বাংলাদেশের দীর্ঘ উত্থানপতনময় রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক ইতিহাস অনুসন্ধান করলে যাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন বর্তমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ (Abdul Hamid) বা মহম্মদ আব্দুল হামিদ (Mohammad Abdul Hamid)। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রপতি পদে বহাল রয়েছেন। একজন প্রথিতযশা আইনজীবী হলেও সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল এবং পরবর্তীকালে বহু প্রশাসনিক পদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। বহুবার সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন হামিদ এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। একজন সমাজসেবক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। হামিদ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় বহু স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের সম্পর্কে তাঁর এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। ষাটের দশকে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে পাকিস্তান সরকার তাঁকে একবার কারারুদ্ধও করেছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য আব্দুল হামিদকে ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’-এ সম্মানিত করা হয়।
১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার অন্তর্গত কামালপুর গ্রামে এক চাষী পরিবারে আব্দুল হামিদের জন্ম হয়। তাঁর বাবা হাজী মহম্মদ তৈয়ব উদ্দিন ছিলেন একজন কৃষিজীবী এবং হামিদের মায়ের নাম ছিল তমিজা খাতুন। আব্দুল হামিদের স্ত্রী রাশিদা হামিদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা এবং কিশোরগঞ্জ জেলার মহিলা আওয়ামী লীগের একজন নেত্রী। ১৯৬৪ সালে তাঁদের বিবাহ হয়েছিল এবং রাশিদা তিন পুত্র রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, রাসেল আহমেদ তুহিন ও রিয়াদ আহমেদ এবং এক কন্যা ঝর্ণা হামিদের জন্ম দিয়েছিলেন। তিন পুত্রের মধ্যে রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।
গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আব্দুল হামিদের শিক্ষা আরম্ভ হয়েছিল। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করবার পর তিনি ভৈরবপুরে এক আত্মীয়ের বাড়ি চলে যান। ১৯৬১ সালে হামিদ কিশোরগঞ্জের নিকলী জি. সি পাইলট হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশনে সাফল্য লাভ করেন। এরপর আরও উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল গভর্নমেন্ট কলেজে ভর্তি হন। ঐ কলেজ থেকে আই. এ পাশ করেন এবং পরে স্নাতক ডিগ্রিও অর্জন করেন তিনি। তাঁর অধ্যবসায় এবং বুদ্ধির দীপ্তি তাঁকে ভবিষ্যতের উচ্চতর শিক্ষালাভে আরও বেশি সাহায্য করেছিল। আইন-কানুনের প্রতি এক আগ্রহ থেকেই তিনি আইন অধ্যয়নের সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ সেন্ট্রাল ল’ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন হামিদ এবং সেখান থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জনে সক্ষম হন।
শিক্ষাজীবন সমাপ্ত হলে তিনি আইনজীবী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। কিশোরগঞ্জ আদালতের একজন আইনজীবী ছিলেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সময়কালের মধ্যে তিনি পাঁচবার কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রাবস্থা থেকেই রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন আব্দুল হামিদ। ১৯৫৯ সালে ছাত্র লীগে যোগদানের মাধ্যমে তিনি রাজনীতির জগতে প্রবেশ করেছিলেন বলা যায়। ১৯৬১ সালে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেন তিনি। ১৯৬২ সালে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন হামিদ, ফলে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাঁকে গ্রেফতার করে কারাবন্দী অবস্থায় রেখেছিল। ১৯৬৩ সালে তিনি গুরুদয়াল কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে কিশোরগঞ্জ মহকুমা ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন তিনি। পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১৯৬৫ সালে গুরুদয়াল কলেজের ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন আব্দুল হামিদ। ১৯৬৬-৬৭ সময়কালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্র লীগের সহ-সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেছিলেন তিনি। ১৯৬৮ সালে পুনরায় তাঁকে কারাবাস করতে হয় ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। ১৯৬৯ সালের শেষদিকে হামিদ বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল ‘আওয়ামী লীগ’-এ যোগ দেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন আব্দুল হামিদ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নির্দেশে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের অস্থিরতার প্রাক্কালে তিনি মাতৃভূমির স্বাধীনতা অর্জনের পক্ষে কিশোরগঞ্জে পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু করেন। এই ধারা অনুসরণ করে ১৭ মার্চ কিশোরগঞ্জের রথখোলা মাঠে হাজার হাজার মানুষের এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আব্দুল হামিদ। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে টেলিগ্রামের মাধ্যমে সেই সংবাদ পেতেই হামিদ ঝাঁপিয়ে পড়েন সেই মুক্তিসংগ্রামে। ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে মুক্তিযুদ্ধের ব্যয় পরিচালনার জন্য তিনি সামরিক কর্তাব্যক্তিদের সহায়তায় ‘ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তান’-এর কিশোরগঞ্জ, ভৈরব এবং বাজিতপুর শাখা থেকে ১১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে তথাকথিত নিরাপদ ব্রাহ্মণবেড়িয়া ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক শাখায় জমা করে দেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং আন্দোলন পরিচালনার জন্য ভারতের আগরতলায় চলে আসেন হামিদ। এসময় বৃহত্তর চট্টগ্রাম, নোয়াখালি ও কুমিল্লার অধিকাংশ সংসদ সদস্যই সেখানে অবস্থান করছিলেন। তাঁদের সঙ্গে হামিদ যুদ্ধের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি আগরতলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়ও করেছিলেন। এপ্রিলের শেষদিকে একবার বাংলাদেশে আসেন তিনি এবং আরও কিছু সহযোগীর সঙ্গে তিনি মেঘালয়ের টেকেরহাট, গুমাঘাট, পাঁচরা, মৈলাম হয়ে বালাটে পৌঁছান। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে মূলত নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ থেকে যারা এসেছিলেন এখানে, তাঁদের প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য হামিদ যুব সংবর্ধনা ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং শরণার্থীদের উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য গঠিত আঞ্চলিক প্রশাসনিক পরিষদেরও একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। ভারতের মেঘালয়ে রিক্রুটিং ক্যাম্পের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের (মুজিব বাহিনী) সাব-সেক্টর কমাণ্ডারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব পালন করেন। গোটা মুক্তিযুদ্ধ জুড়েই এসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে গেছেন তিনি।
১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়লাভের পর শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের জন্য মেঘালয়ের বেশ কিছু ক্যাম্পে সভা করেন তিনি। শরণার্থীদের দেশে ফেরা নিশ্চিত করে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর কিশোরগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পান হামিদ।
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে হামিদ ময়মনসিংহ-১৮ আসন থেকে সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭২ সালে তিনি গণপরিষদের সদস্যও হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০, ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৯ সালের নির্বাচনে ক্রমান্বয়ে কিশোরগঞ্জ-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সাল থেকে ২০০৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার পরে ১৯৭৬-৭৮ সালে সামরিক আইনের অধীনে তৎকালীন বিএনপি সরকার হামিদকে কারারুদ্ধ করে। ১৯৯৬ সালের ১৩ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত তিনি সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীকালে ২০০১ সালের ১২ জুলাই তারিখে সংসদের স্পিকার নিযুক্ত হন তিনি এবং ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত সেই পদে বহাল ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত হামিদ বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০৯ সালে পুনরায় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন আব্দুল হামিদ এবং ২০১৩ পর্যন্ত এই পদ অলঙ্কৃত করেন তিনি। জাতীয় সংসদে তিনি কার্য উপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালী-বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং পিটিশন কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) উন্নয়ন কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আব্দুল হামিদ। ২০১১ সালে আইপিইউ-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত এই পদেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। হামিদ কিশোরগঞ্জ জেলা গণ-গ্রন্থাগারের কার্যনির্বাহী ও আজীবন সদস্য ছিলেন। এছাড়াও কিশোরগঞ্জ জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি, কিশোরগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং কিশোরগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবের আজীবন সদস্যপদ ছিল তাঁর। তিনি কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাম্মানিক সদস্য এবং অনেক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ জিল্লুর রহমান অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকায় ২০১৩ সালের ১৪ মার্চ আব্দুল হামিদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে নিযুক্ত হন। ২০ মার্চ সিঙ্গাপুরে জিল্লুর রহমানের মৃত্যু হলে তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে ২২ এপ্রিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন আব্দুল হামিদ এবং বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৪ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পুনরায় দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তিনি এবং বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
একজন সমাজসেবক এবং শিক্ষা-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আব্দুল হামিদ। তিনি ৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪টি উচ্চ বিদ্যালয় এবং ৩টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় অষ্টগ্রাম কলেজ, মিঠামইন ডিগ্রি কলেজ, তমিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আলংজুরী উচ্চ বিদ্যালয়, ইটনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, আব্দুল্লাহপুর উচ্চ বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা নির্মাণের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। হামিদ বিভিন্ন সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং সম্মেলনে যোগদানের জন্য মিশর, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিন, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফর করেছিলেন।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৩ সালে জনাব মহম্মদ আব্দুল হামিদকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’-এ ভূষিত করা হয়।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান