ইতিহাস

শম্ভু মিত্র

শম্ভু মিত্র (Sombhu Mitra) বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব, স্বনামধন্য আবৃত্তিকার ও  অভিনেতা। তিনি ছিলেন বাংলার নবনাট্য আন্দোলনের পুরোধা পুরুষ। নাট্যসংস্থা ‘বহুরূপীর’ কর্ণধার। তাঁর পরিচালিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক হল- ‘নবান্ন’, ‘দশচক্র’, ‘রক্তকরবী’, ‘রাজা অয়দিপাউস’ ইত্যাদি। তিনি ‘ম্যাগসেসে’ পুরস্কার ও ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে ভূষিত হন।

১৯১৫ সালের ২২ আগস্ট কলকাতার ভবানীপুর অঞ্চলের ডোভার রোডে দাদু ডাঃ আদিনাথ বসুর বাড়িতে শম্ভু মিত্রের জন্ম হয়। তাঁর বাবার নাম শরৎকুমার বসু ও মায়ের নাম শতদলবাসিনী দেবী। শম্ভু মিত্ররা তিন ভাই, পাঁচ বোন ছিলেন।পাঁচ বোনের মধ্যে একজন শৈশবেই মারা যান। বাকিরা হলেন বনলতা, তরুলতা, পুষ্পলতা ও মাধবীলতা। বড় ভাইয়ের নাম কাশীনাথ। শম্ভু মিত্রের আদি বাড়ি ছিল হুগলীর কলাছাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার গ্রন্থাগারে চাকরি করতেন। অল্প বয়সেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়।

জীবনের প্রথমভাগে তিনি বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৩১ সালে শম্ভু মিত্র প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন। তবে কলেজের পাঠ সমাপ্ত করেননি। এই সময় তাঁর বাবা চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করলে বাবার সঙ্গে তিনিও প্রথমে লখনৌ ও তারপরে এলাহাবাদে থাকতে শুরু করেন। এলাহাবাদে থাকাকালীন তিনি পাবলিক লাইব্রেরীতে পড়াশোনা করে নাটক, সাহিত্য, বিজ্ঞান, সমাজতত্ত্ব, মনস্তত্ত্ববিদ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। জীবনের একটা সময়ে এসে তিনি অনুভব করেন যে, নাটকই তাঁর জীবনের গতিপথ তৈরি করে দেবে। ১৯৩৯ সালে তিনি কলকাতার ‌’রংমহল’ থিয়েটারে যোগদান করেন। এভাবেই  বাণিজ্যিক নাট্যমঞ্চে তাঁর পদার্পণ ঘটে।

এই রংমহলে তাঁর পরিচয় ঘটে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যকে তিনি ‘মহর্ষি’ বলে ডাকতেন। রংমহলে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করার পর বন্ধ হয়ে যায় ‘রংমহল’। প্রখ্যাত অভিনেতা ভূমেন রায়ের সহযোগিতায় ‘মিনার্ভা’ থিয়েটারে যোগ দেন শম্ভু মিত্র। পরবর্তীকালে ভূমেন রায় তাঁকে ‘নাট্য নিকেতন’-এ নিয়ে যান। নাট্যনিকেতনে ‘কালিন্দী’ নাটকে অভিনয়ের সূত্রে সেযুগের কিংবদন্তি নাট্যব্যক্তিত্ব শিশিরকুমার ভাদুড়ীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। এই নাট্য নিকেতন পরবর্তীকালে ‘শ্রীরঙ্গম’ নামে পরিচিত হয়। এই নাট্য নিকেতনের কর্তা ছিলেন শিশিরকুমার ভাদুড়ী। পরবর্তীকালে শিশিরকুমার ভাদুড়ীর প্রযোজনায় ‘আলমগীর’ নাটকে অভিনয়ও করেছিলেন শম্ভু মিত্র।

১৯৪০-৪১ সাল নাগাদ শম্ভু মিত্র ‘শ্রীরঙ্গম’ নাট্য মঞ্চ ছেড়ে দেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এই সংকটপূর্ণ সময়ে যুদ্ধ, ফ্যাসিবাদ, মন্বন্তর, দাঙ্গায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল সমগ্র বাংলা। বামপন্থী বুদ্ধিজীবী শিল্পী-সাহিত্যিকরা গড়ে তোলেন ‘অ্যান্টি ফ্যাসিস্ট রাইটার্স এন্ড আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশান’ (Anti-Fascist Writers and Artist Association) পরে যার নাম হয় ‘গণনাট্য সংঘ’। এই সময় থেকেই শিশিরকুমারের থেকে আলাদা সম্পূর্ণ নিজস্ব এক নাট্যঘরানা তৈরিতে উদ্যোগী হন শম্ভু মিত্র। ১৯৪২ সালে ফ্যাসিবিরোধী সংঘের সঙ্গে পরিচিত হন শম্ভু মিত্র। ১৯৪৩ সালে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক পি. সি. যোশির অনুপ্রেরণায় যোগ দেন ভারতীয় ‘গণনাট্য’ সংঘে। প্রথমে বিনয় ঘোষের ‘ল্যাবরেটরি’ ও বিজন ভট্টাচার্যের ‘আগুন’ নাটক দুটি মঞ্চস্থ করা হয়। এরপর ‘জবানবন্দী’ ও ‘নবান্ন’ মঞ্চস্থ হয়। বিজন ভট্টাচার্য রচিত এবং শম্ভু মিত্র পরিচালিত ‘নবান্ন’ নাটকের হাত ধরে বাংলা নাটকের নাট্য আন্দোলনের সূচনা ঘটে। শম্ভু মিত্রের নাট্য ভাবনার প্রথম সার্থক ফসল হল ‘নবান্ন’। কিন্তু ১৯৪৮ সালে ‘গণনাট্য’ ছেড়ে তিনি বেরিয়ে আসেন।

গণনাট্য ছেড়ে বেরিয়ে এসে সেই বছরেই মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তিনি গঠন করেন ‘বহুরূপী’ নাট্যগোষ্ঠী। তবে ‘বহুরূপী’ নামকরণ হয়েছিল ১৯৪৯ সালের (মতান্তরে ১৯৫০ সাল) ১ মে। বহুরূপীর প্রথম প্রযোজনা ছিল ‘নবান্ন’। ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বহুরূপীর প্রযোজনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সফোক্লিস, ইবসেন, তুলসী লাহিড়ী প্রমুখ বিশিষ্ট নাট্যকারের রচনা তাঁর পরিচালনায় মঞ্চস্থ হয়। এই সময়ে শম্ভু মিত্র পরিচালিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাটক হল- ‘পথিক’ (১৯৪৯), ‘উলুখাগড়া’ (১৯৫০), ‘ছেঁড়া তার’ (১৯৫০), ‘বিভাব’ (১৯৫১) , ‘পুতুলখেলা’ (১৯৫৮), ‘মুক্তধারা’ (১৯৫৯), ‘কাঞ্চনরঙ্গ’ ও ‘বিসর্জন’ (১৯৬১), ‘রাজা অয়দিপাউস’ ও ‘রাজা’ (১৯৬৪), ‘বাকি ইতিহাস’ (১৯৬৭), ‘বর্বর বাঁশি’ (১৯৬৯), ‘পাগলা ঘোড়া’ ও ‘চোপ আদালত চলছে’ (১৯৭১) ইত্যাদি। তাঁর রচিত নাটকের মধ্যে ‘চাঁদ বণিকের পালা’ সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য একটি কালজয়ী নাটক। তবে এই নাটকের প্রযোজনা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব না হলেও একাধিক অনুষ্ঠানে তিনি এই নাটক পাঠ করেছেন এবং রেকর্ডও করেছেন। তিনি ইবসেনের (Ibsen) দুটি নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন- A Doll’s House এর অনুকরণে ‘পুতুল খেলা’ ও An Enemy of the People-এর অনুকরনে ‘দশচক্র’।

‘চার অধ্যায়’ ছিল বহুরূপী পরিবেশিত প্রথম রবীন্দ্র নাটক। এরপর রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’, ‘মুক্তধারা’, ‘বিসর্জন’ প্রভৃতি নাটক মঞ্চস্থ হয়। ‘রক্তকরবী’ বহুরূপীর প্রযোজনায় বাংলা তথা ভারতীয় নাটকের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। ‘রক্তকরবী’ এবং ‘পুতুল খেলা’ নাটক দুটি ভারতের বিভিন্ন শহর ছাড়াও বাংলাদেশের ঢাকায় মঞ্চস্থ হয়েছে। সাংস্কৃতিক আমন্ত্রণে আমন্ত্রিত হয়ে তিনি রাশিয়াসহ পূর্ব ইউরোপের নানা দেশে ভ্রমণ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক নাট্য জগতের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন। ১৯৭০ সালে একটি আর্ট কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্দেশ্যে গঠিত হয় ‘বঙ্গীয় নাট্যমঞ্চ সমিতি’। অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এই সমিতির প্রযোজনায় ও অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় মঞ্চস্থ হয় ‘মুদ্রারাক্ষস’ নাটকটি। এই নাটকে শম্ভু মিত্রও অভিনয় করেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের অসহযোগিতায় প্রয়োজনীয় জমি না পাওয়া গেলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি ১৯৭৮ সালের ১৬ জুন ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস’-এ ‘দশচক্র’ নাটকে অভিনয় করেন। বহুরূপীর প্রযোজনায় এটিই তাঁর শেষ নাটক। একই বছরে ১৫ আগস্ট অ্যাকাডেমিতে স্বরচিত ‘চাঁদ বনিকের পালা’ নাটকটি পাঠ করেন তিনি। এরপর বহুরূপীর আর কোনো প্রযোজনায় তাঁকে দেখা যায়নি।

‘গর্ভবতী বর্তমান’ ও ‘অতুলনীয় সংবাদ’ নামে দুটি একাঙ্ক নাটকও তিনি রচনা করেন। তবে নাট্যরচনা ছাড়াও শম্ভু মিত্র পাঁচটি ছোটগল্প ও একাধিক নাট্যবিষয়ক প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত দুটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ হল- ‘কাকে বলে নাট্যকলা’ ও ‘প্রসঙ্গ : নাট্য’।

অসামান্য নাট্যকার ছাড়াও শম্ভু মিত্র ছিলেন একজন স্বনামধন্য আবৃত্তিকার। তাঁর কণ্ঠে জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের ‘মধুবংশীর গলি’ কবিতাটির আবৃত্তি যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়। এছাড়াও রয়েছে তাঁর স্বকণ্ঠে রেকর্ড করা বহু নাট্যপাঠ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-‘রক্তকরবী’, ‘চার অধ্যায়’, ‘রাজা অয়দিপাউস’, ‘তাহার নামটি রঞ্জনা’, ‘ডাকঘর’, ‘চাঁদ বণিকের পালা’। এছাড়া রয়েছে শম্ভু মিত্রের কন্ঠে রবীন্দ্রনাথের কবিতাপাঠ, ‘দিনান্তের প্রণাম’। কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতাও স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে ধ্বনিত হয়েছে তাঁর কণ্ঠে। তাঁর মুখস্থ ক্ষমতা এতটাই ছিল যে, ‘সঞ্চয়িতা’ কিংবা ‘চয়নিকা’, গোটাটাই তাঁর মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। কোন পাতায় কোন কবিতা আছে তা পর্যন্ত বলে দিতে অসুবিধা ছিল না।

তিনি চলচ্চিত্র জগতেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি খাজা আহমেদ আব্বাসের পরিচালনায় নির্মিত হিন্দি ছবি ‘ধরতি কে লাল’-এর সহকারী পরিচালক ছিলেন। এছাড়াও অভিনয় করেছেন ‘মানিক’, ‘শুভবিবাহ’, ‘৪২’, ‘কাঞ্চনরঙ্গ’, ‘পথিক’, ‘বউ-ঠাকুরাণীর হাট’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে। অমিত মিত্রের সঙ্গে ‘একদিন রাত্রে’ ও এই ছবির হিন্দি অনুকরণ ‘জাগতে রহো’-র কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনার কাজ করেন। রাজ কাপুর প্রযোজিত ও অভিনীত ‘জাগতে রহো’ ছবিটি ‘গ্রাঁ পিঁ’ সম্মানে ভূষিত হয়।

১৯৪৫ সালের ১০ ডিসেম্বর মুম্বাই শহরে বাংলা থিয়েটার জগতের বিখ্যাত মঞ্চাভিনেত্রী তৃপ্তি ভাদুড়ীর সঙ্গে শম্ভু মিত্রের বিবাহ হয়। নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্য ছিলেন তৃপ্তি মিত্রের মাসতুতো দাদা। শম্ভু মিত্রের ও তৃপ্তি মিত্রের কন্যা শাঁওলী মিত্রও স্বনামধন্য মঞ্চাভিনেত্রী। শাঁওলি মিত্রের নাট্যসংস্থা ‘পঞ্চম বৈদিক’-এর সঙ্গে আমৃত্যু যুক্ত ছিলেন শম্ভু মিত্র।  

শম্ভু মিত্র সারাজীবনে পেয়েছেন অসংখ্য সম্মান। ১৯৫৬ সালে সেরা বাংলা ফিচার ফিল্ম ‘একদিন রাতে’- এর জন্য ‘ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ পান। ১৯৫৭ সালে ‘জাগতে রহো’ ছায়াছবির জন্য পান ‘ক্রিস্টাল গ্লোব’। ১৯৬৬ সালে লাভ করেন ‘সংগীত নাটক একাডেমি ফেলোশিপ’। ১৯৭৬ সালে নাটক ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ‘ম্যাগসেসে’ পুরস্কার’ (Ramon Magsaysay Award) লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি ভারত সরকারের ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে সম্মানিত হন।  ১৯৭৭ সালে এক বছরের জন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং ‘ফেলো’ হয়েছিলেন। চলচ্চিত্রে তাঁর অবদানের জন্য ‘গ্রাঁ পি’ (Grand-Prix) পুরস্কার পান। ১৯৮২-৮৩ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার তাঁকে ‘কালিদাস সম্মান’-এ সম্মানিত করে। ১৯৮৯ সালে বিশ্বভারতী তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে সম্মানিত করে। যাদবপুর ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সাম্মানিক ‘ডি.লিট’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

১৯৭৯ সালে নান্দীকার প্রযোজিত ‘মুদ্রারাক্ষস’ নাটকে চাণক্যের ভূমিকায় তাঁর অভিনয় বিশেষ সাড়া ফেলেছিল।  তিনি ফ্রিৎজ বেনেভিৎজের (Fritz Bennewitz) পরিচালনায় বের্টল্ট ব্রেখটের  ‘The Life of Galileo’ বা ‘গ্যালিলিওর জীবন’ নাটকে অভিনয় করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি নিজের প্রযোজনায় কন্যা শাঁওলী মিত্র পরিচালিত ‘নাথবতী অনাথবৎ’ নাটকে কন্যার সঙ্গে অভিনয় করেন। ১৯৮০ সালের ১৮ নভেম্বর ‘গ্যালিলি গ্যালিলিও’ নাটকের নাম ভূমিকায় তিনি অভিনয় করেন। এরপরই তিনি অভিনয় জগত থেকে অবসর নেন।

১৯৯৭ সালের ১৯ মে কলকাতার বাসভবনে শম্ভু মিত্রের মৃত্যু হয়। তিনি ইচ্ছাপত্রে লিখেছিলেন, “মোট কথা আমি সামান্য মানুষ, জীবনের অনেক জিনিস এড়িয়ে চলেছি, তাই মরবার পরেও আমার দেহটা যেন তেমনই নীরবে, একটু ভদ্রতার সঙ্গে, সামান্য বেশে, বেশ একটু নির্লিপ্তির সঙ্গে গিয়ে পুড়ে যেতে পারে।” এই কারণে সৎকার সমাধা হওয়ার আগে কোন সংবাদমাধ্যমে শম্ভু মিত্রের মৃত্যুসংবাদ প্রচার করা হয়নি।

Click to comment

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

To Top
error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর - জন্ম সার্ধ শতবর্ষ



তাঁর সম্বন্ধে জানতে এখানে ক্লিক করুন

সাহিত্য অনুরাগী?
বাংলায় লিখতে বা পড়তে এই ছবিতে ক্লিক করুন।

বাংলাভাষায় তথ্যের চর্চা ও তার প্রসারের জন্য আমাদের ফেসবুক পেজটি লাইক করুন