দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যে অন্যতম একটি যুদ্ধ হল ভিয়েতনাম যুদ্ধ (Vietnam War)। ভিয়েতনাম দেশটি উত্তর ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম এই দুটি ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, উত্তর ভিয়েতনাম সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন দ্বারা সমর্থিত ছিল। আর অন্যদিকে দক্ষিণ ভিয়েতনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য কমিউনিস্ট-বিরোধী দেশগুলির সমর্থন পেয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট-বিরোধী সরকারকে সরাসরি আর্থিক ও সামরিক সহায়তা দিতে শুরু করার পর এই যুদ্ধ বিশাল আকার ধারণ করেছিল। ফরাসিদের বিরুদ্ধে প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধের পর এই যুদ্ধ শুরু হওয়ায় এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধও বলা হয়। ভিয়েতনামের মানুষেরা আমেরিকার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলার পর এই যুদ্ধকে ভিয়েতনামের জনগণ আমেরিকার বিরুদ্ধে একটি প্রতিরোধ যুদ্ধ হিসেবে দেখেছিল।ভিয়েতনামের অন্যতম প্রধান জাতীয়তাবাদী নেতা হো চি মিন (Ho Chi Minh) ভিয়েত মিন বাহিনীকে সংগঠিত করে এই স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। চাপের মধ্যে পড়ে ১৯৭৩ সালে ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন সৈন্য বাহিনী প্রত্যাহার শুরু করে। ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম সাইগন দখল করার পর এই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ১৯৭৬ সালে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম একত্রিত হয় এবং সেখানে কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এই যুদ্ধের সময়সীমা ছিল ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল অর্থাৎ প্রায় কুড়ি বছর।
১৮৮৭ সালে ভিয়েতনামে ফরাসি উপনিবেশ স্থাপনের পর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংঘাতের সূচনা হয়। সেখানে টনকিন, আনাম, কোচিনচিন, লাওস এবং কম্বোডিয়াসহ ভিয়েতনামে ফরাসিরা ইন্দোচীন নামক এক ফেডারেশন তৈরি করেছিল। অন্যদিকে ভিয়েতনামে ফরাসি শাসন উৎখাত করে একটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে হো চি মিন ১৯৩০ সালে ছোট বড় বিপ্লবী দলকে একত্রিত করে ইন্দোচাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টি ( Indochinese Communist Party বা ICP) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির কাছে ফ্রান্সের আত্মসমর্পণের পর জাপান ফরাসিদের এই ইন্দোচীন আক্রমণ করেছিল। আর ১৯৪১ সালের মধ্যে জাপান ইন্দোচীন জুড়ে সামরিক আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। ওই বছরই হো চি মিন ভিয়েতনামের স্বাধীনতা রক্ষার উদ্দেশ্যে কমিউনিস্ট দলের সহায়তায় ভিয়েত মিন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর হো চি মিন ভিয়েতনামের স্বাধীনতা ঘোষণা করে ভিয়েতনামে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এছাড়া তিনি নিজে ভিয়েতনামের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তবে এই সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ফ্রান্স আবার ভিয়েতনামের ক্ষমতা দখল করে তাদের ঔপনিবেশিক শাসন পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেছিল। তারা ভিয়েতনামের স্বাধীনতার দাবিকে নস্যাৎ করে ভিয়েত মিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। শুরু হয় প্রথম ইন্দোচীন যুদ্ধ। এরপর ১৯৫৪ সালে ডিয়েন বিয়েন ফু-এর যুদ্ধে (Dien Bien Phu) ফরাসিরা ভিয়েত মিনের কাছে হেরে যায়। ফরাসিদের এই পরাজয়ের ফলে ইন্দোচীনে ফরাসি শাসনের অবসান ঘটে এবং ভিয়েতনামের স্বাধীনতার পথ খুলে যায়। অন্যদিকে ফরাসিদের পরাজয়ের পর ভিয়েতনামকে কে এবং কীভাবে শাসন করবে তা বিশ্ব পরাশক্তিদের আকর্ষণের প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
১৯৫৪ সালের জেনেভা সম্মেলনের মাধ্যমে ভিয়েতনামে সামরিক দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানোর জন্য ভিয়েতনামকে সাময়িকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে ভাগ করে দেওয়া হয়। উত্তর ভিয়েতনামের দায়িত্ব থাকে হো চি মিনের কমিউনিস্ট সরকারের উপর, যারা চীনের থেকেও সমর্থন পেয়েছিল। অন্যদিকে দক্ষিণ ভিয়েতনামের দায়িত্ব পায় ফরাসিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সম্রাট বাও দাই (Bao Dai)। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, পরবর্তীকালে একটি জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে দেশটিকে পুনরায় একত্রিত করা হবে। ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় ভিয়েতনামের এই বিভক্তি নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল।
ভিয়েতনাম বিভক্তির দুই বছরের মধ্যে একটি নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলেও তা শেষ পর্যন্ত হয়নি। আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভয় পেয়েছিল যে, ভিয়েতনামে জাতীয় নির্বাচন হলে সমগ্র ভিয়েতনাম এবং আশেপাশের অঞ্চল কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে চলে যাবে। আর মূলত এই কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামের সমস্যার সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছিল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার (Dwight D. Eisenhower) ডোমিনো তত্ত্ব উপস্থাপন করে যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে, ভিয়েতনামে কমিউনিস্টের জয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির জন্য একটি প্রতিকূল প্রভাব তৈরি করবে, তাই যেকোনো মূল্যে এটি প্রতিরোধ করতে হবে।
এছাড়া উত্তর ভিয়েতনামের সরকার কৃষি সংস্কারও চালু করেছিল। এই সংস্কারের ফলে করের পরিমাণ হ্রাস পায় এবং ভূমি সংস্কারের ফলে সেখানে ভূমিহীন কৃষকরা জমি পেয়েছিল ঠিকই, কিন্তু একই সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছিল। এই সময় উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট সরকার এবং তার মিত্র রাষ্ট্রগুলি সমগ্র ভিয়েতনামকে একীভূত করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার প্রচেষ্টা শুরু করেছিল। এই বিরোধের কারণেই ১৯৫৫ সালের ১লা নভেম্বর ভিয়েতনাম যুদ্ধের সূচনা হয়।
ভিয়েতনাম বিভাগের পর ভিয়েতনামী জনগণের একটি বড় অংশই স্বাধীনতা চাইছিল। অন্যদিকে তারা দক্ষিণ ভিয়েতনামের বাও দাইকে একেবারে পছন্দ করত না, জনগণ তাঁকে ফরাসিদের একজন পুতুল হিসেবেই দেখতো। এই কারণে পরবর্তীকালে তাঁকে পদচ্যুত করে আমেরিকার সমর্থনে ক্যাথলিক জাতীয়তাবাদী এনগো দিন ডিয়েমকে (Ngo Dinh Diem) দক্ষিণ ভিয়েতনামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তিনি শাসন কার্যে দক্ষিণ ভিয়েতনামে ক্যাথলিক সংখ্যালঘুদের অগ্রাধিকার দেওয়া শুরু করলে সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা ‘বৌদ্ধ সংকট’ নামে পরিচিত। দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকারও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর অত্যাচার করত। তারা প্রায় ৩০০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদে বৌদ্ধ ভিক্ষু কোয়াং ডুক (Quang Duc) ভিয়েতনামের সাইগনে আগুনে পুড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। এর ফলে মানুষের ক্ষোভ আরো তীব্র হয় আর এই কারণে দক্ষিণ ভিয়েতনামের সামরিক বাহিনী শেষ পর্যন্ত আমেরিকার সমর্থনে ডিয়েমকে হত্যা করে।
এতদিন পর্যন্ত পরোক্ষভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধের সাথে জড়িত থাকলেও ১৯৬৪ সালের টনকিন উপসাগরের ঘটনার ফলে আমেরিকা সরাসরি ভিয়েতনাম যুদ্ধে প্রবেশ করে। উত্তর ভিয়েতনাম টনকিন উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌকার উপর গুলি চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করার পর আমেরিকা উত্তর ভিয়েতনামের উপর আক্রমণ করে। তারপর ১৯৬৮ সালে উত্তর ভিয়েতনাম দক্ষিণ ভিয়েতনামের উপর একটি বড় আক্রমণ করে, যা টেট আক্রমণ নামে পরিচিত। এই সময় উত্তর ভিয়েতনাম এবং ভিয়েত কং বাহিনী দক্ষিণ ভিয়েতনামের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর উপর আক্রমণ চালিয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামের সামরিক বাহিনীকে দুর্বল করে ভিয়েতনামের জনগণের মধ্যে একটি বিদ্রোহ উস্কে দেওয়া। এই আক্রমণটি পরবর্তীকালে মার্কিন জনসমর্থনের উপর গভীর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছিল এবং যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নৈতিক ও রাজনৈতিক বিরোধিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছিল। এই আক্রমণের প্রভাবে মার্কিন সৈন্যদের আত্মবিশ্বাসেও ভাঙন ধরে।
ভিয়েতনাম যুদ্ধের সবচেয়ে কুখ্যাত ঘটনাগুলির মধ্যে একটি ঘটনা হল মাই লাই গণহত্যা। ১৯৬৮ সালে মাই লাই নামক গ্রামে মার্কিন সৈন্যরা নিরীহ কয়েকশো ভিয়েতনামি নাগরিককে হত্যা করে। এরপর মার্কিন সৈন্যরা প্রায় ৭,০০০ দক্ষিণ ভিয়েতনামি শরণার্থীকে সাইগন থেকে উৎখাত করেছিল। কিন্তু এরপর নিজেদের দেশে অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যে পড়ে মার্কিন কংগ্রেস ভিয়েতনামের বিষয়ে অর্থ সাহায্যে বন্ধ করে দিলে ১৯৭৩ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করা শুরু করে। আর এরপর ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম বাহিনী সাইগন আক্রমণ করে শহরটি দখল করে নিলে দক্ষিণ ভিয়েতনামের পতন ঘটে। এরপর ওই বছরই উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম এক দেশ হিসেবে পুনরায় একত্রিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি হয়। এরপর ১৯৭৬ সালে ভিয়েতনামে সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভিয়েতনামের স্বাধীনতা অর্জনের লড়াইয়ে সৈনিকদের গেরিলা যুদ্ধের সঙ্গে নারীরাও এই যুদ্ধে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। গুপ্তচরবৃত্তি, চিকিৎসা সেবা, সরাসরি যুদ্ধ ও প্রশাসনিক নানা কাজে নারীরা সাহায্য করত। এছাড়া নারীরা যুদ্ধবিরোধী প্রচারের নেতা হিসেবে কাজ করেছিলেন।
এই যুদ্ধের ফলে শুধুমাত্র ভিয়েতনাম একটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল তা নয় বরং এই যুদ্ধে বহু মানুষ নিজেদের বাসস্থান ও খাদ্য সংস্থান হারিয়ে একেবার দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়ার প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ নিজেদের বাসস্থান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া এই যুদ্ধে প্রায় ১১ লক্ষ ভিয়েতনামি যোদ্ধা ও প্রায় ৫৮ হাজার আমেরিকান প্রাণ হারিয়েছিল।
ভিয়েতনামের যুদ্ধ ছিল একটি ব্যতিক্রমী নৃশংস সংঘাত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ভয়ঙ্কর অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। যেগুলির মধ্যে দিয়ে বিভিন্নভাবে অরণ্য ও ফসল ধ্বংস করা হত। এই যুদ্ধের সময় ভিয়েতনামের ২০% জঙ্গলে বিষাক্ত স্প্রে করার ফলে ওই এলাকার বন ও কৃষি জমি ধ্বংস হয়ে যায় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছিল। আমেরিকার এই অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ভিয়েতনামের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীসহ সমগ্র বিশ্বের মানুষের মধ্যে আমেরিকার প্রতি বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি করেছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, চীন, সোভিয়েত ইউনিয়ন, কম্বোডিয়া, লাওস এবং অন্যান্য দেশগুলি সময়ের সাথে সাথে এই দীর্ঘ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল থেকে যেভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমগ্র বিশ্বে একচ্ছত্র অধিকার কায়েম করছিল এই যুদ্ধের পরাজয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। অন্যদিকে কমিউনিস্টরা যুদ্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিজেদের সেনা পাঠিয়ে দক্ষিণ ভিয়েতনামের সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করে শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট শাসন কায়েম করতে সক্ষম হয়েছিল। আর এই বিজয় কমিউনিস্টদের আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করেছিল।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান