সববাংলায়

বাচেন্দ্রী পাল

বাচেন্দ্রী পাল (Bachendri Pal) ভারতবর্ষের প্রথম মহিলা পর্বতারোহী যিনি এভারেস্ট শৃঙ্গে পদার্পণ করেছিলেন। পরিবারের ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজের স্বপ্নকে কেবল আঁকড়ে ধরে তা পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এই কৃতিত্ব অর্জনের জন্য যে দুর্গম প্রাকৃতিক পরিবেশে সংগ্রাম করতে হয়েছিল তাঁকে, তা তাঁর আত্মকথা থেকে জানতে পারা যায়। পর্বতারোহণকালে মাঝপথে একসময় তাঁর তাঁবু তুষার ধসের নীচে চাপা পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অনেক পর্বতারোহী নীচে নেমে এলেও বাচেন্দ্রীর অদম্য জেদ এবং লক্ষ্যে অবিচল থাকার মানসিকতা তাঁকে এনে দিয়েছিল চুড়ান্ত সাফল্য। এভারেস্ট জয় ছাড়াও ইন্দো-নেপালি মহিলা মাউন্ট এভারেস্ট অভিযানসহ আরও বেশ কয়েকটি পর্বতারোহণ অভিযানে মহিলাদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি জলপথে র‍্যাফটিং করে গঙ্গাপথে হরিদ্বার থেকে কলকাতা পর্যন্ত এসেছিলেন এক মহিলাদলের সঙ্গে। উল্লেখ্য যে, তিনি তাঁর গ্রামের প্রথম স্নাতকও ছিলেন। এভারেস্ট শৃঙ্গজয়ের মতো কৃতিত্ব তাঁকে কখনও এনে দিয়েছে স্বর্ণপদক, কখনও বা আন্তর্জাতিক স্তরে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এ তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছে। ভারত সরকার তাঁকে সম্মান জানিয়ে ‘পদ্মশ্রী’ এবং ‘পদ্মভূষণ’ খেতাবে ভূষিত করে।

১৯৫৪ সালের ২৪ মে হিমালয়ের কোলে উত্তরাখন্ড রাজ্যের উত্তরকাশী জেলার নাকুরি গ্রামে একটি শ্রমজীবী ভুটিয়া পরিবারে বাচেন্দ্রী পালের জন্ম হয়। এখানে উল্লেখ্য যে প্রথম এভারেস্ট জয়ী তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারির এভারেস্ট জয়ের প্রথম বার্ষিকীর মাত্র পাঁচদিন আগে জন্ম হয়েছিল বাচেন্দ্রীর। তাঁর বাবা কৃষাণ সিং পাল (Kishan Singh Pal) একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ভারত থেকে তিব্বতে নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করতেন। বাচেন্দ্রীর মা হংসা দেবী (Hansa Devi) মোট সাত সন্তানের জননী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই চরম অর্থসংকটের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করতে হয় তাঁদের। বাচেন্দ্রী সেলাই করে যে অর্থ পেতেন, তাও পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য দিয়ে দিতেন। যেহেতু পাহাড়ের কোলে জন্ম, তাই ছোটবেলা থেকেই পর্বতশৃঙ্গ হাতছানি দিত বাচেন্দ্রীকে। তখন থেকেই সুউচ্চ বিশাল পর্বতমালার অজ্ঞাত রহস্য তাঁকে মোহাবিষ্ট করে রাখত। বালিকাবেলার একটি ঘটনা তাঁর পর্বতপ্রীতি এবং তাঁর ভবিষ্যতেরও খানিকটা ইঙ্গিত দেয়। যখন তাঁর মাত্র ১২ বছর বয়স তখন স্কুলের একটি পিকনিকে বন্ধুদের সঙ্গে এক উঁচু পাহাড়ে চড়েছিলেন তিনি। বাচেন্দ্রী এতটুকু ভীত না হয়ে, বরং প্রচন্ড সাহসিকতার সঙ্গেই প্রায় ১৩ হাজার ১২৩ ফুট উচ্চতায় উঠে গিয়েছিলেন অত অল্প বয়সে। ছোটবেলা থেকেই যে তিনি অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় তাও বুঝতে পারা যায় এই ঘটনা থেকে।

বাচেন্দ্রী খেলাধূলা এবং শিক্ষা উভয়ক্ষেত্রেই পারদর্শিতার প্রমাণ দিয়েছেন। বিদ্যালয় স্তর থেকেই এত উজ্জ্বল মেধাবী এক ছাত্রী ছিলেন তিনি যে তাঁর স্কুলের অধ্যক্ষ নিজে উদ্যোগ নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজে পাঠিয়েছিলেন তাঁকে। ডি.এ.ভি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজ থেকে বাচেন্দ্রী সংস্কৃতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছিলেন তাঁর গ্রামের প্রথম স্নাতক মহিলা। কলেজে খেলাধূলায় ভীষণ সক্রিয় ছিলেন বাচেন্দ্রী পাল এবং নিজের অসামান্য দক্ষতাও প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। এমনকি রাইফেল শ্যুটিংয়ে একবার স্বর্ণপদকও জিতেছিলেন বাচেন্দ্রী। এছাড়াও শট-পুট, ডিসকাস, জ্যাভলিন এবং স্প্রিন্টিং ইভেন্টও তিনি জিতেছেন বহুবার। তাঁর পরিবার চাইত তিনি পেশায় একজন শিক্ষক হবেন, সেকারণে উক্ত কলেজ থেকে বি.এড ডিগ্রিও অর্জন করেছিলেন বাচেন্দ্রী পাল। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও শিক্ষকতার চাকরি সহজে পাননি তিনি। পরবর্তীকালে অনেক সংগ্রামের পরে একটি জুনিয়র স্তরের শিক্ষকের চাকরি পেয়েছিলেন বাচেন্দ্রী, কিন্তু তার বেতন এতটাই কম ছিল যে সে চাকরি পরে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। চাকরি ছাড়বার পর আর পরিবারের ইচ্ছাপূরণের জন্য অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করতে চাননি বাচেন্দ্রী, বরং নিজের ইচ্ছেকে বাস্তবায়িত করবার সঙ্কল্প গ্রহণ করলেন বাচেন্দ্রী পাল। একজন পর্বতারোহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরিবার এবং আত্মীয়দের শত অমত, বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে বাচেন্দ্রী ‘নেহেরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং’-এ পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণের কোর্সের জন্য আবেদন করেন এবং প্রবেশের অনুমতি পান।

এখান থেকেই বলা যায় তাঁর জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের সূত্রপাত হয়। ১৯৮২ সালে এই কোর্স চলাকালীন একটি ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সেখানে গঙ্গোত্রী (২৩,৪১৯ ফুট) এবং মাউন্ট রুদ্রগরিয়া পর্বত (১৯,০৯১ ফুট) আরোহণ সম্পন্ন করেছিলেন তিনি। বাচেন্দ্রীই প্রথম মহিলা ছিলেন যিনি এই পর্বতারোহণ করেন। সেই সময় মহিলাদের পর্বতারোহণের প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি অ্যাডভেঞ্চার স্কুল ‘ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন’-এর একজন প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছিলেন বাচেন্দ্রী পাল। এই সংস্থার পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জ্ঞান সিং বাচেন্দ্রীকে এবং অন্য ছয় জন মহিলাকে একটি বৃত্তির জন্য বেছে নেন এবং অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মহিলাদের আরও সাহস জোগানোর জন্য তাঁদের স্বপ্নপূরণে সাহায্য করবার জন্য তৈরি করেন ‘ভাগীরথী সেভেন-সিস্টারস অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব’। 

খুব শীঘ্রই শিক্ষকতা ছেড়ে একজন পেশাদার পর্বতারোহী হওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হন বাচেন্দ্রী পাল। ১৯৮৪ সাল তাঁর জীবনের এক উল্লেখযোগ্য বছর। সেবছরই ভারত তার চতুর্থ এভারেস্ট অভিযানের পরিকল্পনা করেছিল এবং এর নামকরণ করা হয়েছিল ‘এভারেস্ট ৮৪’। উত্তরাখন্ড রাজ্যের পঞ্চম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মানা পর্বতে এই অভিযানের জন্য নির্বাচনী ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। তখন আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন বাচেন্দ্রী, কিন্তু অসুস্থতার জন্য বেস ক্যাম্পেই থাকতে হয়েছিল তাঁকে। যদিও আবেদন প্রত্যাহার করেননি তিনি। সুস্থ হওয়ার পর প্রশিক্ষণে যোগ দেন এবং সবকটি সেশন সফলভাবে পূরণ করতে সক্ষম হন। সেখানে ৭,৫০০ মিটার সফলভাবে আরোহন করেন তিনি। ক্যাম্প থেকে নামার সময় অন্যান্যদের তুলনায় মালপত্র নিয়ে ঢাল বেয়ে খুব ধীরগতিতে নেমেছিলেন বাচেন্দ্রী। তাঁর এই পদ্ধতি দেখে শিবিরের নেতা মেজর প্রেম চাঁদ খুবই প্রশংসা করেন তাঁর। অবশেষে ‘এভারেস্ট ৮৪’ অভিযানের জন্য নির্বাচিত ছয় জন মহিলা এবং এগার জন পুরুষ নিয়ে যে দল প্রস্তুত করা হয়, সেই দলে বাচেন্দ্রী স্থান পেয়েছিলেন।

১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে দলটিকে নেপালের কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকেই এভারেস্ট অভিযান শুরু হয়। কী ভয়ংকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল এই দুর্গম অভিযানে, তা বাচেন্দ্রীর স্মৃতিচারণা থেকে জানতে পারা যায়। ১৯৮৪ সালের মে মাসে দলটি যাত্রা শুরু করেছিল। মাঝপথে ক্যাম্প-৩-এর তাঁবুতে ঘুমানোর সময় ১৫ ও ১৬ মে রাতে এক তুষারধ্বসের কবলে পড়েছিলেন বাচেন্দ্রীরা। তাঁর তাঁবুটি চাপা পড়ে গিয়েছিল একরাশ বরফের নীচে। বাচেন্দ্রীর সতীর্থদের অনেকেই তুষারধ্বসের আচমকা আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে পড়েছিল এবং এই অভিযান থেকে সরে এসেছিল। কিন্তু বাচেন্দ্রী পাল এত সহজে হার মানবার মত মানুষ নন। ২২ মে তারিখে আং দোর্জে নামক এক শেরপা এবং আরও কিছু পর্বতারোহী যোগ দেয় তাঁদের দলে। উল্লেখ্য তখন সেই দলে একমাত্র মহিলা ছিলেন বাচেন্দ্রী পাল। সেখান থেকে সাউথ কোলে পৌঁছান তাঁরা এবং সেই ২৬ হাজার ফুট উচ্চতায় ক্যাম্প-৪-এ রাত্রি যাপন করেন তিনি। তীব্র ঠান্ডা বাতাস প্রায় ১০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে প্রবাহিত হচ্ছিল এবং তাপমাত্রা ছিল –৩০ থেকে –৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি, তার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। অবশেষে ১৯৮৪ সালের ২৩ মে দুপর ১টা বেজে ৭ মিনিটে বাচেন্দ্রী পাল এভারেস্ট শৃঙ্গে পা রেখে ইতিহাস গড়েন। তিনি ভারতের প্রথম এবং বিশ্বের পঞ্চম নারী যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। সেই বছরই ‘ইন্ডিয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ফাউন্ডেশন’ তাঁকে স্বর্ণপদক প্রদান করে।

এভারেস্ট জয় ছাড়াও তিনি পরবর্তীকালে অনেকগুলি পর্বতাভিযানে মহিলা দলের নেতৃত্ব দান করেন। ১৯৯৩ সালে ‘ইন্দো-নেপালি উওম্যানস মাউন্ট এভারেস্ট এক্সিপিডিশন’-এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাচেন্দ্রী পাল। ১৯৯৪ সালে মহিলাদের ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান উইমেনস রাফটিং ওয়ায়েজ’-এ অংশ নেন তিনি। তিনটি রাফটারে ১৮ জন মহিলা ছিল। তাঁরা হরিদ্বার থেকে কলকাতা পর্যন্ত গঙ্গাপথে দুর্ধর্ষ সাহসিকতার সঙ্গে ৩৯ দিনে ২ হাজার ১৫৫ কিলোমিটার যাত্রা করে এসেছিলেন। ১৯৯৭ সালে বাচেন্দ্রী পাল সহ আরও সাত জন মহিলা পর্বতাভিযানের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। সে বছর ‘ফার্স্ট ইন্ডিয়ান উওমেন ট্রান্স-হিমালয়ান এক্সপিডিশন’-এর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাচেন্দ্রী। তাঁরা আট জন মহিলা হিমালয়ের পূর্ব অংশ অরুণাচল প্রদেশ থেকে হিমালয়ের পশ্চিম অংশ সিয়াচেন হিমবাহের ইন্দিরা কোলে পৌঁছেছিল। ২২৫ দিনে ৪০টিরও বেশি উচ্চ পার্বত্যপথ পেরিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছিলেন তাঁরা। এছাড়াও বাচেন্দ্রী পাল নিউজিল্যান্ডের ‘স্যার এডমন্ড হিলারি আউটডোর পারস্যুট সেন্টার’ থেকে আউটডোর এডুকেটরস কোর্সে ডিগ্রিও অর্জন করেছিলেন।

সমাজসেবামূলক কাজেও বাচেন্দ্রী এগিয়ে এসেছেন। ২০১৩ সালে উত্তর ভারতে বন্যার সময় পর্বতারোহী প্রেমলতা আগরওয়াল এবং আরও কয়েকজন পর্বতারোহীর সঙ্গে উত্তরকাশী এবং হিমালয়ের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে ত্রাণ পৌঁছে দেন এবং একটি উদ্ধার অভিযান চালিয়েছিলেন তাঁরা।

এভারেস্ট জয় ছাড়াও আজীবন আরও নানান কৃতিত্ব অর্জনের জন্য বিভিন্ন সময়ে বিবিধ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন বাচেন্দ্রী পাল। ১৯৮৪ সালে এভারেস্ট জয়ের বছরে ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত হন তিনি। ১৯৮৫ সালে উত্তরপ্রদেশের শিক্ষা বিভাগ তাঁকে স্বর্ণপদক প্রদান করে। ১৯৮৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘অর্জুন পুরস্কার’-এ সম্মানিত করে। ১৯৯০ সালে ‘গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এ তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৯৪ সালে ভারত সরকার কর্তৃক জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার পুরস্কার পেয়েছিলেন বাচেন্দ্রী পাল। ১৯৯৫ সালে উত্তরপ্রদেশ সরকার তাঁকে যশ ভারতী পুরস্কার প্রদান করে। ১৯৯৭ সালে হেমবতী নন্দন বহুগুণা গাড়ওয়াল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ‘ডক্টরেট’ উপাধি প্রদান করে। ভারতের মধ্যপ্রদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক কর্তৃক প্রদত্ত বীরাঙ্গনা লক্ষ্মীবাঈ রাষ্ট্রীয় সম্মান ২০১৩-১৪ পুরস্কারের প্রথম প্রাপক ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে ভারত সরকারের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘পদ্মবিভূষণ’ খেতাবে ভূষিত হন বাচেন্দ্রী।

বাচেন্দ্রী পাল ‘মাই জার্নি টু দ্য টপ’ নামে একটি আত্মজীবনীও রচনা করেছিলেন। জামশেদপুরের ‘টাটা স্টিল’-এর অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রামের প্রধান এবং ‘টাটা স্টিল অ্যাডভেঞ্চার ফাউন্ডেশন’ (টিএসএএফ) এর পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল বাচেন্দ্রীকে। তিনি বহু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের স্কুলে গিয়েছেন ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতার উন্নতিসাধনে এবং পেশাদার মানুষ, ছাত্র, গ্রামীণ যুবা ও সুবিধা-বঞ্চিতদের সাহায্য করার চেষ্টা করেছেন।

বর্তমানে ‘টাটা স্টিল’-এ নিযুক্ত আছেন বাচেন্দ্রী পাল যেখানে তিনি প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন।


সববাংলায়-এর উদ্যোগ ভাল লাগলে আপনার সাধ্য মতো অনুদান দিয়ে সাহায্য করুন।  যেকোন অর্থমূল্য দিয়ে সাহায্য করতে এখানে ক্লিক করুন। 


 

error: লেখা নয়, লিঙ্কটি কপি করে শেয়ার করুন।

Discover more from সববাংলায়

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading