ইতিহাস

নারায়ণচন্দ্র রানা

নারায়ণচন্দ্র রানা (Narayan Chandra Rana) একজন ভারতীয় বাঙালি জ্যোতির্বিজ্ঞানী যিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে উচ্চমানের গবেষণা করে বাংলা তথা ভারতের নাম সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করেছেন। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকারের অধীনে তাঁর গবেষণা অনেক নতুন দিক খুলে দিয়েছিল। এছাড়াও জনসাধারণের মাঝে বিজ্ঞানচেতনা প্রচারের জন্যে তিনি লিখেছেন একাধিক বই। তাঁর লেখা ‘ক্লাসিকাল মেকানিক্স’ বইটি বিলেতের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। ‘রয়্যাল সোসাইটি অফ লণ্ডন’-এর সদস্য নারায়ণচন্দ্র রানা প্রায় সত্তরটি গবেষণাপত্র রচনা করে জ্যোতির্বিজ্ঞানের জগতে নতুন নতুন চিন্তাভাবনার জাগরণ ঘটান। মহাজাগতিক ধুলোকণার বৈশিষ্ট্য নিয়ে তাঁর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্রটি তিনি উৎসর্গ করেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণদেবকে। অধ্যাত্মচেতনা এবং বিজ্ঞানমনস্কতার এমন দূর্লভ মেলবন্ধন সত্যই বিস্ময়কর।

১৯৫৪ সালের ১২ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার সাউরি গ্রামে নারায়ণচন্দ্র রানার জন্ম হয়। তাঁর বাবা রাজেন্দ্রনাথ রানা ছিলেন একজন ধাতু শিল্পী এবং তাঁর মা নাকফুড়ি দেবী ছিলেন অত্যন্ত সেবাপরায়ণা এক নারী। তাঁদের দুই ছেলে আর এক মেয়ের মধ্যে নারায়ণচন্দ্র ছিলেন সবার বড়ো। কামার-পরিবারের সন্তান নারায়ণচন্দ্রকে দারিদ্র্যকে জয় করে লেখাপড়া চালাতে হয়েছে। মাত্র দশ বছর বয়সে অকালেই বাবার মৃত্যু হলে তাঁর পক্ষে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই সময় তাঁর প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক পশুপতি মিশ্র সহ আরও কয়েকজন নারায়ণের অসীম মেধার পরিচয় পেয়ে তাঁর পড়াশোনায় সহায়তা করেছিলেন।

স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পূর্ণ হওয়ার পরে নারায়ণ সাউরি ভোলানাথ বিদ‍্যামন্দিরে ভর্তি হন নারায়ণচন্দ্র। এই স্কুলে তিনি শিক্ষক হিসেবে পান মণীন্দ্রনারায়ণ লাহিড়ী-র মতো একজন ঋষিতুল‍্য জ‍্যোতির্বিজ্ঞানীকে। তাঁর সংগ্রহের জ‍্যোতির্বিজ্ঞানের দেশ-বিদেশের খ‍্যাতনামা জার্নাল, দেশ-বিদেশের নানান বইপত্র নারায়ণচন্দ্রকে প্রভূত অনুপ্রাণিত করেছিল। আমেরিকার বিখ্যাত ‛স্কাই অ্যাণ্ড টেলিস্কোপ’-এর মতো বিখ‍্যাত পত্রিকায় মণীন্দ্র লাহিড়ী টেলিস্কোপ তৈরির অভিনব কৌশল বিষয়ে প্রবন্ধ লিখেছিলেন। পরবর্তীকালে নারায়ণচন্দ্র বিলেত থেকে একটি দামি দূরবীন তার শিক্ষক মণীন্দ্র স্যারকে উপহার দিয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে নারায়ণ সাউরি ভোলানাথ বিদ্যামন্দির থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পাঁচটি বিষয়ে লেটার নম্বর পেয়ে সসম্মানে উত্তীর্ণ হন নারায়ণচন্দ্র। স্কুলের পড়া শেষ করে তিনি পদার্থবিদ্যা নিয়ে ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে। এখানে তিনি শিক্ষক হিসেবে পান বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ এবং মহাকাশবিজ্ঞানের খ্যাতনামা অধ্যাপক অমল কুমার রায়চৌধুরীকে। এখানে বলে রাখা ভালো যে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তির আগে সেখানকার প্রি-ইউনিভার্সিটি কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করে তিনি ভর্তি হন রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই কলেজ থেকেই পদার্থবিদ্যায় দ্বিতীয় স্থানে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হয়ে নারায়ণচন্দ্র গবেষণার জন্য চলে যান ‘টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ’ সংস্থায়। এই সংস্থার প্রবেশিকা পরীক্ষায় দুশো ছাপ্পান্ন জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নির্বাচিত হন মাত্র সতেরো জন আর বিস্ময়করভাবে নারায়ণচন্দ্রের নাম ছিল সবার প্রথমে। ‘টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ’-এ তিনি বিশ্ববিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী অধ্যাপক জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকারের তত্ত্বাবধানে গবেষণা করেন। তাঁর গবেষণা সন্দর্ভের শিরোনাম ছিল ‘অ্যান ইনভেস্টিগেশান অব দ্য প্রপারটিস অব ইন্টারগ্যালাকটিক ডাস্ট’। সবচেয়ে মজার কথা হল তাঁর এই গবেষণাপত্রটি তিনি উৎসর্গ করেছেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে। গবেষণার ক্ষেত্রে তার প্রিয় বিষয় ছিল ‘ডিস্ট্রিবিউশন অফ কেমিক্যাল এলিমেন্টস ইন দ্য ইউনিভার্স’ আর সেই নিয়ে মৌলিক গবেষণা শুরু করেন তিনি। এই বিষয়টি আদপে পদার্থবিদ্যার অনেক উচ্চস্তরের গবেষণা। সৃষ্টিতত্ত্বের একদম আদিতে অর্থাৎ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হওয়ার কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে কীভাবে প্রথম দুটি মৌল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম সৃষ্টি হল পুঞ্জীভূত প্রচণ্ড শক্তি থেকে এবং কী করে নক্ষত্রের মধ্যে অন্যান্য মৌলগুলি সংশ্লেষিত হয় সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ছড়িয়ে পড়ল, এই রহস্য উদ্‌ঘাটনে তাঁর গবেষণা নতুন আশার আলো দেখিয়েছে আর এই গবেষণাই তাঁকে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের মঞ্চে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে বিখ্যাত মহাকাশবিজ্ঞানী ফ্রেড হয়েল এবং জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকারের গবেষণালব্ধ কোয়াসি স্টেডি-স্টেট থিওরির প্রভাব রয়েছে বিজ্ঞানী নারায়ণচন্দ্র রানার গবেষণায়।


প্রাকৃতিক খাঁটি মধু ঘরে বসেই পেতে চান?

ফুড হাউস মধু

তাহলে যোগাযোগ করুন – +91-99030 06475


 


১৯৮৩ সালে ভারতের ‘ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি’র (Indian National Science Academy, INSA) পক্ষ থেকে তাঁকে ‘ইয়ং সায়েন্টিফিক অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। তাঁর গবেষণাপত্র বিলেতের ‘রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি’-র মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। নারায়ণচন্দ্রের লেখা ‘রিলেটিভ অ্যাবানডান্স অফ লাইটার এলিমেন্টস অফ মলিকিউল বিলিং আরলি পার্টস অব বিগ ব্যাং’ প্রবন্ধটি বিখ্যাত ‘ফিজিক্যাল রিভিউ লেটার্স’-এ বিশেষ নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়। ১৯৮৩ সালে টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফাণ্ডামেন্টাল রিসার্চের (TIFR)-এর ‘স্কুল অব ফিজিক্স’ তাঁর গবেষণাপত্রকে বছরের সেরা গবেষণাপত্র হিসেবে পুরস্কৃত করে। ওই বছরেই তিনি আরও উঁচু মানের গবেষণার জন্য বিলেতে যান এবং ইংল্যান্ডের বার্সায় ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ আর্নল্ড-এর কাছে গবেষণা করেন নারায়ণচন্দ্র রানা। জানা যায় যে, পোস্ট-ডক্টরাল ফেলো হিসেবে তিনি মোট দশটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় ছিল ‘কেমিক্যাল ইভোলিউশন অফ আওয়ার গ্যালাক্সি’। গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিক উন্মোচনের ফলে তিনি বিলেতের বিখ্যাত ‘রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি’র সদস্য (Fellow of the Royal Society, FRS) নির্বাচিত হন। ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন’ (International Astronomical Union, IAU)-এর সদস্যপদও লাভ করেছিলেন নারায়ণচন্দ্র রানা। ডারহামে থাকাকালীন সেখানকার এক ছাত্র ডি. এ. উইলকিন্সন নারায়ণচন্দ্র রানার অধীনে গবেষণা করেছিলেন।

পুনের বিখ্যাত ‘ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যাণ্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ (Inter-University Centre for Astronomy and Astrophysics, IUCAA) এর প্রতিষ্ঠাতা, ডিরেক্টর ও অধ্যাপক জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকার তাঁর অত্যন্ত প্রিয় ছাত্র নারায়ণচন্দ্রকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার গবেষণা ও অধ্যাপনা কেন্দ্রের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করেন। অধ্যাপক রানা শেষ জীবনে পুনেতেই ছিলেন।

জানা যায় যে, নারায়ণচন্দ্রের গবেষণাপত্রের সংখ্যা ছিল সত্তর। তাঁর লেখা একাধিক বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল – ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ক্লাসিকাল মেকানিক্স’, ‘আওয়ার সোলার সিস্টেম’, ‘চ্যালেঞ্জ অব অ্যাস্ট্রোনমি’, ‘নাইট ফল অন সানি মর্নিং’, ‘মিথস অ্যাণ্ড সুপারস্টিশন অ্যাণ্ড দেয়ার স্ট্যাণ্ডার্ড ক্লাসিক্যাল সায়েন্টিফিক এক্সপ্লানেশন’, আর বাংলায় লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘এবারের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ’ ইত্যাদি। তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত বইগুলি হল ‘নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যু’, ‘ইন্ট্রোডাক্টরি কোর্স অন অ্যাস্ট্রোনমি অ্যাণ্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’, ‘টোটাল সোলার এক্লিপ্স’ ইত্যাদি। নারায়ণচন্দ্র রানার লেখা ‘ক্লাসিকাল মেকানিক্স’ বইটি বিলেতের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।

নারায়ণচন্দ্র রানা জ্যোতির্বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি আজীবন চেষ্টা করে গেছেন কীভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের মাঝে সহজবোধ্য ভাষায় পৌঁছে দেওয়া যায় আর তাঁর এই প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে এদেশে গড়ে ওঠে শখের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংস্থা। তাঁর শিক্ষক মণীন্দ্র লাহিড়ীর মৃত্যুর পর ১৯৯৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘মণীন্দ্রনারায়ণ লাহিড়ী অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ট্রাস্ট’। ১৯৯৪ সালের ২১ ও ২২ জানুয়ারি এই ট্রাস্টের উদ্যোগেই কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে অনুষ্ঠিত হয় চতুর্থ নিখিল ভারত অপেশাদার জ্যোতির্বিদ সমাবেশ আর এর ফলশ্রুতিতে নারায়ণচন্দ্র গড়ে তোলেন ‘কনফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়ান অ্যামেচার অ্যাস্ট্রোনমারস’। এই অপেশাদার সংস্থার বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির চেয়্যারম্যান ছিলেন নারায়ণচন্দ্র রানা স্বয়ং। ১৯৯৫ সালের সূর্যগ্রহণের সময় তিনি দেখিয়েছিলেন শখের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের অনেক কিছুই করার আছে, তাঁরাও জ্যোতির্বিজ্ঞানের গবেষণাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তিনি সেবার তাঁর বৈজ্ঞানিক ভাবনা-চিন্তার দ্বারা সূর্যের সঠিক ব্যাস নির্ণয়ের এক কর্মসূচি নিয়েছিলেন এবং সেই কাজে তিনি অনেকটাই সফল ছিলেন। সূর্যগ্রহণ সম্পর্কিত কুসংস্কার দূর করতে তিনি নিজে একটি বই লেখেন এবং বহু পুস্তিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করেন। নারায়ণচন্দ্র রানার নিয়মটা ছিল এইরকম যে সূর্যের ব্যাস নির্ণয় করতে হলে প্রথমে প্রচ্ছায়া অঞ্চলের সীমানায় দাঁড়িয়ে বেইলি’স ব্রেডের প্রতিটি পুঁতি তৈরি হওয়া আর অদৃশ্য হওয়ার সময়গুলি পরপর মাপতে হবে। আর এই পরিমাপ থেকেই পাওয়া যাবে সূর্যের আপাত ব্যাস। ইতিহাস, সাহিত্য, দর্শন নিয়েও তাঁর অগাধ পড়াশোনা ছিল। মারাত্মক হৃদরোগকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গবেষণা করে গিয়েছেন তিনি। দেশে বিজ্ঞান প্রসার ও প্রচারের জন্য ভারত সরকার তাঁকে মরণোত্তর সম্মানদানপূর্বক এক লক্ষ টাকা ও একটি মানপত্র প্রদান করে।

১৯৯৬ সালের ২২ আগস্ট মাত্র ৪১ বছর বয়সে পুনায় নারায়ণচন্দ্র রানার মৃত্যু হয়।

  • এই ধরণের তথ্য লিখে আয় করতে চাইলে…

    আপনার নিজের একটি তথ্যমূলক লেখা আপনার নাম ও যোগাযোগ নম্বরসহ আমাদের ইমেল করুন contact@sobbanglay.com

  • সববাংলায় সাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য আজই যোগাযোগ করুন
    contact@sobbanglay.com

তথ্যসূত্র


  1. বিস্মৃতপ্রায় বাঙালি বিজ্ঞানী (প্রথম খণ্ড), রণতোষ চক্রবর্তী, জ্ঞান বিচিত্রা প্রকাশনী, দ্বিতীয় সং, পৃষ্ঠা- ১৯৬
  2. https://bigyan.org.in/2019/08/31/narayanchandra-rana/
  3. https://en.wikipedia.org/wiki/Narayan_Chandra_Rana
  4. https://ciaa1.tripod.com/rana.htm

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

-
এই পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে আমাদের
ফেসবুক পেজ লাইক করে সঙ্গে থাকুন

আধুনিক ভ্রূণ বিদ্যার জনক পঞ্চানন মাহেশ্বরীকে নিয়ে জানুন



ছবিতে ক্লিক করে দেখুন ভিডিও