রোজকার জীবনে আমরা সবাই দেখেছি, শুনেছি, ব্যবহার করেছি এবং অনুভবও করেছি। কিন্তু নানা কাজের ভিড়ে জানাই হয়ে ওঠেনি এদের নামখানা কি। কখনও প্রয়োজন পড়লে কি নামে ডাকবো এদের। এখানে এমনই কিছু আমাদের রোজকার ব্যবহৃত জিনিস, অভিজ্ঞতা, যাদের আমরা সকলেই চিনি, জানি কিন্তু এটা জানিনা এদেরকে কি বলে, এদের কি নাম।
Acnestis– আমাদের পিঠের ঐ ফোলা হাড় দুটো যেখানটা চুলকানোর জন্য হাত যায় না।
Aglet– জুতোর ফিতে বাঁধবার সময় লক্ষ্য করেছেন ফিতের একদম ডগায় প্লাস্টিকের একটা সরু অংশ থাকে যেটা ফিতে ঢোকানোর গর্তে ফিতেটাকে ঢুকতে সাহায্য করে। ঐ প্লাস্টিকের অংশটাই Aglet।
Apricity – শীতকালে দুপুরের দিকে খেয়ে দেয়ে একটু রোদে বসতে কার না ভাল লাগে। শীতকালে রোদের এই উষ্ণতাকে Apricity বলে।
Apthong– কোন শব্দের যে অক্ষরগুলো উচ্চারিত হয় না, মানে silent letter বলি যাদের আমরা। আসলে এই অনুচ্চারিত অক্ষরগুলোকে Apthong বলে। যেমন- TSUNAMI’-এর T, KNIGHT- এর GH, CHALK-এর L
Ampersand– ঐ যে ছোটবেলা থেকে যে চিহ্নটিকে আমরা (&) বলে চিনি, তার আসল নাম।
Brannock – জুতোর দোকানে পায়ের মাপ নেওয়ার যে স্টিলের স্কেলটা দেখি যার ওপর পা রেখে পায়ের মাপ দিতে হয়, সেই স্কেলটাকেই Brannock বলে।
Caret– বাক্য লিখতে গিয়ে কোন শব্দ লিখতে ভুলে গেলে (^) আমরা এরকম একটা চিহ্ন দিয়ে যেখানে শব্দটি দরকার সেই স্থানে দুটি শব্দের মাঝখানে ওপরের দিকে লিখে দিই। অনেকেই জানিনা চিহ্নটির নাম কি। এর নাম Caret
Caruncula– আমাদের চোখের কোণে একদম ছোট্ট যে মাংসপিণ্ডটা থাকে।
Collywobbles – টেনশনে বা চিন্তায় পেট গুড়গুড় করা
Cornicione – পিৎজার ধার বরাবর যে ফোলা উঁচু অংশটা।
Crapulence– লোভে পড়ে অনেকটা বেশী খেয়ে ফেলার পর শরীরে যে অস্বস্তি বোধটা হয় ওটার নামই Crapulence
Columella nasi– নাকের দুই ফুটোর মাঝে যে অংশটা
Dysania – সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে যে প্রবল কষ্ট হয়, সেই কষ্টটারই নাম।
Earworm – গান থেমে যাওয়ার পরও যে গানের সুর আপনার কানে লেগে থাকে।
Eccedentesiast– যে ব্যক্তি হাসির আড়ালে কষ্ট লুকিয়ে রাখে।
Ellipsis– বাক্যে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার না করে বাক্যের ধারাবাহিকতা বোঝাতে আমরা যে তিনটে ডট (…) ব্যবহার করি, তার নামই Ellipsis।
Ferrule– রঙ করার তুলির ব্রিসল (লোম)গুলো অ্যালুমিনিয়াম বা টিনের যে তোবড়ানো অংশটার সাথে কাঠের হাতলটির সাথে যুক্ত থাকে, কিংবা কোন কোন পেন্সিলের পেছনে টিনের যে অংশটার সাথে ইরেজার যুক্ত থাকে, টিনের সেই অংশটাকে Ferrule বলে।
Glabella– দুই ভুরুর মাঝখানের যে অংশটায় মেয়েরা টিপ পড়ে, সেই অংশটাকে glabella বলে
Griffonage- যে হাতের লেখা পড়ে বোঝা যায় না। যেমন- ডাক্তারদের হাতের লেখা প্রেসক্রিপশনে, পরীক্ষা শেষের শেষ ১০ মিনিট আগে লেখা ছাত্রছাত্রীদের হাতের লেখা।
Hamburger button মোবাইলে এরকম (☰) দেখতে যে মেনু চিহ্নটি থাকে ওকেই বলে। কেন বলে সে কি আর বলতে হবে! হ্যামবার্গারের মত দেখতে যে পুরো।
Keeper – বেল্টের কাঁটা আপনার সুবিধে মত বেল্টে থাকা ফুটোর মধ্যে ঢোকানোর পর বেল্টের মধ্যে লাগানো সেই চামড়ার লুপ (অংশ) যার মধ্যে দিয়ে ঢুকিয়ে নেন বেল্টের বাকি অংশটা।
Lunule– আমাদের নখের তলার দিকে যে আধখানা চাঁদের মত দেখতে সাদা রঙের দাগ হঠাৎ করে নিজে থেকেই উঠে আবার নিজে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তাকে Lunule বলে।
Minimus- হাত এবং পায়ের কড়ে আঙুলটার নাম।
Nibling- ভাগ্নে ভাগ্নী অথবা ভাইপো- ভাইঝি কে একসাথে বলে।
Nurdle– আপনার দাঁত মাজার ব্রাশে যখন টুথপেস্ট (দাঁতের মাজন) লাগান দেখবেন পেস্টের শেষদিকটা ঢেউ এর মত উঠে থাকে। পেস্টের এই আকৃতিকেই Nurdle বলে।
Obelus – বাংলায় ‘ভাগ’ চিহ্ন হিসেবে যে চিহ্ন টাকে আমরা চিনি তার আসল নাম।
Octothorpe- # (hash) চিহ্নের অপর নাম।
Overmorrow– ‘পরশুদিন’ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ।
Peladophobia– মাথায় টাক পড়ে যাওয়ার ভয়। স্প্যানিশ শব্দ Pelado -এর অর্থ টাক আর phobia – ভয়। এই দুই মিলে Peladophobia।
Peristeronic– পায়রা সম্পর্কিত কোন কিছু বোঝায়। অর্থাৎ pigeon- এর adjective হল Peristeronic।
Philtrum– নাকের ঠিক নীচে আর ওপরের ঠোঁটের মাঝে যে যে লম্বা মত একটা অংশ থাকে, মানে গোঁফের ঠিক কেন্দ্রবিন্দু যেখানটায় হয়, সেই অংশটিই Philtrum।
Phloem bundle– কলা খাবেন বলে কলার খোসা ছাড়ালেন।ছাড়িয়েই সব থেকে বিরক্তিকর যে জিনিষটার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে সেটা কলার গা বরাবর লেগে থাকা লম্বা সুতোর মত একটা অংশ। যেটা না ছাড়িয়ে কলা খেতে কেমন যেন একটা লাগে।অনেকেই বুঝে পাইনা ছাড়ানোর পর কি করা হবে ওটাকে নিয়ে খোসার সাথে ফেলব নাকি এমনি অসতর্ক ভাবে নীচে ফেলে দেব। আপনার জ্ঞাতার্থে জানাই ঐ সুতোর মত অংশটাই phloem bundle ।
Phosphenes– বেশিক্ষণ চোখ বন্ধ করে রাখলে কালো ছোট বিন্দুর মত যেটা দেখি ওর নামই
Pot-valor– মদ্যপান করার পর কোন বিষয়ে অতিরিক্ত সাহস দেখানোই হল Pot-valor।
Purlicue – বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে সংযোগকারী যে পাতলা চামড়া টা কিছুটা যেন বেরিয়ে আছে মনে হয়, ওটাই হল Purlicue ।
Rasceta– আমাদের হাতের কব্জিতে যে দুটো লম্বা দাগ থাকে সেই দাগগুলোই হল rasceta
Tartle– বেশ মজার ব্যাপার।আমাদের সবার সাথেই হয়। খুব চেনা লাগছে, কিন্তু নামটা যে কি সেটাই মনে আসছে না কিছুতেই। অথচ সেই ব্যাক্তি দিব্যি আমার নাম ধরে ডাকছে। এই যে অস্বস্তিকর মুহূর্তের সম্মুখীন আমরা সবাই হই, স্কটিশরা একেই Tartle বলে। ওঁরা বাধ্য হয়ে তখন বলে “Pardon my tartle!”
Tittle– ছোট হাতে লেখা i এবং j এর মাথায় যে ফুটকি গুলো থাকে, ওগুলোকেই Tittle বলে।
Paresthesia – পায়ের পাতায় বা হাতের চেটোয় মাঝে মাঝে যে কাঁটা ফোটার মত অনুভূতি হয়।
Pate– আমাদের মাথার মধ্যিখানটা ঠিক। ঐ যেটাকে ব্রহ্মতালু বলে।
Peen- হাতুরির যে দিকটা দিয়ে মারা হয় তার বিপরীত দিকের অংশটার নাম
Pluviophile– যে ব্যক্তিরা বৃষ্টি ভালবাসেন তাঁদের Pluviophile বলা হয়। ল্যাটিন শব্দ Pluvial মানে বৃষ্টি এবং phile মানে ব্যক্তি বোঝায়।
Rhinotillexomania – অনবরত নাক খোঁটার যে বদভ্যাস
Schadenfreude– অন্যের সর্বনাশ দেখে মনে যে আনন্দ হয় তাকে Schadenfreude বলে।
Scurryfunge – হঠাৎ করে বাড়িতে অতিথি আসছে শোনার পর আমরা ঝড়ের বেগে যে শিল্প রীতিতে ঘর দোর বিছানা পত্তর সব গোছগাছ করে নিই নিমেষে সেই শিল্প রীতিকেই Scurryfunge বলে।
Skewer– স্টিল বা কাঠের যে কাঠিটায় কাবাব গুলো গাঁথা থাকে।
Tines – কাঁটা চামচের কাঁটা কে tines বলে।
Thalasophile– সমুদ্র ভালবাসেন যাঁরা তাঁদের Thalasophile বলা হয়।
Ulage– ঠাণ্ডা পানীয়ের বোতলে পানীয় আর বোতলের মুখের মাঝখানে বেশ খানিকটা অংশ ফাঁকা থাকে আমরা সবাই লক্ষ্য করেছি । ঐ হাওয়া ভরা ফাঁকা অংশটাকেই ulage বলে।
Vagitus – শিশুর জন্মের ঠিক পর পরই প্রথমবার যখন সে কেঁদে ওঠে, জন্মের পর শিশুর সেই প্রথম কান্নাকেই Vagitus বলে।
Vorfreude– আনন্দের সাথে কোন কিছুর প্রতীক্ষায় থাকা।
Wattle– টার্কি পাখির গলায় যে থলথলে ঝোলা মাংসটা ঝুলে থাকে সেটাই
Wrest pin– সেতার, গিতার, বেহালা প্রভৃতি তার বাদ্যযন্ত্রের যে অংশটায় তার গুলি কুণ্ডলী আকারে বাঁধা থাকে সেই অংশটির নাম Wrest pin।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান