সববাংলায়

মাখনলাল চতুর্বেদী

মাখনলাল চতুর্বেদী (Makhanlal Chaturvedi) ছিলেন ভারতীয় সাহিত্যের একজন বিখ্যাত বিপ্লবী লেখক এবং সাংবাদিক। তিনি হিন্দি ভাষায় সাহিত্য একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম লেখক। হিন্দি সাহিত্যের ছায়াবাদ আন্দোলনের সময়কার একজন প্রভাবশালী লেখক ছিলেন মাখনলাল। হিন্দি সাহিত্যে তিনি নব্য-রোমান্টিকতা ও জাতীয়তাবাদের এক অনন্য ধারা প্রচার করেছিলেন। তাঁর কবিতা, গদ্য, প্রবন্ধগুলি সাহিত্যে চিরন্তন সম্পদ হয়ে রয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর রচনাগুলি পরাধীন মানুষের মনে দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। সেই সময় তাঁর কবিতাগুলি নিপীড়নের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। মাখনলাল চতুর্বেদীর দৃঢ় জাতীয়তাবাদী চেতনা তাঁর লেখায় মিশে রয়েছে। ব্রিটিশ রাজত্বকালে ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান এবং দেশপ্রেমের চেতনা প্রকাশ করার জন্য তিনি প্রকৃত ‘এক ভারতীয় আত্মা’ নামে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া তিনি ‘প্রভা’ ও ‘কর্মবীর’-এর মতো জাতীয়তাবাদী পত্রিকার মধ্যে দিয়ে সমগ্র ভারতের সামাজিক এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্র পরিবর্তনের জন্য সাধারণ মানুষকে আহ্বান করেছিলেন। তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে ১৯৯০ সালে ভোপালে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘মাখনলাল চতুর্বেদী ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ (Makhanlal Chaturvedi National University of Journalism and Communication বা MCNUJC)।

১৮৮৯ সালের ৪ এপ্রিল মধ্যপ্রদেশের হোশঙ্গাবাদ জেলার বাবাই নামক গ্রামের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে মাখনলাল চতুর্বেদীর জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম নন্দলাল চতুর্বেদী ও মায়ের নাম সুন্দরী বাই। তাঁর বাবা ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। তিনি ছোটবেলা থেকে মাখনলালের মধ্যে জ্ঞান ও শৃঙ্খলার প্রতি ভালবাসা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। এছাড়া ছোট থেকেই মাখনলাল সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি গিয়ারসি বাইকে বিয়ে করেছিলেন।

মাখনলাল চতুর্বেদী নিজের গ্রামের স্কুলেই প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেছিলেন। তারপর তিনি বাড়িতে ইংরেজি, সংস্কৃত, বাংলা, গুজরাটি ভাষাও শিখেছিলেন। এই বহুভাষিক জ্ঞান পরবর্তীকালে তাঁর সাহিত্য ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে সাহায্য করেছিল। উনিশ শতকের শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি মাখনলালের উপর গভীর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। এই সময় গনেশ শঙ্কর বিদ্যার্থীর (Ganesh Shankar Vidyarthi) আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রাবস্থাতেই মাখনলাল সক্রিয়ভাবে ভারতের জাতীয় আন্দোলনে যোগদান করেছিলেন। 

এক নজরে মাখনলাল চতুর্বেদীর জীবনী:

  • জন্ম: ৪ এপ্রিল, ১৮৮৯
  • মৃত্যু: ৩০ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  • কেন বিখ্যাত: মাখনলাল চতুর্বেদী বিখ্যাত ছিলেন একজন বিপ্লবী হিন্দি কবি, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে। তাঁর দেশপ্রেমে ভরপুর কবিতা—বিশেষত ‘পুষ্প কি অভিলাষা’—ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। জাতীয়তাবাদী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে জনচেতনাকে জাগ্রত করেছিলেন।
  • পুরস্কার ও স্বীকৃতি: প্রথম হিন্দি সাহিত্যিক যিনি সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া সাগর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি.লিট উপাধি দেয়। ভারতের ডাক বিভাগ তাঁর সম্মানে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে। তাঁর নামে ‘মাখনলাল চতুর্বেদী পুরস্কার’ দেয় মধ্যপ্রদেশ সরকার। এছাড়া মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ‘মাখনলাল চতুর্বেদী ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরবর্তীকালে তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়সে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করা শুরু করেন। সেখানেই তিনি হয়ে ওঠেন সবার প্রিয় ‘পণ্ডিতজি’। ১৯১০ সাল পর্যন্ত তিনি ওই স্কুলে শিক্ষকতা করেছিলেন। তারপর নিজের লেখা এবং জীবনকে সম্পূর্ণভাবে দেশের কাজে উৎসর্গ করার জন্য ১৯১৬ সালে তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দেন।

এরপর মাখনলাল চতুর্বেদী ‘প্রভা ‘,  ‘প্রতাপ’ এবং ‘কর্মবীর’-এর মতো জাতীয়তাবাদী পত্রিকাগুলি সম্পাদনা করা শুরু করেন। তিনি সাংবাদিকতাকে হাতিয়ার করে ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে জনসাধারণকে একত্রিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর এই সকল পত্রিকাগুলি সাধারণ মানুষের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এছাড়া তাঁর সাংবাদিকতা জনসাধারণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আবার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধী, বাল গঙ্গাধর তিলক, বিপিনচন্দ্র পালের মতো নেতাদের উত্থান তাঁকে আরও গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। ব্রিটিশ শাসনকালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনঅসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার জন্য তাঁকে বহুবার জেলে যেতে হয়েছিল। জেলে তাঁর উপর নানাভাবে অত্যাচার করা হলেও তিনি কখনোই ভেঙে পড়েননি। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ থেকে সরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছিল। 

আধুনিক হিন্দি কবিতায় মাখনলাল চতুর্বেদী একজন অগ্রণী ব্যক্তি ছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনশীল প্রতিভাকে আরও উজ্জীবিত করেছিল। তাঁর প্রতিবাদের মাধ্যম হয়ে ছিল তাঁর কলম। দেশপ্রেম, প্রকৃতি, মানবতাবাদ ও আধ্যাত্মিকতা- এই ছিল তাঁর কবিতার ভিত্তি। তাঁর লেখায় প্রতিরোধ, ত্যাগ, কর্তব্য, নিষ্ঠার মতো গভীর আবেগগত ভাবনা, সরল ভাষা, দার্শনিক চিন্তা দেখা যায়। তিনি ঔপনিবেশিক ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। ছায়াবাদের আবেগঘন ধারার মধ্যেই তিনি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী চেতনার সংযোজন ঘটিয়েছিলেন। মাখনলাল চতুর্বেদীর সাহিত্য ভাণ্ডার কবিতার পাশাপাশি গদ্য, প্রবন্ধ এবং নাটকে পরিপূর্ণ ছিল। তিনি ছিলেন এমন একজন লেখক, যিনি লেখার মাধ্যমে জনসাধারণের মনে আশা ও প্রত্যাশার সঞ্চার করেছিলেন। তাঁর দেশভক্তিতে পূর্ণ কবিতাগুলি তরুণ বিপ্লবীদের উৎসাহ দিত। 

মাখনলাল চতুর্বেদীর লেখা সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতা হল ‘পুষ্প কি অভিলাষা’। এটি একটি রূপক কবিতা। এখানে কবি জাতির স্বাধীনতা এবং নিঃস্বার্থ ত্যাগের কথা বলেছেন। এই কবিতায় একটি ফুল তার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে বলে যে, প্রেমিক-প্রেমিকার মালার অংশ হতে চায় না, সে সুন্দরী নারীর গয়না হতে চায় না, এমনকি দেবতাদের মাথাতেও উঠতে চায় না। সে চায় তাকে মাতৃভূমির জন্য আত্মাহুতি দিতে চাওয়া বীর সৈনিকদের পথে ফেলে দেওয়া হোক। এই কবিতার সংবেদনশীল চিত্র আজও মানুষের কাছে জনপ্রিয়। এই কবিতাটি মাখনলাল বিলাসপুর জেলে বন্দী থাকার সময় লিখেছিলেন। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় দেশপ্রেমের এক শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছিল ‘পুষ্প কি অভিলাষা’। বর্তমানে এই কবিতাটি কেবল শিক্ষাগত পাঠ্যক্রমের অংশ নয়, বরং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি প্রতীকও বটে। হিন্দি সাহিত্যে মাখনলালের অবিস্মরণীয় কবিতাগুলির মধ্যে এই কবিতাটি অন্যতম। আবার ‘অমর রাষ্ট্র’ মাখনলাল চতুর্বেদীর লেখা এমন কবিতা, যেখানে তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এছাড়া এই কবিতায় তিনি তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে সমগ্র জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। এছাড়া তাঁর রচিত আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হল ‘হিম তরঙ্গিনী’। এখানে কবি প্রকৃতির অপরূপ মহিমা উদযাপন করে তার বিশুদ্ধ বিষয়গুলি সূক্ষ্মভাবে তুলে ধরেছেন। তাছাড়া মাখনলাল চতুর্বেদীর লেখা বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হল ‘সাহিত্য দেবতা’। এই গ্রন্থে সাহিত্যের প্রকৃতি এবং তার গভীরতা নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি। এখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য গদ্যের চেয়ে কবিতা কোথায় স্বতন্ত্র। 

এছাড়া মাখনলাল চতুর্বেদীর রচিত অন্যান্য বিখ্যাত কবিতাগুলি হল ‘বেণু লো, গুঞ্জে ধারা’, ‘যুগচরণ’, ‘অঞ্জলি কে ফুল গির জাতি হ্যায়’, ‘ইস তারাহ ধাক্কান লাগায়া রাত নে’,  ‘কিরনেঁ কি শালা বন্দ হো গয়ি চুপ-চুপ’, ‘মধুর-মধুর কুছ গা দো মালিক’, ‘কৈদী ঔর কোকিলা’ ইত্যাদি। এগুলি ছাড়া তার অনন্য একটি নাটক হল ‘কৃষ্ণার্জুন যুদ্ধ’। 

মাখনলাল চতুর্বেদী ছিলেন এমন এক দূরদর্শী লেখক, যিনি বিশ্বাস করতেন যে, সাহিত্য কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়। এই সাহিত্যকে সামাজিক জাগরণের মাধ্যম হিসেবে কাজ করা উচিত। তিনি প্রগতিশীল সাহিত্যচিন্তার সঙ্গে সহমর্মী ছিলেন এবং সামাজিক দায়বদ্ধ লেখালেখিকে উৎসাহিত করেছিলেন। এছাড়া ১৯৪৩ সালে তিনি ‘অল ইন্ডিয়া লিটারারি কনফারেন্স’- এর সভাপতিত্বও করেছিলেন। 

তিনি একজন কবি হিসেবে পাঠকদের গীতিময় এবং দার্শনিক গভীরতার কিছু অনন্য কবিতা উপহার দিয়েছিলেন। আবার একজন সাংবাদিক হিসেবে নিপীড়নের মুখে কলমের শক্তির জোর দেখিয়ে দিয়ে নতুন উদাহরণ তৈরি করেছিলেন। সাহস এবং সততার প্রতীক মূর্তি ছিলেন তিনি।  ভারতের স্বাধীনতার পর তিনি কোনও সরকারি পদ গ্রহণ করেননি। তিনি চাকরি করার পরিবর্তে সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে প্রচার করে একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ার জন্য লেখালেখি চালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে একটি শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠন করতে চেয়েছিলেন। এছাড়া সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করেছিলেন এবং যুবসমাজকে দাসত্বের শৃঙ্খলা থেকে বের করে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। 

মাখনলাল চতুর্বেদী তাঁর অবিস্মরণীয় কীর্তির জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মান লাভ করেছিলেন। ১৯৫৫ সালে প্রথম হিন্দি সাহিত্যের লেখক হিসাবে তিনি ‘হিম তরঙ্গিনী’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন। আবার ১৯৬৩ সালে তাঁকে ভারত সরকার পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়েছিল। এছাড়া সাগর বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি.লিট বা ডক্টর অফ লিটারেচার সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল। তাছাড়া ভারতের ডাক ও টেলিগ্রাফ বিভাগ পণ্ডিত মাখনলাল চতুর্বেদীকে সম্মান জানাতে ১৯৭৭ সালের ৪ এপ্রিল তাঁর জন্মবার্ষিকীতে একটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিল। মধ্যপ্রদেশ সাহিত্য একাডেমী প্রতি বছর ‘মাখনলাল চতুর্বেদী সমারোহ’ নামক এক অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এখানে ভারতীয় ভাষায় কবিতায় শ্রেষ্ঠত্বের জন্য যোগ্য ভারতীয়দের ‘মাখনলাল চতুর্বেদী পুরস্কার’ দেওয়া হয়। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরষ্কারটি ১৯৮৭ সাল থেকে দেওয়া শুরু হয়েছিল। 

এছাড়া ১৯৯০ সালে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ‘মাখনলাল চতুর্বেদী ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জার্নালিজম অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের বৃহত্তম সাংবাদিকতা বিশ্ববিদ্যালয়। সাংবাদিকতা এবং লেখার মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামে মাখনলাল চতুর্বেদীর অবদানকে সম্মান জানাতে তাঁর নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণ করা হয়েছিল। মধ্যপ্রদেশে তাঁর জন্মস্থান বাবাই গ্রামের নাম পরিবর্তন করে মাখনলালের নামানুসারে ওই গ্রামের  নাম রাখা হয়েছে মাখন নগর গ্রাম। 

১৯৬৮ সালের ৩০ জানুয়ারি ভোপালে মাখনলাল চতুর্বেদীর মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading