সববাংলায়

তরাইনের যুদ্ধ

ভারববর্ষের ইতিহাস নানা যুদ্ধবিগ্রহে ভরপুর, তবে কোন কোন যুদ্ধ বিশেষ কিছু কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রয়েছে। তরাইনের যুদ্ধ (Battles of Tarain) সেই বিশেষ তালিকারই অন্তর্ভুক্ত, কারণ তরাইনের প্রথম ও দ্বিতীয় যুদ্ধ ভারতবর্ষে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রধান সহায়ক ছিল। পরপর দুই বছরে মোট দুইবার তরাইনের প্রান্তরে মুসলমান ও রাজপুত বাহিনীর এই সম্মুখ সমর ভারতের ইতিহাসের এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। প্রথম যুদ্ধে রাজপুতরা জয়ী হলেও দ্বিতীয় যুদ্ধে আর মুসলিম সাম্রাজ্যবাদীদের ঠেকিয়ে রাখা চৌহান-বংশীয় রাজার পক্ষে সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তরাইনের যুদ্ধে মুসলিমদের জয়লাভের ফলে ভারতীয় রাজাদের সামরিক দুর্বলতা প্রকট হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে মিরাট, দিল্লি, গুজরাট প্রভৃতি জায়গায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তার সহজ হয়ে পড়ে। ‘তাবাকত-ই-নাসিরি’, ‘তারিখ-ই-মুবারকশাহী’-সহ আরও নানারকম গ্রন্থে তরাইনের যুদ্ধ সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে।

১০০৯ সালে সুলতান মামুদ গজনি ও হিরাটের মধ্যে অবস্থিত ঘুর নামক একটি ক্ষুদ্র রাজ্যকে নিজের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। মামুদের মৃত্যুর পর সেই রাজ্যের শাসনকর্তা গিয়াসউদ্দিন মহম্মদ ঘুর স্বাধীনতা ঘোষণা করে গজনি আক্রমণ করেন। ১১৭৩ সালে গজনি দখল করে নিজের ভ্রাতা মুইজউদ্দিন মহম্মদ বা মহম্মদ ঘুরিকে গজনির শাসনকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করেন। গিয়াসউদ্দিনের মৃত্যুর পর গজনির সিংহাসনে বসে সমগ্র দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন মহম্মদ ঘুরি। এরপর ঘুরি ভারত বিজয়ের স্বপ্ন দেখেন। ১১৭৫ সালে মহম্মদ ঘুরি মুলতান ও উচ্ জয় করে ভারতের মাটিতে ঘুর সাম্রাজ্যের ভিত্তিভূমি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর একে একে পেশোয়ার, লাহোর, পশ্চিম পাঞ্জাব ইত্যাদিকে নিজের অধীনস্থ করে রাজপুতানার দিকে হাত বাড়ান। মহম্মদ ঘুরি জানতেন ভারতে আধিপত্য বিস্তার করতে হলে গুজরাটের চালুক্য রাজবংশ, কনৌজের সোলাঙ্কি রাজবংশ এবং আজমিরের চৌহান রাজবংশকে আয়ত্তে আনতে হবে। কিন্তু রাজপুতানায় আধিপত্য কায়েম করা সহজসাধ্য ব্যাপার ছিল না। প্রথমত, ঘুরি তাঁর প্রধান বিচারক কিওয়াম-উল মুল্ক রুকনুদ্দিন হামজাকে শান্তিপূর্ণ মিলনের জন্য পাঠিয়েছিলেন চৌহন-রাজবংশের রাজা তৃতীয় পৃথ্বীরাজ চৌহানের দরবারে। কেবল শান্তিপূর্ণ মিলনের প্রস্তাবই তাতে ছিল না, সেই সঙ্গে ছিল ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার এবং ঘুরিদের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি প্রদানেরও প্রস্তাব। কিন্তু ঘুরির এই কূটনৈতিক প্রস্তাব পৃথ্বীরাজ মেনে নিতে অস্বীকার করেন।

ফলস্বরূপ এক যুদ্ধের বাতাবরণ তৈরি হয়ে ওঠে। মহম্মদ ঘুরি এবং তাঁর বাহিনী পৃথ্বীরাজের প্রস্তাব প্রত্যাখানের জবাবস্বরূপই যেন, তাবারহিন্দাহ (আধুনিক ভাতিন্ডা)-এর গুরুত্বপূর্ণ দুর্গ দখল করে নেয়৷ পৃথ্বীরাজ এই আক্রমণের প্রত্যুত্তর দিতে সেনা প্রস্তুত করেন। অবশেষে ১১৯১ সালের ১৩ নভেম্বরে দিল্লির প্রায় ৭০ মাইল উত্তরে হরিয়ানার কর্নাল অঞ্চলের তরাইনের যুদ্ধক্ষেত্রে উভয়পক্ষের সেনারা মিলিত হয়ে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই যুদ্ধই ইতিহাসে তরাইনের যুদ্ধ নামে পরিচিত৷

প্রথম তরাইনের যুদ্ধ

১১৯১ সালের ১৩ নভেম্বর তৃতীয় পৃথ্বীরাজ চৌহান এবং মহম্মদ ঘুরির মধ্যে প্রথম তরাইনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। উপরে উল্লিখিত কারণগুলি ছাড়াও তরাইন অঞ্চলে যুদ্ধের পশ্চাতে খোদ তরাইন অঞ্চলটি নিয়ে বিবাদও ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বাণিজ্যিক এবং সামরিক অভিযানের জন্য এই তরাইনের নিয়ন্ত্রণলাভ ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। উভয় পক্ষই এই অঞ্চলে তাদের আধিপত্য বিস্তারে সচেষ্ট হয়। তবে মুখ্য কারণ অবশ্যই ছিল মুসলমান শাসকদের অধীন না হওয়া এবং সেজন্য তাদের প্রস্তাব অস্বীকার।

তরাইনের এই যুদ্ধে বিভিন্ন রাজপুত রাজন্যবর্গ পৃথ্বীরাজের সমর্থনে তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন। বেশ কিছু রাজপুত সর্দারও ছিলেন পৃথ্বীরাজের পক্ষে। মিনহাজের বর্ণনা অনুযায়ী ‘হিন্দের সমস্ত রাণা’ ছিল পৃথ্বীরাজের পাশে। এই শাসকদের মধ্যে ছিলেন দিল্লির শাসক গোবিন্দ রাই। সিরহিন্দিতে বলা হয়েছে যে, গোবিন্দ রাই তোমর একটি হাতির পিঠে উপবিষ্ট ছিলেন এবং ছিলেন পৃথ্বীরাজের সেনার প্রধান সেনাপতি। এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকে পরবর্তীকালে গোবিন্দ রাইকে পৃথ্বীরাজের ভাই বলে উল্লেখ করেছিলেন।

অন্যদিকে মহম্মদ ঘুরির সেনাবাহিনীতেও সুপ্রশিক্ষিত অশ্বারোহী, পদাতিক এবং তীরন্দাজের অভাব ছিল না। ঘুরি বাহিনী আবার বিশেষভাবে অশ্বচালনা ও তীরন্দাজির কৌশলের জন্য পরিচিত। খোলা মাঠে যুদ্ধ হওয়ায় সেই কৌশল প্রদর্শনে তাঁদের সুবিধাই হয়েছিল।

তবে রাজপুত বাহিনীর একটি বাড়তি সুবিধা ছিল এই যে, যেহেতু তাঁদের নিজস্ব ভূখন্ডে যুদ্ধ হয়েছিল, তাই তাকে হাতের তালুর মতো চিনতেন তাঁরা, কিন্তু ঘুরি বাহিনীর কাছে এই ভূখন্ড ছিল সম্পূর্ণ অপরিচিত।

ঘুরির অশ্বারোহীরা শত্রুর কেন্দ্রে তীর নিক্ষেপ করে যুদ্ধের সূচনা করেছিল। তারপর রাজপুত সৈন্যরা তিনদিক থেকে ঘিরে ধরে ঘুরি সৈন্যদের লাগাতার আক্রমণ করে বিধ্বস্ত করে দিয়েছিল। বীরদর্পে যুদ্ধ করেও ঘুরি সৈন্যরা রাজপুতদের আক্রমণের প্রাবল্যে বিপরীতমুখী হতে বাধ্য হয়৷ মহম্মদ ঘুরি এবং গোবিন্দ রাইয়ের মধ্যে একটি সংক্ষিপ্ত লড়াই হয়েছিল। ঘুরি ঘোড়ায় চড়ে একটি বিরাট ধারালো বর্শা দিয়ে গোবিন্দ রাইকে আক্রমণ করেছিলেন। মুখে আঘাত করে গোবিন্দ রাইয়ের দুটি দাঁত পর্যন্ত ভেঙে দিয়েছিলেন। প্রত্যুত্তরে গোবিন্দ রাইও বল্লমের খোঁচায় ঘুরিকে মারাত্মকভাবে আহত করেন। মিনহাজের মতে, সেসময় এক যুবক সৈন্য যদি ঘুরির ঘোড়াটিকে নিরাপদ স্থানে না নিয়ে যেত, তবে হয় ঘুরির মৃত্যু হত নতুবা তাঁকে বন্দী হতে হত।

প্রথম তরাইনের যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে মহম্মদ ঘুরি গজনিতে ফিরে গিয়েছিলেন।

দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ

গজনিতে ফিরে গিয়ে মহম্মদ ঘুরি তাঁর পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পুনরায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। তছাড়া ভারত বিজয়ের লক্ষ্যেও তিনি ছিলেন অবিচল। প্রথম যুদ্ধের ঠিক পরবর্তী বছর অর্থাৎ ১১৯২ সালে পুনরায় তরাইনের প্রান্তরে মুসলমান এবং রাজপুতদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। অনেক ঐতিহাসিক অবশ্য মনে করেন যে, ১১৯২ নয়, ১১৯১ সালেরই শেষের দিকে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধটি হয়েছিল। ষোড়শ-সপ্তদশ শতকের লেখক ফিরিশতার মতে, এই দ্বিতীয় যুদ্ধের সময় পৃথ্বীরাজের সেনাবাহিনীতে প্রায় তিনহাজার হাতি এবং তিনলক্ষ অশ্বারোহী ও পদাতিক সেনাবাহিনী ছিল। যদিও পরবর্তীকালের অনেক ঐতিহাসিক এই সংখ্যাকে অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কৌশিক রায়ের মতে, মুসলিম ইতিহাসবিদেরা আসলে মুসলিম রাজাদের মহিমান্বিত করবার জন্য হিন্দুদের সামরিক শক্তির আকারকে অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ করতেন। মিনহাজ-ই-সিরাজের মতে, মহম্মদ ঘুরি ১২০,০০০ সম্পূর্ণ সশস্ত্র সৈন্যকে যুদ্ধে নিয়ে এসেছিলেন এবং নিজে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ৪০,০০০ সৈন্যের একটি অভিজাত অশ্বারোহী বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে উভয়পক্ষের সেনাবাহিনীর সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও, অনেকেই মনে করেন, পৃথ্বীরাজের সৈন্যসংখ্যা মহম্মদ ঘুরির সেনাসংখ্যার তুলনায় বেশি ছিল।

সুশৃঙ্খল চৌহান বাহিনীর সঙ্গে প্রথম তারাইনের যুদ্ধের মতো সরাসরি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়নি ঘুরিবাহিনী বরং তারা রাজপুতদের পরাজিত করবার জন্য বিশ্বাসঘাতকতা ও কূটনীতির সাহায্য নিয়েছিল।

যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়ে প্রথমেই পৃথ্বীরাজ চৌহান একটি বার্তা পাঠান মহম্মদ ঘুরির কাছে এবং জানান তিনি বিনাযুদ্ধে ঘুরিদের ফিরে যেতে দিতে ইচ্ছুক তবে যদি তারা তাতে রাজী না হয় তবে তিনি তাদের ধ্বংস করে দেবেন। এখানে উল্লেখ্য ইতিপূর্বে মহম্মদ ঘুরি পুনরায় ভাতিন্ডার দুর্গ অধিকার করেছিলেন। যুদ্ধক্ষেত্রে পৃথ্বীরাজের পাঠানো এই শান্তিবার্তা মেনে নিতে চান বলে জানান মহম্মদ ঘুরি এবং কেবলমাত্র ভাতিন্ডার অধিকার চান। রাজপুতেরা ঘুরিদের শান্তিবার্তা মেনে নেওয়াতে নিশ্চিন্ত হয়ে গিয়েছিল কিন্তু ঘুরিরা যে তাদের সঙ্গে ছলনা করেছে তা তারা বুঝতে পারেনি। শান্তিবার্তায় সাড়া দিলেও মহম্মদ ঘুরি কিন্তু সেনাদের প্রস্তুত করছিলেন। ঘুরিদের সেনাবাহিনী পাঁচটি ইউনিটে গঠন করা হয়েছিল, তারমধ্যে চারটি ইউনিটকে শত্রুপক্ষের পিছনের দিকে আক্রমণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সূর্যোদয়ের আগে নিশ্চিন্ত এবং আনন্দ উদযাপনে রত রাজপুত সৈন্যদের ওপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায় ঘুরি বাহিনী। তার ফলে রাজপুত সেনারা ছন্নছাড়া, বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।

আবার, মিনহাজের মতে, মহম্মদ ঘুরি ১০,০০০ অশ্বারোহী তীরন্দাজদের নিয়ে গঠিত তাঁর চারটি সেনা ইউনিটকে চারদিক থেকে রাজপুতদের ঘিরে থাকার জন্য নির্দেশ দেন৷ তাদের পঞ্চম ইউনিটটিকে আক্রমণের বদলে পশ্চাদপসরণের নির্দেশ দেন ঘুরি। সেই পিছু হটতে থাকা ঘুরি সেনাদের ওপর রাজপুতেরা চড়াও হলে, ঠিক যেমনটা চাইছিলেন ঘুরিরা, তখন ১২,০০০ নতুন অশ্বারোহী ইউনিট প্রেরণ করে ঘুরিরা রাজপুত সেনাদের অগ্রগতি রোধ করে দেয়। বাকি ঘুরি বাহিনী তখন আক্রমণ করে ফলে চৌহান সেনারা পলায়ন করে। জানা যায়, পৃথ্বীরাজ নাকি হাতি থেকে নেমে একটি ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছিলেন। পরে অবশ্য তাঁকে বন্দী করে হত্যা করা হয়। অনেক সূত্র অনুযায়ী, মহম্মদ ঘুরি নাকি পৃথ্বীরাজকে আজমিরে নিয়ে গিয়ে ঘুরি সাম্রাজ্যের একজন অনুগামী দাস করবে ভেবেছিলেন, কিন্তু পৃথ্বীরাজ মহম্মদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে পৃথ্বীরাজকে হত্যা করা হয়।

তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে ঘুরিদের জয়লাভের ফলে ভারতে মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল। এরপর ঘুরির বিশ্বস্ত অনুচর কুতুবউদ্দিন আইবকের নেতৃত্বে দিল্লি, গুজরাট, রণথম্বোর, মিরাট ইত্যাদি মুসলিম সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।

তৃতীয় তরাইনের যুদ্ধ

কুতুবউদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর দত্তকপুত্র আরাম শাহ দিল্লির সুলতান হিসেবে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু তিনি ছিলেন নিতান্তই অকর্মণ্য, তাই আমির-ওমরাহদের আমন্ত্রণে কুতুবউদ্দিনের জামাতা ইলতুৎমিস এসে ১২১১ সালে দিল্লি সালতানাতের হাল ধরেন। এই ইলতুৎমিস এককালে ছিলেন কুতুবউদ্দিনের ক্রীতদাস। নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করে তিনি কুতুবউদ্দিনের নজরে পড়েন এবং সেই থেকে সামরিক ক্ষেত্রে তাঁর প্রভূত উন্নতি হয়। এমনকি কুতুবউদ্দিন নিজ কন্যার সঙ্গে তাঁর বিবাহ দেন এবং তাঁকে বদাউন প্রদেশের শাসনকর্তাও নিযুক্ত করেছিলেন। সিংহাসনে বসবার পর নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে শুরু করেন ইলতুৎমিস। কুতুবউদ্দিনের একজন প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী  তাজউদ্দীন ইলদিজ গজনির শাসক হিসেবে ভারতের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করেন এবং ইলতুৎমিসকেও নিজের প্রতিনিধি হিসেবে গন্য করতে চেয়েছিলেন। এই দাবি ইলতুৎমিস মানতে অস্বীকার করায় যুদ্ধের বাতাবরণ তৈরি হয়ে ওঠে। ১২১৬ সালে ইলতুৎমিস এবং গজনির শাসকের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল, ইতিহাসে তা তৃতীয় তরাইনের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে ইলতুৎমিস জয়লাভ করেছিলেন।

তরাইনের প্রথম যুদ্ধ এবং তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ইতিহাসে অধিক বিখ্যাত এবং তাদের ফলাফলও ভারতের ইতিহাসকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিল।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

তথ্যসূত্র


  1. ‘স্বদেশ, সভ্যতা ও বিশ্ব’ (পুনর্মুদ্রণ), জীবন মুখোপাধ্যায়, শ্রীধর পাবলিশার্স, কলকাতা, জানুয়ারি, ২০২১
  2. https://en.wikipedia.org/
  3. https://en.wikipedia.org/
  4. https://chanakyaforum.com/
  5. https://www.clearias.com/
  6. https://prepp.in/
  7. https://www.pw.live/
  8. https://testbook.com/

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading