সববাংলায়

অনেক দেশ বছরে একাধিকবার জাতীয় সময় বদলায় কেন

অনেক দেশে বছরের কোনো বিশেষ বিশেষ সময়ে ঘড়ির সময় বদলানো হয়। বছরের কোনো এক সময়ে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে দেওয়া হয় আবার অন্য এক সময়ে এসে কাঁটা পিছিয়ে দিয়ে সেই এগিয়ে যাওয়াটা পূরণ করা হয়। একে দিনের আলো সংরক্ষণ সময় বা ডে লাইট সেভিং টাইম (Day light saving) বলা হয়। কিন্তু এই ডে লাইট সেভিং করা হয় কেন বা বছরে দুবার সময় বদলানো হয় কেন?

নিরক্ষরেখা থেকে দূরে এবং পৃথিবীর দুই গোলার্ধে থাকা দেশগুলোতে এই অভ্যাস বেশি দেখা যায়। কারণ নিরক্ষরেখার কাছাকাছি দেশগুলোতে শীত বা গ্রীষ্মের সময় দিন রাত্রির দৈর্ঘ্যে তেমন হেরফের হয় না। কিন্তু নিরক্ষরেখা থেকে দূরে যত উত্তর বা দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে যাওয়া যায় তত দেখা যায় গ্রীষ্মকালে দিন শীতকালের চেয়ে  বড় হয়। গ্রীষ্মকালে যেহেতু দিন বড় হয়, তাই প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার বাড়াতে আর কৃত্রিম আলোর ব্যবহার কমাতে গ্রীষ্ম পড়লে ঘড়ির সময় কিছুটা এগিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে দিনের আলো বেশিক্ষণ থাকার ফলে সেই আলোর ব্যবহার বেশি হয় আর কৃত্রিম আলোর ব্যবহার কিছুটা হলেও কম হয়। তার ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার এবং খরচ কমে। আবার শীতের  সময় ঘড়ি পিছিয়ে দেওয়া হয়। যেমন ইংল্যান্ডে মার্চ মাসের শেষ রবিবারে রাত একটার সময় ঘড়িটি এগিয়ে রাত দুটো করা হয়, তখন শুরু হয় ডে লাইট সেভিং টাইম (Day light saving)। আবার অক্টোবর মাসের  শেষ রবিবারে রাত দুটোর সময় ঘড়িটি পিছিয়ে রাত একটা করা হয়, এবং ডে লাইট সেভিং টাইম (Day light saving) শেষ হয় ও তারা তাদের স্ট্যান্ডার্ড টাইমে (Standard Time) ফিরে আসে।

সারা বিশ্বে অনেক দেশই এই ভাবে বছরে দুবার নিজেদের ঘড়ির সময় বদলায় তবে সব দেশ একই সময়ে এই পরিবর্তন করে না।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading