ইতিহাস

নিরুপমা দেবী

বাংলা সাহিত্যের সাধারণ পাঠক আশাপূর্ণা দেবীকে যতখানি জানেন, নিরুপমা দেবীকে তার সিকিভাগও জানেন কি না সন্দেহ! বইপাড়ায় তাঁর লেখা গল্প বা উপন্যাসের খোঁজ মেলে না। জীবদ্দশায় গ্রন্থিত বইয়ের মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর পাঠকের মনে কতখানি ছড়িয়ে পড়েছিলেন, সে সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া দুষ্কর। পথ একটাই— তাঁর লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত নাটক বা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে জনমানসে তিনি কতখানি প্রভাব ফেলেছিলেন তার একটা হদিশ পাওয়া। তিনি জন্মেছিলেন এমন এক সময়ে, যখন বাংলা সাহিত্যে নারীর উপস্থিতি ক্রমশ চোখে পড়তে শুরু করেছে।  তার বাল্যজীবন কাটে ভাগলপুরে। পরিবারের গন্ডীর মধ্যে থেকে তিনি সাধারণ শিক্ষা লাভ করেন। অকাল বৈধব্য বরণের পর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিভূতিভূষণ ভট্ট এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি সাহিত্য সাধনায় মনোনিবেশ করেন। বিভূতিভূষণ এবং শরৎচন্দ্র পরিচালিত হাতেলেখা পত্রিকার মাধ্যমে তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।  পারিবারিক জীবনের প্রেম, সংঘাত এবং অন্তর্দ্বন্দ্ব তাঁর উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য। তিনি বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষা নিয়ে শেষ জীবন বৃন্দাবনে কাটান।

১২৯০ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে অর্থাৎ ১৮৮৩ সালের ৭ মে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে জন্মগ্রহণ করেন  নিরুপমা দেবী। কিন্তু প্রামাণ্য তথ্যের অভাবে তাঁর জন্ম তারিখটি নিয়ে সংশয় আছে। তাঁর পিতা নফরচন্দ্র ভট্ট বিচার বিভাগে চাকরি করতেন। যোগমায়া ও নফরচন্দ্র ভট্টর কন্যা নিরুপমা ছেলেবেলায় ছিলেন খুবই প্রাণবন্ত।  বহরমপুরের গোরাবাজার অঞ্চলে ভট্ট পরিবারের বিশাল বাড়ির অংশবিশেষ আজও দাঁড়িয়ে আছে। এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন নফরচন্দ্র, যিনি ছিলেন গোঁড়া রক্ষণশীল হিন্দু। বিদ্যাসাগরের বিধবা বিবাহ  আন্দোলনের ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি। নিজে তিন বার বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। দ্বিতীয় স্ত্রীর তিন সন্তান শশীভূষণ, ইন্দুভূষণ ও বিনোদভূষণ। তৃতীয় স্ত্রী যোগমায়া। তাঁর ছ’সন্তান— বিভূতিভূষণ, নিরুপমা, সুরেশ্বরী, পঞ্চানন, ক্ষণপ্রভা ও রানি।

সে কালের রীতি অনুযায়ী ১৮৯৩ সালে মাত্র দশ বছর বয়সে নিরুপমার বিয়ে হয় নদিয়া জেলার সাহারবাড়ির নবগোপাল ভট্টর সঙ্গে। বিয়ের চার বছরের মাথায় যক্ষ্মা রোগে নবগোপাল মারা যান ১৮৯৭ সালে। মাত্র চোদ্দো বছর বয়সে বাল্যবিধবা হয়ে নিরুপমা ফিরে আসেন ভাগলপুরে তাঁর পিতৃগৃহে। নফরচন্দ্র তখন কর্মসূত্রে ভাগলপুরবাসী। বিধবা নিরুপমা যখন ভাগলপুরে এলেন, তিনি তখন একেবারে অন্য মানুষ।  আগের সেই ছটফটে ভাবটা উধাও। এই বদলে যাওয়া বাল্যসখীকে দেখে সাহিত্যিক অনুরূপাদেবী অবাক হয়ে যান। একটা চিঠি লেখেন নিরুপমাকে। তাঁকে নতুন করে জীবনবৃত্তে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করেন। নিরুপমা দেবী লেখা শুরু করেন। যদিও হিন্দু বিধবার আচারসর্বস্ব জীবনকে তিনি বর্জন করেননি কোনও দিন। কিন্তু বাংলা সাহিত্যকে আঁকড়ে ধরে মনের জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছিলেন অনন্য এক সাহিত্যসাধিকা। তাঁর এই ‘হয়ে ওঠা’ সম্ভব হয়েছিল এক দিকে নিজের শিক্ষাদীক্ষার হাত ধরে, অন্য দিকে দাদা বিভূতিভূষণ ও অমর কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রেরণায়।

স্বর্ণকুমারী দেবীর উৎসাহে অনেক বাঙালি মেয়েই সেই সময়ে বাংলা সাহিত্যের আঙিনায় পা ফেলতে শুরু করেন। তৎকালীন ‘ভারতী’, ‘ভারতবর্ষ’, ‘প্রবাসী’র মতো সাহিত্য পত্রিকায় এঁদের সাহিত্যকর্মের নিদর্শন রয়ে গিয়েছে। প্রসন্নকুমারী দেবী, জ্ঞানদানন্দিনী দেবী, মানকুমারী, কামিনী রায়, সরলা দেবীরা সাহিত্যসাধিকা হিসেবেই আজও স্বীকৃত। এঁদেরই উত্তরসূরি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে প্রবেশ ঘটেছিল নিরুপমার।

১৯০৪ সালে ‘অনুপমাদেবী’ ছদ্মনামে নিরুপমা দেবী ‘প্রত্যাখান’ গল্পটি লিখে কুন্তলীন পুরস্কার পান। তার পরে ১৯৪১ পর্যন্ত একে একে তিনি লিখে গিয়েছেন ‘অন্নপূর্ণার মন্দির’ (১৯১৩), ‘দিদি’ (১৯১৫), ‘আলেয়া’ (১৯১৭), ‘বিধিলিপি’ (১৯১৯), ‘শ্যামলী’ (১৯১৯), ‘বন্ধু’ (১৯২১), ‘আমার ডায়েরী’ (১৯২৭), ‘যুগান্তরের কথা’ (১৯৪০), ‘অনুকর্ষ’র (১৯৪১) মতো গ্রন্থিত উপন্যাস ও ছোটগল্প। ক্রমশ তিনি হয়ে উঠেছিলেন তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে এমনই এক লেখিকা, যাঁর জুড়ি নেই।

নিরুপমার সাহিত্যসঙ্গী বলতে ছিলেন অনুরূপা দেবী (গঙ্গাজল সই), ইন্দিরা দেবী (ওপোদিদি), হেমনলিনী দেবী, সুষমা সিংহ।

১৯০৭ সালে নফরচন্দ্রর মৃত্যুর পর ভাগলপুরের পাট চুকিয়ে নিরুপমা চলে আসেন বহরমপুরে। তখন তিনি ২৪ বছরের তরুণী। ভাগলপুরে থাকতেই তিনি বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা নিয়েছিলেন। বহরমপুরে এসে হাল ধরেছিলেন বিরাট পরিবারের। এই পর্বের নিরুপমা দেবীকে দেখে দুর্গাদাস ভট্টর মনে হয়েছিল, যেন তিনি জীবনের রূপ-রস-গন্ধ, আশা-আকাঙ্ক্ষা উপভোগ করতে চাওয়া সম্পূর্ণ এক নারী।

এক সময়ে বিভূতিভূষণের পুত্র বিষ্ণুযশাকে  দত্তক নিয়ে সন্তান সুখ মেটাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই শিশুটি বেশি দিন বাঁচেনি। এই ঘটনা তাঁর ‘পরের ছেলে’ উপন্যাসের উৎসভূমি বলে জানিয়েছেন চিত্ররেখা। এ সবেরই পাশাপাশি তিনি লিখে গিয়েছেন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলি।

১৯২৭ সালের পরে নিরুপমার কোনও উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি। তখন তিনি দেশব্রতী হয়ে যোগ দিয়েছেন স্বাধীনতা আন্দোলন ও সমাজ উন্নয়নের কাজে। আইন অমান্য আন্দোলনে পতাকা কাঁধে মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। অন্য দিকে সে কালের বিপ্লবীদের পুলিশের হাত থেকে বাঁচাতে নিজের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছেন। সুভাষচন্দ্র বসু তাঁকে খুবই শ্রদ্ধা করতেন। নারীশিক্ষার জন্য বন্ধু সুষমা সিংহকে নিয়ে রক্ষণশীলতার বেড়া ভেঙে বাড়ি বাড়ি গিয়ে অর্থ ভিক্ষা করে বহরমপুরে মেয়েদের জন্য চালু করেছিলেন ‘কাশীশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়’। তাঁর কর্মকাণ্ড শুধু মাত্র বহরমপুরে আটকে ছিল না। তিনি মহিলা কংগ্রেসে যোগ দিতে কলকাতার টাউন হলে গিয়েছেন। সেখানে বিধবা-বিবাহের প্রস্তাবের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের হয়ে গলা তুলেছেন।

১৯২৭ সালের পরে ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয় নিরুপমার ‘যুগান্তরের কথা’ ও ১৯৪১ সালে ‘অনুকর্ষ’। দীর্ঘ ১৩ বছর পার করে। সাহিত্যজগৎ থেকে তাঁর এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ কেবল মাত্র দেশ ও সমাজ-সংস্কারের কাজে যুক্ত হওয়াই হয়তো নয়। সাহিত্য-পরিমণ্ডল থেকে সরে আসার অন্য কারণও থাকতে পারে। ১৯৩২ সালে ‘জয়শ্রী’ পত্রিকায় নিরুপমা নিজের জীবনকথা লিখতে গিয়ে শরৎচন্দ্রের অনুরাগীদের কাছে যে লাঞ্ছিত হচ্ছিলেন বিভিন্ন সভা-সমিতিতে, তা নিজেই জানিয়েছিলেন। “এ লাঞ্ছনা ‘অন্নপূর্ণার মন্দির’কে ঘিরে হলেও শরৎচন্দ্রের দ্বারা সাহিত্য-রচনায় তিনি কী ভাবে ঋণী এসব প্রশ্ন করেও অসম্মানজনক ভাবে তাঁকে বিব্রত করা হচ্ছিল।” তাই নিরুপমা সাহিত্য-জগৎ থেকেই সরে এসেছিলেন। মন দিয়েছিলেন নারীদের জন্য শিক্ষা ও স্বাধীনতার পথ খুলে দেওয়ার দিকে। তবে শরৎচন্দ্রের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা চিরকালই থেকেছে।

১৯৩৬ সালে বর্ধমান সাহিত্য পরিষদ নিরুপমা দেবীকে সংবর্ধনা দেয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৮ সালে তাঁকে ‘ভুবনমোহিনী’ স্বর্ণপদক ও ১৯৪৩ সালে ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদক দেয়। ইতিমধ্যে ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মারা যান। ১৯৪০ সালে আমরা দেখি, নিরুপমা দেবী ফিরে এসেছেন বাংলা সাহিত্যজগতে তাঁর নতুন উপন্যাস ‘যুগান্তরের কথা’ ও পরের বছর ‘অনুকর্ষ’ নিয়ে। ওই সময়ে তিনি খুঁজে পেয়েছেন এক জন গুরুকে। যাঁর নাম গৌরগোবিন্দ ভগবৎ স্বামী। ‘এই বৈষ্ণব সাধু তাঁকে চিদানন্দস্বরূপ কৃষ্ণের খোঁজে নিয়োজিত’ করেছেন। নিরুপমার উপন্যাসে নারীর বৈধব্য, যন্ত্রণা, সমাজজীবনকে ছাপিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে তাঁর গুরু এবং সেই গুরুর তত্ত্বকথা।

নিরুপমা কখনও সহায় সম্পদহীন ছিলেন না। সংসারে তাঁর প্রতাপের কথা বলেছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। তাঁর অর্থ সামর্থ্যের অভাব হয়নি। লেখার রয়্যালটির টাকা পেতেন নিয়মিত। শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তির ভাগও পেয়েছিলেন। কিন্তু তবু তাঁর জীবনের যাত্রাপথে লুকিয়ে রেখেছিলেন তাঁর মনের গভীরতম সত্তাটিকে। যার পরিচয় রয়েছে তাঁর লেখা ডায়েরির পাতায়। যা পড়লে মনে হয়, সংসারে তিনি নিজের একটি বাহ্যিক চেহারা তৈরি করে নিয়েছিলেন। প্রকৃত সত্তায় তিনি আচারনিষ্ঠ বিধবা নন। তিনি ‘রূপ পিপাসু’ এক নারী। ডায়েরির এক জায়গায় লিখেছেন,

“মনে হল আমি বোধহয় একটু বেশি রকম রূপ পিপাসু! যেখানে সৌন্দর্য, সত্যই আমি সেখানে অত্যন্ত আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। চুপ করে সে আকাশের সৌন্দর্য্য দেখাই যেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সুখ বলে মনে হয়।”

জীবনের শেষ দশ বছর তিনি কাটিয়েছিলেন বৃন্দাবনে মা যোগমায়ার সেবা শুশ্রূষায়। সংসার, সন্তান তাঁর ছিল না। তাই মায়ের দেখাশোনার দায়িত্ব বিধবা নিরুপমাকেই নিতে হয়েছিল। বহরমপুরে নিজের আপনজনদের থেকে দূরে, বাংলা সাহিত্যজগৎ থেকে দূরে, সুদূর বৃন্দাবনে আরও অনেক ভাগ্যহত বিধবার ভিড়ে নিজেকে মিশিয়ে দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের যশস্বী এই লেখিকা। মাঝে মাঝে যোগাযোগের অভাবে অর্থকষ্টেও ভুগেছেন। এমনকি জগত্তারিণী পদক বন্ধক রেখেছেন।  নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে দেখার কেউ ছিল না। ১৯৪৭ সালে অসুস্থ নিরুপমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল রাধারাণী-নরেন দেবের। তাঁদের দেখে নিরুপমা ব্যাকুল ভাবে কেঁদে উঠেছিলেন। নিরুপমা দেবী ১৯৫১  সালের ৭ জানুয়ারি মৃত্যু বরণ করেন।  বৃন্দাবনেই তাঁর শেষকৃত্য হয়।

১৯৫৩ সাল। নিরুপমা দেবীর ‘শ্যামলী’ উপন্যাস নিয়ে তৈরি হল ‘শ্যামলী’ নাটকটি। নায়ক উত্তমকুমার, নায়িকা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়। দেখা গেল, শুধু জনপ্রিয়তা নয়, এই নাটক বাংলা থিয়েটারেই এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল। অন্য দিকে ১৯৫৬ সালে এই নাটককেই পর্দায় নিয়ে এলেন পরিচালক অজয় কর। উত্তমকুমার ও কাবেরী বসু অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের কাছে হয়ে গেল আর এক বিস্ময়। একে একে নিরুপমা দেবীর লেখা উপন্যাস থেকে তৈরি হতে থাকল ‘অন্নপূর্ণার মন্দির’, ‘দেবত্র’, ‘বিধিলিপি’র মতো চলচ্চিত্র। আশাপূর্ণা দেবীর কাহিনি যেমন বাংলার চলচ্চিত্রকারদের কাছে ছিল নিশ্চিত সাফল্যের আশ্বাস, একই কথা বলা হত নিরুপমা দেবীর ক্ষেত্রেও। দুঃখের বিষয়, এই জনপ্রিয়তা তিনি দেখে যেতে পারেননি।

তথ্যসূত্র


  1. নিরুপমা দেবী জীবনে ও সাহিত্যে, চিত্র রেখা গুপ্ত, সিগনেট প্রেস (২০১২)
  2. বর্তমান পত্রিকা, ২৭শে জুন ২০১৯ সাল।   
  3. আজকাল পত্রিকা, ২১শে জুলাই ২০১৮ সাল
  4. আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সাল
  5. https://bn.wikipedia.org/wiki/নিরুপমা-দেবী

 
1 Comment

1 Comment

  1. Pingback: আজকের দিনে | ৭ জানুয়ারি | সববাংলায়

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর - জন্ম সার্ধ শতবর্ষ



তাঁর সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাহিত্য অনুরাগী?
বাংলায় লিখতে বা পড়তে এই ছবিতে ক্লিক করুন।

বাংলাভাষায় তথ্যের চর্চা ও তার প্রসারের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন