ধর্ম

শিখণ্ডী

দ্রোণ বধ নিয়ে অর্জুন যুধিষ্ঠিরের ঝগড়া

মহাভারতের উদ্যোগপর্বে ১৭০তম অধ্যায় থেকে ১৯২তম অধ্যায় জুড়ে শিখণ্ডী র কাহিনী বর্ণিত আছে। ভীষ্ম কেন শিখণ্ডীর সঙ্গে যুদ্ধ করবেন না, দুর্যোধনের এই প্রশ্নের উত্তরে ভীষ্ম শিখণ্ডীর জীবনকাহিনি শুনিয়েছিলেন। সৎভাই বিচিত্রবীর্যের জন্য ভীষ্ম কাশীরাজের তিন মেয়ে অম্বা, অম্বিকা ও অম্বালিকাকে স্বয়ম্বর সভা থেকে অপহরণ করে নিয়ে আসেন। কিন্তু হস্তিনাপুরে এসে অম্বা স্বীকার করেন যে তিনি শাল্বরাজকে মনে মনে ভালোবাসেন এবং তাঁকেই নিজের স্বামী হিসাবে পেতে চান। এই কথা শুনে ভীষ্ম অম্বাকে সসম্মানে বিদায় দিয়ে অম্বিকা ও অম্বালিকার সঙ্গে বিচিত্রবীর্যের বিয়ে দেন। কিন্তু অম্বা শাল্বরাজের কাছে ফিরে গেলে শাল্বরাজ বললেন যে ভীষ্ম অম্বাকে স্পর্শ করেছেন, তাই তিনি অম্বাকে গ্রহণ করবেন না। শাল্বরাজের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে অম্বা রেগে গেলেন এবং ভাবলেন, “আমার দুরবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র ভীষ্ম। তাই আমি ভীষ্মের উপর প্রতিশোধ নেব। তবে সামনাসামনি যুদ্ধ করে ভীষ্মকে হারাবার ক্ষমতা কোন রাজার নেই। তাই আমাকে তপস্যা করে দেবতাদের আশীর্বাদ নিয়েই ভীষ্মকে বধ করতে হবে।”

এই ভেবে অম্বা তপোবনে গিয়ে মুনি-ঋষিদের কাছে নিজের দুর্দশার কথা জানালেন। সব শুনে শৈখাবত্য নামে এক ঋষি অম্বাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, আশ্রমবাসী তপস্বীরা তাঁর কী সাহায্য করতে পারেন? উত্তরে অম্বা বললেন যে, তিনি আর সংসারে ফিরে যেতে চান না। তিনি এই আশ্রমে থেকেই ব্রহ্মচারিণী হয়ে তপস্যা করবেন। কিন্তু মুনি-ঋষিরা এই প্রস্তাব শুনে খুশি হলেন না। কারণ অম্বা কুমারী এবং যুবতী। তাঁর মতো সুন্দরী যদি আশ্রমে থাকেন তবে আশ্রমের পরিবেশ নষ্ট হবে। তাই অম্বার উচিত নিজের ঘরে ফিরে যাওয়া। অম্বা এই কথা শুনে বললেন, “এখন যদি আমি আমার ঘরে ফিরে যাই, তবে আমি আর আগের মত ব্যবহার পাব না। উপরন্তু আমি আমার বাবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠব। আমার পক্ষে আর ঘরে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। আমি তপস্যা করেই আমার জীবন কাটাতে চাই।”


এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com


 

সবাই যখন এইসব আলোচনা করছেন, তখন সেখানে এলেন তপস্বী হোত্রবাহন। তিনি ছিলেন অম্বার দাদু। মহর্ষি হোত্রবাহন অম্বাকে কোলে টেনে নিয়ে তাঁর দুঃখের কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। সব কথা শুনে তিনি অম্বাকে বললেন, “অম্বা! তুমি আর ঘরে ফিরে যেও না। আমার কথা শোনো, আমি তোমার দুঃখ দূর করব। তুমি ঋষি জমদগ্নির পুত্র মহাতেজস্বী পরশুরামের কাছে যাও। তিনি ভীষ্মের গুরু, তাই ভীষ্ম নিশ্চয়ই তাঁর কথা শুনে তোমাকে বিয়ে করবেন। আর যদি ভীষ্ম তা না করেন, তবে পরশুরাম যুদ্ধ করে তাঁকে বধ করবেন। পরশুরাম আমার বন্ধু, তিনিই তোমার ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন।” এই সময় পরশুরামের অনুচর অকৃতব্রণ সেখানে এলেন। তিনি বললেন যে, হোত্রবাহনের সঙ্গে দেখা করার জন্য পরেরদিন সকালেই পরশুরাম সেখানে আসবেন। অম্বা যেন তখনই পরশুরামকে সব কথা বলেন। তিনি অম্বাকে আরো জিজ্ঞাসা করলেন, ভীষ্ম না শাল্বরাজ—কার উপর অম্বা প্রতিশোধ নিতে চান। অম্বা তখন বললেন, ভীষ্ম কিছু না জেনেই জোর করে তাঁকে অপহরণ করেছিলেন। আবার ভীষ্ম অপহরণ করেছিলেন বলেই শাল্বরাজ তাঁকে বিয়ে করেননি। অকৃতব্রণ সব শুনে ঠিক করলেন যে ভীষ্মেরই দোষ বেশি।
পরেরদিন সকালে পরশুরাম সেই আশ্রমে এলে হোত্রবাহন অম্বার সব কথা তাঁকে বলে এই সমস্যার সমাধান করতে বললেন। পরশুরাম অম্বাকে জিজ্ঞাসা করলেন তাঁর এই অবস্থার জন্য দায়ী কে? অম্বা উত্তর দিলেন, “ভগবান! আমার এই অবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র ভীষ্ম। আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আপনি ভীষ্মকে বধ করুন।”

পরশুরাম তখন ঠিক করলেন তিনি অম্বাকে নিয়ে হস্তিনাপুর যাবেন এবং প্রথমে ভীষ্মকে অনুরোধ করবেন অম্বাকে বিয়ে করার জন্য। ভীষ্ম রাজি না হলে তিনি যুদ্ধ করবেন। সেইমত পরশুরাম হস্তিনাপুরে এলে ভীষ্ম সসম্মানে তাঁকে অভ্যর্থনা করলেন। পরশুরাম তখন ভীষ্মকে আদেশ করলেন অম্বাকে বিয়ে করার জন্য। কারণ ভীষ্ম অম্বাকে স্পর্শ করেছেন বলেই অম্বাকে আর কেউ বিয়ে করেনি। কিন্তু গুরুর আদেশ মানলেন না ভীষ্ম। তাঁর মতে, পরপুরুষে আসক্ত নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়, এতে অনেক বড় বিপদ ঘটতে পারে। ভীষণ রেগে গেলেন পরশুরাম। তিনি ভীষ্মকে যুদ্ধে আহ্বান করলেন। ভীষ্মও রাজি হলেন যুদ্ধ করতে। কুরুক্ষেত্রের সমন্তপঞ্চক দেশে ভীষ্ম ও পরশুরামের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হল। এরপর একটানা তেইশ দিন ধরে যুদ্ধ চলল। কেউ কাউকে হারাতে পারলেন না। শেষকালে আটজন বসু এসে ভীষ্মকে বললেন ‘প্রস্বাপন’ অস্ত্র ব্যবহার করতে। এই অস্ত্রের সঙ্কেত পরশুরাম জানেন না। এতে পরশুরামের মৃত্যু হবে না, কিন্তু তিনি অজ্ঞান হয়ে যাবেন। তারপর আবার ‘সম্বোধন’ অস্ত্রের সাহায্যে তাঁর জ্ঞান ফেরানো যাবে।

ভীষ্ম তাঁর ধনুকে প্রস্বাপন অস্ত্র জুড়তেই সারা পৃথিবী হাহাকারে ভরে উঠল। তখন দেবর্ষি নারদ এসে ভীষ্মকে বললেন, “তুমি পরশুরামের উপর এই অস্ত্র ব্যবহার করতে পারো না। একাজ করলে তোমার পাপ হবে।” আবার পরশুরামের পূর্বপুরুষেরা এবং নারদ তাঁকে বললেন, “তুমি ভীষ্মকে হারাতে পারবে না। ভীষ্মের মৃত্যু তোমার হাতে হবে না। ভীষ্ম শ্রেষ্ঠ ক্ষত্রিয় এবং আটজন বসুর অংশে তাঁর জন্ম।” নারদ, পিতৃপুরুষেরা এবং ভীষ্মের মা গঙ্গাদেবী এসে দুজনের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁদের আদেশে পরশুরাম এবং ভীষ্ম—দুজনেই অস্ত্রত্যাগ করলেন। ভীষ্ম তখন পরশুরামকে প্রণাম করে ক্ষমা চাইলেন। পরশুরাম খুশি মনে তাঁকে আশীর্বাদ করলেন। এরপর পরশুরাম অম্বাকে ডেকে বললেন, তিনি তাঁর সাধ্যমত চেষ্টা করেও ভীষ্মকে জয় করতে পারলেন না। তাই অম্বার উচিত ভীষ্মের কাছেই আশ্রয় নেওয়া।

অম্বা পরশুরামের কথা সত্য বলে মেনে নিলেও হাল ছেড়ে দিলেন না। তিনি ঠিক করলেন নিজেই ভীষ্মকে বধ করার উপায় খুঁজে বের করবেন। এই ভেবে অম্বা যমুনা নদীর ধারে ঋষিদের আশ্রমে গিয়ে ভয়ঙ্কর তপস্যা আরম্ভ করলেন। তিনি শুধু হাওয়া খেয়ে ছয়মাস তপস্যা করলেন। যমুনার জলে ডুবে এক বছর ধরে জলবাসব্রত পালন করলেন। এক বছর ধরে মাত্র একটি আঙুলে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে একটি গাছের পাতা খেয়ে তিনি তপস্যা করলেন। কেউ তাঁকে বারণ করতে পারল না। এরপর তিনি নন্দাশ্রম, উলূকাশ্রম, চ্যবনাশ্রম, মানস সরোবর, প্রয়াগ, দেবযান, দেবারণ্য, ভাগীরথী, বিশ্বামিত্রাশ্রম, মাণ্ডবাশ্রম, দিলীপাশ্রম, রামহ্রদ, পৈলগর্গাশ্রম — এই সব জায়গায় গিয়ে কঠিন ব্রত পালন করতে লাগলেন। এইভাবে বারো বছর পেরিয়ে গেল।

একদিন গঙ্গাদেবী অম্বার কাছে এলেন। তিনি অম্বাকে তাঁর এই ভীষণ তপস্যার কারণ জিজ্ঞাসা করলে অম্বা বললেন, ভীষ্মকে বধ করার জন্যই তিনি তপস্যা করছেন। একথা শুনে গঙ্গাদেবী ক্ষুব্ধ হলেন এবং অম্বাকে বললেন, “তোমার আচরণ কুটিল। তাই তুমি তোমার ইচ্ছা পূরণ করতে পারবে না। তুমি মন্দতীর্থ নদীতে পরিণত হবে। শুধু বর্ষাকালেই তাতে জল থাকবে, বাকি আটমাস থাকবে না। ভয়ানক জলচর জীবেরা সেখানে বাস করবে। সবাই সেই নদীকে ভয় করে চলবে।” এই অভিশাপ পেয়েও অম্বা তপস্যা করে যেতে লাগলেন। তারপর তিনি বৎস্যদেশে এসে তপস্যা শুরু করলেন। বর্ষাকাল আসা মাত্রই অম্বার দেহের অর্ধেক অংশ নদী হয়ে গেল। বাকি অর্ধেক অংশ কুমারী মেয়েই রইল। সেইভাবেই অম্বা তপস্যা করতে লাগলেন। তা দেখে মহাত্মা মুনি-ঋষিরা অম্বার কাছে এসে তাঁকে তপস্যা বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করলেন। কিন্তু অম্বা বললেন যে, ভীষ্মকে বধ না করে তিনি তপস্যা বন্ধ করবেন না।

তখন মহাদেব এসে অম্বার সামনে দাঁড়ালেন। অম্বা ভীষ্মের মৃত্যু চাইলে তিনি অম্বাকে বললেন, “তুমি ভীষ্মকে বধ করতে পারবে। তবে এ জন্মে নয়, পরের জন্মে। তুমি নারী হয়ে জন্ম নিলেও পরে পুরুষত্ব লাভ করবে এবং যুদ্ধ করে ভীষ্মকে বধ করবে। এই জন্মের সব কথা তোমার মনে থাকবে। তুমি রাজা দ্রুপদের ঘরে জন্ম নেবে। পরে পুরুষ হয়ে তুমি ভীষ্মকে হত্যা করবে।” এই বর দিয়ে মহাদেব অদৃশ্য হয়ে গেলেন। অম্বা তখন ঋষিদের সামনেই কাঠ দিয়ে চিতা সাজিয়ে তাতে আগুন দিলেন। তারপর “আমি ভীষ্মকে বধ করার জন্য এই দেহ ত্যাগ করছি” এই বলে জ্বলন্ত আগুনে প্রবেশ করলেন। পরের জন্মে পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের ঘরে অম্বার জন্ম হয়। দ্রুপদ নিঃসন্তান ছিলেন। সন্তান চেয়ে তিনি শিবের পূজা করলে শিব তাঁকে বর দেন যে, দ্রুপদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেবে এবং পরে সে পুরুষত্ব পাবে।

যথাসময়ে রাজমহিষী গর্ভবতী হলেন এবং একটি কন্যাসন্তান প্রসব করলেন। কিন্তু সবাই জানল রাজার পুত্রসন্তান হয়েছে। তার নাম রাখা হল ‘শিখণ্ডিনী’। মহারাজ দ্রুপদ তাকে পুত্ররূপেই পালন করতে লাগলেন। শিখণ্ডিনী যুদ্ধবিদ্যা ও শস্ত্রচালনা শিখলেন। উপযুক্ত বয়স হলে দশার্ণদেশের রাজা হিরণ্যবর্মার মেয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হল। কিন্তু একদিন রাজকন্যা জানতে পারলেন শিখণ্ডিনী আসলে নারী। তিনি রাজা হিরণ্যবর্মাকে এই কথা জানালে রাজা ভীষণ রেগে গিয়ে পাঞ্চালরাজ্য আক্রমণ করবেন বলে হুমকি দিলেন। রাজকুমারী শিখণ্ডিনী এইসব কথা শুনে দুঃখ পেলেন এবং আত্মহত্যা করবেন বলে রাজপুরী ছেড়ে গভীর বনে চলে গেলেন। সেই বনে স্থূণাকর্ণ নামে এক যক্ষ থাকতেন। তিনি রাজকুমারীকে কাঁদতে দেখে তাঁর কাছে এসে কান্নার কারণ জানতে চাইলেন। শিখণ্ডিনী তাঁকে সব কথা বললে তিনি বললেন, “আমি নিজে তোমার স্ত্রীরূপ নিয়ে আমার পুরুষত্ব তোমাকে দেব। কিন্তু তোমাকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে একটি নির্দিষ্ট সময় পর তুমি আমার পুরুষত্ব আমাকে ফিরিয়ে দেবে।” শিখণ্ডিনী এই কথায় রাজি হলে যক্ষ নিজের পুরুষত্ব শিখণ্ডিনীকে দান করলেন এবং নিজে নারীরূপ গ্রহণ করলেন। পুরুষরূপে শিখণ্ডিনীর নাম হল ‘ শিখণ্ডী ’ ।
এরপর মহারাজ হিরণ্যবর্মা শিখণ্ডী র পৌরুষের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য একদল সুন্দরী ও কামকলায় নিপুণ দাসীকে পাঞ্চালরাজ্যে পাঠালেন। তারা শিখণ্ডীর সঙ্গে কিছুকাল থেকে দশার্ণদেশে ফিরে গেল এবং রাজাকে বলল, “মহারাজ! পাঞ্চালের রাজকুমার শিখণ্ডী একজন সার্থক পুরুষ।” এই কথা শুনে মহারাজ খুশি হলেন এবং দ্রুপদের কাছে ক্ষমা চাইলেন। এদিকে একদিন যক্ষরাজ কুবের সেই বনের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি স্থূণাকর্ণকে স্ত্রীরূপে দেখে ভীষণ রেগে গেলেন এবং অভিশাপ দিলেন যে যতদিন না শিখণ্ডীর মৃত্যু হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত শিখণ্ডী পুরুষরূপে এবং স্থূণাকর্ণ স্ত্রীরূপেই থাকবেন। শিখণ্ডীর মৃত্যু হলে আবার স্থূণাকর্ণ পুরুষত্ব ফিরে পাবেন। রাজকুমার শিখণ্ডী যে সম্পূর্ণ পুরুষ নন, একথা ভীষ্ম জানতেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের আগে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে তিনি নারী, নারীবেশী পুরুষ, যে পুরুষ আগে নারী ছিল, নারীর নামধারী পুরুষ এবং ক্লীবের উপর অস্ত্রাঘাত করবেন না। তাই তিনি কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় শিখণ্ডীর সাথে যুদ্ধ করেননি। অর্জুন তাই তাঁকে সামনে রেখেই ভীষ্মকে আঘাত করতেন। যুদ্ধের দশম দিনে শিখণ্ডী ও অর্জুনের তীরে আহত হয়ে ভীষ্ম রথ থেকে পড়ে যান এবং শরশয্যা গ্রহণ করেন। সেই অবস্থায় আটান্ন দিন থাকার পর ভীষ্ম দেহত্যাগ করেন।

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে আর শিখণ্ডীকে দেখা যায় না। এরপর মহাভারতের সৌপ্তিকপর্বে অষ্টম অধ্যায়ে দেখা যায়, অশ্বত্থামা খড়্গের আঘাতে শিখণ্ডীকে বধ করেন।

তথ্যসূত্র


  1. ‘মহাভারত’,কালীপ্রসন্ন সিংহ ,উদ্যোগপর্ব, অধ্যায় ১৭০-১৯২, পৃষ্ঠা ২৮৬-৩০৮, সৌপ্তিকপর্ব, অষ্টম অধ্যায়, পৃষ্ঠা ১৪-১৫
  2. ‘মহাভারতের একশোটি দুর্লভ মুহূর্ত', ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য, নিউ এজ পাবলিকেশন্স, দ্বিতীয় মুদ্রণ, ভীষ্মের মৃত্যুর কারণ—মহাদেবের ঘোষণা, পৃষ্ঠা ৩৯৬-৪০২

1 Comment

1 Comment

  1. Pingback: ভীষ্মের শরশয্যা | সববাংলায়

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

মনোরথ দ্বিতীয়া ব্রতকথা নিয়ে জানতে


মনোরথ দ্বিতীয়া

ছবিতে ক্লিক করুন

বিধান রায় ছিলেন আদ্যোপান্ত এক রসিক মানুষ। তাঁর রসিকতার অদ্ভুত কাহিনী



বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন