সববাংলায়

গোপাল গণেশ আগরকার

ভারতের এক বিস্মৃতপ্রায় সমাজসেবী এবং শিক্ষাবিদ গোপাল গণেশ আগরকার (Gopal Ganesh Agarkar)। ইতিহাসখ্যাত বাল গঙ্গাধর তিলকের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন তিনি এবং তিলকের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বিখ্যাত ‘কেশরী’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন গোপাল। পরে অবশ্য তিলকের সঙ্গে মতভেদের কারণে দূরত্ব তৈরি হয় এবং তিনি নিজে ‘সুধারক’ নামের একটি সাময়িকী চালু করেন। সেই কাগজে গোপাল গণেশ আগরকার অস্পৃশ্যতা ও বর্ণ প্রথার তীব্র প্রতিবাদ করতেন নিয়মিত। বিধবা বিবাহকেও সমর্থন করেছিলেন তিনি। তিলক, মহাদেব বল্লাল সহ প্রখ্যাত সব ব্যক্তিদের সঙ্গে ডেকান এডুকেশন সোসাইটি, ফার্গুসন কলেজের মতো একাধিক নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল গণেশ। ইউরোপের আলোকিত যুগ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তিনি। মিল, স্পেন্সারদের প্রভাব তাঁকে বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদের প্রবক্তা করে তুলেছিল। নারীমুক্তি, কুসংস্কারের বিরোধিতা, জাতিগত বৈষম্য দূরীকরণের জন্য নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। একজন প্রকৃত আধুনিক উদারপন্থী মানুষ ছিলেন গোপাল। অচল গতানুগতিকতাকে ঘৃণা করতেন তিনি এবং পশ্চিমি বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন ভীষণভাবে। তিনি শেক্সপীয়ারের নাটক যেমন তিনি নিজে অনুবাদ করেছেন, তেমনি তাঁর লেখা কয়েকটি মৌলিক গ্রন্থও ঐতিহাসিক দিক থেকেও যথেষ্ট মূল্যবান।

১৮৫৬ সালের ১৪ জুলাই মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার করদ তালুকের টেম্বু গ্রামে এক দরিদ্র চিৎপাবন ব্রাহ্মণ পরিবারে গোপাল গণেশ আগরকারের জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন গণেশরাও আগরকার এবং তাঁর মায়ের নাম ছিল সরস্বতী আগরকার । গোপালের বিশিষ্ট বন্ধু ছিলেন নীলকান্ত তিদক।

করদেরই এক ইংরেজি মাধ্যম স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষালাভ শুরু হয়েছিল গোপাল গণেশের। ছোটবেলা থেকেই তিনি পড়াশোনায় যেমন উৎসাহী ও মনোযোগী ছিলেন, তেমনি নানারকম দুষ্টুমিতেও কম যেতেন না তিনি। তবে সেসময় তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতই খারাপ হয়ে পড়েছিল যে অর্থের অভাবে তাঁর পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। কিন্তু গোপাল আন্তরিকভাবে চাইতেন লেখাপড়া চালিয়ে যেতে। ফলে পড়াশোনার জন্য অর্থের সংস্থান করবার উদ্দেশ্যেই করদের এক আদালতে মুন্সেফের দরবারে কেরানির চাকরি নিয়েছিলেন তিনি। সেই মুন্সেফও তাঁর পড়াশোনা করার ইচ্ছে দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। এর মধ্যে গোপাল জানতে পারেন রত্নাগিরিতে তাঁর এক অবস্থাপন্ন আত্মীয় থাকেন। তার কাছে গেলে লেখাপড়ার সুবিধা হতে পারে। একথা মুন্সেফকে বলাতে তিনি অখুশি হননি বরং খুবই আপ্লুত হন এবং তাঁকে পথ খরচ বাবদ ৭৫ টাকাও দিয়েছিলেন। উৎসাহী গোপাল প্রায় ৩০০ মাইল পথ পায়ে হেঁটে রত্নাগিরি পৌঁছলেন অনেক আশা নিয়ে, কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই হঠাৎ সেই আত্মীয়ের মৃত্যু হয়। আত্মীয়ের পরিবারের লোকজন তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল, কিন্তু তারা তেমন কোনও সাহায্য করতে পারেনি তাঁকে। এরপর স্কুলে ভর্তি হন তিনি। সেই সময় লোকের বাড়িতে সামান্য কাজ করে পড়াশোনার খরচ বহন করতেন গোপাল গণেশ আগরকার। ছোটখাটো অসুবিধার মধ্যে পড়তে হলেও কখনও আত্মসম্মান ত্যাগ করেননি তিনি৷ একদিন স্কুলে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় শিক্ষক তাঁকে তিরস্কার করে বলেন যে তাঁর দ্বারা কিছু হবে না। গোপাল চুপ না থেকে উত্তর দিয়েছিলেন সেই শিক্ষকের মতোই একদিন এম.এ পাশ না করতে পারলে নিজের নাম পরিবর্তন করে দেবেন।

তাঁর মেধা, উদারতা এবং সাহসের জন্য শিক্ষকরাও পছন্দ করতেন তাঁকে। তিনি কম্পাউন্ডারের কাজও করেছিলেন সেসময়। উপার্জিত অর্থ দিয়ে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েন গোপাল গণেশ এবং চাকরিতে বিরক্ত হয়ে ফিরে আসেন করদে৷ সেসময় তিনি জানতে পারেন তাঁর এক মামার বদলি হয়ে গেছে আকোলাতে। আগরকার সেই মামার সঙ্গ নেন। মামা ছিলেন অকৃতদার ফলে, মামার রান্না করে দিতেন গোপাল এবং স্কুলে পড়াশোনা করতেন৷ এইভাবে নানা প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ১৯ বছর বয়সে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন তিনি। এরপর আরও উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য পুনে চলে আসেন গোপাল, সঙ্গে ছিল ষাট টাকা। পুনের ডেকান কলেজে ভর্তি হওয়ার আশা নিয়ে এসেছিলেন তিনি। অর্থ রোজগারের জন্য আকোলার এক সংবাদপত্রে মাসিক পাঁচ টাকা বেতনে সংবাদপ্রেরক হিসেবে কাজও করেছিলেন। গোপাল গণেশ আগরকার বিভিন্ন বক্তৃতা ও প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করতেন। এমনই দুটি প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে ৯০ টাকা পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। এভাবেই ডেকান কলেজের খরচ চালিয়েছিলেন গোপাল৷ অনেক কষ্টে ১৮৭৮ সালে তিনি তাঁর বি.এ ডিগ্রি অর্জনে সফল হন। এখানে উল্লেখ্য বি.এ পড়াকালীন যশোদা (Yashoda) নাম্নী এক নারীর সঙ্গে গোপাল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। বি.এ-এর পর এম.এ-র জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন বটে, কিন্তু অর্থসঙ্কট যায়নি তখনও। সেসময় পুণেতে বহু নাট্যদলের উদ্ভব ঘটেছিল। তিনি এরকমই কিছু নাট্যদলের জন্য নাটক রচনাও করেছিলেন অর্থ উপার্জনের জন্য। অবশেষে ১৮৮০ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন গোপাল গণেশ আগরকার।

কলেজে পড়াকালীনই গোপাল হার্বার্ট স্পেন্সার ও জন স্টুয়ার্ট মিলের লেখালেখি নিবিড় মনোযোগের সহিত অধ্যয়ন করেন এবং তাঁদের চিন্তাভাবনার প্রতি প্রবলভাবে আকৃষ্ট হন। যখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনই বিষ্ণুশাস্ত্রী চিপলুঙ্কর এবং লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয় এবং তাঁদের সঙ্গে একজোটে কাজ করতে শুরু করেন। তিলক এবং বিষ্ণুশাস্ত্রী দুজনেই তখন পুণেতে জাতীয়তাবাদী আদর্শ প্রচার করছিলেন। শিক্ষাবিস্তার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই তিনজন মিলে ১৮৮০ সালে পুণেতে নিউ ইংলিশ স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার পরের বছর অর্থাৎ ১৮৮১ সালে তিলক ‘কেশরী’ নামক এক মারাঠী ভাষার পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং সেই কাগজের প্রথম সম্পাদক হয়েছিলেন গোপাল গণেশ আগরকার। একইসময়ে ‘মারাঠা’ নামে একটি ইংরেজি পত্রিকাও শুরু করেছিলেন তাঁরা। নব্য প্রতিষ্ঠিত নিউ ইংলিশ স্কুলে পড়াতেন গোপাল গণেশ। পাশাপাশি দক্ষ হাতে চালিয়ে যাচ্ছিলেন ‘কেশরী’ পত্রিকার সম্পাদনা। তাঁর অসামান্য মেধা এবং সম্পাদনার গুণে অল্প সময়ের মধ্যেই ‘কেশরী’ অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাগজ হয়ে উঠেছিল। তিলক ও বিষ্ণুশাস্ত্রী  ছাড়াও মহাদেব বল্লাল নামজোশী, ভি এস আপ্তে, ভি বি কেলকার, এম এস গোলে এবং এন কে ধারাপের সঙ্গে ১৮৮৫ সালে ফার্গুসন কলেজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাজ করেছিলেন গোপাল গণেশ আগরকার। ১৮৯২ সালে এই কলেজের দ্বিতীয় অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন আমৃত্যু। ফার্গুসন কলেজের প্রতিষ্ঠার আগে ১৮৮৪ সালে ‘দ্য ডেকান এডুকেশন সোসাইটির’ পত্তনের পিছনেও তিলকদের সহযোগী হিসেবে গোপাল গণেশের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

‘কেশরী’তে প্রায় নিয়মিত লিখতেন গোপাল গণেশ। তাঁর অধিকাংশ লেখাই ছিল মূলত সামাজিক সমস্যামূলক। দিন দিন কেশরীর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এর মধ্যে কোলাপুরের রাজা চতুর্থ শিবাজীকে মানসিক ভারসাম্যহীনের তকমা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করবার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল ব্রিটিশ সরকার, কেশরীতে তার নিন্দা করা হয়েছিল। ফলত তাঁদের নামে মানহানির মামলা করা হয়৷ সেই মামলায় পরাজিত হয়ে ১৮৮২ সালে তিলক ও আগরকারকে জেলে যেতে হয়। ১০১ দিনের এই জেল জীবনের অভিজ্ঞতা গোপাল লিখেছিলেন তাঁর ‘ডোংরিচ্যা তুরুঙ্গাতিল আমচে ১০১ দিওয়াস’ (Our 101 Days in the Dongri Jail) বইতে। একটি পাহাড়ি জেলে তাঁদের রাখা হয়। কারাবাসকালে শেক্সপীয়ারের ‘হ্যামলেট’ মারাঠি ভাষায় ‘ভিকারভিলাসিত’ নাম দিয়ে অনুবাদ করেছিলেন তিনি।

যদিও তিনি মূলত একজন সমাজতাত্ত্বিক চিন্তাবিদ ছিলেন, কিন্তু তিলকের সংস্পর্শে থাকার ফলে উন্মত্ত রাজনৈতিক চিন্তাকে এড়িয়ে যেতে পারেননি তিনি। রাজনৈতিক অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা সম্পর্কে তাঁর সচেতনতা ‘কেশরী’তে প্রকাশিত তাঁর লেখাগুলি থেকেই বুঝতে পারা যেত৷ যতদিন ‘কেশরী’তে ছিলেন, ততদিন মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে গোপাল গণেশের অবদান কম ছিল না। তবে অল্পদিনের মধ্যেই ‘কেশরী’ এবং ‘মারাঠা’ পত্রিকার সঙ্গে তাঁর মতাদর্শগত এক বিরোধ দেখা দিল৷ তিলক যখন সামাজিক সমস্যাগুলোর তুলনায় রাজনৈতিক দাবিগুলিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেন, গোপাল গণেশের তাতে ঠিক আন্তরিক সমর্থন ছিল না। তিলক সামাজিক সংস্কারের চিন্তাকে সরিয়ে তাঁর পুনরুজ্জীবনবাদী জাতীয়তাবাদকে আরও এগিয়ে দেওয়ার জন্য ‘কেশরী’কে সেইমত নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা করলে গোপাল গণেশ ‘কেশরী’ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। এরপর ১৮৮৮ সালে তিনি নিজস্ব একটি সংবাদপত্র ‘সুধারক’-এর সূচনা করেন।

গোপাল গণেশ তাঁর ‘সুধারক’ পত্রিকায় নিয়মিতভাবে লিখতেন। অস্পৃশ্যতা, বাল্যবিবাহ, জাতিভেদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাগুলিকে তুলে ধরতেন এবং সেগুলির নিন্দা ও প্রতিবাদও করতেন তিনি লেখার মাধ্যমে। যেহেতু ইউরোপীয় নবজাগরণ দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন তিনি এবং স্পেন্সার, স্টুয়ার্ট মিলের চিন্তাধারা তাঁকে আকৃষ্ট করত সেহেতু এক উদারপন্থী ও যুক্তিবাদী মানুষ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পুরাতন ঐতিহ্য ও অতীতের অন্ধ আনুগত্যকে ঘৃণা করতেন গোপাল গণেশ। সুধারকের প্রবন্ধগুলিতে ছিল সামাজিক জীবনের নানা দিকের গভীর পর্যবেক্ষণ ও চিন্তাভাবনা। মহিলাদের পোশাক, বিধবাদের চুলকাটা, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ইত্যাদি বিভিন্ন সামাজিক সংকীর্ণতা দ্বারা জর্জরিত বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছিলেন আগরকার। তাঁর সামাজিক চিন্তাধারা যুক্তিবাদ, ব্যক্তিবাদ, সাম্য এবং মানবতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। তাঁর কাগজে ধর্মতত্ত্ব, ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় যেমন দেবতার উৎপত্তি, মূর্তিপূজা, আত্মার পরকাল ইত্যাদিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন একটি ন্যায়পরায়ণ ও সৎ সমাজ গঠনের জন্য ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই। পুনর্জন্মেও বিশ্বাস করতেন না তিনি। ঈশ্বর ও ধর্ম সম্পর্কে তাঁর চিন্তাভাবনা আর জি ভাণ্ডারকর এবং বিচারপতি রানাডের মতো যুক্তিবাদী মানুষদের কাছেও অপ্রীতিকর মনে হয়েছিল। এইধরনের নিবন্ধগুলির জন্য মাঝেমধ্যে মৃত্যুর হুমকিও পেতে হয়েছে তাঁকে। কয়েকটি প্রবন্ধে আগরকার সামাজিক সংস্কার এবং আইনের মধ্যে কী সম্পর্ক হওয়া উচিত সেটা নিয়েও নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন। নারীদের শিক্ষা-সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সব মতামত প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি বিধবাদের পুনর্বিবাহকে সমর্থন জানিয়ে তিনি তাঁর উদারমনস্কতার পরিচয়ও দিয়েছিলেন।

কেবলমাত্র শিক্ষাবিদ এবং সমাজসংস্কারক বললেই গোপাল গণেশ আগরকারের পরিচয় ফুরিয়ে যায় না। মারাঠি সাহিত্যের জগতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তাঁর সাহিত্য প্রবন্ধ ‘কবি, কাব্য, কাব্যরতি’ এবং ‘শেক্সপীয়ার, ভবভূতি অ্যান্ড কালিদাস’ আজও সাহিত্য সমালোচকদের দ্বারা প্রশংসিত হয়। এছাড়াও হ্যামলেটের অনুবাদ আর জেল-জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা বই ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য একটি গ্রন্থ হল ‘বাক্য-মীমাংসা আনি বাক্যছে প্রথাকরণ’। তাঁর প্রকাশিত প্রবন্ধ সংকলন হল ‘কেশরিতিল নিবাদক নিবন্ধ’ এবং ‘সুধারকাতিল ভেচক লেখ’। ‘ফুটকে নসিব’ নামে একটি আত্মজীবনীও লিখেছিলেন তিনি।

১৮৯৫ সালের ১৭ জুন ৩৮ বছর বয়সে পুনেতে হাঁপানিজনিত কারণে গোপাল গণেশ আগরকারের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading