আজকের দিনে

৭ এপ্রিল।। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস

প্রতিবছর প্রতিমাসের নির্দিষ্ট কিছু দিনে বিভিন্ন দেশেই কিছু দিবস পালিত হয় ।ওই নির্দিষ্ট দিনে অতীতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করা বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করতে এসমস্ত দিবস পালিত হয়। বিশ্বে পালনীয় সেই সমস্ত দিবস গুলির মধ্যে একটি হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস (World Health Day)।

৭ এপ্রিল সারা বিশ্ব জুড়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়।

১৯৫০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রূপরেখা তৈরির জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন কমিশন গঠন করা হয় । এই কমিশনের সুপারিশে ১৯৪৮ সালে গঠন করা হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা । তার দুই বছর পর ১৯৫০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জন্মদিনটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালন করা চালু হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানুষের সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং জীবন রক্ষার শপথে পরিচালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান লক্ষ্যই হলো সার্বজনীন স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তি। সকলেই যাতে এই অন্তর্ভুক্তির মধ্যে আসতে পারে তার জন্য কয়েকটি বিষয় সুনিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেকে তাদের প্রয়োজন বা অসুস্থতার সময় যেন যত্ন পায়, কাছাকাছি যেন চিকিৎসার সুযোগ পায়, সেই সবই এই সংস্থার লক্ষ্য। সার্বজনীন স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তির মধ্যে পড়ে স্বাস্থ্যের উন্নয়ন থেকে প্রতিরোধ ,চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং উপশমকারী যত্ন-সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় ও গুণগত স্বাস্থ্যপরিসেবা।

বিশ্বব্যাপী মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় প্রতিবছর স্বাস্থ্য দিবসের মূল বার্তা পরিবর্তন করা হয়, যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসটিতে ২০১৯ সালের  থিম ছিল “সর্বজনীন স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তি’। এভাবে  ১৯৫০ সাল থেকে প্রতিবছর থিমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেওয়া হয়। ১৯৯৮ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫০ তম জন্ম শতবার্ষিকীতে “নিরাপদ মাতৃত্ব’ এর বার্তা দেয়া হয়েছিল। ১৯৫০ সালে প্রথম স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল “নিজের স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কে সচেতন হোন’। এভাবেই প্রতি বছর সারা বিশ্বে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। এই দিবস উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি  সংস্থাগুলি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানান কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে শিশুদের ৬টি রোগ হাম, টিটেনাস, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, পোলিও ও যক্ষ্মা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশুদ্ধ পানীয় জল, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতিকরণ প্রভৃতি কর্মসূচি পালন করা হয়। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বার্তা নিয়ে প্রতিবছর দিনটি পালিত হয়।

স্বরচিত রচনা পাঠ প্রতিযোগিতা, আপনার রচনা পড়ুন আপনার মতো করে।

ভিডিও

বিশদে জানতে ছবিতে ক্লিক করুন। আমাদের সাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন। ইমেল – contact@sobbanglay.com

 


Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।