ব্যস্ত কর্মজীবন থেকে দুদন্ড অবসর পেলে অধিকাংশ মানুষই বেরিয়ে পড়তে চান এই শহুরে ইট-কাট-পাথরের জঙ্গল থেকে দূরে কোথাও সবুজ নির্জনতার সন্ধানে৷ প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য যেন তাঁর কাছে জীবনদায়ী সঞ্জীবনীর মতো৷ পাহাড় এবং অরণ্যের নিকটে যাঁরা ছুটে যেতে চান বারবার বিশেষত তাঁদের জন্য এক উপযুক্ত ভ্রমণস্থল নিয়েই আজকের এই আলোচনা৷ উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত লাভা, লোলেগাঁওয়ের কাছে, ন্যাওড়া ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের একেবারে সন্নিকটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ছোট্ট একটি পাহাড়ি গ্রাম কোলাখাম। অজস্র অচেনা পাখি এবং বন্য পাহাড়ি ফুলের অপূর্ব সমাহার এখানে চাক্ষুষ করা যায়। আরণ্যক স্তব্ধতা, কাঞ্চনজঙ্ঘার নয়নাভিরাম দৃশ্য, পাহাড়ি রাস্তায় হাইকিং, ট্রেকিং-এর সুবর্ণ সুযোগ— সবমিলিয়ে কোলাখাম পাহাড়বিলাসী, অরণ্যপ্রিয় ভ্রামণিকদের কাছে অবসরযাপনের এক লোভনীয় গন্তব্যস্থল যে হতেই পারে সেবিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
কোলাখাম কোথায়
কালিম্পং জেলার অন্তর্গত একটি পাহাড়ি গ্রাম, হল কোলাখাম। এটি ৬৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। শিলিগুড়ি থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০৮ কিলোমিটার, অন্যদিকে বর্ধমান থেকে প্রায় ৫৭৪ কিলোমিটার এবং কলকাতা থেকে প্রায় ৬৭৬ কিলোমিটার দূরে এই গ্রামটির অবস্থান। নেওড়া ভ্যালি ন্যাশনালের পার্কের একেবারে কাছেই অবস্থিত এই গ্রাম থেকে লাভার দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার। এখান থেকে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত কালিম্পং যেতে মোটামুটি দুই ঘন্টা সময় লাগে।
কোলাখামের ইতিহাস
সাধারণ মানুষের ধীরে ধীরে কোলাখাম পর্যটনস্থল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নানা দৃশ্য ইন্টারনেটের দৌলতে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে৷ এই কোলাখাম নামটির নেপথ্যেও একটি কারণ লুকিয়ে রয়েছে। আসলে ‘কোলা’ শব্দটির অর্থ হল আখরোট গাছ এবং এই পাহাড়ি অঞ্চলেই আখরোট গাছ বহুল পরিমাণে দেখতে পাওয়া যায়। এই গ্রামে নেপালের রাই সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। তারা নেপালি ভাষাতেই কথা বলে থাকেন। প্রায় ষাট ঘর রাই-দের বসবাস সেখানে, যদিও বর্তমানে বেশ কিছু বহিরাগত মানুষও সেখানে বাস করেন।
কোলাখাম কীভাবে যাবেন
ট্রেনে করে কোলাখামে যেতে হলে কলকাতার হাওড়া বা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন ধরে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামতে হবে এবং সেখান থেকে প্রাইভেট গাড়ি বুক করে কোলাখাম যেতে প্রায় চার ঘন্টা সময় লাগবে। অবশ্য ট্রেনে করে শিলিগুড়ি নেমে সেখান থেকে গাড়ি বুক করে গেলেও একইরকম সময় লাগবে৷ যদি বিমানপথে যেতে হয় তবে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামতে হবে এবং সেখান থেকে গাড়ি বুক করে নিতে হবে কোলাখাম পর্যন্ত।
সড়কপথে বাস কিংবা প্রাইভেট গাড়িতেও পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে এখানে। শিলিগুড়িগামী বাসে চেপে শিলিগুড়ি পৌঁছে, সেখান থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে কোলাখাম যেতে হবে। নিজেদের প্রাইভেট গাড়িতে কলকাতা থেকে যেতে হলে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরতে হবে এবং ডানকুনি, বেলঘরিয়া, বারাসাত, রানাঘাট, শান্তিপুর, কৃষ্ণনগর হয়ে কালিয়াচক, সুজাপুর, মালদা ছাড়িয়ে পৌঁছতে হবে শিলিগুড়ি। সেখান থেকে আবার অদ্ভুত সুন্দর পাহাড়ি রাস্তায় সেবক পেরিয়ে ঋষি রোড, লাভা রোড ধরে নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্কের একদম কাছে কোলাখামে পৌঁছে যাওয়া যাবে।
কোলাখামে কোথায় থাকবেন
একসময় জায়গাটি পর্যটনস্থল হিসেবে খুব একটা পরিচিত ছিল না, কিন্তু বেশ কিছু বছর ধরে এই জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং অরণ্য ও পাহাড়ের দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে গিয়েছে ও পর্যটনপ্রিয় মানুষকে আকৃষ্ট করেছে। মানুষের আনাগোনা যত বেড়েছে কোলাখামে থাকবার জন্য হোমস্টের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। এখানে মূলত হোমস্টেরই ছড়াছড়ি। অধিকাংশ হোমস্টে থেকেই পাহাড়, জঙ্গলের অপূর্ব দৃশ্য চোখে পড়ে। এছাড়াও কোলাখামের নিকটেই অবস্থিত ছাঙ্গে ঝরণার কাছে হোমস্টেতে থাকতে চাইলে তাও সম্ভব। অগ্রিম বুকিং করে গেলেই ভালো তবে অফ সিজনে গন্তব্যে পৌঁছেও আপনি দেখেশুনে হোমস্টে ঠিক করে নিতে পারেন। বিভিন্ন মূল্যের হোমস্টে এখানে খুঁজলেই পাওয়া যাবে। মূলত নয়শো-হাজারের রেঞ্জ থেকে শুরু করে চার-ছয় হাজার বা তারও বেশি মূল্যের হোমস্টে এখানে রয়েছে। একটু আরামদায়ক ও বিলাসবহুলভাবে থাকতে চাইলে অবশ্যই মূল্য বেশি দিতে হবে। তবে সিজন অনুযায়ী অনেকসময় হোমস্টের মূল্যও ওঠানামা করে। ঘুরতে যাওয়ার আগে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা দেখে নিতে পারেন৷ প্রয়োজনীয় সমস্ত সুযোগ-সুবিধাই এই হোমস্টেগুলিতে পাওয়া যাবে। এছাড়াও সেখানকার অনেক স্থানীয় মানুষ নিজেদের আবাসস্থলের একাংশকে পর্যটকদের থাকবার জন্য ভাড়া দিয়ে থাকেন। একটু খোঁজ করলে তেমন স্থানীয় পরিবারদের সঙ্গেও থাকতে পারেন পর্যটকেরা৷
কোলাখামে কী দেখবেন
উত্তরবঙ্গের কালিম্পং জেলার অন্তর্গত একটি পাহাড়ি গ্রাম, অতএব বুঝতেই পারা যায় প্রকৃতির কোলেই তার অবস্থান। কোলাখাম এমন একটি জায়গা যেখানে পাহাড়প্রিয় মানুষ যেমন উপভোগ করতে পারবেন কাঞ্চনজঙ্ঘার অভূতপূর্ব দৃশ্য, সেইসঙ্গে অরণ্যপ্রিয় মানুষ এখানকার নিবিড় ও নিস্তব্ধ সবুজ আরণ্যক পরিবেশে নিমেষে হারিয়ে যেতে পারবেন৷ কাঞ্চনজঙ্ঘার গায়ে প্রথম সূর্যের সোনালি আলোর মুকুট দেখে দিনের শুরু হয় সেখানে৷ সারাদিন বিচিত্র পাখির কূজনে ভরে থাকে চরাচর। যারা পক্ষীপ্রেমী মানুষ কোলখাম তাদের জন্য স্বর্গরাজ্য। নিকটেই যে নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্ক আছে সেখানে পকরায় ১০৬ রকমের বিরল প্রজাতির পাখির সন্ধান পাওয়া যাবে। যাদের ফোটোগ্রাফির নেশা কোলাখাম তাদের জন্যেও সাজিয়ে রেখেছে নয়নাভিরাম সব দৃশ্যের ডালি। পায়ে হেঁটে এই পাহাড়ি গ্রামের পথে পথে ঘুরে বেড়ালে কী যে এক অদ্ভুত প্রশান্তি পাওয়া যায়, তা ভাষায় প্রকাশ করা দুরূহ। দিগন্তবিস্তৃত সারিবদ্ধ পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে যে আকাশ সূর্যাস্তের সময়ে সেখানে নানা রঙের হোলিখেলা দেখার অনুভূতি আজন্ম থেকে যাবে মনের মণিকোঠায়। জঙ্গলাকীর্ণ এই গ্রামের রাত এক আলাদা রোমাঞ্চ জাগিয়ে তোলে শরীরে মনে। মাঝেমাঝে বিচিত্র পশুর ডাক, বিবিধ পোকামাকড়ের সমবেত উল্লাস, দূরে কালো কালো রহস্যময় পাহাড় এবং থমথমে অন্ধকার উপত্যকার নীরব অস্তিত্ব, মাথার উপরে অগুনতি নক্ষত্রমালার নিষ্পলক তাকিয়ে থাকা—সবমিলিয়ে এক নৈসর্গিক অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকার সুযোগ পাওয়া যাবে এই কোলাখামে।
কোলাখামে দর্শনীয় জায়গা কোনগুলি, সে-সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হল।
নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্ক
কোলাখামের একেবারেই পাশেই নেওড়া ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের অবস্থান ফলত কোলাখামে আসা পর্যটকদের কাছে এটি একটি অন্যতম আকর্ষণ। ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রাচীনতম ফরেস্ট রিজার্ভগুলির মধ্যে এটি একটি। ১৯৮৬ সালে এই ন্যাশানাল পার্কটির সূচনা। প্রায় ৮৮ বর্গকিলোমিটার অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত নেওড়া ভ্যালি হিমালয়ের সবচেয়ে সমৃদ্ধ জৈব এলাকা। অনেক বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর দেখা এখানে পাওয়া যায় যেমন, ভারতীয় চিতাবাঘ, লাল পান্ডা, এশিয়াটিক বিয়ার, বার্কিং ডিয়ার, সম্বর হরিণ, ক্লাউডেড লেপার্ড, জায়েন্ট স্কুইরেল, সেরো, গোরাল প্রভৃতি। এছাড়াও বহুবিচিত্র পাখির সমাহার ন্যাশানাল পার্কটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। প্রায় ১০৬ রকমের বিরল প্রজাতির পাখির দেখা এখানে পেতে পারেন পর্যটকেরা। কেবল পশুপাখিই নয়, আশ্চর্য সুন্দর এবং বিবিধ রকমের উদ্ভিদ দেখবার সুযোগও রয়েছে এখানে। রডোডেনড্রন, ওক, ফার্ন, শাল ইত্যাদি আরও অসংখ্য গাছপালায় ভরপুর নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্ক এক অবশ্য দ্রষ্টব্য স্থান। ট্রেক করে এই জঙ্গল ঘুরলে এক রোমাঞ্চকর ও অমূল্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা যাবে।
ছাঙ্গে জলপ্রপাত
কোলাখামের আরেকটি দৃষ্টিনন্দন স্থান হল ছাঙ্গে জলপ্রপাত। তিন কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়িতে গিয়ে তারপর প্রায় ১ কিলোমিটার মতো রাস্তা ট্রেক করে ছাঙ্গে জলপ্রপাতের কাছে পৌঁছতে হয়। একটা অ্যাডভেঞ্চারের অনুভব পাওয়া যাবে সেই ট্রেকিং-এর মাধ্যমে এবং পাহাড়ি পথ পেরিয়ে যেতে যেতে জলপ্রপাতের শব্দ ক্রমশ কাছে আসবে যখন এক অসাধারণ অনুভূতিতে ছেয়ে যাবে মন। জলপ্রপাতটি একটি জলাশয়ের ওপরে আছড়ে পড়ছে, চারদিকে ইতস্তত ছড়ানো ছোটবড় পাথর। এছাড়াও রেলিং দেওয়া উঁচু একটা জায়গা থেকেও জলপ্রপাতটির নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। জঙ্গল-পাহাড়ে ঘেরা নিস্তব্ধ চরাচর ভরে আছে জলপতনের ভীষণ শব্দে। জলপ্রপাতের চারপাশটি সুন্দর ছবি তোলবার জন্যও একেবারে উপযুক্ত।
উপরোক্ত দুটি জায়গা ছাড়াও কোলাখাম থেকে উত্তরবঙ্গের জনপ্রিয় কয়েকটটি পাহাড়ি গ্রাম লাভা, লোলেগাঁও এবং রিশপ সহজেই ঘুরে আসা যেতে পারে। লাভার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তো উপভোগ্য বটেই, তাছাড়াও সেখানে রয়েছে একটি সুদৃশ্য বৌদ্ধ মঠ। অন্যদিকে রিশপ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা ছাড়াও আরও কয়েকটি পাহাড়ের তুষারাবৃত শৃঙ্গের নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এছাড়াও কালিম্পং-এর বিভিন্ন দ্রষ্টব্য স্থান যথা দুরপিন মঠ, মরগান হাউস, দেওলো পার্ক ইত্যাদি স্থানেও ঘুরে আসা যেতে পারে।
কোলাখামে কখন যাবেন
জনপ্রিয় হওয়ার পর থেকে কোলাখামে প্রায় সারাবছরই পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। তবে কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কারভাবে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সময়পর্বের মধ্যে। আবহাওয়াও বেশ মনোরম এবং আরামদায়ক থাকে ফলে এই সময়টিই কোলাখাম যাওয়ার জন্য বেশ উপযুক্ত। তবে অনেক মানুষ শহুরে গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে কিছুদিনের জন্য রেহাই পেতে মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে পাহাড়ে চলে যান। গ্রীষ্মের এই সময়টুকুও কোলাখামের শীতল আবহাওয়ায় বেশ আরামে কাটানো যেতে পারে।
সতর্কতা ও পরামর্শ
- • নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্ক সকাল ৯টায় খোলে এবং বিকেল চারটের সময় বন্ধ হয়ে যায়। তবে রবিবারে পার্কটি বেলা ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
- • নেওড়া ভ্যালিতে প্রবেশের জন্য অনুমতিপত্রের প্রয়োজন যা লাভা এবং সামসিং থেকে পাওয়া যায়। কোলাখামে থাকলে লাভাতে গিয়ে অনুমতিপত্র জোগাড় করতে হবে এবং অবশ্যই আধার কার্ড, ভোটার আইডি ইত্যাদির মতো কোনো সরকারি পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না।
- • পার্কে ঢোকার জন্য নির্দিষ্ট মূল্যের টিকিট রয়েছে এমনকি গাইড ফি-ও দিতে হয়।
- • অনেকসময় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই ন্যাশানাল পার্কটি বন্ধ থাকে। ফলে বর্ষাকালে কোলাখাম এলে এবিষয়ে আগে থেকে খোঁজ নিয়ে নেবেন নতুবা নেওড়া ভ্যালি ন্যাশানাল পার্কের মতো এমন অবশ্য দ্রষ্টব্য একটি স্থান আপনার দেখা হবে না।
- •মার্চ-এপ্রিল মাস নেওড়া ভ্যালি ভ্রমণের উপযুক্ত সময় কারণ এই সময়ে নানারকম অর্কিড এবং বিচিত্র প্রজাতির পাখি দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
- • নেওড়া ভ্যালি রিজার্ভ ফরেস্টে অনেক বিরল প্রজাতির পশুপাখি, উদ্ভিদ রয়েছে। সেখানে ভ্রমণের সময় গাছের ক্ষতি করবেন না, আবর্জনা ফেলে জঙ্গল নোংরা করবেন না এবং পশুদেরকে বিরক্ত করবেন না।
- • কোলাখামের নিকটবর্তী ছাঙ্গে জলপ্রপাতে যেতে হলে সম্পূর্ণ পথ গাড়িতে যাওয়া যায় না, প্রায় এক কিলোমিটার মতো রাস্তা ট্রেক করে যেতে হয়। ফলত, সেখানে যাওয়ার আগে শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে যাবেন।
- • কোলাখাম সাড়ে ছয়হাজার উচ্চতায় অবস্থিত ছোট একটি পাহাড়ি গ্রাম, ফলে গুরুত্বপূর্ণ এবং আপৎকালীন সময়ে কাজে লাগে এমন ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাওয়াই ভালো, কারণ সেখানে প্রয়োজন হলে হাতের কাছে চটজলদি ওষুধ নাও পেতে পারেন।
সর্বশেষ সম্পাদনার সময়কাল – ২০২৫
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান