সববাংলায়

রবীন্দ্র নারায়ণ রবি

বিভাগঃ , ,

রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (Ravindra Narayana Ravi) হলেন ভারতের ১৯৭৬ ব্যাচের কেরালা ক্যাডারের একজন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ এবং পশ্চিমবঙ্গের ২২ তম রাজ্যপাল। দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই আমলা উত্তর-পূর্ব ভারতের শান্তি আলোচনায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীকালে তিনি নাগাল্যান্ড ও তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি কিছুদিন মেঘালয়ের রাজ্যপালের দায়িত্বও সামলান। ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত করেন।

১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল বিহারের পাটনায় রবীন্দ্র নারায়ণ রবির জন্ম হয়। তিনি ১৯৭৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

রবীন্দ্র নারায়ণ রবি প্রথমে সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তবে কিছুদিন পর তিনি সাংবাদিকতার পেশা ছেড়ে ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসে (IPS) যোগ দেন। এই সময় কেরালা ক্যাডারে তিনি প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কর্মরত থাকেন। এরপর তিনি কিছুদিন সিবিআইতে কাজ করেন। এই সময় রবীন্দ্র নারায়ণ রবি খনি মাফিয়াসহ বেশ কয়েকটি দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এছাড়া ভারতের গোয়েন্দা সংস্থায় কর্মরত থাকাকালীন তিনি জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মাওবাদী প্রভাবিত অঞ্চলের বিদ্রোহ ও সহিংসতা দমন করার কাজ করেন। ২০১২ সালে তিনি আইবি-র স্পেশাল ডিরেক্টর পদ থেকে অবসর। তারপর তিনি জাতীয় সংবাদপত্রগুলিতে নিয়মিত বিভিন্ন কলাম লিখতেন। ২০১৪ সালে তাঁকে জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির (JIC) চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। পরে ২০১৮ সালে তিনি ভারতের উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (Deputy National Security Adviser) পদে নিযুক্ত হন।

এক নজরে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির জীবনী:

  • জন্ম: ৩ এপ্রিল, ১৯৫২
  • কেন বিখ্যাত: প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ, নাগা শান্তি চুক্তির প্রধান মধ্যস্থতাকারী এবং নাগাল্যান্ড, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল।
  • উল্লেখযোগ্য পদ: জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটির চেয়ারম্যান, নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল (২০১৯-২০২১), তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল (২০২১-২০২৬) এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (২০২৬-বর্তমান।

ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড (The National Socialist Council of Nagaland বা NSCN)-এর সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের দীর্ঘদিনের মতবিরোধ ছিল। একদিকে এনএসসিএন (আইএম) নামক সংগঠন নাগা জাতির ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব অধিকার, আলাদা সংবিধান ও আলাদা পতাকার দাবি করে। নাগাল্যান্ড, মণিপুর, আসাম ও অরুণাচল প্রদেশের নাগা অধ্যুষিত এলাকাকে নিয়ে তারা একটি বিশাল নাগা রাষ্ট্র ‘নাগালিম’-এর দাবি করে। অন্যদিকে, ভারত সরকার ভারতীয় সংবিধানের আওতার বাইরে গিয়ে কোনও সমাধান মানতে নারাজ ছিল।

২০১৪ সালে ভারত সরকার রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে এই সমস্যার সমাধানের জন্য ইন্টারলোকেটর বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করে। তিনি এনএসসিএন (আইএম) দলের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের নাগা বিদ্রোহ অবসানের উদ্যোগ নেন। এছাড়া তিনি নাগা ন্যাশনাল পলিটিক্যাল গ্রুপসের অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকেও আলোচনার জন্য রাজি করান। রবীন্দ্র নারায়ণ রবির কূটনৈতিক দক্ষতার কারণে ভারত সরকার ও এনএসসিএন (আইএম) একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজি হয়। ২০১৫ সালে ভারত সরকার ও এনএসসিএন (আইএম)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (Framework Agreement) স্বাক্ষরিত হয়।

এরপর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে ২০১৯ সালে নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত করেন। এছাড়া তৎকালীন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায় ছুটিতে থাকার কারণে ২০১৯ সালে তিনি মেঘালয়ের রাজ্যপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল হওয়ার পর তিনি নাগা শান্তি আলোচনায় মুখ্য মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেন। রবীন্দ্র নারায়ণ রবির মূল লক্ষ্য ছিল নাগা শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং একটি গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানো। তবে পরবর্তীকালে শান্তি আলোচনার গতিপ্রকৃতি এবং তাঁর কিছু মন্তব্যের কারণে এনএসসিএন (আইএম)-এর সাথে রবীন্দ্র নারায়ণ রবির সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই সময় তাঁর বিরুদ্ধে শান্তি চুক্তির কাঠামো পরিবর্তন করার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া আরও অভিযোগ ওঠে যে, তিনি নাগা গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করার জন্য নাগা ন্যাশনাল পলিটিক্যাল গ্রুপসের প্রতি নরম মনোভাব দেখালেও এনএসসিএন (আইএম)-এর বিরোধিতা করেন।

তাছাড়া ২০২০ সালে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি রাজ্যের অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে একটি চিঠিতে নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি রাজ্য সরকারকে ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী’-র মদদদাতা বলে ইঙ্গিত করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নাগা শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা এবং রাজ্য সরকারের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাঁর মেয়াদকালে নাগাল্যান্ডে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। এরপর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে নাগাল্যান্ড থেকে সরিয়ে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি রাজ্যপাল থাকাকালীন সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতা এড়িয়ে চলতেন বলে নাগাল্যান্ড ছাড়ার সময় কোহিমা প্রেস ক্লাব তাঁর বিদায়ী অনুষ্ঠান বয়কট করে।

২০২১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্র নারায়ণ রবি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে রবির সাথে মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্ট্যালিনের সরকারের একাধিকবার মতবিরোধ হয়। স্ট্যালিন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি রাজ্য বিধানসভায় পাস হওয়া বিভিন্ন বিলে ইচ্ছা করে বিলম্ব করছেন। তামিলনাড়ু বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যপাল নিট (NEET) বিরোধী বিলটি ফেরত পাঠান। তিনি এই বিলের বিষয়ে যুক্তি দেন যে, বিলটি গ্রামীণ ও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের স্বার্থের পরিপন্থী। এছাড়া মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়, আম্বেদকর ল ইউনিভার্সিটি এবং এম.জি.আর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত একাধিক বিলে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি দীর্ঘকাল কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা রাজ্য সরকারের হাতে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিলও তিনি আটকে রাখেন। ২০২২ সালে বিধানসভায় পাস হওয়া প্রায় ২১টি বিল তিনি আটকে রাখেন।

দীর্ঘ সময় ধরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল আটকে রাখায় সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবির কাজকে বেআইনি বলে উল্লেখ করেন। তারপর আদালত বেশ কিছু বিলকে ‘অনুমোদিত’ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেয়। পরে তামিলনাড়ু বিধানসভায় একটি প্রস্তাব পাস করে কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যপালদের বিলে সম্মতি দেওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করতে অনুরোধ জানানো হয়।

তামিলনাড়ু সরকার মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় দোষীদের মুক্তির জন্য রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করে। রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি দীর্ঘ সময় ধরে এই ফাইলটি আটকে রাখেন এবং পরে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেন। এরপর ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপালের এই ভূমিকাকে সাংবিধানিক কাঠামোর বিরোধী কাজ বলে উল্লেখ করে।

২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি রাজভবনের এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে তামিলনাড়ুর পরিবর্তে ‘তামিঝাগাম’ (যার অর্থ তামিলদের ভূমি) নামটি বেশি মানানসই হবে বলে যুক্তি দেন। রাজ্যের শাসকদল ডিএমকে এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলি তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বলে যে, রাজ্যপাল সংবিধান স্বীকৃত নাম পরিবর্তন করতে চাইছেন। এই বিতর্কের কারণে রাজভবন থেকে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয় যে, রাজ্যপাল রাজ্যের নাম পরিবর্তনের কোনো পরামর্শ দেননি। এছাড়া রবীন্দ্র নারায়ণ রবি তামিলনাড়ু রাজ্য অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার জন্য রাজ্যের শাসকদলের নীতিকে দায়ী করেন।

২০২৩ সালে তামিলনাড়ু বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের পর রাজ্য সরকার দাবি করে যে, রবীন্দ্র নারায়ণ রবি রাজ্যপালের কার্যালয়ে জমা দেওয়া ভাষণ থেকে নারী ক্ষমতায়ন, ধর্মনিরপেক্ষতা, আত্মসম্মান এবং বি আর আম্বেদকর ও দ্রাবিড় নেতাদের সম্পর্কিত কিছু অংশ বাদ দেন। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে স্পিকারকে অনুরোধ করেন যেন তিনি রাজ্য বিধানসভার নিয়ম শিথিল করে শুধুমাত্র রাজ্য প্রশাসনের তৈরি করা ভাষণটি রেকর্ড করেন এবং রাজ্যপালের যোগ করা বা বাদ দেওয়া অংশগুলি বাতিল করে দেন। প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়ার পর রাজ্যপাল সভাকক্ষ ত্যাগ করেন। রাজ্যপালের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, নৈতিক এবং বাস্তব কারণে তিনি রাজ্য সরকারের দেওয়া ভাষণটি মেনে নিতে পারেননি।

২০২৩ সালের জুন মাসে আর্থিক তছরূপ মামলায় ইডি ভি. সেন্থিল বালাজিকে গ্রেপ্তার করলে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাঁকে রাজ্যের মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেন। তবে জনগণ দ্বারা নির্বাচিত সদস্যকে এভাবে বরখাস্ত করার জন্য বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। তবে শেষ পর্যন্ত বিতর্কের কারণে রাজ্যপাল ওই আদেশ প্রত্যাহার করে বলেন যে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরামর্শে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত নেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করেন।

২০২৫ সালের ১২ এপ্রিল রবি মাদুরাইয়ের ত্যাগরাজা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (Tyagaraja Engineering College) অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে বলেন। রাজ্যপালের এই কর্মকাণ্ড তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। ডিএমকে এবং কংগ্রেস দল অভিযোগ করে যে, রাজ্যপাল একটি সাংবিধানিক পদে থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শ এবং রাজ্যপালের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেন। এমনকি শিক্ষাবিদদের একটি সংগঠন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি লিখে রবির পদ থেকে অপসারণের দাবি জানায়।

২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি বছরের প্রথম অধিবেশনে রবীন্দ্র নারায়ণ রবি রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ দিতে অস্বীকার করেন এবং কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। পরে রাজ্যপালের কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয় যে, রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ভাষণে মিথ্যা দাবি করার জন্য রাজ্যপাল ওয়াকআউট করেন।

২০২৬ সালের ১২ মার্চ রবীন্দ্র নারায়ণ রবি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। কলকাতার রাজভবনে আয়োজিত ওই শপথ অনুষ্ঠানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য, শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বেরা।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading