সুইজারল্যান্ড (Switzerland) দেশটি সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত তার অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চকলেট এবং ঘড়ির জন্য।আবার সুইস ব্যাঙ্কের জন্যও পরিচিত সারা বিশ্বে।চেনা পরিচয়ের বাইরেও সুইজারল্যান্ডকে দেশ হিসেবে আমরা জেনে নেব একটু।
মধ্য- পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ হল সুইজারল্যান্ড(Switzerland)।পশ্চিমে ফ্রান্স ,পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিচেন্সটাইন,দক্ষিণে ইতালি, এবং উত্তরে জার্মানি সমগ্র সুইজারল্যান্ডকে ঘিরে রেখেছে।
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী হল- বার্ন।যদিও এটি ডি- ফ্যাক্টো অর্থাৎ সরকারি ভাবে লিখিত আইন স্বীকৃত রাজধানী নয়।আয়তনের বিচারে সুইজারল্যান্ড বিশ্বের ১৩২ তম দেশ।জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের ৯৯ তম জনবহুল দেশ।
সুইজারল্যান্ডের মুদ্রার নাম-সুইস ফ্রাঙ্ক (CHF) । ১ সুইস ফ্রাঙ্ক সমান আমেরিকান ডলারে প্রায় ১ ডলার আর ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৯ টাকা।মুখ্য ভাষা হল – জার্মান, ফরাসী, ইটালীয় এবং রোমান্স। সুইজারল্যান্ডের শাসন ব্যবস্থা- যুক্তরাষ্ট্রীয় আধা- গণতান্ত্রিক।দেশের শাসক সাত সদস্যের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিষদ। সুইস সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবছর ১লা জানুয়ারী রাষ্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়। ছয় বছরের জন্য গঠিত মন্ত্রীপরিষদের একেক জন মন্ত্রী পালা করে এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন । দেশের ৭১.৫ শতাংশ মানুষ খ্রিষ্টান।
সুইজারল্যান্ডের উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ স্থানের তালিকা অপূর্ণই থেকে যাবে যদি তালিকার শুরুতেই- সুইস আল্পসের নাম না থাকে। জুরিখ এখানকার সবথেকে বিখ্যাত শহর। এ ছাড়াও বিখ্যাত ভ্রমণ স্থানের মধ্যে পড়ে-গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেসে চেপে সুইস আল্পস ভ্রমণ, জেনেভা, লুসার্ন ইত্যাদি ।
সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত চকলেট ব্র্যান্ডের তালিকার মধ্যে পরে-নেসলে(Nestle), লিণ্ডিট এণ্ড স্প্রুঙ্গলি(Lindt & Sprüngli), টোবলেরন(Toblerone), ক্যাইলার (Cailler) ইত্যাদি।
বিখ্যাত ঘড়ি ব্র্যান্ডের মধ্যে পড়ে- রোলেক্স (Rolex), ওমেগা (Omega), ট্যাগ হিউয়ের (Tag Heuer), হুবলট (Hublot), অডেমারস্ পিগেট (Audemars Piguet), রাডো (Rado), টিসট (Tissot), ব্রেটলিং (Breitling) ইত্যাদি।[sg_popup id=”28″ event=”click”][/sg_popup]
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


Leave a Reply to বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২ সময়সূচী | সববাংলায়Cancel reply