সববাংলায়

গ্যেটে

এমন একেকজন সাহিত্য সাধকের জন্ম হয়েছে বিশ্বে, যাঁরা সাহিত্যের একাধিক শাখায় অনায়সে বিচরণ করেছেন এবং নিজেদের প্রতিভার ছাপ রেখেছেন৷ তেমনই একজন বিশ্ববরেণ্য জার্মান সাহিত্যিক হলেন গ্যেটে (Goethe)। অবশ্য কেবলই সাহিত্য নয়, নাট্য পরিচালনা, বিজ্ঞানচর্চা কিংবা রাষ্ট্রনায়কের পদ সামলানো, সবেতেই তিনি ছিলেন পারদর্শী। কবিতা, উপন্যাস, নাটকে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিল তাঁর হাত ধরে।   যেমন সাহিত্য-সমালোচনামূলক গ্রন্থ তিনি রচনা করেছিলেন তেমনই আবার উদ্ভিদবিদ্যার বইও লিখেছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক ও দার্শনিক চিন্তাধারাও উত্তর-প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ‘স্টর্ম আন্ড ড্রাং’ আন্দোলনের প্রথম দিককার অংশগ্রহণকারীদের একজন ছিলেন গ্যেটে। তাঁর বহু কবিতাকে পরবর্তী সঙ্গীতকারেরা গানের রূপ দিয়েছিলেন। পরবর্তী অনেক বিখ্যাত গবেষক, সাহিত্যিক জার্মান ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী লেখক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তাঁকে।

১৭৪৯ সালের ২৮ আগস্ট তৎকালীন পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ফ্রাঙ্কফুর্টের ফ্রী ইম্পেরিয়াল সিটিতে এক ধনী বুর্জোয়া পরিবারে জোহান উলফগ্যাং ফন গ্যেটের জন্ম হয়। তাঁর পিতা জোহান ক্যাস্পার গ্যেটে ছিলেন পেশায় একজন আইনবিদ এবং রোমান সাম্রাজ্যের সম্রাটের কাউন্সিলর। জোহান ক্যাস্পার লিপজিগে আইন অধ্যয়ন করতেন। গ্যেটের মা ছিলেন ক্যাথারিনা এলিজাবেথ টেক্সটর। ক্যাথারিনার যখন ১৭ বছর বয়স তখন জোহান ক্যাস্পার বিবাহ করেছিলেন তাঁকে। গ্যেটের বেশ কয়েকটি ভাইবোন ছিল, কিন্তু কেবল কর্নেলিয়া ফ্রেডেরিকা ক্রিশ্চিয়ানা ছাড়া আর সকলেই খুব অল্প বয়সে মারা গিয়েছিল।

পিতা জোহান ক্যাস্পার ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষ, কিন্তু নিজের অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষাগুলি তাঁর সন্তানদের ক্ষেত্রে যাতে পূর্ণ হয়, তেমনটাই চাইতেন এবং চেষ্টা করতেন তিনি।

গ্যেটে প্রাথমিকভাবে তাঁর পিতা এবং গৃহশিক্ষকদের কাছে ল্যাটিন, গ্রীক, ফ্রেঞ্চ, ইতালীয়, সংক্ষিপ্তভাবে বাইবেলের হিব্রু, এইসব ভাষা শিখেছিলেন ৮ বছর বয়সের মধ্যেই। এছাড়াও অল্প বয়সেই গ্যেটে শিখে নিয়েছিলেন নাচ, অশ্বারোহণ, ফেন্সিং অর্থাৎ তলোয়ার যুদ্ধের খেলা। এছাড়াও ছবি আঁকাতেও তাঁর দারুণ উৎসাহ ছিল, কিন্তু খুব শীঘ্রই সাহিত্য তাঁকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করতে থাকে। ভাষা শিক্ষার ফলে নানারকম ভাষার সাহিত্যের সঙ্গে পরিচয়ের হয়ত সুযোগ হয়েছিল তাঁর। গ্যেটের প্রথম পছন্দের মধ্যে ছিল, ফ্রেডরিক গটলিব ক্লপস্টক এবং হোমার। তাঁদের বাড়িতে সেসময় পুতুল নাচেরও আয়োজন হত, যা থিয়েটারের প্রতি তাঁর আগ্রহ গড়ে তুলতেও সাহায্য করেছিল পরোক্ষে। পরবর্তীকালে এই পাপেটের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন লক্ষ করা যায় তাঁর ‘উইলহেম মেইস্টার’স অ্যাপ্রেনটিসশিপ’-এর মধ্যে। সেসময় ইতিহাস ও ধর্মবিষয়ক নানারকম বইও তিনি পড়েছিলেন মন দিয়ে।

আইনজীবী পিতা জোহান ক্যাস্পারের জন্যেই একরকম গ্যেটে ১৭৬৫ সালে লাইপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে যান আইন অধ্যয়নের জন্য। সেখানে তিনবছর অর্থাৎ ১৭৬৮ সাল পর্যন্ত আইন পড়েন তিনি। লাইপজিগে এক সরাইখানার কর্মচারীর মেয়ে আনা ক্যাথারিনা শঙ্কপফের প্রেমে পড়েন এবং উৎফুল্ল মনের প্রকাশ ঘটান রোকোকো শৈলীতে লেখা কবিতায়৷ পড়াশোনার অগ্রগতি না হওয়ার কারণে ১৭৬৮ সালে ফ্রাঙ্কফুর্টে ফিরে আসার পর কোনো কারণে বাবার সঙ্গে গ্যেটের সম্পর্ক কিছুটা তিক্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর মা এবং বোন তাঁকে সারিয়ে তোলেন। সুস্থ হওয়ার পর গ্যেটে  ১৭৭০ সালের এপ্রিল মাসে ফ্রাঙ্কফুর্ট ত্যাগ করে চলে যান স্ট্রাসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করবার অভিপ্রায় নিয়ে।

সেই ১৭৭০ সালেই বেনামে তিনি ‘অ্যানেট’ নামের নিজের প্রথম কবিতার সংকলন প্রকাশ করেছিলেন। এইসময়ে প্রচুর পরিমাণে লেখালেখি শুরু করেছিলেন গ্যেটে, যদিও কেবল ‘কমেডি ডাই মিটসচুলডিজেন’ ছাড়া প্রায় সব কাজ বাতিল করে দিয়েছিলেন।

স্ট্রাসবার্গের অধ্যায়টি গ্যেটের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আলসেস অঞ্চল গ্যেটেকে মুগ্ধ করে ফেলে। তাঁর লেখায় যেভাবে রাইন অঞ্চলের বর্ণনা পাওয়া যায় তা যেন অতুলনীয়। সেই স্ট্রাসবার্গে গ্যেটের সঙ্গে বিখ্যাত দার্শনিক জোহান গটফ্রাইড হার্ডারের পরিচয় এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়েছিল। এই হার্ডারই গ্যেটের মধ্যে শেক্সপিয়ার, ওসিয়ান এবং ভক্সপোসি ধরনের লোককবিতা সম্পর্কে একপ্রকার সচেতনতা জাগিয়ে তুলেছিল। স্ট্রাসবার্গে আইনী অধ্যয়নের পাশাপাশি, গ্যেটে ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শারীরস্থান, সার্জারি এবং রসায়নের বক্তৃতাগুলিতেও অংশ নিতেন।

সেসেনহেইম গ্রামে বেড়াতে গিয়ে ১৭৭০ সালের অক্টোবরে ফ্রেডেরিক ব্রায়নের প্রেমে পড়েন গ্যেটে এবং ‘উইলকোমেন অ্যান্ড অ্যাবসচিড’, ‘হেইডেনরসলেইন’ সেসেনহেইমার লিয়েডার’-এর মতো কয়েকটি কবিতা রচনা করেছিলেন। বিবাহের প্রতিশ্রুতির ভয়ে দশ মাস পরে সেই মেয়েটিকে ছেড়ে চলে যান তিনি। পরিত্যক্ত এক নারীর ছবি তাই তাঁর বিভিন্ন সাহিত্যে ঘুরে ফিরে আসে, যেমন এসেছে ‘ফাউস্টে’ও।

১৭৭১ সালে স্ট্রাসবার্গ থেকে আইনের ডিগ্রি অর্জন করে ফ্রাঙ্কফুর্টে আইনচর্চার পরিসর তৈরি করেন। তাঁর একাডেমিক কাজে তিনি আইনশাস্ত্রকে ক্রমান্বয়ে আরও মানবিক করে তোলার উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলেন। ১৭৭২ সালে গ্যেটে আরও আইনি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে যোগদানের উদ্দেশ্যে ডার্মস্ট্যাডে ভ্রমণ করেন। পথে তিনি ষোড়শ শতাব্দীর এক হাইওয়েম্যান অর্থাৎ পথচারীদের লুন্ঠনকারী একজনের কথা শুনেছিলেন, যে জার্মান কৃষকদের যুদ্ধের সময় খুব খ্যাতি অর্জন করেছিল৷ এরপর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গ্যেটে রচনা করেছিলেন ‘গোটজ ভন বার্লিচিংগেন’ নাটকটি।

ডার্মস্ট্যাডে লোটে নামক এক ব্যক্তির বাগদত্তা নারী শার্লট বাফের প্রেমে পড়েন গ্যেটে। তাঁদের সঙ্গে এক গ্রীষ্ম কাটিয়েওছিলেন। পরে তিনি এক আইনজীবীর কথা শোনেন, যিনি নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যা করেছিলেন একজন বিবাহিত মহিলার সঙ্গে প্রেমঘটিত কোনো ব্যাপারে। এই দুটি ঘটনার প্রভাবেই প্রায় বলা যায়, গ্যেটে রচনা করেছিলেন ‘দ্য সরোস অফ ইয়াং ওয়ের্থার’ উপন্যাস। এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়ার পরই গ্যেটে সাহিত্যজগতের একজন তারকা হয়ে উঠেছিলেন রাতারাতি। এই উপন্যাসটিকে ‘স্টর্ম আন্ড ড্রাং’ আন্দোলন-যুগের একটি নিদর্শন বলা যায়।

বিপুল খ্যাতির জন্য গ্যেটেকে ১৭৭৪ সালে ১৮ বছর বয়সী ডিউক অব ওয়েইমার, কার্ল অগাস্টের দরবারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তরুণ ডিউককে মুগ্ধ করে দেন গ্যেটে। এরপর তিনি কার্ল অগাস্টের আমন্ত্রণেই চলে আসেন ওয়েইমারে। ফ্রাঙ্কফুর্টে অবশ্য একটি বিবাহ তিনি করেছিলেন কিন্তু তাতে তাঁর দমবন্ধ লাগছিল, সেকারণেই চলে আসেন ওয়েইমারে। এখানে তাঁর কর্মপ্রবাহ নানা খাতে বয়েছিল। এখানে ডিউকের বন্ধু ও প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন গ্যেটে। সেখানে ডুকাল লাইব্রেরির সুপারিন্টেন্ডেন্টের পদ-সহ আরও নানা দফতরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি৷ ১৭৭৬ সালে গ্যেটে শার্লট ভন স্টেইন নামক এক বয়স্ক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। দশ বছর একসঙ্গে থাকার পর গ্যেটে তাঁকে ছেড়ে ইতালি চলে গিয়েছিলেন।

১৭৭৯ সালে গ্যেটে খনি ও হাইওয়ে কমিশন ছাড়াও সাক্সে-ওয়েইমারের গ্র্যান্ড ডাচির যুদ্ধ কমিশনের দায়িত্ব নেন। ১৭৮২ সালে, যখন ডাচির চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার তার অফিস ছেড়ে চলে গেলেন, গ্যেটে তার জায়গায় কাজ করতে সম্মত হন এবং আড়াই বছর ধরে তা করেছিলেন; এই পদটি কার্যত তাঁকে প্রধানমন্ত্রী এবং ডাচির প্রধান প্রতিনিধি করে তোলে।

১৭৮৬ থেকে ১৭৮৮ সাল পর্যন্ত ইতালীয় উপদ্বীপ এবং সিসিলিতে গ্যেটের যাত্রা তাঁর নান্দনিক ও দার্শনিক বিকাশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সেখানে ধ্রুপদী গ্রীক ও রোমান শিল্পের প্রতি তাঁর আগ্রহ জন্মেছিল। এই সফরের সময়কার গ্যেটের ডায়েরি ‘ইটালিয়ান জার্নি’ গ্রন্থনির্মাণের প্রধান সহায়ক ছিল। এই সময় ‘ইফিজেনিয়া ইন টাউরিড’, ‘দ্য রোমান এলিজিস’-এর মতো রচনার সৃষ্টি হয় গ্যেটের হাতে।

এই সফরেই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ক্রিশ্চিয়ান ভলপিয়াসের এবং সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠলেই লেখা হয় ‘দ্য রোমান এলিজিস’। ১৮০৬ সালে আনুষ্ঠানিক বিবাহের আগেই তাঁদের পাঁচ সন্তানের জন্ম হয়েছিল, যাদের মধ্যে চার সন্তান জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই মারা যায়। ১৮১৬ সালে ভলপিয়াসের মৃত্যু হয়। পরবর্তীকালে ১৮২১ সালে ৭২ বছর বয়সী গ্যেটে ১৭ বছর বয়সী উলরিক ভন লেভেটজোর প্রেমে পড়েছিলেন। ১৮২৩ সালে তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েও উলরিকের মায়ের বিরোধিতায় সেই বিবাহ হয়নি৷ মারিয়া জাইমানভস্কার সঙ্গেও পরে একটা মানসিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে গ্যেটের৷

ইতালী সফর থেকে ওয়েইমারে ফিরে এসে সরকারী অনেক দায়িত্ব ছেড়ে দেন গ্যেটে এবং থিয়েটারের নির্দেশনার দিকে ঝোঁকেন। ১৭৯৪ সালে আরেক বিখ্যাত জার্মান নাট্যকার শিলারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হয়েছিল গ্যেটের। শিলারের নাটকও মঞ্চস্থ করেন তিনি। এছাড়াও ইতালী থেকে ফিরে ‘ভেনেসিয়ান এপিগ্রামস’ নামে একটি ছোট কবিতার সংকলনও তৈরি করেছিলেন। এছাড়াও প্রায় ষোলোটি নাটক রচনা করেছিলেন তিনি। শিলারের সাহায্যে গ্যেটে তাঁর ‘উইলহেম মেইস্টার’স অ্যাপ্রেনটিন্সশিপ’, ‘হারমান অ্যান্ড ডোরোথিয়া’, ‘বিল্ডুংস্রোমান’ প্রভৃতি কাজ সমাপ্ত করেন। উল্লেখ্য যে, এই সময়কালে গ্যেটে তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ ‘ফাউস্ট’-এ আবার হাত দেন। অনেকদিন ধরেই এই কাজ করছেন তিনি। তবে অবশেষে ১৮০৮ সালে ‘ফাউস্ট’-এর প্রথম খন্ডের প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। ১৮৩১ সালে এর দ্বিতীয় খন্ড লেখা শেষ করেছিলেন এবং মরণোত্তর ১৮৩২ সালে এই খন্ডটি প্রকাশিত হয়েছিল।

শিলারের মৃত্যুর পর, মঞ্চে নাটকের সাফল্যেও ঘাটতি দেখা দিলে বিজ্ঞানচর্চার দিকে চলে গিয়েছিলেন গ্যেটে। তবে এই চর্চা আগেই শুরু করেছিলেন। আলেকজান্ডার ভন হাম্বোল্টের সাথে শারীরবৃত্তীয় বিষয়গুলি অধ্যয়ন করেছিলেন৷ রূপবিদ্যা নিয়েও চর্চা করেন তিনি। উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ক তাঁর একটি গ্রন্থ ‘মেটামরফোসিস অফ প্ল্যান্টস’ ১৭৯০ সালে প্রকাশিত হয়। ১৮১০ সালে তাঁর ‘থিওরি অব কালার্স’ প্রকাশিত হয়েছিল। রঙের আলোচনায় নিউটনেরও বিরোধিতা করেছিলেন গ্যেটে।

১৮০৮ সালে নেপোলিয়ন গ্যেটেকে ‘নাইট অব দ্য লিজিয়ন অব অনার’-এ ভূষিত করেছিলেন। শেষ জীবনে চারখন্ডের একটি আত্মজীবনী রচনা করেছিলেন গ্যেটে, যার নাম, ‘ডিচটাং আন্ড ওয়ারহাইট’ (ফ্রম মাই লাইফ : পোয়েট্রি অ্যান্ড ট্রুথ)।

১৮৩০ সালে নিজের ছেলের মৃত্যুর খবরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন গ্যেটে। অবশেষে ১৮৩২ সালের ২২ মার্চ ওয়েইমারে একটি আর্মচেয়ারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে কিংবদন্তি জার্মান সাহিত্যিক গ্যেটের মৃত্যু হয়।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading