ইতিহাস

ক্লিন্ট ইস্টউড

অস্কারজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্রাভিনেতা এবং পরিচালক হিসেবেই বিশ্বখ্যাত ক্লিন্ট ইস্টউড (Clint Eastwood)। রূপোলি পর্দায় তাঁর ‘কাউবয়’ রূপ বহুকাল ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। ‘ডলারস ট্রিলজি’ ছবিটি দিয়েই তাঁর অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল। ক্রমেই একের পর এক ছবিতে তাঁর উপস্থিতি তাঁকে পৌরুষের এক সাংস্কৃতিক প্রতীক হিসেবে প্রতিভাত করে তোলে দর্শকমনে। সমগ্র অভিনয় জীবনে চারটি অ্যাকাডেমি পুরস্কার, চারটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। শুধুই অভিনয় নয়, ধীরে ধীরে পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেছেনন ইস্টউড। ১৯৯২ সালে ‘আনফরগিভেন’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালক এবং ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ক্লিন্ট ইস্টউড। তাঁর অভিনীত অন্যতম বিখ্যাত ছবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘এসকেপ ফ্রম আলকাট্রাজ’ (১৯৭৯), ‘হোয়্যার ইগলস ডেয়ার’ (১৯৬৮), ‘ইন দ্য লাইন অফ ফায়ার’ (১৯৯৩), ‘হার্টব্রেক রিজ’ (১৯৮৬), ‘পেল রাইডার’ (১৯৮৫), ‘দ্য ব্রিজেস অফ ম্যাডিসন কাউন্টি’ (১৯৯৫) ইত্যাদি। ভেনিসের চলচ্চিত্র উৎসবে ক্লিন্ট ইস্টউড গোল্ডেন লায়ন পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৭ সালে বিখ্যাত ‘লিজিয়ন অফ অনার’ সম্মানে ভূষিত করা হয় তাঁকে।

১৯৩০ সালের ৩১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে সেন্ট ফ্রান্সিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম ক্লিন্টন ইস্টউড এবং মায়ের নাম রুথ ইস্টউড। পরবর্তীকালে তাঁর বাবার মৃত্যু হলে তাঁর মা রুথ জন বেলডেন উডকে বিবাহ করেন। তাঁর বাবা ক্লিন্টন ইস্টউড পেশায় ছিলেন জর্জিয়া-প্যাসিফিক কোম্পানির ম্যানুফ্যাকচারিং এক্সিকিউটিভ। ক্লিন্ট ও তাঁর বোন জ্যঁ বড় হওয়ার পরে তাঁদের মা রুথও আইবিএম সংস্থায় একটি কেরানির কাজে যোগ দিয়েছিলেন। হাসপাতালে যখন ক্লিন্টের জন্ম হয়েছিল, তাঁর ওজন ছিল ১১ পাউণ্ড ৬ আউন্স অর্থাৎ ৫ কেজি ২০০ গ্রাম যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। এই কারণেই হাসপাতালের সেবিকারা শক্তিদেবতার নামের অনুকরণে ক্লিন্টের নাম রেখেছিলেন ‘স্যামসন’। ক্লিন্টের ছোট বোনের নাম জ্যঁ বার্নহার্ড। তাঁর পূর্বপুরুষ উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড একদিন মে-ফ্লাওয়ার নামে একটি জাহাজে চড়ে এসে উঠেছিলেন উত্তর আমেরিকায়, সেই উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ডের বারো পুরুষ পর জন্ম হয় ক্লিন্ট ইস্টউডের। ১৯৩০ সাল নাগাদ ক্লিন্টের বাবার চাকরির বদলি হওয়ায় তাঁরা স্থান পরিবর্তন করে স্যাক্রামেন্তোতে এসে ওঠেন, পরে ক্যালফোর্নিয়ার পিডমন্টে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেন।

পিডমন্ট মিডল স্কুলে ক্লিন্টের প্রাথমিক পড়াশোনা শুরু হয়। কিন্তু প্রথাগত পড়াশোনায় একেবারেই মন ছিল না তাঁর, ফলে খারাপ ফলাফলের জন্য তাঁকে সামার স্কুলেও পড়তে হয়েছিল। ১৯৪৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ১৯৪৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত পিডমন্ট হাই স্কুলে পড়েছিলেন ক্লিন্ট। কিন্তু এখানে একদিন মাঠের স্কোরবোর্ডে এক শিক্ষাকর্মীর প্রতি অশ্লীল মন্তব্য লেখা এবং স্কুলের লনে কুশপুতুল পোড়ানোর অপরাধে তাঁকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর ওকল্যাণ্ড টেকনিক্যাল হাই স্কুলে তাঁকে ভর্তি করা হয় এবং ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ক্লিন্ট এখানেই স্নাতক স্তরের পড়াশোনা করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু আদৌ স্নাতক উত্তীর্ণ হয়েছিলেন কিনা তা জানা যায় না। তাঁর সহপাঠী, অনুজ অনেকেই তাঁর সম্পর্কে জানিয়েছেন যে স্কুলের গণ্ডীবদ্ধ জীবনের বাইরেই বেশিরভাগ সময় কাটাতেন ক্লিন্ট এবং অনেকে বলেছেন যে বিমানের যন্ত্রাংশ নির্মাণের কাজে তিনি বেশি আগ্রহ অনুভব করতেন। ১৯৫১ সালে সিয়াটেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চেষ্টাও করেছিলেন তিনি, কিন্তু সেই সময় কোরিয়ান যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ায় পড়া ছেড়ে বাধ্য হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দেন ক্লিন্ট ইস্টউড।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


ক্লিন্ট ইস্টউডের কর্মজীবন ছিল রোমাঞ্চকর ও বৈচিত্র্যে ভরা। কখনো অরিগন ও টেক্সাসের জঙ্গলে আগুন নেভানোর কাজ, কখনো ফোর্ট অর্ডে সাঁতার প্রশিক্ষক ও লাইফগার্ড হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। একবার ওয়াশিংটনের সিয়াটেল থেকে ডগলাস এডি বম্বার বিমানে চড়ে ফিরে আসার সময় আকাশপথেই বিমানের জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় মহাসাগরের কাছেই পয়েন্ট রেয়েসে গিয়ে ধাক্কা মারে সেই বিমান এবং সৌভাগ্যবশত জলে ঝাঁপ দিয়ে সে যাত্রা বেঁচে যান ক্লিন্ট। ক্লিন্ট ও তাঁর বিমানচালক সমুদ্রে হাঙর পরিবেষ্টিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার সাঁতরে পাড়ে উঠেছিলেন। পঞ্চাশের দশকে ফোর্ট অর্ডে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা শ্যুটিং করছিল, সেই সংস্থার এক কর্মী চক হিল ক্লিন্টকে তাঁর সঙ্গে লস এঞ্জেলসে নিয়ে যান ইউনিভার্সাল স্টুডিওতে। সেখানে ক্যামেরাম্যান আরভিন গ্লাসবার্গ তাঁর একটি অডিশনের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সেই অডিশনে ক্লিন্টের অভিনয় তাঁর পছন্দ হয় না। তাঁর ফিসফিস করে সংলাপ বলা বা কাঠ-কাঠ অভিনয়ে মুগ্ধ হননি তাঁরা, যদিও পরবর্তীকালে এটাই তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতে পরিণত হয়েছিল। ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের ব্যাপারে ক্লিন্ট সেই সময় একেবারেই শিক্ষানবিশ ছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও ক্লিন্টের সঙ্গে ইউনিভার্সাল স্টুডিও দেড় বছরের একটি চুক্তি করে।

১৯৫৪ সালের মে মাসে ‘সিক্স ব্রিজেস টু ক্রস’ ছবির জন্য অডিশন দিলেও ব্যর্থ হন তিনি। বহু চেষ্টার পরে ১৯৫৫ সালে ‘রিভেঞ্জ অফ দ্য ক্রিয়েচার’ ছবিতে পরিচালক জ্যাক আর্নল্ড তাঁকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেন। ঐ বছরই ‘ফ্রান্সিস ইন দ্য নেভি’ ছবিতে একজন নাবিকের ভূমিকায় এবং জ্যাক আর্নল্ড পরিচালিত ‘টারান্টুলা’ ছবিতে একজন স্কোয়াড্রন বিমানচালকের ভূমিকায় অভিনয় করেন ক্লিন্ট ইস্টউড। ঐ বছরই আগস্ট মাসে প্রথম একটি পশ্চিমি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি এবং এরপরে ইউনিভার্সাল স্টুডিওর সৌজন্যে একটি টেলিভিশন শো-তেও সামান্য চরিত্রে অভিনয় করেন ক্লিন্ট। কিন্তু তারপরেও তাঁর অভিনয় পছন্দ না হওয়ায় ইউনিভার্সাল স্টুডিও ক্লিন্টের সঙ্গে পূর্বের চুক্তি বাতিল করে ১৯৫৫ সালের ২৩ অক্টোবর। এভাবে নানা ছবিতে ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করতে করতে ১৯৫৮ সালে সিবিএস টেলিভিশনের সেটে তাঁকে দেখে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় ‘রহাইড’ নামে একটি পশ্চিমি টেলিভিশন ধারাবাহিক রাউডি ইয়েটস নামে একটি কাউবয়ের চরিত্রে নিযুক্ত করে ক্লিন্ট ইস্টউডকে। এই ধারাবাহিকটি বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং দীর্ঘ আট বছর ধরে চলে। সাফল্য আসতে শুরু করে ক্লিন্ট ইস্টউডের জীবনে। ইতিমধ্যে ১৯৬৩ সালে পরিচালক সের্গিও লিওন তাঁর ‘ডলারস ট্রিলজি’র জন্য মুখ্য খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয়ের উপযোগী লোক খুঁজছিলেন, সেকালের বিখ্যাত অভিনেতারা প্রত্যেকেই সেই চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট প্রত্যাখ্যান করেছেন, কিন্তু ক্লিন্ট ইস্টউড এই সুযোগ পেয়ে কাজে লাগান। ‘এ ফিস্টফুল অফ ডলারস’ (১৯৬৪), ‘ফর এ ফিউ ডলারস মোর’ (১৯৬৫) এবং ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যাণ্ড দ্য আগলি’ (১৯৬৬) এই তিনটি ছবিতেই ক্লিন্ট ইস্টউড অভিনীত বাউন্টি হান্টারের চরিত্রটি বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। ডলারস ট্রিলজির প্রথম ছবির কাহিনির সঙ্গে অনেকে আকিরা কুরোসাওয়ার ‘ইয়াজিম্বো’ ছবির সাদৃশ্য খুঁজে পেলেও পরে পরিচালক সের্গিও লিওন জানান এই ছবির কাহিনির সঙ্গে সেই ছবিটি নয়, বরং মার্কিন একটি উপন্যাসের কাহিনীর সাদৃশ্য আছে।
এরপরে ক্লিন্ট ইস্টউড নিজেই একটি প্রযোজনা সংস্থা খোলেন ‘ম্যালপ্যাসো প্রোডাকশান হাউজ’ নামে যার প্রথম ছবিটি ছিল ‘হ্যাং এম হাই’ (১৯৬৮)। এরপরে এই সংস্থা থেকেই ১৯৭১ সালে মুক্তি পায় ‘ডার্টি হ্যারি’ ছবিটি। পরে যদিও এই ডার্টি হ্যারির অনুসরণে আরও কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় ও প্রযোজনা করেছিলেন ক্লিন্ট ইস্টউড যার মধ্যে রয়েছে ‘ম্যাগনাম ফোর্স’ (১৯৭৩), ‘দ্য ইনফোর্সার’ (১৯৭৬), ‘সাডেন ইমপ্যাক্ট’ (১৯৮৩) এবং ‘দ্য ডেড পুল’ (১৯৮৮)। ১৯৭১ সালে প্রথম ‘প্লে মিস্টি ফর মি’ নামের একটি মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার ছবি পরিচালনা করেন ক্লিন্ট ইস্টউড এবং এই বছরই ডন সিগেলের পরিচালনায় ‘দ্য বিগুইল্ড’ ছবিতে অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত অন্যান্য রোমাঞ্চকর ছবির মধ্যে রয়েছে – ‘কুগান্স বাফ’, ‘এস্কেপ ফ্রম আলকাত্রাজ’, ‘পেল রাইডার’, ‘হাই প্লেনস ড্রিফটার’ ইত্যাদি। ২০০৩ সালে তাঁর পরিচালিত ‘মিস্টিক রিভার’ ছবির জন্য ৬টি বিভাগে অস্কার পান ক্লিন্ট ইস্টউড এবং তার পরের বছর তাঁর পরিচালিত ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’ ছবির জন্যেও দ্বিতীয়বার অস্কার জেতেন তিনি। ৭৪ বছর বয়সে এই অস্কার জিতে সবথেকে প্রবীণ অস্কারজয়ী পরিচালক হিসেবে রেকর্ড তৈরি করেন ক্লিন্ট ইস্টউড। মোট চারটি বিভাগে অস্কার জিতেছিল এই ছবিটি। ২০০৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে ক্লিন্ট তৈরি করেন দুটি ছবি ‘লেটারস ফ্রম আইয়ো জিমা’ এবং ‘ফ্ল্যাগস অফ আওয়ার ফাদার’। ২০০৯ সালে পরিচালক হিসেবে সবথেকে জনপ্রিয় ও সফল ছবিটি নির্মাণ করেন ইস্টউড ‘ইনভিক্টাস’ যা আসলে নেলসন ম্যাণ্ডেলার জীবনীভিত্তিক কাহিনীচিত্র। ২০১৪ সালে ‘আমেরিকান স্নাইপার’ এবং ২০১৬ সালে ‘সালি’ নামে আরো দুটি জীবনীভিত্তিক ছবি তৈরি করেন ইস্টউড।

অভিনয়, পরিচালনার পাশাপাশি বেশ ভালো জ্যাজ পিয়ান বাজাতে পারতেন ইস্টউড। নিজের কিছু কিছু চলচ্চিত্রে তিনি আবহে পিয়ানোও বাজিয়েছিলেন। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্র উপকূলের কাছেই কারমেল বাই দ্য স্যার-এর মেয়র হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন ক্লিন্ট। ১৯৯২ সালে ‘আনফরগিভেন’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালক এবং ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ক্লিন্ট ইস্টউড। ২০০০ সালে ওয়েসলেইন বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানীয় ডক্টরেট ডিগ্রিতে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মান ‘লিজিয়ন অফ অনার’ অর্জন করেন তিনি। সমগ্র অভিনয় জীবনে চারটি অ্যাকাডেমি পুরস্কার, চারটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি।

৯০ বছর বয়সে পৌঁছে আজও নিজের শারীরিক সক্ষমতা ও সৌন্দর্যকে ধরে রেখেছেন ক্লিন্ট ইস্টউড। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ক্রাই দ্য মাচো’ ছবিটি এখনও পর্যন্ত তাঁর পরিচালিত সর্বশেষ চলচ্চিত্র।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে জানা-অজানা তথ্য


নেতাজী

ছবিতে ক্লিক করে দেখুন এই তথ্য