চীনা সাহিত্য ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন যেসব চৈনিক সাহিত্যিক তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন লু সুন (Lu Xun)। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী এই লেখক সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় স্বচ্ছন্দে বিচরন করতেন। ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, সমালোচনা, অনুবাদ ছাড়াও তিনি রচনা করেছিলেন আত্মজীবনীও। সাহিত্যে সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদের কথা উঠলে লু সুনকে স্মরণ করতেই হয়। প্রাচীন মূল্যবোধ এবং দমনমূলক সামাজিক রীতিনীতির বিরোধিতা করেছিলেন তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে। মে ফোর্থ আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন লেখক ছিলেন লু সুন। কেবল সাহিত্যসৃষ্টি নয়, সম্পাদনার কাজও করেছিলেন তিনি৷ স্থানীয় এবং ধ্রুপদী চীনা ভাষায় সাহিত্য রচনা করেন লু সুন। চীনের রিপাবলিকান যুগে বামপন্থী লেখক লীগের প্রধান ছিলেন তিনি যদিও কখনই চীনের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেননি তিনি। লু সুনের সাহিত্য চীনের কিংবদন্তি বৈপ্লবিক নেতা মাও সে তুং খুবই পছন্দ করতেন।
১৮৮১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর চীনের ঝেঝিয়াং প্রদেশের শাওক্সিং-এ একটি সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত পরিবারে লু সুনের জন্ম হয়। তাঁর পিতামহ কিং সাম্রাজ্যের একজন সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন। জন্মের পর লু সুনের নাম রাখা হয়েছিল ঝো ঝাংশো (Zhōu Zhāngshòu)। পরে এই নামের পরিবর্তে তাঁর নাম হয় ঝো শুরেন (Zhou Shuren)। লু সুন তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ‘ডায়েরি অব আা ম্যাডম্যান’ গল্পে এই নাম প্রথম প্রকাশিত হয়।
লু সুনের পিতা হলেন ঝো বোয়ি (Zhou Boyi) এবং তাঁর মায়ের নাম লু রুই (Lu Rui)। লু সুনকে এক পারবারিক বয়স্ক ভৃত্য আহ চ্যাং লালন-পালন করতেন, লু তাঁকে চ্যাং মা বলে ডাকতেন।
লু সুনের পিতামহ, যিনি রাজকর্মচারী ছিলেন, ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হলে লু সুনদের পরিবারের সম্মান হ্রাস পেয়ে যায়। আত্মীয়স্বজনের থেকে প্রচুর অপমানও সহ্য করতে হয়েছিল তাঁদের। তেরো বছর বয়সে লু সুন মায়ের সঙ্গে শাওক্সিংয়ের কাছে এক গ্রামাঞ্চলে গিয়েছিলেন। সেখানে দেখা দরিদ্র কৃষকদের নিপীড়ন ও দুর্দশার চিত্র পরবর্তীকালে লু সুনের সাহিত্যে স্থান পেয়েছিল। লু সুনের বাবা ঝো বোয়ি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। মূলত প্রচন্ড মদ্যপানের কারণে এই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগেছিলেন তিনি। লু সুনের যখন ষোলো বছর বয়স, তখন তাঁর পিতার মৃত্যু হয়েছিল। এই মৃত্যুর ফলে তাঁদের পরিবার আর্থিকভাবে প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছিল। যখন চিকিৎসার অভাবে বাবাকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন তখন লু সুন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন চিকিৎসক হয়ে তিনি পশ্চিমা চিকিৎসা পদ্ধতি রপ্ত করবেন।
কনফুসিয়ান ধ্রুপদী সাহিত্যের ওপর ভিত্তি করে লু সুনের প্রাথমিক শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। যে ভৃত্যের কাছে তিনি থাকতেন, সেই আহ চ্যাং তাঁকে লোককাহিনি, স্থানীয় অপেরা, পৌরাণিক গল্প, ভূতের গল্প ইত্যাদি শোনাতেন। শৈশবে লু সুনের অন্যতম প্রিয় বই ছিল ‘ক্লাসিক অব মাউন্টেন এন্ড সিস’।
১৮৯৮ সালে লু সুন অধ্যয়নের জন্য জিয়াংনান নেভাল একাডেমিতে প্রবেশ করেন। সেখানে টিউশনের জন্য কোনোরকম অর্থ লাগত না। এখানে উল্লেখ্য, তিনি হ্যাংজুতে ‘সিকিং অ্যাফিরমেশন একাডেমি’ নামক একটি নামকরা স্কুলে পড়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন কিন্তু আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে তা পারেননি। জিয়াংনান নেভাল একাডেমিতে শিক্ষার মান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না লু সুন। সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়বার পর সিভিল সার্ভিসের সর্বনিম্ন স্তরের পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে সর্বোচ্চ স্তরের পরীক্ষায় বসতে চেয়েছিলেন তিনি কিন্তু সেসময় তাঁর ছোটভাইদের মধ্যে একজন মারা গেলে তিনি সেই পরিকল্পনা ত্যাগ করেন।
এরপর অন্য একটি সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত বিদ্যালয় ‘স্কুল অফ মাইনস অ্যান্ড রেলওয়ে’তে প্রবেশ করেন এবং ১৯০২ সালে সেখান থেকে স্নাতক হন। এই বিদ্যালয়তেই বিদেশি সাহিত্য, দর্শন, ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচয় হয়েছিল তাঁর। জন স্টুয়ার্ট মিল, ইয়ান ফু, টিএইচ হাক্সলি প্রমুখ লেখকদের সাহিত্য পাঠ করেন তিনি। সেই স্কুলে কখনও কখনও বর্ণবিদ্বেষের শিকারও হয়েছিলেন তিনি।
সেখান থেকে স্নাতক হওয়ার পর লু সুন বিদেশি চিকিৎসা পদ্ধতি অধ্যয়নের জন্য কিং সরকারের বৃত্তি নিয়ে জাপানে চলে যান। সেখানে গিয়ে প্রথমেই চীনাদের প্রস্তুতিমূলক ভাষাশিক্ষার স্কুল কোবুন ইন্সটিটিউটে যোগদান করেন। তখন অবসর সময়ে তিনি জুজুৎসুও অনুশীলন করতেন। এই স্কুলে পড়াকালীন ধ্রুপদী চৈনিক ভাষায় প্রবন্ধ রচনা যেমন শুরু করেছিলেন, তেমনই জুল ভার্নের লেখা ‘ফ্রম দ্য আর্থ টু দ্য মুন’ এবং ‘টোয়েন্টি থাউজেন্ড লিগস আন্ডার দ্য আন্ডার দ্য সী’-সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বিদেশি উপন্যাসের চীনা ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ করেন।
১৯০৪ সালে লু সুন জাপানের উত্তর হোনশুতে সেন্ডাই মেডিকেল একাডেমিতে পড়াশুনা শুরু করেন৷ কিন্তু দু’বছরেরও কম সময় সেখানে অধ্যয়ন করেছিলেন। আসলে এই প্রতিষ্ঠানের পড়াশুনা খুবই ক্লান্তিকর এবং কঠিন ছিল তাঁর কাছে। সেই সময় অধ্যাপক ফুজিনো গেনকুরোর সঙ্গে খুব বন্ধুত্ব হয়। এই ফুজিনোকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পরবর্তীকালে ‘মিস্টার ফুজিনো’ নামে একটি প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন তিনি৷ ১৯০৪ সাল নাগাদ রিভাইড চায়না সোসাইটিতে (গুয়াংফুহুই) যোগদান করেন এবং কিং রাজবংশকে উৎখাত করার আন্দোলনে মাতেন জাপানের অন্যান্য চীনা ছাত্রের সঙ্গে।
সেই মেডিকেল কলেজে পড়বার সময় রুশো-জাপানি যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। তখন ক্লাসের পর তাঁদের যুদ্ধের নানা স্লাইড দেখানো হত। একদিন এক স্লাইডে তিনি দেখেন, রাশিয়ানদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধে এক জাপানি সৈন্য একজন চীনা ব্যক্তির শিরশ্ছেদ করে এবং চারদিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় এই ঘটনায় সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত এবং উদাসীন একদল চীনাকে। লু সুন তাঁর প্রথম ছোটগল্প সংকলন ‘নাহান’-এর ভূমিকায় জানান এই ঘটনাই তাঁকে চিকিৎসাবিদ্যার অধ্যয়ন ছাড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং আধ্যাত্মিকভাবে অন্ধ চৈনিকদের চিকিৎসার জন্য একজন সাহিত্যিক হওয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছিল।
১৯০৬ সালে মেডিকেল কলেজ ছেড়ে দেন লু সুন। নীটশে পড়তে শুরু করেন এবং তাঁর দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হন। ১৯০৩ সালে লু সুন বিবাহ করেছিলেন ঝু আন নামের একটি মেয়েকে। যদিও তাঁদের মধ্যে রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল না কখনও। ১৯০৬ সালে একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করতে চেয়েও প্রাথমিকভাবে ব্যর্থ হয়েছিলেন তিনি। ১৯০৭ সালে রাশিয়ান শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন। ১৯০৯ সালে ভাইয়ের সঙ্গে মিলিতভাবে করা পাশ্চাত্যের বিখ্যাত লেখকদের রচনার অনুবাদ ‘টেলস ফ্রম অ্যাব্রড’ প্রকাশ করেন তিনি যদিও তা সাফল্য পায়নি। সেই বছর গ্রীষ্মে চীনে ফিরে আসেন এবং ঝেঝিয়াং নরমাল স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর শাওক্সিং মিডল স্কুলের ডিন ও পরে অধ্যক্ষ হয়েছিলেন। জাপানে অধ্যয়নরত তাঁর ভাই জুওরেনকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতেন তিনি তখন। সেই সময় চীনদেশের ধ্রুপদী সাহিত্য মন দিয়ে পড়েন, পুরোনো বই সংগ্রহ করেন, প্রাক-আধুনিক চীনা সাহিত্য নিয়ে গবেষণামূলক পড়াশোনা করেন এবং তাঁর জন্মভূমি শাওক্সিং-এর ইতিহাস সংকলনের কাজ করতে থাকেন।
১৯১১ সালে কিং রাজবংশের পতনের পর চীনা ভাষায় ‘রিমেমবারিং দ্য পাস্ট’ নামে একটি প্রবন্ধ লেখেন। ১৯১১ সালেই লু সুন তাঁর প্রথম ছোটগল্প ‘নস্টালজিয়া’ রচনা করেন কিন্তু রচনাটির প্রতি হতাশ হয়ে তা ছুঁড়ে ফেলে দেন এবং তাঁর ভাই জুওরেন তা পরবর্তীকালে নিজের নামে ছাপায়। ১৯১২ সালে চীনা প্রজাতন্ত্র অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠা করলে লু সুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদস্য হয়েছিলেন। মন্ত্রকের সঙ্গে বেইজিং-এ চলে যান তিনি এবং ১৯১২ থেকে ১৯২৬ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। সামাজিক শিক্ষা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত হন ও পরে সহকারী সচিবের পদ লাভ করেন তিনি। সেখানে লাইব্রেরির সংস্কারসাধন তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।
১৯১২ থেকে ১৯১৭ সালের মধ্যে লু সুন চারুকলার বিষয়ে বিভিন্ন বক্তৃতা দেন, শাওক্সিং-এর ইতিহাসের ওপর একটি বই লেখেন এমনকি লোকগল্পের একটি সংকলন প্রস্তুত করে প্রকাশ করেন। ১৯১৭ সালে লু সুনের এক বন্ধু তাঁকে ‘নিউ ইয়ুথ’ নামে একটি র্যাডিকাল পপুলিস্ট সাহিত্য পত্রিকায় লিখতে আহ্বান জানান। ১৯১৮ সালের ২ এপ্রিল সেখানে লু সুনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্প ‘ডায়েরি অব আ ম্যাডম্যান’ প্রকাশিত। প্রাচীন চীনা ঐতিহ্য-বিরোধী এই গল্প সাহিত্যে নতুন সংস্কৃতি আন্দোলনের ভিত্তিভূমি তৈরি করে দিয়েছিল। ১৯১৭ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়ুথে লু সুন তাঁর বিখ্যাত সব গল্পগুলি লিখেছিলেন। ১৯২০ সালে লু পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়, বেইজিং নরম্যাল ইউনিভার্সিটি-সহ আরও কয়েকটি কলেজে কিছু বক্তৃতা দিয়েছিলেন। চীনের ঐতিহ্যশালী কথাসাহিত্য এবং সাহিত্যতত্ত্ব বিষয়ে আলোচিত সেইসব বক্তৃতা একত্র করে প্রকাশিত হয় ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ চাইনিজ ফিকশন’।
১৯২৫ সালে লু সুন ‘ওয়াইল্ডারনেস’ নামে একটি জার্নাল প্রতিষ্ঠা করেন। চীনা ভাষায় বিদেশি সাহিত্যের অনুবাদকে উৎসাহিত করতে গড়ে তোলেন ‘ওয়েমিং সোসাইটি’। ১৯২৬ সালে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বেইজিং থেকে জিয়ামেনে চলে যান তিনি। সেখানে জিয়ামেন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। জিয়ামেনে থাকাকালীন লু সুন তাঁর শেষ কথাসাহিত্যের সংকলন ‘ওল্ড টেলস রিটোল্ড’ লেখেন। ১৯৩৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়। তাঁর বেশিরভাগ আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘ডন ব্লসমস প্লাকড অ্যাট ডাস্ক’ নামে প্রকাশিত হয়। তাঁর একটি গদ্য কবিতার সংকলন হল ‘ওয়াইল্ড গ্রাস’।
১৯২৭ সালে গুয়াংজুতে যান এবং ঝোংশান বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা সাহিত্য বিভাগের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। এই সময় কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপিত হয় তাঁর। ১৯২৭ সালে চলে যান সাংহাইতে। ১৯২৭ সালেই লু সুনকে ‘দ্য ট্রু স্টোরি অব আহ কিউ’ নামক গল্পসংকলনটির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়ার কথা ভাবা হলেও, মনোনয়ন প্রত্যাখান করেন তিনি।
বেইজিং মহিলা কলেজের এক ছাত্রী জু গুয়াংপিংয়ের সঙ্গে লু সুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক হয়েছিল। ১৯২৯ সালে সেই গুয়াংপিং-এর গর্ভে হাইহং নামে লু সুনের একটি পুত্রসন্তান জন্মায়। সাংহাইতে এসে সাহিত্যকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি। তখন মার্কসবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হন। ১৯৩০ সালে লীগ অব লেফট-উইং রাইটার্সের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লু সুন। প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহের মধ্যেও নিয়মিত ‘দ্য অ্যানালেক্টস ফোর্টনাইটলি’ সাময়িকীতে লেখালেখি চালিয়ে গেছেন। কমিউনিস্ট পার্টি তাঁকে গ্রামীণ চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লব সম্পর্কে একটি উপন্যাস লিখতে অনুরোধ করেছিল কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখান করেন। মাও-সে-তুং তাঁর লেখা পড়তে পছন্দ করতেন।
দীর্ঘদিন ধরে যক্ষ্মা রোগে ভুগছিলেন লু সুন। অবশেষে ১৯৩৬ সালের ১৯ অক্টোবর ভোর ৫টা ১১ মিনিটে মাত্র ৫৫ বছর বয়সে এই কিংবদন্তি চীনা সাহিত্যিক লু সুনের মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুর পর মাও সে তুং তাঁকে ‘আধুনিক চীনের সন্ত’ আখ্যা দেন। চীনের সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরস্কার ‘লু সুন সাহিত্য পুরষ্কার’ তাঁর নামে দেওয়া হয়।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান