সববাংলায়

আনন্দ শঙ্কর

বিভাগঃ , ,

আনন্দ শঙ্কর (Ananda Shankar) একজন বিখ্যাত সেতার বাদক, সঙ্গীত পরিচালক এবং সুরকার। তিনি সেতারের মতো চিরাচরিত বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি মুগ সিন্থেসাইজার এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ব্যবহার করতেন। সঙ্গীতের জগতে তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান হলো যে, তিনি পাশ্চাত্য রক বা ফাঙ্ক মিউজিকের সঙ্গে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এক নতুন ধারার সঙ্গীত সৃষ্টি করেছিলেন। এই ধরনের কাজ করার জন্য তাঁকে ইন্দো-ফাঙ্ক বা ইন্দো-ওয়েস্টার্ন ফিউশন সঙ্গীত ধারার অন্যতম পথিকৃৎ বলে মনে করা হয়। তিনি মূলত এই সঙ্গীত ফিউশনের অগ্রদূত হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এছাড়া তিনি কিছু সিনেমায় সঙ্গীত পরিচালনার কাজও করেছিলেন।

১৯৪২ সালের ১১ ডিসেম্বর উত্তর প্রদেশের আলমোড়ায় বিখ্যাত শঙ্কর পরিবারে আনন্দ শঙ্করের জন্ম হয়। এই শঙ্কর পরিবারের সদস্যরা ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেছিলেন। আনন্দ শঙ্করের বাবার নাম পন্ডিত উদয় শঙ্কর ও তাঁর মায়ের নাম অমলা শঙ্কর। পণ্ডিত উদয় শঙ্কর ছিলেন ভারতে আধুনিক নৃত্যের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি সমগ্র বিশ্বের সামনে ভারতের নৃত্যশিল্পকে তুলে ধরেছিলেন। এছাড়া তিনি ভারতীয় ধ্রুপদী ও লোকনৃত্যের সঙ্গে পাশ্চাত্য থিয়েটারের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এক নতুন ধারার নৃত্যের সূচনা করেছিলেন। অন্যদিকে তাঁর মা অমলা শঙ্করও ছিলেন একজন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী। এছাড়া তাঁর কাকা পণ্ডিত রবিশঙ্কর ছিলেন একজন বিখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতজ্ঞ, সুরকার এবং বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেতার বাদক। তবে বাবা-মা উভয়ে নাচের জগতের মানুষ হলেও আনন্দ শঙ্করকে নিজের ইচ্ছে মতো পেশা বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন তাঁরা। এছাড়া আনন্দ শঙ্কর জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মমতা শঙ্করের ভাই। তিনি নৃত্যশিল্পী তনুশ্রী শঙ্করকে বিবাহ করেন। তাঁদের একমাত্র কন্যার নাম শ্রীনন্দা শঙ্কর। তিনিও একজন নৃত্যশিল্পী, অভিনেত্রী এবং মডেল হিসেবে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

আনন্দ শঙ্কর গোয়ালিয়রের সিন্ধিয়া স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। ছোট থেকে শিল্প, নৃত্য, সঙ্গীত সমন্বিত এক শৈল্পিক পরিবেশে বড় হওয়া আনন্দ শঙ্করের সুরের প্রতি একটা তীব্র আকর্ষণ ছিল। নিজের পরিবারে বিখ্যাত এবং প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বদের সাথে বেড়ে ওঠার চাপ সত্ত্বেও, তিনি তাঁর নিজস্ব একটা ধারা তৈরি করেছিলেন। তিনি তাঁর কাকা রবিশঙ্করের কাছে সুরের প্রাথমিক শিক্ষা নেওয়া শুরু করেছিলেন। তবে রবিশঙ্কর এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, তিনি তাঁকে ক্যাসেটের মাধ্যমে সঙ্গীত শেখাতেন। এরপর তাঁর কাকা তাঁকে আলী আকবরের কাছে পাঠিয়েছিলেন। আর এরপর তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ড. লালমণি মিশ্রের কাছে সেতার বাজানোর দীর্ঘ তালিম নিয়েছিলেন। এই শিক্ষা তাঁর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছিল।

এক নজরে আনন্দ শঙ্করের জীবনী:

  • জন্ম: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪২
  • মৃত্যু: ২৬ মার্চ, ১৯৯৯
  • কেন বিখ্যাত: আনন্দ শঙ্কর সেতারের সঙ্গে মুগ সিন্থেসাইজার ও পাশ্চাত্য বাদ্যযন্ত্র মিলিয়ে এক নতুন ফিউশন সঙ্গীতধারা তৈরি করেছিলেন। তাঁর ১৯৭০ সালের অ্যালবাম ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে রক ও সাইকেডেলিক ধারার সঙ্গে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি এনে দেয়। এছাড়া তিনি মৃণাল সেনের চলচ্চিত্রসহ নানা মাধ্যমে অভিনব সুরসৃষ্টি করে ভারতীয় সঙ্গীতকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন।
  • পুরস্কার: ১৯৭৪ সালে ‘কোরাস’ সিনেমা সঙ্গীত পরিচালনার জন্য জাতীয় পুরস্কার।

১৯৬০-এর দশকের শেষের দিকে আনন্দ শঙ্কর তাঁর কাকার সঙ্গে আমেরিকায় থাকতেন। সেই সময় তিনি সমসাময়িক বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গীত পরিবেশন দেখে অভিভূত হন। আমেরিকায় থাকাকালীন তিনি কিংবদন্তি রেকর্ডিং শিল্পী এবং অসাধারণ গিটারিস্ট জিমি হেন্ডরিক্স (Jimi Hendrix) – এর সঙ্গে দেখা করেন। হেন্ডরিক্স আনন্দ শঙ্করের সেতারের সুর শুনে দারুণ মুগ্ধ হয়েছিলেন। তারপর তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কথিত আছে, তাঁরা একসাথে একটি হোটেলে গিয়ে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জ্যাম সেশন চালিয়ে যান। সেখানে আনন্দ শঙ্কর সেতার বাজাতেন এবং হেন্ডরিক্স তাঁর ইলেকট্রিক গিটারে সেই সুরের সাথে তাল মেলাতেন। এই সময় আনন্দ শঙ্কর জিমি হেন্ড্রিক্সের সঙ্গে একজোট হয়ে বেশ কয়েকটি নতুন সুর সৃষ্টি করেন। হেন্ডরিক্স আনন্দ শঙ্করের সুরের দ্বারা এতটাই প্রভাবিত হয়েছিলেন যে, তিনি ভারতীয় স্টাইলে সুর করা শুরু করেছিলেন। এরপর হেন্ডরিক্স এই তরুণ সঙ্গীতশিল্পীকে একসাথে একটি অ্যালবাম তৈরি করার প্রস্তাবও দিলেও, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। আসলে তিনি চাইতেন যে, জীবনের প্রথম অ্যালবামটি তিনি একক প্রচেষ্টায় প্রকাশ করবেন।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর, তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন। এরপর তিনি সুরের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের সুরের ধারা মিশিয়ে তিনি তৈরি করেন ফিউশন সঙ্গীত। এরপর আনন্দ শঙ্কর ১৯৭০ সালে রিপ্রাইজ রেকর্ডস থেকে ‘আনন্দ শঙ্কর’ নামক অ্যালবামটি প্রকাশ করেছিলেন। বিখ্যাত এই অ্যালবামে মূল ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতের সঙ্গে বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড ‘দ্য রোলিং স্টোন্স’ (The Rolling Stones)-এর ‘জ্যাম্পিন জেক ফ্ল্যাশ’ (Jumpin’ Jack Flash) নামক জনপ্রিয় গানটি ছিল। এই গানটি আনন্দ শঙ্কর সেতার এবং মুগ সিন্থেসাইজারের মাধ্যমে ফিউশন স্টাইলে পরিবেশন করেছিলেন, যা সেই সময়ে ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ ছিল। এছাড়া ‘দা ডোর্স’ (The Doors) ব্যান্ডের ‘লাইট মাই ফায়ার’ (Light My Fire) গানটিও ছিল এই অ্যালবামে। এই অ্যালবামটিতে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সাথে পাশ্চাত্যের রক এবং ইলেকট্রনিক মিউজিকের ফিউশন ছিল। তাই এই অ্যালবামকে ‘ইস্ট-ওয়েস্ট’ ফিউশনের একটি অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া এই অ্যালবামে ছিল পশ্চিমা সাইকেডেলিক রক, ফাঙ্ক, ফোক, ইলেকট্রনিক এবং হিন্দুস্তানি ধ্রুপদী সঙ্গীতের এক মনোমুগ্ধকর মিলন। বিখ্যাত এই অ্যালবামটি রবার্ট ডিমেরি সম্পাদিত বিখ্যাত বই ‘১০০১ অ্যালবামস ইউ মাস্ট হিয়ার বিফোর ইউ ডাই ‘ (1001 Albums You Must Hear Before You Die) বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এই অ্যালবামটি পশ্চিমা বিশ্বে যথেষ্ট পরিমাণে সমাদৃত হলেও বিশ্বজুড়ে দারুণ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

এরপর তিনি তাঁর অভিনব সঙ্গীত শৈলীর জন্য একটি অর্কেস্ট্রা তৈরি করার চেষ্টা করেন। ভারতে তাঁর প্রথম বড় সাফল্য আসে কলকাতার অল ইন্ডিয়া রেডিওতে ‘যুব-বাণী’ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে। এই অনুষ্ঠানে তিনি একটি জনপ্রিয় বাদ্যযন্ত্রের অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন। তারপর চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেন তাঁর পরীক্ষামূলক সঙ্গীত শোনার পর তাঁকে নিজের বেশ কিছু সিনেমা পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এরপর আনন্দ শঙ্কর ১৯৭২ সালে ‘কলকাতা ৭১’, ১৯৭৩ সালে ‘পদাতিক’ এবং ১৯৭৪ সালে ‘কোরাস’ সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এছাড়া ‘যুব-বাণী’-তে সাফল্যের কারণে আনন্দ শঙ্কর এবং তাঁর অর্কেস্ট্রা কলকাতা এবং অন্যান্য শহরে সরাসরি অনুষ্ঠান করার সুযোগ পান।

এরপর ১৯৭৫ সালে তাঁর আর একটি অ্যালবাম ‘আনন্দ শঙ্কর অ্যান্ড হিজ মিউজিক’ প্রকাশিত হয়। এই অ্যালবামে তিনি সেতার, ওয়েস্টার্ন রক গিটার, তবলা, মৃদঙ্গম, ড্রামস এবং মুগ সিন্থেসাইজার ব্যবহার করেন। এই অ্যালবামের দুটি গান ‘স্ট্রিটস অফ ক্যালকাটা’ এবং ‘ড্যান্সিং ড্রামস’ সেই সময়ের নিখুঁত ক্লাসিক মিউজিক, যা আজও অবিস্মরণীয়। এখানে ‘স্ট্রিটস অফ ক্যালকাটা’ ট্র্যাকের প্রথম ২০ সেকেন্ড শুরু হয় ঢোল এবং মনোমুগ্ধকর সাইকেডেলিক শব্দ দিয়ে। এছাড়া এই ট্র্যাকে সেতার, তবলার সাথে বাঁশির সুরও বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছিল, যা কলকাতার ব্যস্ত রাস্তার প্রাণবন্ত শক্তিকে তুলে ধরেছিল। এই গানটিকে আনন্দ শঙ্করের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়।

তারপর তিনি ১৯৭৭ সালে ‘মিসিং ইউ’ অ্যালবামটি ইন্ডিয়ান ক্লাসিক্যাল অ্যালবাম হিসেবে প্রকাশ করেন। এখানে সাতটি ট্র্যাক ছিল। এই অ্যালবামটি আনন্দ শঙ্কর তাঁর বাবা উদয় শঙ্করকে উৎসর্গ করেন। এরপর ১৯৭৮ সালে আনন্দ শঙ্করের ‘আ মিউজিক্যাল ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া’ নামক অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এই অ্যালবামে ‘নমস্কার’, ‘বৃন্দাবন রিভেল’-এর মতো গানগুলি ছিল। তারপর ১৯৮১ সালে তিনি ‘সা-রে-গা মাচান’ এবং ১৯৯২ সালে ‘টেম্পটেশন’ অ্যালবাম প্রকাশ করেছিলেন।

এরমধ্যেই পশ্চিমা বিশ্বে আনন্দ শঙ্করের জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করেছিল। তাঁর সঙ্গীত ইংল্যান্ডের লন্ডনের ক্লাব, ডিজে সেটে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিল। সঙ্গীত-প্রেমী লন্ডনবাসীদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল ভারতীয় ও পাশ্চাত্য সুরের এই মিশ্রণ। ১৯৯৬ সালে ‘ব্ল্যাক মাস্ক’ সিনেমায় তাঁর বিখ্যাত মিউজিক ট্র্যাক ‘ড্যান্সিং ড্রামস’ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আনন্দ শঙ্কর জনপ্রিয় ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ টিভি সিরিজের আবহ সঙ্গীত বা টাইটেল থিমটি পরিচালনা করেছিলেন।

১৯৯৬ সালে ‘ব্লু নোট রেকর্ডস’-এর রেয়ার গ্রুভ সংকলন অ্যালবাম ‘ব্লু জুস ভলিউম ১’-এ তাঁর ‘ড্যান্সিং ড্রামস’ ট্র্যাকটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর আনন্দ শঙ্করের সঙ্গীত বিশ্বব্যাপী আরও বিস্তৃত শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে যায়। তাঁর সঙ্গীতগুলি বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে দারুণ জনপ্রিয় ছিল। এছাড়া আনন্দ শঙ্কর স্টেট অফ বেঙ্গলের সাথে ‘ওয়াকিং অন’ নামে আর একটি অ্যালবাম রেকর্ড করেন। এখানে সেতারের সাথে ব্রেকবিট এবং হিপ-হপ মিউজিকের সুন্দর মিশ্রণ ছিল। এতে প্রাথমিকভাবে ১১টি ট্র্যাক ছিল। তাছাড়া তাঁর মৃত্যুর পর ২০০৫ সালে তাঁর কালজয়ী অ্যালবাম ‘Ananda Shankar and His Music’ সিডি আকারে পুনরায় মুক্তি পায়।

সুর আর সঙ্গীত ছিল আনন্দ শঙ্করের আত্মা। সঙ্গীতের সাধক এই মানুষটির লক্ষ্য ছিল নিজের সাধনায় সমস্ত ধরনের সুরের উপর প্রভাব বিস্তার করা। যে কোন বাদ্যযন্ত্রেই নিজের আবেগ মিশিয়ে সুরের মূর্ছনা তৈরি করতে পারতেন তিনি। আর সেতারকে তিনি শুধু একটি যন্ত্র হিসেবে নয় বরং অভিব্যক্তির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতেন। তাঁর সুর করা ‘স্ট্রিটস্ অফ ক্যালকাটা’ গানের মাধ্যমে আজও কলকাতার রাস্তার মাধুর্য উপলব্ধি করা যায়। সেতার এবং মুগ সিন্থেসাইজারের মাধ্যমে তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সুরকে মিলিয়ে দিয়ে পরবর্তীকালে ওয়ার্ল্ড মিউজিক ধারার পথ প্রশস্ত করেন। তবে অনেকে একথা স্বীকার করেন যে, তাঁর বিশ্ব বিখ্যাত কাকা রবিশঙ্করের জন্য অনেক সময় তাঁর প্রতিভাকে ছোট করে দেখা হয়েছিল।

১৯৭৪ সালে মৃণাল সেনের ‘কোরাস’ চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালনার জন্য আনন্দ শঙ্কর জাতীয় পুরস্কার পান।

১৯৯৯ সালের ২৬ মার্চ মাসে কলকাতায় হৃদরোগজনিত কারণে আনন্দ শঙ্করের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading