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জনতা পার্টি এবং লোকদল মিলে জনতা দল নামে একটি নতুন দল গড়ে ওঠে। ১৩জন সদস্যকে যুক্ত করে নবগঠিত সরকারের মন্ত্রণালয়কে সম্প্রসারিত করা হয়। তবে দুদিনের মধ্যেই জনতা দলের বিধায়ক কে আর মোলাকেরি দল থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি রাজ্যপাল পেন্দেকান্তি ভেঙ্কটাসুব্বাইয়ার কাছে একটি চিঠি পেশ করেন। সেই অভিযোগপূর্ণ চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের সমর্থনকারী আরও ১৯জন বিধায়কেরও স্বাক্ষর রয়েছে, যাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলস্বরূপ ১৯৮৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির কাছে এক প্রতিবেদন পাঠান, যাতে বলা হয় ক্ষমতাসীন জনতা দলে মতবিরোধ রয়েছে এবং কিছু দলত্যাগের ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল যে, উল্লিখিত বিধায়কদের সমর্থন প্রত্যাহারের ফলে মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাই বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি এবং এমন একটি মন্ত্রীপরিষদ যারা রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি তাদের দ্বারা রাজ্য পরিচালনা সংবিধান অনুযায়ী অনুপযুক্ত। সেই কারণে উক্ত প্রতিবেদন দ্বারা রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির কাছে ৩৫৬ (১) ধারার অধীনে রাষ্ট্রীয় শাসন জারি করবার ক্ষমতা প্রয়োগ করার সুপারিশ করেন। পরদিন রাজ্যপালের কাছে উনিশজন বিধায়কের মধ্যে সাতজন চিঠি পাঠিয়ে জানান তাঁদের স্বাক্ষরগুলি ভুল বুঝিয়ে তাঁদের থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং তাঁরা মন্ত্রণালয়কে সমর্থন করেন। মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাই এবং তাঁর আইনমন্ত্রী সেদিনই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁর মন্ত্রকের প্রতি যে বিধানসভার আস্থা আছে তা প্রমাণের জন্য নির্ধারিত অধিবেশন এগিয়ে এনে বিধানসভা তলব করার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেছিলেন। বোম্মাই রাষ্ট্রপতির কাছেও এরকম এক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেইদিনই, ২০ এপ্রিল, রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির কাছে আরও একটি রিপোর্ট পাঠান এবং বলেন মুখ্যমন্ত্রী বোম্মাই সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা হারিয়েছেন ও ৩৫৬(১) ধারার অধীনস্থ ক্ষমতা প্রয়োগের অনুরোধেরই পুনরাবৃত্তি করেন। ফলে ১৯৮৯ সালের ২১ এপ্রিল ৩৫৬ ধারার অধীনে কর্ণাটকে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয় ও বোম্মাই ও তাঁর সরকারকে বরখাস্ত করা হয়। এই ঘোষণার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ১৯৮৯ সালের ২৬ এপ্রিল বোম্মাই একটি রিট পিটিশন করেন। যদিও কর্নাটক হাইকোর্টের তিন বিচারপতির একটি বিশেষ বেঞ্চ রিট পিটিশনটি খারিজ করে দিলে বোম্মাই সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি পেশ করেছিলেন।
সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ ৩৫৬ অনুযায়ী রাজ্যপালের চিঠির ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্রপতি বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন সংবিধান মেনে কাজ করতে ব্যর্থ হওয়া ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়া ইত্যাদি) ভারতের কোনো রাজ্যের ওপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে পারেন। তখন নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে বরখাস্ত করা হয় এবং রাজ্যের প্রশাসনের দায়িত্ব সরাসরি রাজ্যের গভর্নর বা রাজ্যপাল দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। এই গভর্নরকে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন, অতএব সেই হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের একজন কর্মকর্তাও বটে। তাই বলা যায়, রাষ্ট্রপতি শাসন জারি ভারতের ফেডারেল কাঠামোটিকে একপ্রকার অস্বীকার করে, কারণ ভারতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া, অথচ রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করায় রাজ্যপালের মতো কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরাই কেবল সক্রিয় থাকেন, এক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থতার সম্ভাবনাও থেকে যায়। এছাড়াও একটি নির্বাচিত সরকারকে স্থগিত করা ভারতের জনপ্রিয় সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক মতবাদেরও বিরোধিতা করে। ফলত, ৩৫৬ ধারার অধীনে বর্ণিত রাষ্ট্রপতির এই বিশেষ ক্ষমতাটি নিয়ে বিতর্কের অবকাশ রয়েছে। ভারতীয় সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ভীমরাও আম্বেদকর ৩৫৬ অনুচ্ছেদকে অবশ্য মৃত চিঠি হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যদি কোন রাষ্ট্রপতি এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন তবে তাঁকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, কোন রাজ্য সরকারকে স্থগিত করে দেওয়ার আগে সেই প্রদেশকে সংবিধান অনুযায়ী না হওয়া কাজ বিষয়ে সতর্ক করে দিতে হবে৷ সেই সতর্কবার্তা ব্যর্থ হলে একটি নির্বাচনের আদেশ দিতে হবে, যাতে সেই প্রদেশের জনগণ নিজেরাই বিষয়গুলির নিষ্পত্তি করতে পারে। কিন্তু উক্ত বিষয়গুলিকে এড়িয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার বারংবার এই ৩৫৬ ধারাটিকে প্রয়োগ করেছে। মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ ইত্যাদি বহু রাজ্যের সরকারকে বরখাস্ত করে রাষ্ট্রপতি বিধানসভা ভেঙে দিয়েছিলেন।
৩৫৬ ধারার এই অপপ্রয়োগের দিকেই অঙ্গুলিনির্দেশ করে এস আর বোম্মাই মামলাটি করেছিলেন। এস আর বোম্মাই তাঁর পিটিশনে মামলার স্বপক্ষে কিছু যুক্তি দিয়েছিলেন। পিটিশনে বলা হয়, বোম্মাইকে তাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।
পিটিশনে জানানো হয় যে, রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আদেশটি একটি বিদ্বেষপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিল৷ অস্থিরতা, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা কখনই রাষ্ট্রপতি শাসন জারির জোরদার কোনো ভিত্তি হতে পারে না, ফলত এটি অবৈধ।
বোম্মাই পিটিশনে জানান, যার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় প্রশাসন সেইসব উপাদান ও তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকার করে অথচ তা প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
এই যুক্তির উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পাল্টা যুক্তি দেওয়া হয়েছিল যে, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭৪(১) অনুযায়ী মন্ত্রীসভার মতামত ও পরামর্শ অনুসারে রাষ্ট্রপতি ৩৫৬ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং ৭৪ (২) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে কী পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল সেই বিষয়ে তদন্ত নিষিদ্ধ।
অতএব যে আইনি প্রশ্নগুলি এই মামলা দ্বারা উত্থাপিত হয়েছিল, সেগুলি হল: ৩৫৬ ধারার অধীনে রাষ্ট্রপতির ঘোষণাটি আদতেই ন্যায়সঙ্গত ছিল কিনা, ৩৫৬ (১) অধীনে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করবার জন্য রাষ্ট্রপতির নিরবচ্ছিন্ন ক্ষমতা রয়েছে কিনা, রাষ্ট্রপতির এই ঘোষণার বৈধতা ৩৫৬ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের উভয় কক্ষ দ্বারা অনুমোদিত হওয়ার পরেও তা চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে কিনা, উভয় কক্ষের অনুমোদন না নিয়ে রাষ্ট্রপতি আইনসভা ভেঙে দিতে পারেন কিনা ইত্যাদি।
সুপ্রিম কোর্টে যে নয়জন বিচারপতির আওতায় এই মামলাটি নিষ্পত্তির ভার ছিল, তাঁরা হলেন: কুলদীপ সিং, পিবি সাওয়ান্ত , কাতিকিথালা রামাস্বামী, এসসি আগরওয়াল, যোগেশ্বর দয়াল, বিপি জীবন রেড্ডি, এসআর পান্ডিয়ান, এএম আহমাদি এবং জেএস ভার্মা। এই নয়জন বিচারপতির বেঞ্চ ১৯৯৪ সালের ১১ মার্চ এই এস আর বোম্মাই বনাম ভারত মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছিল। এই রায় বর্ণনার মধ্য দিয়েই ৩৫৬ ধারার আরও গভীর পরিচয় পাওয়া যাবে।
প্রথমত সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, কোন রাজ্য সরকারকে বরখাস্ত করবার ব্যাপারে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিরঙ্কুশ নয়। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে ৩৫৬(১)-এর অধীনে জারি করা রাষ্ট্রপতির ঘোষণা কার্যকর করবার পূর্বে বিচারিক পর্যালোচনা করা যায়। সেই পর্যালোচনায় তিনটি বিষয় মূলত দেখা হবে, রাষ্ট্রপতি কী ধরনের উপাদানের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি শাসনের ঘোষণা করেছেন। এই প্রসঙ্গে আদালত জানিয়েছিল ৭৪(২) ধারা অনুযায়ী মন্ত্রী পরিষদের প্রদত্ত পরামর্শ বিষয়ে তদন্ত করা না গেলেও, কোন উপাদানের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি রাজ্য সরকারকে বরখাস্ত করার ঘোষণা করেছেন তা নিয়ে আদালত প্রশ্ন ও তদন্ত করতে পারবে। দ্বিতীয়ত বিচারিক পর্যালোচনায় দেখা হবে সেই উপাদান রাষ্ট্রপতির ঘোষণার জন্য আদৌ প্রাসঙ্গিক কিনা এবং তৃতীয়ত রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।
আদালত আরও জানায় যে, অনুচ্ছেদ ৩৫৬(৩) অনুযায়ী সংসদের উভয় কক্ষ কর্তৃক রাষ্ট্রপতির ঘোষণাটি অনুমোদিত না হলে রাষ্ট্রপতি বিধানসভা ভেঙে দিতে পারেন না। এটি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার আরও একটি নমুনা। ৩৫৬(১)(সি)-এর অধীনে রাষ্ট্রপতিকে কেবল বিধানসভার কাজকর্ম স্থগিত করবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, কিন্তু সংসদের উভয় কক্ষের অনুমোদন ছাড়া বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কোনো অধিকার রাষ্ট্রপতির নেই। আরও বলা হয় যে, যদি দুমাসের মধ্যে উভয় কক্ষের অনুমোদন পাওয়া না যায় তবে বরখাস্ত হওয়া সরকারটি পুনরুজ্জীবিত হবে। সেক্ষেত্রে স্থগিত বিধানসভাও পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠবে।
তবে আদালত জানায় যে, সংসদের উভয় কক্ষ দ্বারা রাষ্ট্রপতির ঘোষণা বৈধতা লাভ করলেও তাকে চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালত বিধানসভার নতুন নির্বাচনের আয়োজন রোধ করে দিতে পারবে।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল ধর্মনিরপেক্ষতা সংবিধানের অন্যতম একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। সংবিধান ধর্ম ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার মিশ্রণের সম্মতি দেয় না। সাংবিধানিক আদেশ হল, ধর্ম ও রাজনীতিকে মিশ্রিত করা যাবে না। তবে কোনো রাজ্য সরকার যদি সংবিধান লঙ্ঘন করে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মান্যতা না দিয়ে সাম্প্রদায়িক নীতি ও কর্মকাণ্ড শুরু করে পরিস্থিতি অস্থির করে তোলে তবে সেক্ষেত্রে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা যেতে পারে।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল যেহেতু ভারতে একটি ফেডারেল কাঠামো প্রচলিত এবং যদিও এটি কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রভূত ক্ষমতা দেয় তবুও রাজ্য সরকারগুলিকে পর্যাপ্ত শাসন ক্ষমতা প্রদান করা উচিত এবং তাদের সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়৷ সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টত এও জানিয়ে দিয়েছিল যে, ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করবার পূর্বে রাষ্ট্রপতির উচিত সেই রাজ্য সরকারকে প্রথমে সতর্ক করে দেওয়া। তারপরেও দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলে তারপর রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কথা ভাবা যেতে পারে।
অবশেষে সুপ্রিম কোর্ট কর্ণাটকে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি শাসনকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করে এবং বোম্মাইয়ের সরকারকে পুনঃস্থাপন করে।
কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেমন এস আর বোম্মাই বনাম ভারত মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তেমনি ৩৫৬ ধারার অধীনে বর্ণিত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার অপপ্রয়োগ রোধ করার ক্ষেত্রেও জরুরি ভূমিকা পালন করেছিল।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


Leave a Reply to আজকের দিনে | ২১ এপ্রিল | সববাংলায়Cancel reply