সববাংলায়

কামাল পাশা ।। মোস্তাফা কামাল আতাতুর্ক

বিভাগঃ , ,

তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং তার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কামাল পাশার নাম সারা বিশ্বে পরিচিত। এই প্রজাতন্ত্র গঠনের জন্য সংগ্রামও কম করতে হয়নি তাঁকে। নিজে সামরিক পেশার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন দীর্ঘদিন। একজন বিপ্লবী রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রভূত পরিমাণ সমাজ সংস্কারের কাজও করেছিলেন। নবগঠিত তুরস্ক প্রজাতন্ত্রে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক এবং অবৈতনিক করেছিলেন তিনি। মেয়েদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন। একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন ছিল কামাল পাশার। ফ্যাসিবাদী ইতালি এবং জারবাদীদের সম্প্রসারণবাদী আগ্রাসনকে প্রতিহত করায় তাঁর কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

১৮৮১ সালে সম্ভবত বসন্তকালে গ্রীসের অটোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্গত সালোনিকাতে মোস্তাফা কামাল আতাতুর্ক (Mustafa Kemal Atatürk) বা কামাল পাশার জন্ম হয়। জন্মের পর তাঁর নাম ছিল মোস্তাফা। তাঁর দ্বিতীয় নাম কামাল, আরবি ভাষায় যার অর্থ পরিপূর্ণতা, দিয়েছিলেন তাঁর অঙ্কের মাস্টারমশাই ক্যাপ্টেন উস্কুপ্লু মুস্তাফা এফেন্দি। কেউ বলেন জাতীয়তাবাদী কবি নামিক কামালের প্রতি শ্রদ্ধা হিসেবে এই নামটি বেছে নিয়েছিলেন তিনি। আবার অন্য মতানুযায়ী সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন নিজে কামাল নামটি গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সূত্র অনুসারে মোস্তাফা নামের আরেকজনের সঙ্গে আলাদা করার জন্য কামালের শিক্ষক আতাতুর্ক নামটি দিয়েছিলেন৷ ১৯৩৪ সালে তাঁর আইডি কার্ডে প্রথম আতাতুর্ক নামটি পাওয়া গেলে তারপর থেকে কামাল আতাতুর্ক নামেই পরিচিত হন তিনি, মোস্তাফা নামটি প্রায় মুছে যায়।

কামালের পিতা আলী রিজা এফেন্দি ছিলেন মূলত কোডজাদজিকের একজন সামরিক কর্মকর্তা, একজন কাঠ ব্যবসায়ী এবং শিরোনাম দলিলের কেরানী। কামালের মায়ের নাম জুবেইদে হানিম। কামালের ভাইবোনদের মধ্যে একমাত্র মাকবুলে নামে তাঁর এক বোন শৈশবে বেঁচে ছিলেন, যিনি পরে ১৯৫৬ সালে মারা যান। কেউ কেউ বলেন কামালরা ছিলেন মুসলিম এবং তুর্কী-ভাষী। আবার, কামালের পিতা রিজাকে কিছু লেখক আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত বলে মনে করেছেন। অন্য সূত্র অনুসারে তাঁরা ছিলেন ইহুদী বা বুলগেরিয়ান। ১৯২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি কামালের সঙ্গে লতিফ উশাকলিগিলের বিবাহ হয়েছিল। আরও তিন মহিলার নাম জড়িয়ে আছে কামালের সঙ্গে। ১৯২৫ সালে কামালের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। কামাল একটি ছেলে এবং বারোটি মেয়েকে দত্তক নিয়েছিলেন৷

প্রাথমিকভাবে কামালকে তাঁর মা একটি ধর্মীয় বিদ্যালয়ে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছিলেন। অনিচ্ছাসত্ত্বেও খুব অল্প সময়ের জন্য তা করেছিলেন তিনি৷ পরবর্তীকালে বাবার নির্দেশে এমসি এফেন্দি স্কুল নামক বেসরকারি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিলেন পড়াশোনার জন্য। সেখানকার পাঠক্রম ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। কামালের যখন সাত বছর বয়স তখন তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছিল। এরপর কিছু সময় তিনি রাপলায় মামার কাছে থেকেছিলেন। কামালের মা চেয়েছিলেন ব্যবসা-বাণিজ্য অনুশীলন করুক তাঁর সন্তান কিন্তু কামাল কারও সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করেই ১৮৯৩ সালে সালোনিকা মিলিটারি স্কুলে ভর্তির জন্য প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়ে সফল হয়েছিলেন। অবশ্য তার আগে তিনি সালোনিকা জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হন সিভিল সার্ভেন্টের জন্য। ১৮৯৬ সালে মোনাস্টির মিলিটারি হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ১৮৯৯ সালে কামাল ভর্তি হন উসমানীয় রাজধানী শহর কনস্টান্টিনোপলের (আধুনিক ইস্তানবুল) সিসলি জেলার পাঙ্গাল্টির পার্শ্ববর্তী অটোমান মিলিটারি একাডেমিতে। সেখান থেকে ১৯০২ সালে স্নাতক হন তিনি। পরে ১৯০৫ সালের ১১ জানুয়ারি কনস্টান্টিনোপলের অটোমান মিলিটারি কলেজ থেকে স্নাতক হন।

স্নাতক হওয়ার পরপরই রাজতন্ত্র বিরোধী কাজের জন্য পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়েছিলেন কামাল। মুক্তির পর ১৯০৫ সালে আলি ফুয়াত এবং লুতফি মুফিতের কোম্পানিতে স্টাফ ক্যাপ্টেন হিসেবে দামেস্কাসে অবস্থিত পঞ্চম বাহিনীতে প্রথম নিয়োগ হয়েছিল কামালের। তিনি ভাতান ভে হুরিয়েত নামে পরিচিত মুস্তাফা এলভান নামক এক বণিকের নেতৃত্বাধীন সংস্কারবাদী অফিসারদের ছোট একটি গোপন বিপ্লবী সমাজে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯০৭ সালে কামালকে সিনিয়র ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত করা হয় এবং সেই বছরই তাঁকে মানাস্তির তৃতীয় সেনাবাহিনীর সদর দফতরে নিয়োগ করা হয়েছিল। এছাড়াও তিনি কমিটি অফ ইউনিয়ন অ্যান্ড প্রগ্রেস-এ যোগদান করেন। এটি তরুণ তুর্কি নামে পরিচিত ছিল। ১৯০৮ সালে, তিনি পূর্ব রুমেলিয়ায় অটোমান রেলওয়ের পরিদর্শক নিযুক্ত হন।

১৯০৮ সালে তরুণ তুর্কিরা সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের কাছ থেকে ক্ষমতা দখল করে এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে। তাতে কামাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেনাবাহিনীতে বিরাজনীতিকরণের যে প্রস্তাব কামাল দিয়েছিলেন, সিইউপি নেতারা তাতে অসন্তুষ্ট হয়ে ১৯০৮ সালের শেষদিকে তাঁকে উপজাতি বিদ্রোহ দমনের অজুহাতে ত্রিপোলিটানিয়া ভিলায়েতে পাঠিয়ে দিয়েছিল। বিদ্রোহ দমন করে ১৯০৯ সালে ফিরে আসেন তিনি। ১৯১০ সালে কামাল অটোমান সামরিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এবং ১৯১১ সালে অল্প সময়ের জন্য তিনি কনস্টান্টিনোপলের যুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯১১ সালে কামাল অংশ নেন ইতালি-তুর্ক যুদ্ধে। ইতালীয় আক্রমণের বিরূদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেন তিনি। ১৯১২ সালে দেরনার যুদ্ধের সময় তিনি অটোমান বাহিনীর কমান্ডার হয়েছিলেন। ১৯১২ সালেই বলকান যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ১৯১৩ সালে দ্বিতীয় বলকান যুদ্ধের সময় তিনি কায়মাকাম এনভার বে-এর নেতৃত্বে অটোমান আর্মি বাহিনীতে অংশ নিয়েছিলেন। এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গ্যালিপোলির যুদ্ধের সময় কামালকে পঞ্চম সেনাবাহিনীর সাথে সংযুক্ত উনবিংশতম ডিভিশন সংগঠিত ও কমান্ড করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই গ্যালিপলির যুদ্ধের সময় মিত্রশক্তির বিরূদ্ধে যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। কনকবাইরি এবং আনাফর্তা পাহাড়ে মিত্রশক্তিকে রুখে দিয়েছিলেন কামাল। এই সাফল্যের জন্য তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত হন এবং ‘পাশা’ উপাধি অর্জন করেন৷

১৯১৭ এবং ১৯১৮ সালে কামালকে রুশ বাহিনীর বিরূদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ককেশাশ ফ্রন্টে পাঠানো হয়েছিল এবং সেখানেও সাফল্য অর্জন করেছিলেন তিনি। অটোমান শাসনের বিরূদ্ধে গ্রেট ব্রিটেন সমর্থিত আরব বিদ্রোহ দমন করার জন্য পরে তাঁকে হেজাজে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

ইতোমধ্যে ১৯১৮ সালের অক্টোবর মাসে মিত্রশক্তির কাছে তুরস্ক পরাজয় স্বীকার এবং আত্মসমর্পণ করে। মিত্রশক্তি যখন তুরস্কের ওপর আধিপত্য কায়েম করেছিল, তুর্কী সেনাবাহিনী ভেঙে দিতে শুরু করেছিল তখন তুরস্কের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করেন কামাল এবং মুক্তির লড়াইয়ের অন্যতম এক মুখ হয়ে ওঠেন। তিনি ১৯১৯ সালের ২৩ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট এরজুরুম কংগ্রেস এবং ৪ থেকে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিভাস কংগ্রেস আহ্বান করেছিলেন। ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল তুর্কী গ্র্যান্ড ন্যাশানাল অ্যাসেম্বলির সূচনা ছিল তুর্কী প্রজাতন্ত্রের পথে একধাপ এগিয়ে যাওয়া। এরপর নানা যুদ্ধবিগ্রহ অতিক্রম করে অবশেষে ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন তুর্কী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয় এবং কামাল পাশা সর্বসম্মতিক্রমে তার প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।

কামাল পাশার অধীনে নব্যগঠিত এই প্রজাতন্ত্র ‘জাতির জন্য নিঃশর্তভাবে সার্বভৌমত্ব’ এবং ‘স্বদেশে ও বিদেশে শান্তি’—এই দুই নীতির ওপর ভিত্তি করে চলতে থাকে। কামাল স্বাধীন তুরস্কে বিস্তৃতভবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন সংস্কার শুরু করেছিলেন। মানবতাবাদের ওপর জোর দিয়েছিলেন তিনি। আধুনিক তুরস্ককে তিনি উচ্চ মানবতাবাদী আদর্শের সঙ্গে দেশপ্রেমের এক মিশ্রণে তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সেই কারণে জাতীয় ঐতিহ্য, আদিবাসী সংস্কৃতিগুলি এমনকি বিশ্ব সভ্যতার বিভিন্ন শিল্প ও কৌশলগুলির ওপর জোর দিয়েছিলেন কামাল। শিল্প-স্থাপত্য তখন আধুনিক প্রবণতার দিকে ঝুঁকেছিল। তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের নব্য মতাদর্শগুলি কামালবাদ নামে পরিচিত ছিল। তিনি কমিউনিজম এবং ফ্যাসিবাদ উভয় মতবাদকেই প্রত্যাখান করেছিলেন। একটি সমতাবাদী নির্বাচন ব্যবস্থা গঠন করেছিলেন তিনি এবং সাধারণ ব্যালটে ভোট হত। মহিলাদের ভোটাধিকারকে প্রতিষ্ঠা এবং অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন তিনিই। কামাল শিক্ষাক্ষেত্রেরও বিপুল সংস্কারসাধন করেছিলেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির পুনর্গঠনে জোর দেন এবং ধ্রুপদী ইসলামী শিক্ষার পরিবর্তন করেন তিনি। তুরস্কের স্বাধীনতার চেয়েও শিক্ষাগত গোঁড়ামি থেকে জাতিকে মুক্ত করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করতেন তিনি৷ ছেলে ও মেয়ে উভয়ের জন্যই প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। পাঠক্রম ধর্মনিরপেক্ষ করবার চেষ্টাও হয়েছিল। এছাড়াও ল্যাটিন বর্ণমালার ওপর ভিত্তি করে তুর্কী ভাষার জন্য নতুন বর্ণমালা তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে অনেক ভাষাবিদের সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন তিনি এবং অবশেষে তা তৈরি হয়েছিল। তুর্কী ভাষা সমিতিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। নিজে তিনি তুর্কী ভাষায় বৈজ্ঞানিক পরিভাষার অনুবাদ নিয়ে কাজ করেছিলেন। বিভিন্ন জায়গার গ্রন্থাগারগুলিরও প্রভূত সংস্কার করেন। পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রেও একরকম সংস্কারসাধনের চেষ্টা করেছিলেন কামাল। তুর্কীদের আধুনিক ইউরোপীয় পোশাক পরতে উৎসাহিত করেন তিনি৷ তাঁর উদ্যোগেই ১৯২৫ সালে হ্যাট আইন তৈরি হয়েছিল। সরকারী কর্মচারীদের জন্য টুপি বাধ্যতামূলক করেছিলেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা মহিলাদের পোশাক সম্পর্কে কামালের কোনো সংকীর্ণতা ছিল না। কামাল এবং তাঁর কর্মীরা নারীদের পর্দা প্রথার বিলুপ্তি নিয়েও আলোচনা করেছিলেন। এইভাবে নারী স্বাধীনতাকে প্রভূত গুরুত্ব দিয়েছিলেন তিনি। সামাজিক সংগঠনের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বিচ্ছিন্নতাকে কখনও গুরুত্ব দেননি কামাল।

কৃষি ও পরিবেশগত উন্নয়নেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। বৃক্ষরোপণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, কৃষকদের ওপর থেকে অতিরিক্ত কর অপসারণ ইত্যাদি কাজের জন্য কামালকে তুর্কী কৃষির জনক বলা হয়। আতাতুর্ক কৃষি, যন্ত্রপাতি এবং টেক্সটাইল শিল্পের জন্য অনেক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কারখানা স্থাপন করেন। অর্থনীতিতে বিদেশি নিয়ন্ত্রণ দূর করতেও চেয়েছিলেন তিনি৷ প্রথম তুর্কী ব্যাংক তৈরি হয়েছিল তাঁর উদ্যোগে। কামালের সময়ে শিল্পায়নের অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে রেলওয়েকেও খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কামালের তত্ত্বাবধানেই প্রণীত হয়েছিল।

১৯৩৮ সালে ইয়ালোভা ভ্রমণের সময় গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন কামাল। চিকিৎসার জন্য ইস্তানবুলে যান, সেখানে তাঁর সিরোসিস ধরা পড়ে। অবশেষে ১৯৩৮ সালের ১০ নভেম্বর মাত্র ৫৭ বছর বয়সে ডলমাবাহচে প্রাসাদে এই রাষ্ট্রনায়ক কামাল পাশার মৃত্যু হয়।

কামাল আতাতুর্ক পাশার সম্মানার্থে গোটা তুরস্ক জুড়েই নানা স্মৃতিসৌধ,স্থাপত্য ইত্যাদির নামকরণ করা হয়েছে; যেমন: ইস্তানবুলের আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, গোল্ডেন হর্নের উপর আতাতুর্ক সেতু (হালিক), আতাতুর্ক বাঁধ এবং আতাতুর্ক স্টেডিয়াম। তুরস্কের সর্বত্র তাঁর মুখ ও নাম দেখা ও শোনা যায়; তাঁর প্রতিকৃতি পাবলিক ভবনে, স্কুলে, সমস্ত তুর্কি লিরা ব্যাঙ্কনোটে এবং অনেক তুর্কি পরিবারের বাড়িতে দেখা যায়। প্রতি ১০ নভেম্বর সকাল ৯ঃ০৫ এ, আতাতুর্কের মৃত্যু মুহূর্তে দেশের রাস্তায় বেশিরভাগ যানবাহন এবং লোকজন ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading