ভারতে যে ক’জন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ঘরানার সীমারেখা ভেঙ্গে নিজস্ব শৈলী গড়ে তোলেন তাঁদের মধ্যে পণ্ডিত কুমার গন্ধর্ব (Pandit Kumar Gandharva) অন্যতম। তিনি মূলত হিন্দুস্তানি খেয়াল ধারার শিল্পী ছিলেন। অনন্য কণ্ঠ, রাগের উপর তাঁর দখল এবং ঘরানা বহির্ভূত ভিন্ন ধরনের সঙ্গীতের জন্য তিনি সুপরিচিত ছিলেন।
১৯২৪ সালের ৮ এপ্রিল ভারতের কর্ণাটকের বেলগাঁওয়ের কাছে সুলেভাভিতে একটি কন্নড় লিঙ্গায়ত পরিবারে পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বের জন্ম হয়। তাঁর আসল নাম শিবপুত্র সিদ্ধারামাইয়া কোমকালিমত (Shivaputra Siddharamayya Komkalimath)। শৈশবে তাঁর সঙ্গীত প্রতিভা দেখে তাঁকে ‘কুমার গন্ধর্ব’ উপাধি দেওয়া হয় এবং পরে সেটাই হয়ে ওঠে তাঁর পরিচয়। হিন্দুধর্ম মতে, গন্ধর্বরা দেবতাদের সেবায় নিয়োজিত উপদেবতা, যাঁরা দেবলোকের সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে অত্যন্ত দক্ষ ও প্রশিক্ষিত গায়কদের বেলাতেও ‘গন্ধর্ব’ শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কুমার গন্ধর্বের বাবার নাম সিদ্ধারামাইয়া কোমকালিমত। তাঁর মায়ের নাম ছিল সাবিত্রী। কুমার গন্ধর্ব দুবার বিয়ে করেছিলেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী ভানুমতী কান্স (Bhanumati Kans) ছিলেন প্রতিভাময়ী সঙ্গীতশিল্পী। ১৯৪৬ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। বহু কনসার্টে তিনি তানপুরা বাজাতেন। বি. আর. দেওধরের (B.R. Deodhar) সঙ্গীত বিদ্যালয়ে তাঁরা দুজন সঙ্গীত চর্চা করতেন। সেখান থেকেই তাঁদের প্রেম ও পরবর্তীকালে বিয়ে হয়। ১৯৪৭ সালে তাঁরা দেওয়াসে চলে যান এবং সেখানেই গন্ধর্বের যক্ষ্মা ধরা পড়ে। ভানুমতীর শুশ্রুষায় তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। তাঁদের দুই পুত্রের মধ্যে প্রথম পুত্র মুকুল শিবপুত্রের জন্ম ১৯৫৬ সালে। ১৯৬১ সালে দ্বিতীয় পুত্র যশোবর্ধনের জন্মের সময় ভানুমতী মারা যান। এরপর ১৯৬২ সালে কুমার গন্ধর্ব আবার বিয়ে করেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হলেন বসুন্ধরা শ্রীখণ্ডে (Vasundhara Shrikhande) বা বসুন্ধরা কোমকালি (Vasundhara Komkali)। তিনিও ছিলেন দেওধরের স্কুলের ছাত্রী। একসময় তিনি কুমার গন্ধর্বের শিক্ষার্থীও ছিলেন। হিন্দুস্তানি ক্লাসিকালের গোয়ালিয়র ঘরানার খেয়াল (Khyal) সঙ্গীতের জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন। তিনি ২০০৯ সালে সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পান। তাঁর ও কুমার গন্ধর্বের এক কন্যা সন্তান হয় যাঁর নাম কালাপিনি কোমকালি (Kalapini Komkali)। তিনিও পেশায় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।
এক নজরে পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বের জীবনী:
- জন্ম: ৮ এপ্রিল, ১৯২৪
- মৃত্যু: ১২ জানুয়ারি, ১৯৯২
- কেন বিখ্যাত: পণ্ডিত কুমার গন্ধর্ব ছিলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের এক অভিনব সাধক, যিনি নিজস্ব ধাঁচে খেয়াল ও নিধুবন সঙ্গীতকে নতুন রূপ দেন। তিনি লোকসঙ্গীত, নিরগুণ ভজন ও ধ্রুপদের স্বরকে মিলিয়ে এক ভিন্নধর্মী ঘরানা তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘ অসুস্থতা ও ফুসফুসের সমস্যা থাকা সত্ত্বেও তাঁর কণ্ঠসাধনা ও সুরনির্মাণ তাঁকে কিংবদন্তি শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- পুরস্কার ও স্বীকৃতি: পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বকে পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। সঙ্গীতের ক্ষেত্রে অসামান্য প্রতিভাধারীদের মধ্যপ্রদেশ সরকার প্রতি বছর ‘কুমার গন্ধর্ব রাষ্ট্রীয় সম্মান’ প্রদান করে। এছাড়া ভারতীয় ডাক বিভাগ তাঁর নামে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে।
কুমার গন্ধর্ব ছোট থেকেই সঙ্গীতের প্রতি তীব্র অনুরাগী ছিলেন। পাঁচ বছর বয়সেই তাঁর মধ্যে প্রতিভার প্রকাশ দেখা যায় এবং তখন থেকেই সঙ্গীতের তালিম নিতে শুরু করেন তিনি। ১০ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চে অনুষ্ঠান করার সুযোগ হয় কুমার গন্ধর্বের। তাঁর বয়স যখন ১১ বছর, তখন তাঁর বাবা তাঁকে বিখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ও শিক্ষক বি. আর. দেওধরের কাছে সঙ্গীতে তালিম নেওয়ার জন্য পাঠান। সঙ্গীতের প্রতি তাঁর অনুরাগ এতটাই ছিল যে ক্লাসিকাল সঙ্গীতের কঠিন থেকে কঠিনতম গলার কাজ তিনি করে ফেলতেন অল্প বয়সেই। সঙ্গীতের কৌশল ছিল তাঁর করায়ত্ত এবং সঙ্গীতের জ্ঞান ছিল তাঁর অপরিসীম। সঙ্গীত শিক্ষা তিনি এত দ্রুত অর্জন করেছিলেন যে তিনি নিজেই ২০ বছর বয়স হওয়ার আগে স্কুলে সঙ্গীত গুরু হিসেবে তালি দেওয়ার সুযোগ পান এবং কাজ শুরু করেন। তখন থেকেই পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বকে সঙ্গীতের একজন তারকা হিসেবে চিহ্নিত করা হত এবং তাঁর সঙ্গীত সমালোচকদের প্রশংসা পেত।
চল্লিশের দশকের শেষের দিকে যক্ষ্মা রোগ তাঁর শরীরে বাসা বাঁধে। প্রথম দিকে চিকিৎসায় খুব একটা সাড়া না দেওয়ায় চিকিৎসকরা কার্যত আশাহত হয়ে পড়েন এবং বলে দেন যে তিনি আর কখনও গান গাইতে পারবেন না। কিন্তু হাল না ছেড়ে তাঁরা কুমার গন্ধর্বের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য হাওয়া বদলের পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ মেনে তিনি সপরিবারে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াসে যান। চিকিৎসকরা আশা করেছিলেন যে সেখানকার শুষ্ক আবহাওয়ায় স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে কুমার গন্ধর্বের। পরবর্তীতে সেই আবহাওয়ার গুণে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেও অনেকটা সময় অতিবাহিত হয়। টানা ছয় বছর ধরে অসুস্থ থাকার পর ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু সঙ্গীতকে তিনি আর আগের মতো করে আপন করতে পারেন না। চিকিৎসকরা তাঁকে সাবধান করে বলেন যে গান গাওয়ার চেষ্টা করলে তা তাঁর শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ফের হতে থাকলে পুনরুদ্ধারের আশা খুব কম। অনিচ্ছা সত্ত্বেও চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে নেন তিনি এবং বিছানায় শুয়ে তিনি তাঁর চারপাশের প্রকৃতির শব্দ শুনতে শুরু করেন। অসুস্থতার সময় যখন তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তখন তিনি সঙ্গীতের বিভিন্ন দিক নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে শুরু করেন। বিভিন্ন রাগ, গান গাওয়ার ধরণ (style) এবং বিভিন্ন ধরণের রচনা সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাভাবনা প্রস্ফুটিত হতে শুরু করে।
১৯৫২ সালে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা হিসেবে স্ট্রেপ্টোমাইসিনের আবিষ্কার হয় এবং পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বের চিকিৎসা নতুন করে শুরু হয়। চিকিৎসায় সাড়া দিতে শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে চিকিৎসকদের হাতযশ ও স্ত্রী ভানুমতীর সেবা-যত্নে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। শুরু হয় আবার সঙ্গীতের আরাধনা। তবে তাঁর কণ্ঠস্বর আর আগের মতো থাকে না। তাঁর অসুস্থতা ধরে পড়ত তাঁর গান গাওয়ার ধরণে। তিনি যক্ষা থেকে মুক্তি পেলেও তাঁর এক পাশের ফুসফুস অকেজো হয়ে যায়। তাই তাঁকে অর্ধেক ফুসফুসের সাহায্যে বেঁচে থাকতে হয় যার প্রভাব পড়ে তাঁর সঙ্গীতে। তাঁর সুস্থ হওয়ার পর প্রথম অনুষ্ঠানটি হয়েছিল ১৯৫৩ সালে। এরপর তিনি যতবারই অনুষ্ঠান করেছিলেন প্রতি ক্ষেত্রেই অসুস্থতা তাঁর সঙ্গীতকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল।
সঙ্গীতের জগতে পণ্ডিত কুমার গন্ধর্ব উচ্চ কণ্ঠের জন্য প্রশংসিত ছিলেন। তবে তিনি যে অন্যান্য ধরণের গান গাইতেন না তা নয়। তবে অসুস্থতার পর তিনি তাঁর সঙ্গীতচর্চায় অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন। সঙ্গীত নিয়ে অনেক পরীক্ষানিরীক্ষাও করতেন তিনি। নির্গুণী ভজন (ভক্তিমূলক গান), লোকগীতি, রাগ সঙ্গীত ও সঙ্গীত পরিবেশনা নিয়ে অনেক পরীক্ষা করতেন তিনি। এমনকি অনেক রাগ দ্রুত থেকে ধীর লয়ে উপস্থাপনা নিয়েও তিনি কাজ করেছিলেন। সঙ্গীতের বিভিন্ন ধারায় উদ্ভাবনের জন্য তাঁকে আজও স্মরণ করা হয়। ভারতীয় সংস্কৃতির শিকড়কে ভুলে না গিয়ে পণ্ডিত কুমার গন্ধর্ব সঙ্গীত নিয়ে অনেক কাটাছেঁড়া করেছিলেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশের লোকসংগীতের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল দৃঢ়। সঙ্গীতের প্রতি তাঁর উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গি পুরানো রাগগুলির সংমিশ্রণ থেকে নতুন রাগ তৈরির দিকে নিয়ে যায়। তবে তাঁর সঙ্গীত পরিবেশন নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। সনামধন্য গায়িকা মোগুবাই কুর্দিকর (Mogubai Kurdikar ) তাঁর বিলম্বিত লয়ের (ধীর গতির) গানকে আকর্ষণীয় মনে করেননি। এমনকী কুমার গন্ধর্বের নিজের গুরু দেওধরও তাঁর গানের কিছু কিছু দিক নিয়ে সমালোচনা করেন। তবে এও শোনা যায় কুমার গন্ধর্ব ভানুমতীকে বিয়ে করার পর থেকে তাঁদের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। পণ্ডারিনাথ কোলাপুরের কুমার গন্ধর্বের উপর লেখা বই অনুসারে, দেওধর এই বিয়ের বিরোধী ছিলেন। এও শোনা যায় যে দেওধরের সমালোচনা মূলত কুমার গন্ধর্বের বিলম্বিত গায়কীকে কেন্দ্র করে এবং সেখানে ব্যক্তিগত কোনও পছন্দ-অপছন্দের বিষয় নেই।
তবে একাধিক সমালোচনা সত্ত্বেও দ্রুত গতিতে তাঁর গান গাওয়ার প্রবণতা, বিশেষ করে মধ্যলয়ে তাঁর দক্ষতা তখন ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ও সমাদৃত হয়েছিল। গন্ধর্বের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাঁর ছাত্রী বসুন্ধরা কোমকালির সঙ্গে তিনি অনেক অনুষ্ঠান করেছিলেন। ভজনে তাঁদের জুটি তৎকালীন সংঙ্গীতজ্ঞদের মন কেড়েছিল এবং তাঁদের গান সাধারণ মানুষেরও পছন্দ ছিল। কখনও কখনও কুমার গন্ধর্ব তাঁর ধ্রুপদী পরিবেশনায় অংশ নিতেন। তাঁদের কন্যা কালাপিনি কোমকালিও পরে তাঁর বাবা-মা উভয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন এবং তানপুরা বাজাতেন। কুমার গন্ধর্বের সঙ্গীত দর্শনের কিছু অংশ তাঁর কন্যার পাশাপাশি পুত্র মুকুল শিবপুত্রও এগিয়ে নিয়ে যান। এছাড়া মধুপ মুদগল, বিজয় সারদেশমুখ এবং সত্যশীল দেশপাণ্ডের মতো ছাত্ররাও তাঁর সঙ্গীত দর্শনকে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
তাঁর ছাত্র পরমানন্দ যাদব মুম্বইয়ে কুমার গন্ধর্ব ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে হিন্দুস্তানি ক্লাসিক্যাল এবং কর্ণাটক সঙ্গীতের (Carnatic music or Karnāṭaka saṃgīta or Karnāṭaka saṅgītam ) বিকাশ নিয়ে চর্চা চলে। কুমার গন্ধর্বের নাতি ভুবনেশ (মুকুলের পুত্র) একজন ধ্রুপদী সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে নিজের নাম তৈরি করেছেন। দীর্ঘকাল ধরে গন্ধর্বের সঙ্গীত দর্শন এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তাঁর বন্ধু এবং তবলা শিল্পী বসন্ত আচারেকর। আচারেকর ১৯৫০-এর দশকে বসন্ত দেশাইয়ের সহকারী ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি ধ্রুপদী সঙ্গীতের সহযোগী হিসেবে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে নিয়োজিত করেছিলেন।
পণ্ডিত কুমার গন্ধর্ব ১৯৭৭ সালে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত হন এবং ১৯৯০ সালে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। ১৯৯২ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার তাঁর নামে রাষ্ট্রীয় কুমার গন্ধর্ব সম্মান শুরু করে। সঙ্গীতের ক্ষেত্রে অসামান্য প্রতিভাদের প্রতি বছর এই সম্মান দেওয়া হয়। শবনম বীরমানির (Shabnam Virmani) কবির প্রকল্পের (Kabir Project) চারটি চলচ্চিত্রের সিরিজের শেষটিতে গন্ধর্ব এবং তাঁর শিষ্যদের জীবন, তাঁর কর্মজীবন এবং “নির্গুণ” ভজনে তাঁর যাত্রা তুলে ধরা হয়। ভারত সরকারের ফিল্মস ডিভিশন কুমার গন্ধর্বের উপর ৭৮ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র তৈরি করে যার নাম ‘হংস আকেলা’ (Hans Akela)। সেখানে তাঁর স্ত্রী, বন্ধুবান্ধব, ছাত্রছাত্রী সহ বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষাৎকার রয়েছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হিন্দুস্তানি সঙ্গীতে তাঁর অবদানের কথা স্মরণে রেখে ভারতীয় ডাক (India Post ) পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বের একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।
পণ্ডিত কুমার গন্ধর্বের ১৯৯২ সালের ১২ জানুয়ারি মধ্যপ্রদেশের দেওয়াসে নিজের বাসভবনে মৃত্যু হয়। এর আগে কয়েক দশক ধরে তিনি ফুসফুসের সংক্রমণজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুর পর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তাঁর শেষকৃত্যে সারা দেশ থেকে শত শত সঙ্গীতপ্রেমী উপস্থিত ছিলেন।
সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন। যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন।


আপনার মতামত জানান