সববাংলায়

জ্যোতির্লিঙ্গ রামেশ্বরম

রামেশ্বরম জ্যোতির্লিঙ্গ (Rameshwaram Jyotirlinga) দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামনাথপুরম জেলার অন্তর্গত রামেশ্বরম দ্বীপে অবস্থিত। মন্দিরটি স্থানীয়দের কাছে রামনাথস্বামী মন্দির (Ramanathaswamy Temple) হিসেবে পরিচিত। এই মন্দির হিন্দুদের পবিত্র চারধামের একটি ধাম। অন্য তিনটি ধাম হল বদ্রীনাথ, জগন্নাথধাম ও দ্বারকা। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী শ্রীবিষ্ণু রামেশ্বরমে স্নান করে বদ্রীনাথে ধ্যান করেন, তারপর জগন্নাথধামে খাবার খেয়ে দ্বারকায় বিশ্রাম করেন। এই মন্দির একই সঙ্গে শৈব, বৈষ্ণব, স্মার্ত তথা সমস্ত হিন্দুদের জন্যই অত্যন্ত পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। কিংবদন্তী অনুসারে এই জ্যোতির্লিঙ্গটি স্বয়ং ভগবান রাম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বলা হয়, এই মন্দিরের করিডোরটিই বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম করিডোর। আপ্পার, সুন্দরার, তিরুগ্নানা সম্বন্দর-এর মতো সন্ত-কবিদের গানে এই মন্দিরের মাহাত্ম্য প্রকাশ পেয়েছে।

শিবপুরাণ অনুযায়ী একদা ব্রহ্মা এবং বিষ্ণুর মধ্যে কে শ্রেষ্ঠ তা নিয়ে দুজনের তুমুল বিবাদ উপস্থিত হয়। সেই বিবাদ সন্তোষজনক পরিণতিতে না পৌঁছে চলতেই থাকলে মহাদেব তখন একটি আলোকরশ্মির স্তম্ভ রূপে তাঁদের দুজনের মাঝখানে প্রকট হন। ব্রহ্মা এবং বিষ্ণু কেউই সেই আলোকস্তম্ভের আদি ও অন্ত খুঁজে পাননি। শেষমেশ তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, এই দিব্য জ্যোতিই শ্রেষ্ঠতম। এভাবেই জ্যোতির্লিঙ্গের ধারণাটির উদ্ভব হয়।

বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম হল রামেশ্বরম জ্যোতির্লিঙ্গ। এই জ্যোতির্লিঙ্গকে ঘিরে প্রধানত দুটি কিংবদন্তী প্রচলিত রয়েছে এবং দুটিই রামায়ণের কাহিনী নিয়ে। প্রথম কিংবদন্তী অনুসারে অপহৃতা সীতার খোঁজে সমুদ্রের তীরে এসে ক্লান্ত হয়ে পড়েন রাম। তাঁর পিপাসার উদ্রেক হলে বানর-ভক্তেরা চতুর্দিকে ছোটাছুটি করে অনেক কষ্টে জল নিয়ে আসে। তবে রাম জল খেতে গিয়েও পাত্র নামিয়ে রাখেন এবং নিজের পিপাসা মেটান না। তিনি চেয়েছিলেন প্রথমে শিবের পূজা করতে যাতে শিবের প্রসাদ লাভ করা যায় এবং সীতাকে তিনি অপরপাড়ে লঙ্কা থেকে আরেক শিবভক্ত রাবণের কবল থেকে উদ্ধার করে আনতে পারেন। এই উদ্দেশ্যে বালি দিয়ে শিবের মূর্তি গড়ে প্রার্থনা করতে থাকেন রাম। সেই প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে এক জ্যোতির্ময় মূর্তির আবির্ভাব ঘটে সেখানে। শিব রামকে আশীর্বাদ করেন জয় তাঁরই হবে। রাম তখন সেই জ্যোতির্ময় শিবকে জগতের পবিত্রতা এবং লোকহিতের নিমিত্ত সেখানেই বাস করতে অনুরোধ করেন। প্রচলিত জনশ্রুতি অনুসারে লঙ্কায় যাওয়ার জন্য সমুদ্রের বুকে সেতু নির্মাণের পূর্বেই রাম এই শিবলিঙ্গটি স্থাপন করে পূজা করেছিলেন।

তামিল ভাষায় লেখা মহর্ষি কম্বনের রামায়ণ ‘ইরামাবতারম’- এ উল্লিখিত কাহিনীটি হল দ্বিতীয় কিংবদন্তী। এই কিংবদন্তী অনুসারে রাবণ বধ করার ফলে রামের ব্রহ্মহত্যার পাপ লাগে। কারণ রাবণ ছিলেন ব্রাহ্মণ পুলস্ত্য মহর্ষির পুত্র। তাছাড়াও রাবণ ছিলেন মহাজ্ঞানী এবং সেইসঙ্গে শিবভক্ত। তাঁকে বধ করে সীতাকে নিয়ে লঙ্কা থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় ঋষিদের পরামর্শ মেনে ব্রহ্মহত্যার পাপ খন্ডনের জন্য রাম শিবলিঙ্গ স্থাপন করে পূজা করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে রাম হনুমানকে হিমালয় থেকে শিবলিঙ্গ আনবার নির্দেশ দেন, কিন্তু হনুমানের ফিরতে দেরী হওয়ায় সীতা বালি দিয়ে সমুদ্রতীরে একটি শিবলিঙ্গ গড়েন এবং রাম সেই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করে তার পূজা করেন। সীতা দ্বারা নির্মিত এবং রাম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই শিবলিঙ্গটি রামলিঙ্গ নামে পরিচিত। পরে হনুমান আরেকটি শিবলিঙ্গ নিয়ে এলে সেটিকেও পূর্বোক্ত শিবলিঙ্গের কাছে স্থাপন করা হয়। সেই লিঙ্গের নাম বিশ্বলিঙ্গ। রাম হনুমানকে বলেন যে রামলিঙ্গ পূজা করার আগে ভক্তদের বিশ্বলিঙ্গ পূজা করতে হবে। সেই রীতি আজও চলে আসছে।

মন্দিরটি প্রথম কবে নির্মাণ করা হয়েছে সেই বিষয়ে বিশদে জানা না গেলেও ঐতিহাসিকদের মতে বর্তমান মন্দিরটির নির্মাণ শুরু হয়েছিল দ্বাদশ শতাব্দীতে। পরবর্তীকালে বিভিন্নজনের হাতে ক্রমে ক্রমে মন্দিরটির সংস্কার হয়। প্রাচীন মন্দিরটি একটি খড়ের কুঁড়েঘর ছিল বলে মনে করা হয়। সম্ভবত, শ্রীলঙ্কার পরাক্রম বাহু এখানে প্রথম পাকা মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। তিনিই মন্দিরের গর্ভগৃহ নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়। এই মন্দির নির্মাণে পান্ড্য রাজবংশের জাফনা রাজাদের অবদানকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মন্দিরের গর্ভগৃহ সংস্কারের জন্য ত্রিনকোমালির কোনেশ্বরম মন্দির থেকে পাথরের খন্ড পাঠিয়েছিলেন রাজা জয়ভীরা সিনকাইয়ারিয়ান। তাঁরই উত্তরসূরী গুণভিরা সিনকাইয়ারিয়ান মন্দিরের কাঠামোগত উন্নয়নের তত্ত্বাবধান করেছিলেন এবং শৈব বিশ্বাস প্রচারের জন্য তাঁর রাজস্বের একটি অংশ কোনেশ্বরমে দান করেছিলেন। পরবর্তীকালে প্রদানি মুথিরুলাপ্পা পিল্লাইয়ের আমলে মন্দিরের চৌকাঠ নির্মাণ করা হয় এবং অন্যান্য প্রভূত সংস্কার করা হয়। শ্রীলঙ্কার রাজা নিসাঙ্কা মাল্লা মন্দিরের উন্নয়নে অর্থদান করেছিলেন এবং কর্মীও পাঠিয়েছিলেন। এখানে উল্লেখ্য যে, মন্দিরের বর্তমান কাঠামোটি সপ্তদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরের আকর্ষণীয় করিডোরটি অষ্টাদশ শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। পান্ডিয়ুরের সোক্কাপ্পান সের্ভাইকারনের পুত্র পেরুমল সের্ভাইকারন রামেশ্বরম মন্দিরকে পাপ্পাকুডি নামক একটি গ্রাম অনুদান হিসেবে দিয়েছিলেন। এই অনুদানের বিবরণ ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। পাপ্পাকুডির পাশাপাশি, আনন্দুর ও উরাসুর নামের গ্রামগুলিও রামেশ্বরম মন্দিরে দান করা হয়। এই গ্রামগুলি রাধানাল্লুর বিভাগের মেলাইমাকানি সেরমাই প্রদেশের অধীনে পড়ে। থাঞ্জাভুর শাসনকারী মারাঠা রাজারা ১৭৪৫ থেকে ১৮৩৭ সালের মধ্যে মায়িলাদুথুরাই এবং রামেশ্বরম জুড়ে চাতরাম বা বিশ্রামাগার স্থাপন করেছিলেন।

চেন্নাই থেকে রামেশ্বরম প্রায় সাড়ে চার মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। রামেশ্বরম মন্দির ভারতবর্ষের প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর এক অন্যতম নিদর্শন। মন্দিরটি প্রায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে নির্মিত। দক্ষিণ ভারতের সমস্ত প্রাচীন মন্দিরের মতো এই রামেশ্বরম মন্দিরেরও চতুর্দিক উঁচু প্রাচীর বা মাদিল দিয়ে ঘেরা। পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রায় ৮৬৫ ফুট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬৫৭ ফুটের প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এই মন্দির। এছাড়াও পূর্ব ও পশ্চিমে আকর্ষণীয় গোপুরম ও উত্তর-দক্ষিণে সুদৃশ্য গেট টাওয়ার লক্ষ করা যায়। অধিকাংশ সময়েই এই পশ্চিম গোপুরমটি মন্দিরে প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত হয়। মন্দিরগাত্রে দ্রাবিড় স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন লক্ষ করা যায়। দেওয়ালে জটিল ও সূক্ষ্ম কারুকাজের সাহায্যে হিন্দু দেবদেবীদের  চিত্র খোদাই করা রয়েছে। মূর্তি ছাড়াও মন্দির গাত্রে প্রাচীন শিলালিপি খোদাই করা রয়েছে দেখা যাবে। মন্দির চত্বরের মধ্যে ২২টি তীর্থম বা পবিত্র পুকুর রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে এগুলিতে স্নান করলে ভক্তেরা পবিত্র হতে পারে। এছাড়াও মন্দির চত্বরে বিশালাক্ষী, গণপতি, বীরভদ্র, হনুমান, নবগ্রহ, বিষ্ণু প্রমুখ দেবতার মন্দির রয়েছে। এই মন্দিরে শত শত বেলেপাথরের স্তম্ভ এবং উঁচু ছাদ বিশিষ্ট তিনটি করিডোর রয়েছে। মন্দিরের অভ্যন্তরে উঁচু প্ল্যাটফর্মের উপর স্থাপিত সারি সারি স্তম্ভসহ আকর্ষণীয় লম্বা করিডোর দেখতে পাওয়া যায়। প্রথম করিডোরটি সবচেয়ে প্রাচীনতম করিডোর। মনে করা হয় দ্বাদশ শতকে সেটি নির্মিত হয়েছিল। দ্বিতীয় করিডোরে বর্তমানে ১০৮টি শিবলিঙ্গ এবং মহা গণপতির মূর্তি দেখা যায়। তবে মন্দিরের তৃতীয় করিডোরটি বিশ্ববিখ্যাত করিডোর। এই করিডোরটি মুথুরামালিঙ্গা সেতুপতি নির্মাণ করেছিলেন। এই তৃতীয় করিডোরের সংযোগস্থল এবং পশ্চিম গোপুরম থেকে সেতুমাধব মন্দির পর্যন্ত দাবার ছকের নকশা আঁকা একটি সুদীর্ঘ পথ রয়েছে, যেটিকে চোক্কাত্তন মন্ডপম বলা হয়ে থাকে। বসন্ত উৎসবের সময় দেবতাদের এখানে এনে রাখা হয়। এই তৃতীয় করিডোরে ১২১২টি স্তম্ভ রয়েছে। একেকটি স্তম্ভ প্রায় ২২ ফুট লম্বা। এই তৃতীয় করিডোরটি বিশ্বের বৃহত্তম করিডোর হিসেবে বিবেচিত হয়।

মন্দিরে পাঁচটি প্রধান হল বা মন্ডপ রয়েছে, সেগুলি হল, শুক্রাভারা মণ্ডপম, অনুপ্পু মণ্ডপম, সেতুপতি মণ্ডপম, নন্দী মণ্ডপম এবং কল্যাণ মণ্ডপম। মন্দিরে ১৭.৫ ফুট লম্বা একটি বিশালাকার নন্দীর মূর্তি দেখা যায়। মন্দিরের মূল গর্ভগৃহের অভ্যন্তরে দুটি লিঙ্গ দেখা যায়, একটি হল রামলিঙ্গ এবং অন্যটি হল বিশ্বলিঙ্গ। এই মন্দিরে শিব রামনাথস্বামী এবং পার্বতী পার্বতবর্ধিনী রূপে বিরাজ করছেন। রামনাথস্বামী এবং পার্বতবর্ধিনীর জন্য পৃথক পৃথক মন্দির রয়েছে।

রামেশ্বরম মন্দিরে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশেষ কিছু উৎসব ধুমধাম করে পালিত হয়ে থাকে। প্রথমেই বলতে হয় মহাশিবরাত্রির কথা। ফাল্গুন মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে এই উৎসব পালন করা হয়। তামিল ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসের এই সময়কে মাসি (maasi) মাস বলা হয়। মাসি মাসের ১০ দিন জুড়ে শিবরাত্রির উৎসব পালিত হয়ে থাকে। একটি রৌপ্য রথে শিব ও পার্বতীর মূর্তি টেনে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। দ্বিতীয়ত যে বিশেষ উৎসবের কথা বলতে হয় তা অরুদ্র ধরসনম নামে পরিচিত। এই উৎসবটি ভগবান শিবের নটরাজ রূপটির উদ্দেশ্যে উদযাপিত হয়ে থাকে। তামিল ক্যালেন্ডারে মারগাঝি মাসে অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে এই উৎসব পালিত হয়ে থাকে। আসলে অরুদ্র একটি নক্ষত্রের নাম। পূর্ণিমা যখন মারগাঝিতে অরুদ্রের সঙ্গে মিলিত হয় তখন এই উৎসব পালন করা হয়। এই মিলনকালটি বছরের দীর্ঘতম রাতও বটে। এসময় ভগবান শিবের মূর্তিকে মালা ও রেশমি বস্ত্রে সজ্জিত করা হয়। লক্ষ লক্ষ ভক্তেরা এসময় রামেশ্বরমে ভিড় জমান। এখানকার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হল, রামলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস। সীতার হাতে তৈরি এবং রামের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বালির শিবলিঙ্গ নির্মাণের দিনটিই রামলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এসময় ভক্তেরা শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য মন্দিরে যান এবং রামনাথস্বামীর মূর্তি, মন্দিরের চারদিকে প্রদক্ষিণ করানো হয়। রামেশ্বরমের উল্লেখযোগ্য আরও একটি উৎসব হল থিরুকল্যাণম উৎসব। মূলত জ্যৈষ্ঠ মাসে এই উৎসব পালিত হয়। দীর্ঘ সতেরো দিন ধরে এই উৎসব চলে। ভগবান রামনাথস্বামী এবং দেবী পার্বতবর্ধিনীর বিবাহের স্মরণে এই উৎসবটি পালিত হয়ে থাকে। এসময় মন্দির তথা শহর জুড়ে মিছিল বের হয় এবং নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলতে থাকে। এছাড়া নবরাত্রিদশেরা উৎসবও খুব ধুমধাম করে পালিত হয় এখানে। নয়টি রাত্রির পর দশম রাত্রিতে দেবীর পূজা হয়। মূলত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের দিকে এটি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। দশেরার মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। রামেশ্বরম মন্দিরে উদযাপিত আরেকটি উৎসব হল বসন্তোৎসব। তামিল মাস বৈকাসিতে অর্থাৎ মে বা জুন মাসের কাছাকাছি প্রায় ১০ দিন ধরে এই উৎসব ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়।

এই মন্দির হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র মন্দির। ভক্তেরা বিশ্বাস করেন রামেশ্বরম মন্দির দর্শনে সমস্ত পাপ ধুয়ে মুছে যায় এবং মোক্ষ লাভের পথ প্রশস্ত হয়। সারাবছরই তাই দেশ-বিদেশের নানান জায়গা থেকে ভক্তেরা রামেশ্বরমে এসে ভিড় করেন।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading