সববাংলায়

রাফায়েল

শিল্পকলার ইতিহাসে যেসব চিত্রশিল্পী অমর হয়ে থাকবেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন বিখ্যাত ইতালীয় শিল্পী এবং স্থপতি রাফায়েল (Raphael)। নবজাগরণের চরম পর্যায়ের একজন গুরুত্বপূর্ণ পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। কেউ কেউ তাঁকে তাঁর সমসাময়িক মাইকেল অ্যাঞ্জেলো এবং লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির থেকেও গুণী বলে মনে করেন। রাফায়েলের ছবি পোপেদের খুব পছন্দ ছিল। তিনি তৈলচিত্র, ফ্রেস্কো, ভাস্কর্য ইত্যাদি নানারকম মাধ্যমে কাজ করেছিলেন। তাঁর ছবির মধ্যে মানব মহিমাকে তিনি তুলে ধরবার চেষ্টা করেছিলেন। সুন্দর, পরিমার্জিত এবং করুণ চিত্রকর্মের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। তাঁকে ‘ম্যানারিজম’ নামক নতুন একধরনের শৈলীর পথপ্রদর্শক বলা হয়ে থাকে। ‘দ্য ম্যারেজ অব দ্য ভার্জিন’ নামক ছবি এবং ‘দ্য স্কুল অব এথেন্স’ নামক ম্যুরালটি রাফায়েলের দুটি অসামান্য শিল্পকর্ম।

১৪৮৩ সালে ইতালির শিল্প-সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ উরবিনো শহরে রাফায়েলের জন্ম হয়। তাঁর সম্পূর্ণ নাম হল রাফায়েলো সানজিও দা উরবিনো। রাফায়েলের জন্ম তারিখ নিয়ে একটু সংশয় রয়েছে। ৬ এপ্রিল অথবা ২৮ মার্চ, এই দুটির মধ্যে যে-কোনো একটি তারিখকেই রাফায়েলের জন্মতারিখ হিসেবে মনে করা হয়। রাফায়েলের পিতা জিওভানি সান্তি নিজে একজন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী এবং কবি ছিলেন। তিনি ডিউকের দরবারের চিত্রকর হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর মায়ের নাম ম্যাজিয়া ডি বাতিস্তা ডি নিকোলা সিয়ারলা। যেহেতু বাবা ছিলেন শিল্পী, তাই রাফায়েল ছোট থেকেই একটি শৈল্পিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছিলেন। এছাড়াও তাঁর শহরটিও শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার একটি কেন্দ্র ছিল। অতএব এই সমস্ত প্রভাব রাফায়েলের ওপর কাজ করেছিল। ১৪৯১ সালে রাফায়েলের বয়স যখন আট বছর তখন তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর তাঁর বাবা পুনরায় বিবাহ করেছিলেন কিন্তু জিওভানি নিজেও ১৪৯৪ সালে মারা যান। অতএব ১১ বছর বয়সকালে রাফায়েল সম্পূর্ণ অনাথ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর সৎ মা সেই সময় মৃত জিওভানির ওয়ার্কশপ পরিচালনা করার চেষ্টা করতেন এবং রাফায়েল সেই কাজে তাঁকে সাহায্য করতেন।

খুব ছোটবেলা থেকেই রাফায়েল চিত্রাঙ্কন শেখা এবং অঙ্কন করা শুরু করেন। এমনকি অল্প বয়সে তিনি একটি আত্মপ্রতিকৃতিও অঙ্কন করেন। রাফায়েলের বাবা তাঁকে উমব্রিয়ান মাস্টার পিয়েত্রো পেরুগিনোর শিল্প কর্মশালায় শিক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলেন। তখন তাঁর বয়স ছিল সম্ভবত আট বছর। এই তথ্য নিয়ে অবশ্য অনেক সংশয়ও দেখা দিয়েছিল। আরেকটি মতানুযায়ী, ১৪৯৫ সাল থেকে উরবিনোতে দরবারী চিত্রকর হিসেবে কাজ করা টিমোটিও ভিতির কাছ থেকেও রাফায়েল প্রশিক্ষণ পেয়েছিলেন। অনেক ঐতিহাসিকের মতে রাফায়েল ১৫০০ সালের দিকে পেরুগিনোর সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেই কারণে রাফায়েলের প্রথমদিকের কাজের মধ্যে পেরুগিনোর সুস্পষ্ট প্রভাব লক্ষ করা যায়। সম্ভবত ১৫০০ সালের ডিসেম্বর মাসে রাফায়েলকে ‘মাস্টার’ হিসেবে মান্যতা দেওয়া হয়েছিল অর্থাৎ তাঁর প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণতা পেয়েছিল।

রাফায়েল ১৫০০ সালে সিট্টা ডি কাস্তেলোর সান্ট’আগোস্টিনো চার্চে ব্যারোঙ্কি চ্যাপেলের জন্য টোলেন্টিনোর সেন্ট নিকোলাসকে উৎসর্গীকৃত একটি বড় বেদি আঁকার কাজের দায়িত্ব পান। এটিই ছিল হিসেব মতো তাঁর প্রথম কাজ। এই ছবিগুলি ১৫০১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছিল। এই কাজটি ব্যারোন্সি অল্টারপিস নামে পরিচিত। ১৫০২-০৩ সালে রাফায়েল সিট্টা ডি কাস্তেলোর সান ডোমেনিকো গির্জার এক বেদিতে আঁকেন ‘মন্ড ক্রুশিফিকেশন’ নামে যিশুর ক্রুশবিদ্ধ অথচ শান্ত একটি ছবি। সম্ভবত এই সময়েই ১৫০৪ সালে রাফায়েল সেই বিখ্যাত ছবি ‘ওয়েডিং অব দ্য ভার্জিন’ আঁকেন। এছাড়াও সান ফ্রান্সেস্কো আল-এর গীর্জায় ‘করোনেশন অব ভার্জিন’ নামক ওডি অল্টারপিস শিল্পকর্ম তৈরি করেন। এই সময় আরও বেশ কিছু ছোটছোট কাজ ছাড়াও ম্যাডোনা বা ভার্জিন মেরির ছবি এবং প্রতিকৃতি আঁকাও শুরু করেছিলেন তিনি।

রাফায়েল একটি ভবঘুরে জীবনযাপন করেছিলেন। সম্ভবত ১৫০৪ সাল নাগাদ তিনি ফ্লোরেন্সে চলে গিয়েছিলেন। সেখানে সম্ভবত ১৫০৮ সাল পর্যন্ত সময় কাটিয়েছিলেন তিনি৷ ফ্লোরেন্সে তিনি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি এবং মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর কাজগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত এবং প্রভাবিত হয়েছিলেন। আরও শেখবার ক্ষুধা তাঁর প্রবল ছিল। রাফায়েল ভিঞ্চি বা মাইকেল অ্যাঞ্জেলোদের কাজ থেকে নানারকম কৌশল ও শৈলী আয়ত্ত করেছিলেন। রাফায়েল তখন ভিঞ্চির ত্রিভুজ শৈলীর অনুকরণ করে বেশ কিছু ছবি এঁকেছিলেন। এছাড়াও সেই সময় রাফায়েল তাঁর ছবিতে ধ্রুপদী স্মৃতিসৌধগুলিকে আনছেন এবং নানারকম জটিল ভঙ্গির চিত্র অঙ্কন করছেন যা আসলে মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর চিত্রকর্মের বৈশিষ্ট্য। চিত্রশিল্পী ফ্রা বার্তোলোমিওর দ্বারাও প্রভাবিত হয়েছিলেন তিনি। রাফায়েল ফ্লোরেন্সে থাকাকালীন বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাজ করেছিলেন। ১৫০৭ সালে আঁকা ‘লা বেলে জার্ডিনেরে’-সহ ম্যাডোনা সিরিজের আরও কয়েকটি ছবি এঁকেছিলেন। এখানে থাকাকালীন যে তিনটি অসামান্য বেদীচিত্র সৃষ্টি করেছিলেন তিনি সেগুলি হল ‘অ্যানসিডি ম্যাডোনা’, ‘ব্যাগ্লিওনি বেদী’ এবং ফ্লোরেন্টাইন গীর্জা সান্টো স্পিরিটোতে ‘ম্যাডোনা ডেল বাল্ডাচিনো’।

১৫০৮ সাল নাগাদ রাফায়েল চলে যান রোমে। সেখানে তাঁর অসামান্য শিল্পকীর্তির নিদর্শন আজও স্বমহিমায় জ্বাজ্জল্যমান। পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াস সম্ভবত তাঁর স্থপতি ডোনাটো ব্রামান্তের পরামর্শে রাফায়েলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পোপ জুলিয়াস তাঁকে তখন ভ্যাটিকান প্রাসাদে যেখানটায় ফ্রেস্কো তৈরির কাজে নিযুক্ত করেন, সেই ঘরটিকে পোপের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে পরিণত করবার পরিকল্পনা ছিল। সেই সময় মাইকেল অ্যাঞ্জেলো সিস্টিন চ্যাপেলের সিলিং আঁকার দায়িত্ব পেয়েছিলেন। স্ট্যানজা বা রাফায়েল রুমের প্রথম চিত্রকর্মটি ‘স্ট্যানজা ডেলা সেগনাতুরা’ নামে পরিচিত। এই কাজটিকে তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কাজগুলির একটি বলে মনে করা হয়। পেরুগিনো এবং সিগনোরেলি সহ অন্যান্য শিল্পীদের স্থানচ্যুত করে রাফায়েলকে ছবি আঁকার জন্য আরও কয়েকটি ঘর দেওয়া হয়েছিল। রাফায়েলের কাজে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন পোপ যে, আরও জায়গা তাঁকে দেওয়ার জন্য অন্যান্য ফ্রেস্কো সরিয়ে দিয়েছিলেন। মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর সিস্টিন চ্যাপেলের সিলিং দ্বারা খুবই প্রভাবিত হয়েছিলেন। যদিও রাফায়েলের নিজস্ব শৈলীও তাতে খুঁজে পাওয়া যাবে। মাইকেল অ্যাঞ্জেলো এবং রাফায়েলের মধ্যে তখন দারুণ এক শৈল্পিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলেছিল। এমনকি মাইকেল অভিযোগ করেছিলেন যে রাফায়েল তাঁকে বিষ দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। এই সময়কালেই ১৫১০-১১ সালের মধ্যে রাফায়েল তাঁর অন্যতম বিখ্যাত চিত্রকর্ম করেন পোপ জুলিয়াসের প্রাসাদেরই এক দেয়ালে, যেটি ‘দ্য স্কুল অব এথেন্স’ নামে পরিচিত। এই ছবিতে বিখ্যাত সব জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ, দার্শনিকদের ছবি এঁকেছিলেন তিনি। এই ছবিটিতে রাফায়েল ক্রন্দনরত মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর একটি প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন মাইকেলের শৈলীরই একটি ব্যঙ্গরূপ হিসেবে।

রাফায়েলের করা সেই প্রাসাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেস্কো হল ‘মাস অব বলসেনা’। এছাড়াও সিস্টিন চ্যাপেল ট্যাপেস্ট্রিগুলির জন্য স্কেচ করেছিলেন তিনি। ১৫১১-১৩ সময়কালের মধ্যে রোমের ভিলা ফার্নেসিনাতে পৌরাণিক বিষয়বস্তুকে অবলম্বন করে একটি ফ্রেস্কো সিরিজ করেছিলেন। এই সিরিজের ‘গ্যালাটিয়া’ নামের একটি ফ্রেস্কো খুবই বিখ্যাত। এটি তাঁর আরেক পৃষ্ঠপোষক অ্যাগোস্টিনো চিগির টাইবার ভিলার জন্য আঁকা হয়েছিল

রাফায়েল কিন্তু কেবলই দেয়ালচিত্র অঙ্কনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি নিজেকে। এই সময় প্রতিকৃতি আঁকার কাজ পাচ্ছিলেন তিনি। এমনকি পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াসেরও একটি প্রতিকৃতি করেছিলেন যেটি বর্তমানে লন্ডনের ন্যাশানাল গ্যালারিতে রয়েছে। এছাড়াও এক দরবারী বালদাসারে কাস্টিগ্লিওনেরও ছবি এঁকেছিলেন যেটি এখন প্যারিসের ল্যুভরে রয়েছে।

১৫১৩ সালে পোপ জুলিয়াসের মৃত্যুর পর জিওভানি ডি মেডিসি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন এবং লিও এক্স নাম গ্রহণ করেন। এই নতুন পোপও রাফায়েলকে খুব গুণী শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। তখন রাফায়েল নিজস্ব একটি কর্মশালা নির্মাণ করে ফেলেছেন এবং তাঁর প্রায় ৫০জন ছাত্র সহযোগী ছিল। কাজের বিশাল চাপের কারণে ছাত্ররা রাফায়েলের নকশার অনুকরণ করে অনেক শিল্পকর্ম সম্পন্ন করেছিলেন।

স্থাপত্যের কাজেও রাফায়েল নিজস্ব স্বাক্ষর রেখেছিলেন। ১৫১৪ সালে পোপ লিও তাঁকে সেন্ট পিটার্সের স্থপতি নিযুক্ত করেছিলেন। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের নকশা করেছিলেন তিনি। পোপ লিওর একজন চেম্বারলাইন অর্থাৎ রাজকীয় পরিবার পরিচালনাকারী কর্মকর্তা জিওভান্নি বাতিস্তার ব্রাঙ্কোনিওর জন্য পালাজো ব্র্যাঙ্কোনিও ডেল’আকুইলা নামে একটি প্রাসাদের ডিজাইন রাফায়েল তৈরি করে দিয়েছিলেন। পোপের কোষাধ্যক্ষ অ্যাগাস্টিনো চিপির জন্য চিগি চ্যাপেলের নকশা তিনি করেন এবং মোজাইক দিয়ে সাজান। কার্ডিনাল গিউলিও দে’ মেডিসি যিনি পরবর্তীকালে পোপ সপ্তম ক্লেমেন্ট নামে পরিচিত হয়েছিলেন, তাঁর জন্য ভিলা মাদামা প্রাসাদের একটি নকশা করেছিলেন। সেই সময় রোমের একজন নামকরা স্থপতি হয়ে উঠেছিলেন তিনি। ১৫১৫ সালে রাফায়েলকে শহর এবং তার এক মাইলের মধ্যে প্রাপ্ত সমস্ত পুরাকীর্তি পরীক্ষা করবার অধিকার দেওয়া হয়েছিল। পোপকে তিনি চিঠিতে এইসমস্ত প্রাচীন কীর্তি, স্তম্ভগুলিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার উপায়গুলি জানিয়েছিলেন।

১৫১৮ সালে তিনি ‘লা ফোরনারিনা’ নামের একটি ছবিতে এক মহিলার প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন৷ ঐতিহাসিকরা মনে করেন এই মহিলাটির সঙ্গে রাফায়েলের ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা ছিল। তাঁর আরেকটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম হল ‘লা ডোনা ভেলাটা’ যেটি ১৫১৪-১৫ সালে সম্পন্ন করেছিলেন। সিসিলিয়ান মনাস্ট্রি থেকে রাফায়েলকে একটি ছবি আঁকার কথা বলা হয়েছিল, ফলস্বরূপ তিনি এঁকেছিলেন ‘ক্রাইস্ট ফলিং অন দ্য ওয়ে টু ক্যালভ্যারি’। ১৫১৭ সালে এটি শেষ করেছিলেন৷ এই ছবিটিকে ঘিরে বিতর্কও দানা বেঁধেছিল। ১৫২০ সালে রাফায়েল তাঁর সর্বশেষ ছবি ‘দ্য ট্রান্সফিগারেশন’ এঁকেছিলেন।

রাফায়েল খুবই ধনী এবং বিখ্যাত হলেও কখনও বিবাহ করেননি। তাঁর সঙ্গে উপপত্নী হিসেবে থাকতেন মার্গেরিটা লুটি। এছাড়াও আরও অনেক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর। তিনি ১৫১৪ সালে কার্ডিনাল মেডিসি বিবিয়েনার ভাগ্নী মারিয়া বিবিয়েনার সাথে বাগদান সম্পন্ন করেছিলেন কিন্তু সেই বিবাহ আর হয়নি কখনই।

রাফায়েলের মৃত্যুর কারণ বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তবে ভাসারির মতে অত্যধিক যৌন মিলনের কারণেই অসুস্থ হয়ে রাফায়েলের মৃত্যু হয়েছিল। ভাসারি রাফায়েলের জীবনীতে জানান যে, গুড ফ্রাইডের দিন রাফায়েল জন্মেছিলেন এবং যেদিন মারা যান সেদিনও ছিল গুড ফ্রাইডে।

১৫২০ সালের ৬ এপ্রিল রোমে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে রেনেসাঁর সময়ের এই কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী রাফায়েলের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading