সববাংলায়

ইকো পার্ক ভ্রমণ 

কলকাতার বুকে অবস্থিত ভারতের সবচেয়ে বড় পার্ক হল ‘প্রকৃতি তীর্থ’, যার সুপরিচিত নাম ইকো পার্ক। প্রকৃতিপ্রেমী মানুষেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য কখনও ছুটে যান পাহাড়ে, কখনও অরণ্যে বা সাগরে। দুচোখ ভরে সবুজ উপভোগ করেন তাঁরা। কারণ শহুরে আবহাওয়ায় সবুজের দেখা তো প্রায় আজকাল পাওয়াই যায় না। তবে এই কলকাতা শহরের বুকেই সবুজ ও নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে একটি বিরাট চৌহদ্দির মধ্যে ধরে রাখার এবং তা প্রদর্শনের যে প্রয়াস, তা উপভোগ করতে হলে অবশ্যই আসতে হবে এই পার্কে। কেবল প্রকৃতির সান্নিধ্যই নয়, এখানে বিনোদনেরও বিচিত্ররকম ব্যবস্থা রয়েছে। সাড়া বছর ধরে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের রেপ্লিকা যেমন দেখা যাবে এখানে, তেমনই বিভিন্ন ধরণের বাগান যেমন মুখোশের বাগান বা কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করা মডেল চা বাগানের হদিশও মিলবে, আবার টয় ট্রেনে চাপবার মজাও এখানে পাবেন, তেমনই শীতকাল হলেই এই পার্ক সেজে ওঠে নানান মেলায়, আবার শীতকালে পিকনিক করার দারুণ জায়গাও এই পার্ক। ইকো পার্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে সাধারণত সপ্তাহের শেষে মানুষ এখানে ভিড় জমায়।

ইকো পার্ক কোথায়

ইকো পার্ক কলকাতার রাজারহাটের নিউটাউন এলাকার অ্যাকশন এরিয়া-২তে বিশ্ব বাংলা সরণির অংশ মেজর আর্টিরিয়াল রোড বরাবর অবস্থিত। পার্কটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৭ কিমি দূরত্বে অবস্থিত। পার্কটির উত্তরে কলকাতা মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট, দক্ষিণে কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার, হিডকো ভবন, রবীন্দ্র তীর্থ অবস্থিত।

ইকো পার্কের ইতিহাস

২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পার্কটির উদ্বোধন করেন এবং ২০১৩ সাল থেকে পার্কটি সাধারণ মানুষদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে (WBHIDCO) পার্কটি নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মোট ১৯০ হেক্টর এলাকা জুড়ে পার্কটি অবস্থিত এবং এই পার্কে ৪২ হেক্টরের একটি বিশাল জলাশয় রয়েছে।

ইকো পার্কে কীভাবে যাবেন

সাধারণত স্থানীয় পর্যটকদের কাছে পার্কটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সেক্ষেত্রে তাঁরা বাস, প্রাইভেট গাড়ি করে পার্কে ঘুরতে যান। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল থেকেই এই পার্কে যাওয়ার বাস পাওয়া যায়। হাওড়া, শিয়ালদহ, যাদবপুর, গল্ফগ্রীন এইসব অঞ্চল থেকে প্রতি ঘণ্টায় এসি বাস ছাড়ে। সরকারি, বেসরকারি অনেকরকম বাস আছে। তাছাড়াও যাঁরা রাজারহাটের কাছাকাছি থাকেন, তাঁরা টোটো করেই পৌঁছে যেতে পারেন।

তবে কলকাতার বাইরে থেকে যেতে চাইলে ট্রেনে করে হাওড়া, শিয়ালদহ বা কলকাতা স্টেশনে নামতে হবে৷ সেখান থেকে বাসে বা গাড়িতে পার্কে যাওয়া যাবে। এছাড়াও শিয়ালদহ থেকে মেট্রো ধরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পার্কে যাওয়া যায়। এয়ারপোর্ট থেকে ইকো পার্কের দূরত্ব মাত্র ৭ কিলোমিটার। এরমধ্যে যে কোনওরকম ভাবেই আপনি পার্কে যেতে পারবেন। কোন পথটি ধরে যাবেন তা আপনি কোন জায়গা থেকে যেতে চাইছেন তার ওপর নির্ভর করবে।

ইকো পার্কে কোথায় থাকবেন

বিশ্ব বাংলা সরণীর একপাশে বিরাট অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত এই পার্ক। ধারেকাছে ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই বেশ কিছু ভাল হোটেল রয়েছে। অপেক্ষাকৃত কমদামী হোটেল যেমন রয়েছে, তেমনই বিলাসবহুল বিভিন্ন হোটেলও রয়েছে। তবে ইকো পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে রাত্রিযাপন করতে চাইলে পার্কের মধ্যে অবস্থিত ‘একান্তে কটেজ’-এ থাকতে পারেন। তবে এই কটেজের ভাড়া এখানে যে পরিষেবা দেওয়া হয় তার তুলনায় অত্যন্ত বেশি।

ইকো পার্কে কী দেখবেন

নির্মল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাখিদের কুজন, সবুজ গালিচা, বিচিত্র ফুলের শোভা, সুন্দর করে সাজানো পায়ে চলবার পথ, বিস্তীর্ণ জলাশয়—ইকো পার্কে যেন মানুষের উপভোগের জন্য প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর উপকরণগুলি দিয়ে একটি ডালি সাজানো রয়েছে। প্রকৃতির শোভা উপভোগ করবার পাশাপাশি বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের রেপ্লিকাগুলি একত্রে দেখলে ভাল লাগবে৷ তাজমহল, প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, কলোসিয়াম ইত্যাদি সবকটি নির্মাণই এতই নিখুঁত যে মন যেন বিশ্বভ্রমণ করে আসবে একবার। এছাড়াও রয়েছে আরও নানা ভাস্কর্য, রয়েছে মিউজিয়ামও। প্রকৃতি এবং এই থিমের এলাকা পেরিয়ে গেলে এই ইকো পার্কেরই অন্য এক প্রান্তে বিনোদনের এক মুক্ত জগত খুলে যাবে। সেখানে পর্যটকদের  জন্য পাখি দেখার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বুল রাইডিং, ডবল সাইক্লিং-সহ নানারকমের মজাদার রাইড অপেক্ষা করে আছে। ইকো পার্ক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে এখানে কী কী দেখবার জিনিস রয়েছে তা আগামী অনুচ্ছেদগুলোতে উল্লেখ করা হল।

ইকো পার্ক একটি দারুণ পিকনিক স্পট। তবে যে-ধরনের পিকনিকে স্পটে গিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়, সেই ধরনের পিকনিক এখানে করা যাবে না। কারণ ইকো পার্কের ভিতরে রান্না করার কোনও অনুমতি নেই। বরং ইকো পার্কে একাধিক যেসব ফুড কোর্ট রয়েছে, সেগুলি থেকে খাবার কিনে খাওয়া যেতে পারে কিংবা নিজেরা খাবার নিয়ে গিয়ে সবুজ গালিচায় চাদর বিছিয়ে ঝিলের ধারে বসে খেতে খেতে পিকনিক উপভোগ করা যাবে। গান বাজানোও এখানে নিষিদ্ধ, তবে নিজেরা ছোটখাটো খেলাধুলার আয়োজন এখানে করা যেতে পারে। 

পার্কে মোট ৬টি গেট রয়েছে। প্রত্যেকটি গেট দিয়ে ঢুকলে একেকরকম জিনিস দেখতে পাওয়া যাবে। ইকো পার্কে ঢোকার জন্য প্রত্যেককে গেটের বাইরে থেকে টিকিট কেটে ঢুকতে হয়। মাথাপিছু টিকিটের মূল্য এখানে ৩০ টাকা। ৩ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদেরও একই মূল্যের টিকিট কিনতে হয়। তবে ৩ বছরের কম শিশুদের প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও চারচাকা বা দুচাকার গাড়ির পার্কিংয়ের জন্যও আলাদা ভাড়া দিতে হয়।

কোন গেট দিয়ে ঢুকলে কী দেখা যাবে, তা দেখে নেওয়া যাক।

গেট নং ১

এই এক নম্বর গেটে পার্কিংয়ের জায়গা রয়েছে। এই পার্কিং লটের পাশেই রয়েছে এক্সিবিশন এরিয়া। শীতকালে এবং বছরের বিভিন্ন সময়ে এই এক্সিবিশন এরিয়াতে হস্তশিল্প মেলার মতো নানারকম  মেলার আয়োজন হয়। এছাড়াও এই গেট দিয়ে ঢুকলে দেখা যাবে,
•জাপানীস ফরেস্ট
•ইকো রিসর্ট
•রবি অরণ্য
•আইফেল টাওয়ার
এছাড়াও খাওয়ার জন্য ফুড কোর্টও রয়েছে এখানে।

গেট নং ২

এই গেটটি দিয়েই অধিকাংশ মানুষ প্রবেশ এবং প্রস্থান করেন, কারণ এই গেটের সামনে থেকেই যাতায়াতের বাস বা অটো সহজেই পাওয়া যায়। এছাড়াও এই গেট দিয়ে ঢুকলে যেগুলি দেখা যাবে সেগুলি হল
•ঝিল
•গোলাপ বাগান
•ফলের বাগান
•বাঁশ বাগান
•হার্বাল গার্ডেন

গেট নং ৩

এই ৩নং গেটের কাছে মূলত দুচাকার গাড়ির জন্য একটি পার্কিং রয়েছে। এছাড়াও এখানে যেসব জিনিস দেখা যাবে সেগুলি হল,
•মাস্ক গার্ডেন
•স্কাল্পচার গার্ডেন
•চা বাগান
•চিলড্রেন পার্ক
•ট্রপিকাল রেইন ফরেস্ট

গেট নং ৪

এই ৪নং গেটের সামনেও চারচাকা গাড়ির জন্য পার্কিংয়ের জায়গা রয়েছে। ট্এছাড়াও এই ৪নং গেটটির প্রতি মানুষের একটু বিশেষ আকর্ষণের কারণ এই গেট দিয়ে ঢুকলেই পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের রেপ্লিকাগুলি দেখা যায়। এছাড়াও আরও যেসব জিনিস এই গেট দিয়ে ঢুকলে দেখা যায়, সেগুলি হল,
•সপ্তম আশ্চর্য
•ফর্মাল গার্ডেন
•স্নো থিম পার্ক

গেট নং ৫

এই গেট দিয়ে ঢুকলে যেসব জিনিস দেখা যাবে সেগুলি হল,
•বাংলার হাট
•পাখিবিতান
•অ্যাম্পিথিয়েটার
•ডিয়ার পার্ক

গেট নং ৬

ডিয়ার পার্কের কাছেই একটু ভিতরদিকে রয়েছে এই ৬নং গেট। এই গেট দিয়ে ঢুকলে যা দেখা যাবে, সেগুলি হল,
•গল্ফ কোর্স
•হেলিকোনিয়া গার্ডেন
•বাটারফ্লাই গার্ডেন

ইকো পার্কে কখন যাবেন

সারা বছরই মানুষ ঘুরতে যায় এখানে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অর্থাৎ শীতকাল এই পার্কে ঘুরতে যাওয়ার পক্ষে উপযুক্ত । একটু ঠান্ডা আবহাওয়ায়, মিঠে রোদ গায়ে মেখে প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াতে দারুণ লাগবে। তবে বর্ষাকালটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। জল-কাদায় পার্কের সবকটি জোন হয়তো ঘোরার পক্ষে সুবিধাজনক নাও হতে পারে৷ এটাও জেনে রাখা প্রয়োজন যে পার্কটি সাধারনত মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বেলা আড়াইটা থেকে সন্ধে সাড়ে আটটা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে রবিবার এবং কোনো ছুটির দিনে বেলা ১২টা থেকেই পার্ক খুলে যায়৷ তবে শীতকালের সময় দিন যেহেতু ছোট থাকে, সেইজন্য শীতকালে মঙ্গলবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বেলা ১২টা থেকে সন্ধে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পার্ক খোলা থাকে, তবে রবিবার বা ছুটির দিন সেসময় বেলা ১১টাতেই পার্ক খুলে যায়। সোমবার এই পার্ক বন্ধ থাকে।

ইকো পার্কে কী খাবেন

এখানে পিকনিকের বন্দোবস্ত রয়েছে, সেক্ষেত্রে বাইরে থেকে খাবার কিনে বা ভিতর থেকে খাবার কিনে খেতে হবে। পার্কের ভিতরে ফুড কোর্ট রয়েছে, সেখানে সস্তা বা দামী সমস্তরকম খাবারই পাওয়া যেতে পারে। তবে সঙ্গে করে অনেকেই খাবার নিয়ে যান। সবুজ গালিচায় ঝিলপাড়ে বসে খাওয়াদাওয়া করতে মন্দ লাগে না। এছাড়াও ৩ নং গেটের সামনে রয়েছে মিষ্টি হাব। সেখানে এক ছাদের তলায় বিখ্যাত সব মিষ্টির দোকানের মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে এখানের মিষ্টি গুলো সব সময় তাজা পাওয়া যায় না তবে এখান থেকেও সাধারণত কলকাতার বাইরে থেকে আসা লোক মিষ্টি খান।

ইকো পার্কে কী কিনবেন

আগেই বলা হয়েছে ইকো পার্কের ভিতরেই রয়েছে বিশ্ব বাংলা হাট। সেখানে বাংলার নানারকম হস্তশিল্পের প্রদর্শন এবং বিক্রয় হয়। সেখান থেকে ইচ্ছে মতো শিল্পসামগ্রী কিনে নিয়ে যেতে পারেন পর্যটকেরা। তবে শীতকালে ইকো পার্কের গেট নম্বর ১-এর ভিতরে দারুণ সব মেলা হয়। এখানে আয়োজিত হস্তশিল্প মেলায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার এমনকি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেরও স্টল থাকে। সেইসব স্টলে বিভিন্ন এইসব জেলা ও রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প ঠিকঠাক দামের মধ্যেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন জেলার বিশেষ বিশেষ শাড়ির সম্ভার যেমন সেখানে থাকে, তেমনি আদিবাসীদের হাতে তৈরি গৃহসজ্জারও নানারকম উপকরণ সেখানে কিনতে পাওয়া যায়।

সতর্কতা ও পরামর্শ

  • ইকো পার্কে ৩ বছর বা তার বেশি বয়সের শিশুদের জন্য অন্যদের মতোই একই ভাড়া লাগে, তবে ৩ বছরের কম শিশুদের প্রবেশের জন্য কোনো টিকিটের প্রয়োজন হয় না।
  • রবিবার বা ছুটির দিন ১২টায় পার্কের গেট খুলে যায়। তবে শীতকালের ছুটির দিনে ১১টায় গেট খোলে। এই পার্ক সোমবার বন্ধ থাকে।
  • এখানে বিনোদনের জন্য বিভিন্নরকম উপকরণ রয়েছে কিন্তু সেই প্রত্যেকটি জিনিসের জন্য প্রবেশমূল্য ছাড়াও কিন্তু আলাদা আলাদাভাবে টাকা লাগে।
  • ইকো পার্কে পিকনিক করা যায়, কিন্তু এখানে ভিতরে রান্না করবার অনুমতি নেই।
  • পিকনিকের ক্ষেত্রে আরও একটা কোথা খেয়াল রাখবেন, গান বাজানোও এখানে নিষিদ্ধ, তবে নিজেরা ছোটখাটো খেলাধুলার আয়োজন এখানে করা যেতে পারে।
  • পার্কের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে তাকে নোংরা করবেন না। আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট পাত্রে আবর্জনা ফেলবেন৷
  • ইকো পার্কের বাগানগুলিতে ভ্রমণের সময় কোনোভাবেই গাছের বা গাছে ফুটে থাকা ফুল বা ফলের ক্ষতি করবার চেষ্টা করবেন না, নচেৎ এরজন্য শাস্তিও পেতে হতে পারে।

ট্রিপ টিপস

• ইকো পার্কের ২ নম্বর গেটের বাইরে থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ বাস এবং অটো পাওয়া যায়। যাঁরা বাস বা অটোতে বাড়ি ফিরবেন তাঁদের জন্য এই গেট দিয়ে বেরোনোই সুবিধাজনক হবে।


সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৪


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading